Thursday, November 12th, 2020

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: November 12, 2020

সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করুন: ডিজিএফআই’র প্রতি প্রধানমন্ত্রী

সেনা গোয়েন্দা সংস্থা  ডিজিএফআই সদস্যদের  সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি কর্তব্য পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, মাদক—এগুলোর হাত থেকে সমাজকে রক্ষা করতে হবে। সমাজকে এখান থেকে বাঁচাতে হবে। তাহলেই আমরা দেশ গড়ে তুলতে পারবো।’

বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) ডিজিএফআইয়ে কর্মরত অফিসার এবং অন্যান্য পদবির সদস্যদের জন্য নবনির্মিত বাসস্থানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে  ভার্চুয়ালি ডিজিএফআই অফিসার্স মেস ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।

পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরেন।

প্রেস সচিবের বর্ণনা অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে সরকার প্রধান বলেন, ‘দেশের যুবসমাজকে জঙ্গিবাদ, মাদক ও  সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে পারলে তাদের মেধা কাজে লাগাতে পারবো। দেশের মানুষের শক্তিটাকে উন্নয়নের জন্য কাজে লাগাতে পারবো।  সেভাবেই আমাদের দেশকে গড়তে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবাইকে দেশটাকে জানতে হবে। দেশকে ভালোবাসতে হবে। দেশের জন্য কাজ করতে হবে। দেশের সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। যেটা আমি আমার বাবার কাছ থেকে, মায়ের কাছ থেকে শিখেছি। সেটাই আমি সবসময় চাই। দেশের প্রতি যদি ভালোবাসা না থাকে, মানুষের প্রতি যদি দায়িত্ববোধ ও  কর্তব্যবোধ না থাকে, তাহলে যেকোনও দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করা যায় না।’

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সশস্ত্র বাহিনী একান্তভাবে অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা একদিকে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলছিলেন। অপরদিকে এই সশস্ত্র বাহিনীকেও যথাযথভাবে তিনি গড়ে তুলেছেন। তার যে ভবিষ্যৎবাণীগুলো, তিনি যে আমাদের একটা নীতিমালা দিয়ে গেছেন, প্রতিরক্ষা নীতিমালা, আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর থেকে সেটা মেনেই আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রচেষ্টা হচ্ছে আমরা চাই দেশটাকে তার (বঙ্গবন্ধুর) আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী ক্ষুধামুক্ত-দারিদ্র্যমুক্ত দেশ, উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়তে। দেশের প্রতিটি মানুষ পেট ভরে খাবে, হেসে-খেলে বাঁচবে, ‍সুন্দরভাবে বাঁচবে। সেটাই আমাদের লক্ষ্য, সেটাই করতে চাই।’ তাই দেশের শান্তি বজায় রাখা একান্তভাবে দরকার বলে মতামত তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

কাজেই এসব দিকে আমাদের প্রত্যেকের কিন্তু স্ব-স্ব কর্মস্থলে দায়িত্ব রয়েছে। সেই দায়িত্বটা সবাইকে যথাযথভাবে পালন করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় গণভবন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু হেনা মোস্তফা কামাল, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Posted by: | Posted on: November 12, 2020

রাজধানীতে হঠাৎ একাধিক বাসে আগুন

জধানীর অন্তত ছয়টি স্থানে হঠাৎ একাধিক বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা বাসে আগুন দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এসব ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার ঢাকা-১৮ আসনের  উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান, তারা দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে একে একে কাঁটাবন, বংশাল, মতিঝিল, শাজাহানপুর, গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার ও প্রেসক্লাব এলাকায় বাসে আগুন দেওয়ার খবর জানতে পারেন। পরে  ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

পুলিশের মতিঝিল জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার জাহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, মতিঝিল ও পল্টনে মোট চারটি বাসে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছিল। এর মধ্যে একটি ভ্যাট/ট্যাক্স অফিসের স্টাফ বাস, একটি অগ্রণী ব্যাংকের স্টাফ বাস ছিল। আর পল্টনে একটি পাবলিক বাস ও আরেকটি বিআরটিসির গাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

তিনি জানান, বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। আমরা সন্দেহভাজন হিসেবে কয়েজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। হঠাৎ করে কারা কেন বাসে আগুন দিলো, আমরা তার কারণ ও জড়িতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।

 পুলিশের রমনা জোনের উপ-কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান জানান, প্রেস ক্লাবে রজনীগন্ধা পরিবহনের একটি বাসে ও শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের পাশে কাঁটাবন সংলগ্ন দেওয়ান পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, নাশকতার উদ্দেশ্যে একযোগে বাসগুলোতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আমরা জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালাচ্ছি।’

পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার বলেন, ‘তার এলাকার মধ্যে বংশালে দুপুর আড়াইটার দিকে দিশারী পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে কারা আগুন দিয়েছে তাদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।’

