Main Menu

জেকেজি-রিজেন্ট কাণ্ডে স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির আঁতুড়ঘর কেন্দ্রীয় ওষুধাগার

জেকেজি-রিজেন্ট কাণ্ডে স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির আঁতুড়ঘর মনে করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় ওষুধাগার সিএমএসডিকে। সব ধরনের কেনাকাটা নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি সিন্ডিকেটের নাম আসায় বিষয়টি টক অব দ্য টাউন। 

সদ্য প্রয়াত সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার এম শহীদুল্লাহ বিদায়ের পরে বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে জানিয়েছিলেন তবে এখনো নেয়া হয়নি কোনো ব্যবস্থা।

তবে মন্ত্রণালয়ের দাবি, নতুন মহাপরিচালক নিয়োগের পর এক মাসেই সাশ্রয় হয়েছে ১২৪ কোটি টাকা। আর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করার বিকল্পই নেই।

অনিয়ম, অব্যবস্থাপনার পাশাপাশি করোনা কালে দুর্নীতির অভিযোগে এর মধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জেকেজি, রিজেন্ট, সাহাবুদ্দিন, অপরাজিতাসহ বেশ কটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। তবে, এ খাতের বড় দুর্নীতিটি হয় সরকারী যন্ত্রপাতি কেনাকাটায়।

স্বাস্থ্যের সব কেনাকাটা নিয়ন্ত্রণ করে কেন্দ্রীয় ওষুধাগার-সিএমএসডি। প্রতিষ্ঠানটির সদ্য প্রয়াত সাবেক মহাপরিচালক বিদায়ের পর লেখা এক চিঠিতে এ খাতের দুর্নীতির পিছনে কারণগুলো তুলে ধরেন। তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেন মিঠু ও বেঙ্গল সাইন্টিফিক এর জহির সিন্ডিকেটের কথা। মহাপরিচালক করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন শনিবার। আবারও আলোচনায় তাই তার চিঠিটি। কতটা কার্যকর হলো তার সুপারিশগুলো।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘মিঠু সিন্ডিকেট মিঠুটা কোন ব্যক্তি সেটা আমি দেখি নাই। আমি যদি সঠিক জিনিসটা পাই সঠিক দামে তাহলে পরে আমরা খুশি। এখানে যে অন্যায় করবে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।’

স্বাস্থ্য সচিবের দাবি বর্তমান মহাপরিচালকের সময়ে রোধ করা হচ্ছে সব অনিয়ম।

স্বাস্থ্য সচিব আব্দুল মান্নান বলেছেন, ‘১২৪ কোটি টাকা সরকারের যে সাশ্রয় হয়েছে সেটা শুধু নতুন ডিরেক্টর আসার কেনা-কাটার মাধ্যমে। আপনারা যদি বলেন তার হিসাব-নিকাশ পর্যন্ত আমি দিতে পারবো। এগুলা সরকারের প্রসিডিউর আছে পিপিআর ফলো করে, সমস্ত কিছু ফলো করে কাজটা করার চেষ্টা করা হয়েছে। যেগুলা অতীতে অনেক কিছুই ফলো করা হয়নি।’

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ খাতের স্বচ্ছতা আনতে সিএমএসডিকে দুর্নীতি মুক্ত রাখতে হবে।

বিএমএ প্রেসিডেন্ট ডা.মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেছেন, ‘এটা যদি উনি কন্ট্রোল করেন তাহলে কম হবে। দুর্নীতি হয় নাই এটা ঠিক না, দুর্নীতি হয়েছে বলেই তো ধরা পড়ছে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতো প্রয়োজনে সিএমএসডিতেও শুদ্ধি অভিযান প্রয়োজন বলে মনে করছেন এ খাতের সংশ্লিষ্টরা।






Related News