Main Menu

সিভিএফ থিমেটিক অ্যাম্বাসেডর মনোনীত হওয়ায় সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে বেরোবি ভাইস-চ্যান্সেলরের অভিনন্দন

সিভিএফ থিমেটিক অ্যাম্বাসেডর মনোনীত হওয়ায় সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে বেরোবি ভাইস-চ্যান্সেলরের অভিনন্দন।

বাংলাদেশের অটিজম বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটির চেয়ারপারসন ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ) এর শুভেচ্ছা দূত মনোনীত হওয়ায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর পক্ষ থেকে তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বেরোবি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও।

বুধবার (২২ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সিভিএফ শুভেচ্ছা দূত মনোনয়নের বিষয়টি জানানো হয়।

এক অভিনন্দন বার্তায় বেরোবি ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অটিজম বিষয়ে জনসচেতনা ও মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের অধিকার আদায়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল। এরই মধ্যে তিনি দেশে-বিদেশে অটিজম বিষয়ে কাজ করে খ্যাতি অর্জন করেছেন এবং দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। ২০১১ সালে তাঁর উদ্যোগে ঢাকায় প্রথমবারের মতো অটিজম বিষয়ে আন্তর্জাাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। মানসিক স্বাস্থ্য ও অটিজম নিয়ে কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৪ সালে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে ‘একসিলেন্স ইন পাবলিক হেলথ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করে। প্রফেসর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী কন্যার ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ) এর শুভেচ্ছা দূত মনোনীত হওয়া দেশের জন্য বড়ই গৌরবের।

উল্লেখ্য, ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম সায়মা ওয়াজেদ ছাড়া আরও তিনজনকে শুভেচ্ছা দূত হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। অন্যরা হলেন- মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ নাশিদ, ফিলিপাইনের ডেপুটি স্পিকার লোরেন লাগার্দা ও কঙ্গো’র জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ তোসি মাপ্নু। সম্প্রতি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিতে থাকা ৪৮টি দেশের প্ল্যাটফর্ম ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের প্রেসিডেন্ট পদ পায় বাংলাদেশ। আগামী ৩ বছর বাংলাদেশ এ দায়িত্ব পালন করবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যেসব দেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন তাদের বিষয়ে কথা বলবে এই ফোরাম।

 






Related News