Main Menu

নষ্টের আশঙ্কায় আগের এলসির পেঁয়াজে ছাড় দিলো ভারত

ভারতের রাস্তায় আটকে থাকা ট্রাকের সারি। (ফাইল ছবি)

অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে রফতানি বন্ধ করলেও এ সিদ্ধান্তের আগেই বাংলাদেশের স্থলবন্দরের উদ্দেশে রওনা হওয়া শত শত ট্রাকভর্তি পেঁয়াজ ছাড় করার অনুমতি দিয়েছে ভারত সরকার। আগামীকাল শনিবার থেকে এসব পেঁয়াজ হিলিসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশ করবে। গত পাঁচ দিন ধরে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ রেখেছে ভারত।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুনুর রশীদ হারুন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে গত সোমবার থেকে ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এতে আমাদের ২৫০ ট্রাক পেঁয়াজ দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় ভারতের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সড়কে কয়েকদিন ধরে আটকে ছিল। একইসঙ্গে ১০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য এলসি দেওয়া ছিল। এগুলোর কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিল তারা। গত মঙ্গলবার ভারতীয় ব্যবসায়ীরা আমাদের জানিয়েছিলেন যে ১৪ তারিখের পূর্বে এলসির বিপরীতে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া পেঁয়াজগুলো রফতানির অনুমতি দিতে পারে ভারত সরকার। সে মোতাবেক বুধবার বাংলাদেশে পেঁয়াজ প্রবেশের কথা ছিল। কিন্তু, তখন অনুমতি মেলেনি। ফলে গত পাঁচ দিন দেশটি থেকে রফতানি বন্ধ রাখায় ৯ থেকে ১০ দিন আগে লোড করা পেঁয়াজগুলো ট্রাকে ত্রিপল বাঁধা অবস্থায় রয়েছে। অতিরিক্ত গরম ও বৃষ্টিতে অনেক ট্রাকের পেঁয়াজে পচন ধরতে শুরু করেছে। এ অবস্থায় ভারতীয় ব্যবসায়ীদের চাপের মুখে আজ শুক্রবার দিল্লির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে। এতে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত সরকারের রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্তের আগে এলসির বিপরীতে টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজগুলো রফতানির অনুমোদন দিয়েছে দেশটির সরকার। আজ রাতে বিষয়টি আমাদের ভারতীয় রফতানিকারকরা জানিয়েছেন। সে মোতাবেক আগামীকাল শনিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে আটকে থাকা ১৪ তারিখের পূর্বের টেন্ডার সম্পন্ন হওয়া পেঁয়াজগুলো দেশে প্রবেশ করবে। আর এসব পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করলে দেশে পেঁয়াজের দাম নিয়ে যে অস্থিরতা বিরাজ করছে তা কমে আসবে। একইসঙ্গে আমরা ভারতীয় রফতানিকারকদের জানিয়েছে, আমাদের এলসির বিপরীতে সব পেঁয়াজ যেন দেওয়া হয়, তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন বিষয়টি দেখবেন।