Thursday, November 26th, 2020

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: November 26, 2020

৪র্থ শিল্প বিপ্লবের চিন্তা থেকেই দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

দিপু সিদ্দিকীঃ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের চিন্তা থেকেই তাঁর সরকার দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বলেছেন, এখন থেকেই উদ্যোগী না হলে দেশ পিছিয়ে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বে এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা আসছে। এই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা মাথায় রেখেই আমাদের দক্ষ কর্মজ্ঞান সম্পন্ন লোকবল সৃষ্টি করতে হবে। সেটার জন্য এখন থেকেই উদ্যোগ না নিলে আমরা পিছিয়ে যাব। সুতরাং আমরা পিছিয়ে যেতে চাইনা। এজন্য প্রশিক্ষণটা সাথে সাথে দরকার। কারণ আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে চাই। বিশ্ব প্রযুক্তিগতভাবে যতটুকু এগোবে আমরা তারসঙ্গে তাল মিলিয়েই আমরা চলবো।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সন্ধ্যায় ফ্রিল্যান্সার আইডি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শেরে বাংলা নগরস্থ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘একটা লক্ষ্য স্থির থাকলে এগিয়ে যাওয়া সহজ হয়। আমরা ক্ষমতায় আসার পর আশু করণীয় কী, মধ্য মেয়াদী, সুদূরপ্রসারি সব পরিকল্পনা করে দিয়েছি।  ২০১৩ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছি। ২১০০ সালের মধ্যে দেশ কেমন হবে তার পরিকল্পনা করেছি। সেই লক্ষ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারদের ১১৬, ১১৭, ১১৮তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের সমাপনী ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে তিনি বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে যুক্ত হন। ১১৬ জন প্রশিক্ষণার্থী এই প্রশিক্ষণে অংশ নেন।.

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হয়। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের দায়িত্ব নেন জাতির পিতা। মাত্র সাড়ে তিন বছর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি দেশ পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু ‘৭৫ এ সপরিবারে তাকে হত্যা করা হয়। তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে পিছিয়ে যায় বাংলাদেশ।’ বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘জাতির জনক দেশের পুরো ব্যবস্থাটাকে ঢেলে সাজানোর পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। এটা বাস্তবায়িত হলে ১০ বছরের দেশ মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে উঠতো।’

পাকিস্তানে ডন পত্রিকার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘১৯৫৬ সালে বাঙালিরা কী অবস্থানে ছিল? পাকিস্তানিদের চোখে বাঙালিরা নাকি যোগ্যই ছিল না। প্রশাসন ও সামরিক বাহিনীতে উচ্চপদে বাঙালিরা ছিল না। বাঙালিরা কোনও কাজেই যোগ্য না- পাকিস্তানিরা এই ভাবটা দেখাতো। আইন ও প্রশাসনের ক্ষেত্রে কোনও নারী ছিল না।’ তিনি বলেন, আইন ও প্রশাসনের ক্ষেত্রে যেন আমাদের মেয়েরা ঢুকতে পারে সেজন্য জাতির পিতা আইন করে দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭৫ এর ২১ বছর পর আমরা সরকার গঠন করি। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি নেই। প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়ন করি। বাংলাদেশটাকে উন্নত করার চেষ্টা করছি। ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করেছি। করোনার মধ্যেও উন্নয়নের ধারাটাও একারণে অব্যাহত রাখতে পারছি।’.

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী

তিনি বলেন, ‘এদেশের মানুষের ভাগ্যটা কীভাবে পরিবর্তন করবেন বঙ্গবন্ধুর চিন্তা সেটাই ছিল। আমরা বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমরা এগিয়ে চলেছি। বাংলাদেশের জন্য আমরা দীর্ঘ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘২০১৫ সালে শতভাগ বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা করে দিয়েছি। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আমরা যত সুবিধা করে দিয়েছি তা আর কেউ করেনি। আপনারা কোনও মানুষকে অবহেলার চোখে দেখবেন না। মানুষ যাতে ন্যায় বিচার পায় তা দেখতে হবে।  বিভিন্ন সমস্যা যেমন-ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, মাদক, দুর্নীতি এসবের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে। করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, অন্যদের মেনে চলায় সচেতন করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার দ্বিতীয় পর্যায় কীরকম হবে আমরা জানি না। তাই সব রকম প্রস্তুতি নিতে হবে, সচেতন হতে হবে। এর জন্য যা যা করা দরকার তার সবকিছুর নির্দেশনা দিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘একটা লক্ষ্য স্থির থাকলে এগিয়ে যাওয়া সহজ হয়। আমরা ক্ষমতায় আসার পর আশু করণীয় কী, মধ্য মেয়াদী, সুদূরপ্রসারি সব পরিকল্পনা করে দিয়েছি।  ২০১৩ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছি। ২১০০ সালের মধ্যে দেশ কেমন হবে তার পরিকল্পনা করেছি। সেই লক্ষ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারদের ১১৬, ১১৭, ১১৮তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের সমাপনী ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে তিনি বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে যুক্ত হন। ১১৬ জন প্রশিক্ষণার্থী এই প্রশিক্ষণে অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হয়। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের দায়িত্ব নেন জাতির পিতা। মাত্র সাড়ে তিন বছর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি দেশ পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু ‘৭৫ এ সপরিবারে তাকে হত্যা করা হয়। তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে পিছিয়ে যায় বাংলাদেশ।’ বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘জাতির জনক দেশের পুরো ব্যবস্থাটাকে ঢেলে সাজানোর পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। এটা বাস্তবায়িত হলে ১০ বছরের দেশ মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে উঠতো।’

পাকিস্তানে ডন পত্রিকার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘১৯৫৬ সালে বাঙালিরা কী অবস্থানে ছিল? পাকিস্তানিদের চোখে বাঙালিরা নাকি যোগ্যই ছিল না। প্রশাসন ও সামরিক বাহিনীতে উচ্চপদে বাঙালিরা ছিল না। বাঙালিরা কোনও কাজেই যোগ্য না- পাকিস্তানিরা এই ভাবটা দেখাতো। আইন ও প্রশাসনের ক্ষেত্রে কোনও নারী ছিল না।’ তিনি বলেন, আইন ও প্রশাসনের ক্ষেত্রে যেন আমাদের মেয়েরা ঢুকতে পারে সেজন্য জাতির পিতা আইন করে দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭৫ এর ২১ বছর পর আমরা সরকার গঠন করি। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি নেই। প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়ন করি। বাংলাদেশটাকে উন্নত করার চেষ্টা করছি। ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করেছি। করোনার মধ্যেও উন্নয়নের ধারাটাও একারণে অব্যাহত রাখতে পারছি।’

তিনি বলেন, ‘এদেশের মানুষের ভাগ্যটা কীভাবে পরিবর্তন করবেন বঙ্গবন্ধুর চিন্তা সেটাই ছিল। আমরা বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমরা এগিয়ে চলেছি। বাংলাদেশের জন্য আমরা দীর্ঘ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘২০১৫ সালে শতভাগ বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা করে দিয়েছি। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আমরা যত সুবিধা করে দিয়েছি তা আর কেউ করেনি। আপনারা কোনও মানুষকে অবহেলার চোখে দেখবেন না। মানুষ যাতে ন্যায় বিচার পায় তা দেখতে হবে।  বিভিন্ন সমস্যা যেমন-ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, মাদক, দুর্নীতি এসবের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে। করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, অন্যদের মেনে চলায় সচেতন করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার দ্বিতীয় পর্যায় কীরকম হবে আমরা জানি না। তাই সব রকম প্রস্তুতি নিতে হবে, সচেতন হতে হবে। এর জন্য যা যা করা দরকার তার সবকিছুর নির্দেশনা দিয়েছি।’ সুত্র-বাসস,বিটিভি।

Posted by: | Posted on: November 26, 2020

নোবেল শান্তি পুরস্কারে মনোনয়ন পেলেন নেতানিয়াহু-এমবিজেড

২০২১ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদ (এমবিজেড)। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য তাদের এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। ১৯৯৮ সালে শান্তিতে নোবেলজয়ী লর্ড ডেভিড ট্রিম্বল এ পুরস্কারের জন্য তাদের নাম প্রস্তাব করেছেন। মঙ্গলবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই।.

