Sunday, July 26th, 2020

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: July 26, 2020

কুলায় ফেরা — জাহাঙ্গীর কবির

কুলায় ফেরা

……………………………..

জাহাঙ্গীর কবির

……………………………..

সূর্যালোকে বিভাসিত

বর্ণিল এক আসমান হবো!

রঙধনুর সাত সিক্ত রঙে

জমিনের সব রঙ মিশিয়ে

রঙের হিসেব চুকিয়ে দেবো!

 

দূর আকাশের

মেঘমালায় বিলীন হবো!

বৃষ্টিবীণায় ঠোঁট মিলিয়ে

মর্ত্যলোকে রিমঝিমিয়ে

মরা মাটির প্রাণ হয়ে সব

রটিয়ে দেবো!

 

সমুদ্র বিলাস তুচ্ছ করে

তরঙ্গলীলার ফেনা হবো!

গহীন সুখের সন্তরণে

ভেসে ভেসে, হেসে হেসে

সৈকতে সব বলে দেবো!

 

নাস্তাখাস্তা জীবন ছেড়ে

ক্ষন্তব্য এক মানুষ হবো!

আধিব্যাধি পাশ কাটিয়ে

পরদ্বেষী মন পুড়িয়ে ফেলে

আপন কুলায় ফিরে যাবো!

 

পশ্বাচার কবর দিয়ে

পরিপূরিত মানুষ হবো-

আকারে নয়, মনুষ্যত্বে!

যেখানে এক হৃদয় রবে

মহান আল্লাহর দাসত্বে!

Posted by: | Posted on: July 26, 2020

‘জনগণ এমনকি কর্মীদের থেকেও বিচ্ছিন্ন বিএনপি নেতারা’‘জনগণ এমনকি কর্মীদের থেকেও বিচ্ছিন্ন বিএনপি নেতারা’-তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘জনগণ এমনকি কর্মীদের থেকেও বিচ্ছিন্ন বিএনপি নেতারা অস্তিত্ব প্রমাণের জন্যই শুধু টিভির পর্দায় কথা বলেন।’

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক মিয়া আলাউদ্দিন, কার্যনির্বাহী সদস্য আওলাদ হোসেন প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের ‘সরকার দুর্নীতিতে বেসামাল’ মন্তব্যের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ড. হাছান বলেন, ‘সীমাহীন দুর্নীতি- দুঃশাসনের কারণে যারা দেশকে পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল, একবার অবশ্য আফ্রিকার একটি দেশের সাথে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন -সেই বিএনপির মুখপাত্র হচ্ছেন রিজভী আহমেদ। তারা যখন দুর্নীতির কথা বলে, তখন লোকে হাসে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘পেট্রোল বোমার রাজনীতি করার কারণে তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শুধু জনগণ থেকেই নয়, বিএনপি নেতারা তাদের কর্মীদের কাছ থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। টেলিভিশনে উপস্থিতির মাধ্যমে তারা তাদের অস্তিত্বটা প্রমাণ করার চেষ্টা করে এবং সেই লক্ষ্যেই বিভিন্ন কথা বলে, এছাড়া অন্য কিছু নয়।’

বন্যা মোকাবিলায় সরকারের তৎপরতা সম্পর্কে ড. হাছান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বন্যা-দুর্যোগ মোকাবিলায় অতীতেও সক্ষমতা দেখিয়েছেন, এখনো সফলভাবে বন্যা মোকাবিলা করছেন। ১৯৯৮ সালে যে ভয়াবহ বন্যায় দেশের ৭৫ ভাগ স্থল তিন মাস পানির নিচে ছিল, তখনও অনাহারে মানুষ মৃত্যুবরণ করেনি। এবং সেই বন্যাকে সফলভাবে মোকাবিলা করে তিনি বিশ্ববাসীকে তার সক্ষমতা দেখিয়ে দিয়েছিলেন।’

পরবর্তীতে গত সাড়ে ১১ বছরে যত প্রাকৃতিক দুর্যোগ-বন্যা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী সেগুলো সফলভাবে মোকাবিলা করে দুর্যোগের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করেছেন। এখনও বন্যা মোকাবিলায় তার নেতৃত্বে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়সহ পুরো সরকার কাজ করছে, বন্যার্তদের কাছে সাহায্য পাঠানো থেকে শুরু করে সবকিছু করা হচ্ছে।’