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ঢাকা-১৮ আসনে সংসদীয় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধী কোনও পক্ষ নাশকতার উদ্দেশ্যে একযোগে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসে আগুন দিয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। নাশকতাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য ইতোমধ্যে থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশসহ পুলিশের অন্যান্য ইউনিটও কাজ করছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি ও টহল পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে।সুত্র-বাংলা ট্রিবিউন। 

Posted by: | Posted on: November 12, 2020

উপকূলে দস্যুদের আস্তানা গড়তে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে নিজের অস্ত্র তুলে দিয়ে আত্মসমর্পণ করছেন একজন জলদস্যু

উপকূলীয় এলাকায় কোনও জলদস্যু বা বনদস্যুকে আস্তানা গড়তে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সরকারি আলাওল কলেজ মাঠে জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘যারা এখনও আত্মসমর্পণ করেননি, তাদের জন্য স্পষ্ট বার্তা হলো—আপনারা পালিয়ে বেড়াতে পারবেন হয়তো, কিন্তু আস্তানা গড়তে পারবেন না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। পালিয়ে বাঁচতে পারবেন না।’

স্বরাষ্টমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সময়ের ন্যায় আজ যারা আত্মসমর্পণ করেছেন, তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সরকার সহযোগিতা করবে। পুনর্বাসন করা হবে সবাইকে। তাদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। আর যারা এখনও  নদী, সাগর বা পাহাড়ে থাকতে চান— তাদের পরিণতি হবে ভয়াবহ। তাদের যারা মদত দিচ্ছেন তাদেরও পরিণতি হবে আরও ভয়াবহ।’

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দস্যুতার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনও অপরাধী অপরাধ করে পার পাবে না। র‍্যাব, পুলিশসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসছে। অনুষ্ঠানে র‌্যাব-৭ এর তত্ত্বাবধানে ৩৪ জন জলদস্যু তাদের ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় তারা অতীত কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

Posted by: | Posted on: November 12, 2020

১০ মাসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১০২৬

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে দেশে এক হাজার ১১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক হাজার ২৬ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও  ৪১৭ জন। নিহতদের মধ্যে ৭২৪ জনের বয়স ১৫ থেকে ৪০ বছর। তাদের ৩৭ জন শিক্ষক এবং ৩০৮ জন শিক্ষার্থী ছিলেন। এছাড়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ১২৪ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১২ দশমিক ৮ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। সংগঠনটি ৭টি জাতীয় দৈনিক, ৫টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করে।

রোড সেফটির পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্য যানবাহনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ১৫৬টি (১৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ), মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৩৭৮টি (৩৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ), মোটরসাইকেলের পেছনে অন্য যানবাহনের ধাক্কা ও চাপা দেওয়ার ঘটনা ৩৫৩টি (৩৪ দশমিক ৯১ শতাংশ) এবং পথচারীকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা ১২৪টি (১২ দশমিক ২৬ শতাংশ)।

৩৭৮টি (৩৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ) দুর্ঘটনার জন্য মোটরসাইকেল চালক নিজেই এককভাবে দায়ী।

দুর্ঘটনাগুলোর জন্য দায়ী— বাস ১২৩টি (১২ দশমিক ১৬), ট্রাক ৩০৪টি (৩০ দশমিক ০৬ শতাংশ), কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি ৭৯টি (৭ দশমিক ৮১ শতাংশ), থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক-অটোরিকশা-সিএনজি-নসিমন-করিমন-ভটভটি) ৫৭টি (৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ), বাই-সাইকেল ৫টি (শূন্য দশমিক ৪৯ শতাংশ)। দুর্ঘটনায় আক্রান্ত মোটরসাইকেলের সংখ্যা এক হাজার ৭৬টি।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৩৯৮টি (৩৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ) জাতীয় মহাসড়কে, ৩৬৯টি (৩৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ) আঞ্চলিক সড়কে, ১২৮টি (১২ দশমিক ৬৬ শতাংশ) গ্রামীণ সড়কে এবং ১১৬টি (১১ দশমিক ৪৭ শতাংশ) শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে।

সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুর্ঘটনাগুলো ঘটেছে সকালে ২৫ দশমিক ০২, দুপুরে ২০ দশমিক ১৭ শতাংশ, বিকালে ২৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ, সন্ধ্যায় ১০ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং রাতে ১৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

দুর্ঘটনার কারণ

কিশোর-যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, দেশে অতি উচ্চগতির মোটরসাইকেল ক্রয় ও ব্যবহারে বাধাহীন সংস্কৃতি ও সহজলভ্যতা, ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির শিথিলতা, বাস-ট্রাক-পিকআপ-প্রাইভেটকার-মাইক্রোসহ দ্রুতগতির যানবাহনের বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও অস্থিরতা, ইজিবাইক-সিএনজি-নসিমন-করিমন ইত্যাদি স্বল্পগতির যানবাহন অপরিকল্পিত ও অদক্ষ হাতে চালানো, সড়ক-মহাসড়কে ডিভাইডার না থাকা, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা না থাকা, পারিবারিকভাবে সন্তানদের বেপরোয়া আচরণকে প্রশ্রয় দেওয়া ও উচ্ছৃঙ্খল যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে কলুষিত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা।

সুপারিশ

কিশোর-যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। মাত্রাতিরিক্ত গতিসম্পন্ন মোটরসাইকেল উৎপাদন, বিক্রি ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে। গণপরিবহন চালকদের বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করতে হবে। বিআরটিএ’র সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। মহাসড়কে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা লেন তৈরি করতে হবে এবং স্বল্পগতির স্থানীয় যানবাহন বন্ধ করতে হবে। স্বল্পগতির যানবাহনের জন্য মহাসড়কের পাশাপাশি সার্ভিস রোড নির্মাণ করতে হবে। পর্যায়ক্রমে সকল সড়ক-মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে। গণপরিবহন উন্নত করে মোটরসাইকেলকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। রেল ও নৌ-পথ সংস্কার এবং বিস্তৃত করে সড়ক পথের ওপর থেকে ট্রাক-কাভার্ডভ্যানের মতো পণ্যবাহী যানবাহনের চাপ কমাতে হবে। সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাতে হবে। ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮; এর সুষ্ঠু প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

Posted by: | Posted on: November 12, 2020

আমাদের কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা নেওয়া উচিত: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র চার-পাঁচ দিনেও ভোট গণনা শেষ করতে পারে না। আর আমরা ইভিএমে ১০ মিনিটে ফল ঘোষণা করে দিতে পারি। যুক্তরাষ্ট্রের আমাদের থেকে শিক্ষা-দীক্ষা নেওয়া উচিত।’

বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরে আইইএস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।.

সিইসি কে এম নূরুল হুদা

সিইসি বলেন, ‘ভোটাররা কেন্দ্রে যাবেন নিজের গরজে। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের বিষয়ে আমি সবসময় বলি, এটা দেখতে হবে গ্লোবালি, কাজ করতে হবে লোকালি। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের সংস্কৃতি ১৫০ বছরের। তাছাড়া সেখানে আরেকটি বিষয় হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপ থেকে ভালো সিদ্ধান্ত আমরা গ্রহণ করি। আমার একটা কথা, তাদেরও আমাদের থেকে শিক্ষা-দীক্ষা নেওয়া উচিত। কারণ যুক্তরাষ্ট্র চার-পাঁচ দিনেও ভোট গণনা করতে পারে না। ইভিএমে আমরা ১০ মিনিটে ভোট গণনা করে কেন্দ্রে ফল ঘোষণা দিয়ে দেই। এই জিনিস যুক্তরাষ্ট্রে নেই। তাদের প্রায় ২৫০ বছরের গণতান্ত্রিক অভিজ্ঞতায় সেটা এখনও পারেনি। দ্বিতীয়ত হচ্ছে তাদের কেন্দ্রীয় কোনও নির্বাচন কমিশন নেই।’.

ভোটকেন্দ্রে সিইসি কে এম নূরুল হুদা

বিএনপির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একটি কেন্দ্রও কেউ দখল করেনি। কেউ পাঁয়তারা করেনি। বিএনপির পোলিং এজেন্ট কেন্দ্রে যায়নি। আমি খোঁজ নিয়েছি। আমার প্রিজাইডিং অফিসার আমাকে জানিয়েছে বিএনপির পোলিং এজেন্ট কেউ তার কাছে রিপোর্ট করেনি। আর বিএনপির একজন সম্মানীয় ব্যক্তি আমাকে সকালে ফোন করেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন কয়েকজন আসবেন আমার কাছে অভিযোগ জানাতে। আমি তার জন্য অফিসে গিয়ে বসেছিলাম। তারা আসেননি। পরে আমি আমার অফিসে বলে এসেছি কেউ যদি অভিযোগ নিয়ে আসে সেটা গ্রহণ করতে। আমি অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নিয়েছি। অভিযোগ সত্য নয়।’ .

ভোটকেন্দ্রের কাছে উদ্ধার করা ককটেল

ভোটার উপস্থিতি কম এবং সাধারণ ছুটি ঘোষণা না করা প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘ইভিএমের সঙ্গে ভোটারদের পরিচিতি কম হতে পারে। আমি সঠিক জানি না, এটা বিশ্লেষণের বিষয়। তবে এটা সব ক্ষেত্রে সঠিক না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৮১ শতাংশ ভোট পড়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটু কম হয়। আমার মনে হয়, ভোটাররা আসছেন না কেন এটা তারা ভালো বলতে পারবেন। আমাকে জিজ্ঞেস করবেন আমার ম্যানেজমেন্ট ঠিক আছে কিনা। ভোটাররা কেন্দ্রে তো যাবেন নিজের গরজে। আর এর আগে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করার ফলে দেখা গেছে অনেকেই ছুটি পেয়ে বাড়ি চলে যায়। এই কারণে ভোটার কম হয়। এটা বিবেচনা করে, আর ভোট দিতে তো বেশি সময়ের প্রয়োজন হয় না−তাই এবার আর সাধারণ ছুটি দেওয়া হয়নি।’