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দফতরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শান্তিতে নোবেলজয়ী লর্ড ডেভিড ট্রিম্বল প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং আবু ধাবির যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে শান্তিতে নোবেলের জন্য মনোনীত করেছেন।

২০২১ সালের অক্টোবরে অসলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার ঘোষণার কথা রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ওই চুক্তির পর আবু ধাবির হোটেলগুলোকে বাধ্যতামূলকভাবে ইহুদি খাবার রাখার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। ইসরায়েলের নাম উল্লেখ না করেই আমিরাতে ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে বিদেশিদের শতভাগ মালিকানার বিধান করে কর্তৃপক্ষ।

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ ১৩টি মুসলিম দেশের নাগরিকদের নতুন করে ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দেয় আমিরাতি কর্তৃপক্ষ। ২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলো হচ্ছে তুরস্ক, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, লিবিয়া, ইয়েমেন, আলজেরিয়া, সোমালিয়া, কেনিয়া, ইরাক, লেবানন, তিউনিসিয়া, ইরান ও সিরিয়া। এসব দেশের নাগরিকদের মধ্য থেকে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত এবং ভ্রমণ ভিসাও পরবর্তী নোটিশ দেওয়ার আগ পর্যন্ত থাকবে।

এদিকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য নেতানিয়াহু-এমবিজেড-এর মনোনয়নে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। সমালোচকরা বলছেন, ভয়াবহ আকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্তদের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা উপহাসের শামিল।

টুইটারে মোহাম্মদ শফিক নামের একজন লিখেছেন, ‘ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধী নেতানিয়াহুর হাত বহু ফিলিস্তিনির রক্তে রঞ্জিত। ডেভিড ট্রিম্বল তাকেই নোবেল শান্তি পুরস্কারে মনোনীত করেছেন। এই দুষ্ট লোকের হাতে যারা নিহত হয়েছে তাদের জন্য কী নিদারুণ এক অপমান ও রসিকতা।’

Posted by: | Posted on: November 26, 2020

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ-ডেনমার্ক

পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

পানি শোধন, বর্জ্য ও বিষাক্ত পানি ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সৌর শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানোসহ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করবে বাংলাদেশ ও ডেনমার্ক। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) সকালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিনের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে কাজ করার আহ্বান জানান ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন। মন্ত্রী তার সঙ্গে একমত পোষণ করেন।

এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) মাহমুদ হাসান ও অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) আহমদ শামীম আল রাজীন এবং ডেনমার্ক দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর আলি মুসতাক বাট উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনাকালে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে গ্রিন পোর্টে পরিণত করার বিষয়ে সহায়তা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জন, প্রতিবেশ রক্ষা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে ডেনমার্ক। তিনি জ্বালানি দক্ষতা অর্জন, কৃষি সহ অন্যান্য সব ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে সহযোগিতার প্রস্তাব করেন।

পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই ডেনমার্ক বাংলাদেশকে অব্যাহত সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ‘ক্লাইমেট ভালনারেবলিটি ফোরাম’-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মন্ত্রী বলেন, তাছাড়া ‘গ্লোবাল সেন্টার অব অ্যাডাপটেশন’-এর আঞ্চলিক অফিস ঢাকায় স্থাপনের ফলে বাংলাদেশ জলবায়ু ইস্যুতে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে বাংলাদেশ।

সভায় দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। জাতিসংঘসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরামে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়েও দুই জন একমত পোষণ করেন।

Posted by: | Posted on: November 26, 2020

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি বোর্ডের পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) ও কারিগরি বোর্ডের বন্ধ থাকা পরীক্ষাগুলো মাসখানেকের মধ্যে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বুধবার (২৫ নভেম্বর) এক ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরীও যুক্ত ছিলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষার এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব পরীক্ষা আটকে রয়েছে সেসব পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করি মাস খানেক পরেই পরীক্ষাগুলো নিয়ে নিতে পারবো। এসব পরীক্ষার পরীক্ষার্থী কম। সারাদেশে একেক কেন্দ্রে ভাগ ভাগ করে পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা পরীক্ষাগুলো নিতে পারবো।’

তিনি বলেন, ‘পলিটেকনিকের বিভিন্ন পর্যায়ের এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা কিছু বাকি ছিল। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যেই এগুলো নিয়ে নিতে পারবো। সব শিক্ষার্থীকে বলছি, আপনারা প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। চূড়ান্ত পর্যায়ে অটোপাস দেওয়া সম্ভব না। এইচএসসি অটোপাস হয়েছে, তাতে অনেকে লিখেছেন অটোপাস দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, তাদের আরও একটি পরীক্ষা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বা কারিগরিতে হয়তো অনেকে এখানেই লেখাপড়া শেষ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করবেন। তাই পরীক্ষাগুলো ছাড়া আপনাদের যদি অটোপাস দেওয়া হয়, তাহলে কর্মজীবনে বাধা সৃষ্টি হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘যেহেতু পরীক্ষার্থী কম, সেহেতু স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পরীক্ষা নিতে পারবো। আপনারা যাতে প্রস্তুতি নিতে পারেন, মাসখানেক সময় যাতে পান, সে ব্যবস্থা নিয়েই সূচি ঘোষণা করা হবে।’

প্রসঙ্গত, কারিগরি শিক্ষার কিছু পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও করোনার কারণে বাকি পরীক্ষা স্থগিত রয়েছে। অন্যদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফাইনালের চারটি বিষয়ের পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষা ও প্র্যাকটিক্যাল হয়নি।

উল্লেখ্য, করোনার কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দফায় দফায় ছুটি বাড়িয়ে আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

Posted by: | Posted on: November 26, 2020

“ধর্ষণ ও দ্রৌপদী” —–জাঁ-নেসার ওসমান

“ধর্ষণ ও দ্রৌপদী”
এক সময় এই দেশে একটা রেয়াজ প্রচলিত ছিলো- সামাজিক মুখরোচক কোনো ঘটনাকে কেন্দ্র করে. ছোট্ট দু’পাতার কবিতা প্রকাশ হতো। এসব কবিতার বিষয় ছিলো, “ ভাবীর সাথে দেবরের পলায়ন” “ভাগ্নের সাথে মামীর দৈহিক সর্ম্পক” এমনি সব মুখোরচক হালকা রসের কবিতা।
একবার এমনি এক কবিতা ছাপলো, “যৌন শক্তির মহাবীর, দশ’বছরের জাহাঙ্গীর”।
সিরাজ গঞ্জের গ্রামের মাঝে হৈ চৈ পড়ে গেলো।
ঘটনাটা হলো গ্রামের এক ছেলে জাহাঙ্গীর বয়স মাত্র দশ। কিন্তু বিধাতার রসিকতায় জাহাঙ্গীরের পুরুষাঙ্গ বলিষ্ঠ অবস্থায় পঁচিশ বছরের যুবকের মতো সবল ও দীর্ঘ। জাহাঙ্গীর তার পাশের বাড়ীর বিধাব প্রমীলা মাসির সাথে রাতে ঘুমাতো। জাহাঙ্গীরের মা-বাবা, বেশ খুশী। কারণ রাতে জাহাঙ্গীর পাশের বাড়ীর একা বিধাব মাসির সাথে ঘুমাতে গেলে- মা-বাবার ঘুমের ও তাঁদের. সোহাগের সময়টা র্নিবিঘ্নে নিশ্চিতে পার হতো।
গোল বাধলো তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের সামাজিক পরিবেশের কারণে, বিধাব প্রমীলা মাসি কিছুদিন হয় জায়গা জমি সব বিক্রী করে.ভারতের কলকাতায় চলে গেছেন। জাহাঙ্গীরের বাবা-মা, প্রমীলা মাসির বাড়ীতে আসা নতুন প্রতিবেশীর অবিবাহিতা মেয়ে রাহেলার সাথে জাহাঙ্গীরকে ঘুমাতে পাঠালেন। রাহেলার বাবা-মা, বেশ খুশী হলেন। যূবতী মেয়ে রাহেলা গ্রমের বাড়ীতে একা ঘুমানোর চেয়ে জাহাঙ্গীর থাকলে একটু হলেও নিরাপত্তা পাওয়া যাবে।
কিন্তু বিধিবাম, মাঝ রাতে’ ঘুমন্ত রাহেলার যৌবন পুষ্ট শরিরে. জাহাঙ্গীর তার পূর্ণাঙ্গ পুরুষত্ব জাহির করতেই- রাহেলার ঘুম ভেঙে যায়। আর রাহেলা দশ বছরের জাহাঙ্গীরের পঁচিশ বছরের যুবকের মতো বলিষ্ঠ সবল ও দীর্ঘ পুরুষাঙ্গ দেখে ভয়ে চিৎকার
আর রাহেলার হৈ চৈ-এ, সবাই এসে হতবাক। প্রকৃতির এ-কি পরিহাস!!
এখন প্রশ্ন হচ্ছে- প্রাকৃতিক কারণে স্বভাবিক ভাবেই বয়ঃপ্রাপ্তির পর প্রতিটি পুরুষ ও রমণীর কামনা বাসনা জাগবেই। সেটাইতো স্বাভাবিক। তা না হলে সে তো অসুস্থ্য, হিজড়া।
কিন্তু বাংলাদেশে ধর্ষণ কি কারণে সামাজিক ব্যাধিতে পরিণতঃ হচ্ছে!! তিন বছরের শিশুকে রেপ!! এ কোন যৌন বিকৃতি!! শুধু কি তাই, মৃতের সাথে যৌন মিলন। একে তো ধর্ষণ বলা যাবে না। মৃতের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সঙ্গম, মৃতের আবার ইচ্ছা!! তা হলে এই যৌন বিকৃতি কেন?? মাদ্রাসার শিক্ষক দ্বারা কোমলমতি ছাত্রদের.উপর বলাৎকার! তা আবার নিয়মিত!! ভাবা যায়!! আবার অনেক গ্রামে দেখা যায়, ছাগল-ভেড়া, মুরগীর সাথে তরুণের বলাৎকার!!! কেন?
কারণ পৃথিবীর যে কোনো উন্নত দেশে, জার্মান,ফ্রান্স,আমেরিকা,রাশিয়া, ব্রাজিল, ব্যাংকক এমনকি, আমাদের. প্রতিবেশী দেশ ভারতেও প্রায় প্রতিটি বড় বড় শহরে.মফঃস্বলে বারাঙ্গনালয় বা নারী পুরুষের মিলনের ব্যবস্থা রয়েছে। পৃথিবীর সব দেশেই, সব সভ্য-সমাজে, যৌবনের কামনা বাসনা মেটানোর জন্য সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠে এমনি সব সেবা মুলক প্রতিষ্ঠান। যার ফলে সমাজে ব্যাধিরূপে ধর্ষণের প্রকাশ কমে আসে।
আজ থেকে প্রায় দু’হাজার বছর আগে, ইটালির পম্পেই শহর ভিসুভিয়াসের অগ্নুৎপাতে ধ্বংস হয়। সেই পম্পেই শহরেও তরুণ, যূবা-পুরুষ সকলের শারিরিক ক্ষুধা মেটানোর জন্য সূন্দরী রমনীয় রমনীর ব্যবস্থা ছিলো।

কিন্তু আপনারা নগরবিদরা কি করছেন! বয়ঃপ্রাপ্ত পুরুষের দৈহিক মিলনের জন্য কোনো ব্যবস্থা রাখছেন না!! কেবল মাত্র সমাজের ধনীদের. জন্য নিশ্চিতে যৌন-মিলনের ব্যবস্থা করছেন।
কিন্তু আপামর সাধারণঃ যূব-সমাজের, কি হবে???
সাধারণের পক্ষে তো সম্ভব নয় প্লেন চার্টার করে. কেউ কেউ আবার প্রাইভেট প্লেনে চড়ে বিদেশে পাড়ি যমান যৌন শুখ মেটাতে। আজ ব্যাংকক, কাল ব্রাজিল, পরষূ মুলাঁ-ঘুঁজ চল, যৌন ক্ষুধা মিটায়।
কিন্তু স্যার আম জনতা, বিদেশ তো দূরে. থাক নিজ দেশের পাপিয়া পিউ কাহাঁর কাছেও ভিড়তে পারে. না। তথাকথিত পাঁচ-তারা হোটেলে রুম বুক করতে পারে. না। তাহলে সমাজের এই ধর্ষণ উপদ্রব কমবে কি ভাবে??
বাংলা দেশের শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনের ডাক-সাইটে নেতা নেতৃ বলেছেন, মৃত্যুদন্ড দিয়ে ধর্ষণ রোধ করা যাবে না। ধর্ষণ রোধে শিল্প-সংস্কৃতির সুবাতাস ঘরে. ঘরে. ছড়িয়ে দিতে হবে। তবেই সমাজ সুন্দর. হবে ধর্ষণ কমবে। কারণ আপনারা একটু চোখ ফেরালেই দেখবেন বাংলা দেশের শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনে মাঝে মাঝে ভিডিও ভাইরাল হয় কিন্তু কোনো ধর্ষণ নেই। শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনে ধর্ষণের কোনো স্থান নেই।
বর্তমানে ধর্ষণের পরিনামে, পরিনয় বা বিবাহ ধর্ষণরোধে এক যুগান্তকারি পদক্ষেপ রাখবে বলে আমাদের. সকলের. বিশ্বাস। ধর্ষণের. উপদ্রব কমাতে বিবাহ এক বিপ্লব আনবে বলেই মনে হচ্ছে।
এই যে সেদিন “ ফেনীতে কারাগারের ফটকেই হলো ধর্ষণের মামলার আসামি ও ভুক্তভোগীর বিয়ে। উচ্চ আদালতের এক আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহসপতিবার এই বিয়ে হয়”(প্রথম আলো,শেষ পাতা,
২০ নভেম্বর.২০২০)। সাধুঃ সাধুঃ দারুণ এক খবর! অবিশ্বাস হলেও সত্য ঐ একই দিন, “ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণে, মজনুর যাবজ্জীবন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে. রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি (পিপি) আফরোজ ফারহানা আহমেদ অরেঞ্জ”।
(সমকাল, প্রথম পাতা, ২০ নভেম্বর.২০২০)।
সত্যি সেলুকাষ কি বিচিত্র এই দেশ!!
সে-দিন শুনলাম, লাইলী বলছে,
-“ মজনু ভাই, আব্বাতো, তোমার লগে আমার বিয়া দিতো না।”
-“তাহইলে কি করি??”
-“এক কাম কর।”
-“কি? কি? কি-কাম?”
-“ তুমি আমারে. পাট-ক্ষ্যেতে নিয়া ধর্ষণ কর।”
-“ তুই এইডা কি কস! লাইলী। ধর্ষণ করলে পুলিশ আমারে. ধরবো না!!”
-“ হ, ধরবো। তারপর বড়গো রায়ে আমাগো বিয়া হইবো। চিন্তা কি।”
-“উহঃ লাইলী তুই ঠিকই কইছোস, আই লাব ইয়ূ। ধর্ষণ করলে ধর্ষণ মামলার আসামি ও ভুক্তভোগীর বিয়ে।
কিন্তু লাইলী, একটা কথা।”
-“ কি কথা কও??”
-“ মাঝে মাঝে যে দেখি গ্যাং-রেপ, মানে এক তরুণীরে. সিরিয়াল ফালায়া কয়েকজন তরুণ ধর্ষণ করে।
তখন বড়রা কার লগে ভুক্তভোগীর বিয়া দিবো।”
-“ক্যা, মজনু ভাই, তুমি জী-টিভির সিরিয়াল দেখছো না, যেই তরুণীরে. সিরিয়াল ফালায়া ধর্ষণ করবো তারে.