আর যারা এ নিয়ে টেলিভিশনে বসে বসে কথা বলছেন, তারা কিন্তু বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াননি, মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের দলের নেতাকর্মীরা স্ব স্ব জায়গায় যেখানে বন্যা হয়েছে, সেখানে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমি আবারও আমাদের দলের নেতাকর্মীদের কাছে অনুরোধ জানাবো যতদিন বন্যা থাকবে, ততদিন তারা যেন মানুষের পাশে থাকে।’

চলচ্চিত্র শিল্প প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার হাত ধরে ১৯৫৭ সালে যে শিল্পের যাত্রা শুরু সেই শিল্পের স্বর্ণালী যুগ ফিরে আনতে আমরা কাজ করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে এই শিল্পকে কিভাবে বাঁচানো যায়, কিভাবে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়, কিভাবে আমাদের দেশের বাংলা ছবি আন্তর্জাতিক বাজারেও স্থান করে নিতে পারে, সে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবসময় চিন্তা করেন, আমাকেও নানা নির্দেশনা দিয়েছেন, আমি তার সাথে আলোচনাও করেছি, জানান হাছান মাহমুদ।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সিনেমা হল খোলার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতি এবং করোনার কারণে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার বাধ্যবাধকতার ফলে এ বিষয়ে আরেকটু ধীরে সুস্থে এগুনো ভালো হবে বলে মনে হয়। করোনার প্রকোপ যখন একেবারে কমে যাবে, তখন আমরা সিনেমা হল পুনরায় চালু করার বিষয়টি আবার আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারি। বিপুল দর্শক থাকা সত্ত্বেও এখনও ভারতে সিনেমা হল খুলে দেওয়া হয়নি, পাকিস্তানেও তাই।’

এসময় চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাসের প্রস্তাবনার প্রেক্ষিতে তথ্যমন্ত্রী জানান, সিনেমা হলগুলোর বিদ্যুৎ বিল বাণিজ্যিক হারের পরিবর্তে শিল্প হারে নির্ধারণের জন্য ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আর বিদেশি চলচ্চিত্র আমদানির বিষয়ে সবার সাথে আলোচনা করে ঐক্যমতের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সিনেমা হল আধুনিকায়ন ও নতুন করে চালু করার জন্য স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণের বিষয়ে অর্থ বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথেও আলোচনা চলছে।

Posted by: | Posted on: July 26, 2020

শেখ হাসিনা নেতৃত্বের আসনে থাকলে দেশ এগিয়ে যাবে সমৃদ্ধির বর্ণিল দিগন্তে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ২৬ জুলাই, ২০২০ (বাসস) : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনার এই মহামারিতে দেশের চলমান উন্নয়নে কিছুটা বাধা সৃষ্টি হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বের আসনে থাকলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে সমৃদ্ধির বর্ণিল দিগন্তে।
আজ রোববার সংসদ ভবনস্থ তার বাসভবনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে ‘সজীব ওয়াজেদ জয় : সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনশেষে ব্রিফিং-এ একথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বৈশ্বিক মহামারী করোনা দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে ক্ষণিকের ছন্দপতন ঘটালেও দেশরতœ শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সকল দূর্যোগ মোকাবিলা করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে সমৃদ্ধির লক্ষ্যে।’
এসময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও গ্রন্থের প্রকাশক জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব এবং গ্রন্থের সম্পাদক আশরাফুল আলম খোকন ও গ্রন্থের পরিকল্পনাকারী ইয়াসিন কবির জয়।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতার রোল মডেল। তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির রোল মডেল। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর কন্যার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করছেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, পরিশ্রমী, মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন জীবন-জীবিকার অধিকারী কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিককালে দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতে অর্জিত হয়েছে অসামান্য সাফল্য, বেড়েছে সক্ষমতা। করোনার এসময়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে নির্বিঘেœ ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সামাজিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখা তারই প্রমাণ।
জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য নায়ক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতে নি:শব্দে ