Wednesday, April 14th, 2021

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: April 14, 2021

করোনা সংক্রমণ রোধে ধৈর্য ও বুদ্ধিমত্তার সাথে বিধি-নিষেধ প্রতিপালন করুন : পুলিশ কর্মকর্তাদের আইজিপি

প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃঢাকা, ১৪ এপ্রিল ২০২১ : করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে প্রতিপালনের জন্য পুলিশের সকল ইউনিট প্রধানকে নির্দেশনা দিয়েছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ ড. বেনজীর আহমেদ।
আইজিপি মঙ্গলবার বিকেলে করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার রোধ এবং পবিত্র রমজান উপলক্ষে সকল পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলার পুলিশ সুপার ও থানার অফিসার্স ইনচার্জগণকে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেন।
আইজিপি বলেন, সরকারি বিধি-নিষেধ চলাকালে বিনা প্রয়োজনে কেউ ঘরের বাইরে যাবেন না। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলে পুলিশের মুভমেন্ট পাস নিয়ে চলাচল করবেন। জরুরি কাজে ঘরের বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
এসময় আইজিপি ধৈর্য ধরে বুদ্ধিমত্তার সাথে সরকারি বিধি-নিষেধ প্রতিপালনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, খাদ্যপণ্য, ঔষধ, উৎপাদন সামগ্রী ও অন্যান্য জরুরি সেবার যানবাহনের চলাচল নির্বিঘœ করতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোভিড-১৯ সংক্রমণ, লকডাউন, রমজান উপলক্ষে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট, মন্তব্য বা ছবি আপলোড করে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট না করতে পারে তা নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন আইজিপি।
বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষিশ্রমিক পরিবহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থাপনায় শ্রমিকরা এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাতায়াত করতে পারবেন বলে সভায় জানান আইজিপি।
আইজিপি বলেন, রমজানে মহাসড়কে কোন ধরনের চাঁদাবাজি বরদাশত করা হবে না।
তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাসে জুমা ও ওয়াক্তের নামাজের সময় মসজিদের ভিতরে বা বাইরে কোন জমায়েত এবং ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা যাবে না। রমজান উপলক্ষে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনসমূহের ধর্মীয় উগ্রবাদী গোষ্ঠীর পোস্টার ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম প্রতিহত করতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। রমজান উপলক্ষে যাকাত, ফিতরা, খাদ্য সামগ্রী ইত্যাদি বিতরণের ক্ষেত্রে জনসমাগম পরিহার নিশ্চিত করতে হবে।
আইজিপি বলেন, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অনেক মানুষ ঢাকা ও অন্যান্য শহর ছেড়ে গ্রামে বাড়ি যেতে পারেন, সে সময় তাদের বাসা বাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ সময় রেল স্টেশন, লঞ্চ ও বাস টার্মিনালে ঘরমুখী মানুষের ভিড় বাড়তে পারে। জনশৃঙ্খলা রক্ষায় এসব স্থানে পুলিশি টহল বাড়াতে হবে।
রমজানে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেন আইজিপি।
আইজিপি বলেন, দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য ইউনিট প্রধানদের নির্দেশ দেন।সুত্র-বাসস।

Posted by: | Posted on: April 14, 2021

একদিনে সর্বোচ্চ ৯৬ জনের মৃত্যু

প্রেস ওয়াচ রিপোর্টঃ গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে; যা কিনা দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এ নিয়ে দেশে সরকারি হিসেবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ৯ হাজার ৯৮৭ জন।

বুধবার (১৩ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

অন্যদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে পাঁচ হাজার ১৮৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত দেশে সাত লাখ ৩১ হাজার ১৭০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন পাঁচ হাজার ৩৩৩ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন পাঁচ লাখ ৯১ হাজার ২৯৯ জন।

করোনা মহামারির ঊর্ধ্বগতির মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৪ হাজার ৯৯৫টি। আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৪ হাজার ৮২৫টি। এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫০ লাখ ৯৫ হাজার ৬১৩টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৩৭ লাখ ৯৭ হাজার ২৪৮টি, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১২ লাখ ৯৮ হাজার ৩৬৫টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৮৯ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক শূন্য ৯, আর  মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪২ শতাংশ।

দেশে বর্তমানে ২৫৫টি পরীক্ষাগারে করোনার নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। এরমধ্যে আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে ১২১টি, জিন এক্সপার্ট মেশিনের মাধ্যমে ৩৪টি আর র‌্যাপিড অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে ১০০টি পরীক্ষাগারে করোনার পরীক্ষা চলছে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯৬ জনের মধ্যে পুরুষ রয়েছেন ৫৯ জন, নারী ৩৭ জন। তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ষাটোর্ধ্ব আছেন ৫৫ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে আছেন ২৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে আছেন ১২ জন, ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে আছেন দুই জন আর ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে আছেন দুই জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় সাত হাজার ৪৩৫ জন পুরুষ ও দুই হাজার ৫৫২ জন নারী মারা গেছেন।

বিভাগ বিশ্লেষণে অধিদফতর জানিয়েছে, মৃত ৯৬ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৬৮ জন, চট্টগ্রামের ১২ জন, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জন করে এবং সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের তিন জন করে আছেন। এরমধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৯৪ জন, বাসায় মৃত্যু হয়েছে দুই জনের।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে তিন হাজার ৩০৮ জন, চট্টগ্রামে এক হাজার ৭৫৯ জন, রংপুরে ১৬ জন, খুলনায় ৪৩ জন, বরিশালে ৪১ জন, রাজশাহীতে ৭৪ জন, সিলেটে ৭২ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন রয়েছেন।

Posted by: | Posted on: April 14, 2021

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পূর্ণ বিবরণ

প্রেস ওয়াচ রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ প্রদান করেন। তাঁর এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বাংলাদেশ বেতারের সকল কেন্দ্র থেকে এবং সকল বেসরকারি টিভি ও রেডিও চ্যানেল থেকে একযোগে সম্প্রচারিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পূর্ণ বিবরণ তুলে ধরা হলো-
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
প্রিয় দেশবাসী,
আসসালামু আলাইকুম।
দেশ-বিদেশে-যে যেখানেই আছেন-সবাইকে জানাই ১৪২৮ বঙ্গাব্দের আন্তরিক শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ।
আজ আবাহনের দিন। ‘‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো/মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা”- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী এই গান গেয়ে আজ আমরা আবাহন করবো নতুন বছরকে। একইসঙ্গে শুরু হয়েছে মুসলমানদের পবিত্র সিয়াম সাধনার মাস-মাহে রমজান। আমি সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে পবিত্র মাহে রমজানের মোবারকবাদ জানাচ্ছি।
নতুন বছরের শুভক্ষণে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি জাতীয় চার নেতার প্রতি। স্মরণ করছি মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহিদ এবং ২ লাখ নির্যাতিত মা-বোনকে। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে।
আমি স্মরণ করছি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কাল্রাতে ঘাতকদের হাতে নিহত আমার মা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, তিন ভাই-মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল ও দশ বছরের ছোট্ট শেখ রাসেলকে-কামাল ও জামালের নবপরিণীতা বধুঁ- সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, আমার চাচা মুক্তিযোদ্ধা শেখ আবু নাসেরসহ সেই রাতের সকল শহিদকে।
প্রিয় দেশবাসী,
সৃষ্টির অমোঘ নিয়মে সময় চলে যায়। করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যেই আমরা এক বছরের অধিক সময় পার করলাম। গত বছর মার্চের প্রথম সপ্তাহের দিকে আমাদের দেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয়েছিল। নানা আশঙ্কা আর আতঙ্ক গ্রাস করেছিল আমাদের। সেসব মোকাবিলা করেই আমাদের টিকে থাকতে হয়েছে।
এরই মধ্যে করোনাভাইরাসের থাবায় আমরা হারিয়েছি আমাদের অনেক প্রিয়জনকে, আপনজনকে। আমি সকলের রুহের মাগরিফরাত এবং আত্মার শান্তি কামনা করছি। স্বজনহারা পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
প্রিয় দেশবাসী,
পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। আবহমানকাল ধরে বাংলার গ্রাম-গঞ্জে, আনাচে-কানাচে এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে। গ্রামীণ মেলা, হালখাতা, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন ছিল বর্ষবরণের মূল অনুসঙ্গ।
ব্যবসায়ীরা আগের বছরের দেনা-পাওনা আদায়ের জন্য আয়োজন করতেন হালখাতা উৎসবের। গ্রামীণ পরিবারগুলো মেলা থেকে সারা বছরের জন্য প্রয়োজনীয় তৈজষপত্র কিনে রাখতেন। গৃহস্থ বাড়িতে রান্না হতো সাধ্যমত উন্নতমানের খাবারের।
১৯৬০’র দশকের শেষভাগে ঢাকায় নাগরিক পর্যায়ে ছায়ানটের উদ্যোগে সীমিত আকারে বর্ষবরণ শুরু হয়। আমাদের মহান স্বাধীনতার পর ধীরে ধীরে এই উৎসব নাগরিক জীবনে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। ১৯৮০’র দশকে পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক এবং গণতান্ত্রিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটতে থাকে। মূলতঃ আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দল এবং সংগঠনসমূহের কর্মী-সমর্থকদের অব্যাহত প্রচেষ্টার ফলেই আজকের এই অবস্থান। কালক্রমে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান এখন শুধু আনন্দ-উল্লাসের উৎসব নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী ধারক-বাহক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
পয়লা বৈশাখ আমাদের সকল সঙ্কীর্ণতা, কুপম-ুকতা পরিহার করে উদারনৈতিক জীবন-ব্যবস্থা গড়তে উদ্বুদ্ধ করে। আমাদের মনের ভিতরের সকল ক্লেদ, জীর্ণতা দূর করে আমাদের নতুন উদ্যোমে বাঁচার অনুপ্রেরণা দেয়। আমরা যে বাঙালি, বিশ্বের বুকে এক গর্বিত জাতি, পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণে আমাদের মধ্যে এই স্বাজাত্যবোধ এবং বাঙালিয়ানা নতুন করে প্রাণ পায়, উজ্জীবিত হয়।
আজ শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের যে প্রান্তেই বাঙালি জনগোষ্ঠি বসবাস করেন, সেখানেই বাঙালি’র হাজার বছরের লোক-সংস্কৃতির বিস্তার ঘটছে বর্ষবরণসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। আর পৃথিবী জুড়ে তৈরি হচ্ছে বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে অন্য সংস্কৃতির সেতুবন্ধ।
গত বছরের মত এ বছরও আমরা বাইরে কোন অনুষ্ঠান করতে পারছিনে। কারণ, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ নতুন করে আঘাত হেনেছে সারা দেশে। দ্বিতীয় ঢেউয়ের করোনাভাইরাস আরও মরণঘাতী হয়ে আভির্ভূত হয়েছে। পয়লা বৈশাখের আনন্দ তাই গত বছরের মত এবারও ঘরে বসেই উপভোগ করবো আমরা। টেলিভিশন চ্যানেলসহ নানা ডিজিটাল মাধ্যমে অনুষ্ঠানমালা প্রচারিত হবে। সে সব অনুষ্ঠান উপভোগ ছাড়াও আমরা নিজেরাও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘরোয়া পরিবেশে আনন্দ উপভোগ করতে পারি।
অতীতের সকল জঞ্জাল-গ্লানি ধুয়ে-মুছে আমরা নিজেদের পরিশুদ্ধ করবো। দৃপ্ত পায়ে এগিয়ে যাবো সামনের দিকে। গড়বো আলোকোজ্জ্বল ভবিষ্যত-এই হোক এবারের নতুন বছরের শপথ। কবিগুরুর ভাষায় আবারও বলতে চাই:

নিশি অবসান, ওই পুরাতন
বর্ষ হলো গত
আমি আজ ধূলিতলে এ জীর্ণ জীবন
করিলাম নত।
বন্ধু হও, শত্র হও, যেখানে যে কেহ রও
ক্ষমা কর আজিকার মতো
পুরাতনের বছরের সাথে
পুরাতন অপরাধ যতো।
প্রিয় দেশবাসী,
গত বছর করোনাভাইরাস আঘাত হানার পর আমাদের নানাবিধ বিরূপ পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়েছে। এই মহামারি প্রতিরোধে যেহেতু মানুষের সঙ্গ-নিরোধ অন্যতম উপায়, সে জন্য আমাদের এমন কিছু পদক্ষেপ করতে হয়েছে যারফলে মানুষের জীবন-জীবিকার উপর প্রভাব পড়েছে।
গত সপ্তাহে দ্বিতীয় ঢেউ প্রবল আকার ধারণ করলে মানুষের চলাচলের উপর আমাদের কিছু কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হয়। আপনারা দেখেছেন, কোনভাবেই সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। জনস্থাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে তাই আমাদের আরও কিছু কঠোর ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে। আমি জানি এরফলে অনেকেরই জীবন-জীবিকায় অসুবিধা হবে। কিন্তু আমাদের সকলকেই মনে রাখতে হবে – মানুষের জীবন সর্বাগ্রে। বেঁচে থাকলে আবার সব কিছু গুছিয়ে নিতে পারবো।
গত বছর আমরা একটানা ৬২ দিন সাধারণ ছুটি বলবৎ করেছিলাম। আমরা এখনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিতে পারিনি। বিদেশের সঙ্গে চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। এই অবস্থা শুধু আমাদের দেশে নয়, বিশ্বের যেখানেই এই মরণঘাতী ভাইরাসের প্রকোপ বাড়ছে, সেখানেই এ ধরনের ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।
মানুষের জীবন রক্ষার পাশাপাশি আমাদের অর্থনীতি, মানুষের জীবন-জীবিকা যাতে সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গে না পড়ে সেদিকে আমরা কঠোর দৃষ্টি রাখছি। সকলের সহযোগিতায় আমরা বেশ কিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলাম যারফলে গত বছর করোনাভাইরাস মহামারিজনিত প্রভাব আমরা সফলভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি।
করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনীতির উপর সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গত বছর আমরা চারটি মূল কার্যক্রম নির্ধারণ করেছিলাম। চারটি কার্যক্রম হচ্ছে:
(১) সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি করা: সরকরি ব্যয়ের ক্ষেত্রে ‘কর্মসৃজনকেই’ প্রাধান্য দেওয়া;
(২) আর্থিক সহায়তার প্যাকেজ প্রণয়ন: অর্থনৈতিক কর্মকা- পুনরুজ্জীবিত করা, শ্রমিক-কর্মচারীদের কাজে বহাল রাখা এবং উদ্যোক্তাদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অক্ষুন্ন রাখা;
(৩) সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি: দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী জনগণ, দিনমজুর এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মকা-ে নিয়োজিত জনসাধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণে বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি;
(৪) মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি করা: অর্থনীতির বিরূপ প্রভাব উত্তরণে মুদ্রা সরবরাহ এমনভাবে বৃদ্ধি করা যেন মুদ্রাস্ফীতি না ঘটে।
এই চার মূলনীতির ভিত্তিতে আমাদের কার্যক্রম এখনও অব্যাহত রয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ কোটি টাকার ২৩টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। কলকারখানায় যাতে উৎপাদন ব্যাহত না হয় সে ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা দিন মজুর, পরিবহন শ্রমিক, হকার, রিক্সাওয়ালা, দোকান কর্মচারি, স্কুল শিক্ষক, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, মসজিদের ইমাম-মোয়াজ্জিন, অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবাদানকারী, সাংবাদিকসহ নি¤œআয়ের নানা পেশার মানুষকে সহায়তা দিয়েছি। প্রায় আড়াই কোটি মানুষকে বিভিন্ন সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে।
আপনাদের শঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই। সরকার সব সময় আপনাদের পাশে রয়েছে। দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানার পর আমি দরিদ্র-নি¤œবিত্ত মানুষদের সহায়তার জন্য কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছি। আমরা ইতোমধ্যে পল্লী অঞ্চলে কর্মসৃজনের জন্য ৮০৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা এবং পবিত্র রমজান ও আসছে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৬৭২ কোটিরও বেশি টাকা বরাদ্দ দিয়েছি। এর দ্বারা দেশের প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ ৪২ হাজার নিম্নবিত্ত পরিবার উপকৃত হবেন। গত বছর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর থেকে ভিজিএফ, টেস্ট রিলিফসহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
প্রিয় দেশবাসী,
করোনাভাইরাস মোকিবিলায় ইতোমধ্যেই বিজ্ঞানীরা বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছেন। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমাদের সৌভাগ্য টিকা উৎপাদনের শুরুতেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টিকার ডোজ আমরা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। ইতোমধ্যেই ৫৬ লাখের বেশি মানুষকে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। যাঁরা প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন তাঁদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে। আমরা পর্যায়ক্রমে দেশের সকলকে টিকার আওতায় নিয়ে আসবো। আমাদের সে প্রস্তুতি রয়েছে।
তবে টিকা দিলেই একজন সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত হবেন এমন নিশ্চয়তা নেই বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। কাজেই টিকা নেওয়ার পরও আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
ঢাকাসহ সারা দেশের প্রতিটি জেলায় করোনাভাইরাস রোগীর চিকিৎসা সুবিধার আওতা আরও বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান আই.সি.ইউ. সুবিধা আরও বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
তবে আমাদের সবাইকে সাবধান হতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব আমাদের নিজের, পরিবারের সদস্যদের এবং প্রতিবেশির সুরক্ষা প্রদানের। কাজেই ভিড় এড়িয়ে চলুন। বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করুন। ঘরে ফিরে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে গরম পানির ভাপ নিন। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে ১৮-দফা নির্দেশনা জারি করেছে। আমরা যদি সকলে করোনাভাইরাস মোকাবিলার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি, অবশ্যই এই মহামারিকে আমরা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হবো, ইনশাআল্লাহ।
প্রিয় দেশবাসী,
যুগে যুগে মহামারি আসে, আসে নানা ঝড়-ঝঞ্ঝা, দুর্যোগ-দুর্বিপাক। এসব মোকাবিলা করেই মানবজাতিকে টিকে থাকতে হয়। জীবনের চলার পথ মসৃণ নয়। তবে পথ যত কঠিনই হোক, আমাদের তা জয় করে এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায় তাই বলতে চাই:
আমরা চলিব পশ্চাতে ফেলি’ পচা অতীত
গিরি গুহা ছাড়ি’ খোলা প্রান্তরে গাহিব গীত।
সৃজিব জগৎ বিচিত্রতর বীর্যবান
তাজা জীবন্ত সে নব সৃষ্টি শ্রম-মহান।
বাঙালি বীরের জাতি। নানা প্রতিকূলতা জয় করেই আমরা টিকে আছি। করোনাভাইরাসের এই মহামারিও আমরা ইনশাআল্লাহ মোকাবিলা করবো। নতুন বছরে মহান আল্লাহর দরবারে তাই প্রার্থনা, বিশ্বকে এই মহামারির হাত থেকে রক্ষা করুন।
আপনারা সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। সবাইকে আবারও নতুন বছরের শুভেচ্ছা। সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহতায়ালা আমাদের সকলের সহায় হোন।
খোদা হাফেজ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

বাসস।

Posted by: | Posted on: April 14, 2021

বাংলা নববর্ষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর শুভেচ্ছা

প্রেসওয়াচ , ঢাকা, ১৩ এপ্রিল, ২০২১ : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বাংলা নববর্ষ ১৪২৮ উপলক্ষে গণমাধ্যমকর্মীসহ দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলা ভাষাভাষীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
বাংলা নববর্ষবরণকে বাঙালির সার্বজনীন উৎসব হিসেবে বর্ণনা করে তথ্যমন্ত্রী আজ তার এক শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, ‘পৃথিবীর সকল ভাষাভিত্তিক জাতি ও জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সার্বজনীন উৎসব-পার্বণ রয়েছে। চীনাদের ‘চীনা নববর্ষ’, ইরান থেকে মধ্য এশিয়া পর্যন্ত ‘নওরোজ’, ইংরেজি ভাষাভাষীদের ‘ইংরেজি নববর্ষ’, ঠিক তেমনই পয়লা বৈশাখ বাংলা ভাষাভাষীদের সার্বজনীন উৎসব।’
ড. হাছান বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারী প্রতিরোধযুদ্ধে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই তার সক্ষমতার স্বাক্ষর রেখেছে। স্বাস্থ্যরক্ষায় সরকারি নির্দেশনা ও বিধি যথাযথভাবে অনুসরণের মাধ্যমে মহামারীর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখা হোক নতুন বছরের অন্যতম অঙ্গীকার।
‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও ডিজিটাল বাংলাদেশের আশীর্বাদে অনলাইনে বর্ষবরণ হোক নিজস্ব সংস্কৃতি আর আনন্দের রূপকার’, বলেন তথ্যমন্ত্রী।সুত্র-বাসস।

Posted by: | Posted on: April 14, 2021

চেকপোস্টে নানান যুক্তি, মুভমেন্ট পাস না থাকলে ফেরত পাঠাচ্ছে পুলিশ

প্রেসওয়াচ  রিপোর্ট
১৪ এপ্রিল ২০২১, ১৭:১৮

পুলিশের বিভিন্ন চেকপোস্টে আটকা পড়লেই নানান যুক্তি দেখাচ্ছে জনগণ। কেউ চিকিৎসার অজুহাত, কেউবা গিয়েছেন শ্বশুরবাড়ি, কেউ মুভমেন্ট পাস সম্পর্কে কিছু জানেন না, কারও বিভিন্ন ধরনের কেনাকাটা- নানা জনের নানা যুক্তি।173984104_1395538484127769_2159817181493637856_nলকডাউনে যারা বের হয়েছেন, তাদের কাছে মুভমেন্ট পাস দেখতে চাচ্ছে পুলিশ

মোহাম্মদ লোকমান হোসেন গিয়েছিলেন সাভার। ঢাকায় ফেরার পথে গাবতলী পুলিশ চেকপোস্টের সামনে পুলিশি জেরার মুখে পড়েন। একেক সময় একেক ধরনের তথ্য পুলিশকে দিতে থাকেন। তার কাছে মুভমেন্ট পাস সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, এ বিষয়টি তিনি জানেন না। বাইরে বের হওয়ায় ট্রাফিক পুলিশ মামলা ঠুকে দেন তার নামে।IMG_20210414_135240লকডাউনে যারা বের হয়েছেন, তাদের কাছে মুভমেন্ট পাস দেখতে চাচ্ছে পুলিশ

আমিন বাজারের বাসিন্দা রাকিব হোসেন যাচ্ছিলেন কল্যাণপুর। গাবতলী চেকপোস্টে জেরার মুখে একেক সময় একেক কথা বলেন। এক সময় বলেন হাসপাতাল যাচ্ছেন, তার আত্মীয় অসুস্থ। তবে মুভমেন্ট পাস না থাকায় তাকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়।IMG_20210414_134457লকডাউনে যারা বের হয়েছেন, তাদের কাছে মুভমেন্ট পাস দেখতে চাচ্ছে পুলিশ

মো. এনামুল পরিচয় দিয়েছিলেন জেনারেটরের মেকানিক হিসেবে। জেনারেটর সারাতে যাওয়ার কথা জানান তিনি। কিন্তু কোথায় কার কাছে যাচ্ছেন সে বিষয়ে যুক্তিযুক্ত কোনও উত্তর মেলেনি। ফলে পুলিশ সদস্যরা তাকে ফেরত পাঠিয়ে দেন।172946003_778742162769208_3273657334405096529_nলকডাউনে যারা বের হয়েছেন, তাদের কাছে মুভমেন্ট পাস দেখতে চাচ্ছে পুলিশ

এসময় কনস্টেবল তামজীদ হোসেন তাদের উদ্দেশে বলেন, দেখুন বিয়ের মেহেদির দাগ এখনও হাত থেকে যায়নি। এরপরও আপনাদের নিরাপত্তায় দেশের নিরাপত্তায় কাজ করছি। আপনারা ভালো থাকলেই আমাদের সার্থকতা। এভাবে অযথা ঘোরাফেরা করবেন না।173431608_199244011760069_4106766114374718140_nলকডাউনে যারা বের হয়েছেন, তাদের কাছে মুভমেন্ট পাস দেখতে চাচ্ছে পুলিশ

দারুস সালাম থানার উপ-পরিদর্শক সুলতান মাহমুদ শাকিল  বলেন, যারা মুভমেন্ট পাস দেখাতে পারছে তাদের আমরা ছেড়ে দিচ্ছি। যারা মুভমেন্ট পাস দেখাতে পারছে না তাদের আমরা ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছি। মুভমেন্ট পাস থাকলেও যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে কিনা সে বিষয়টিও আমরা খতিয়ে দেখছি।171816203_364226081549140_1091252454439241376_nলকডাউনে যারা বের হয়েছেন, তাদের কাছে মুভমেন্ট পাস দেখতে চাচ্ছে পুলিশ

সার্জেন্ট নুরুন্নবী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, যাদের বাইরে বের হওয়ার কারণ ও প্রয়োজন জরুরি মনে হয়নি, তাদের নামে আমরা মামলা দিচ্ছি। বিনা প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে কাউকে না বের হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

IMG_20210414_140005লকডাউনে যারা বের হয়েছেন, তাদের কাছে মুভমেন্ট পাস দেখতে চাচ্ছে পুলিশ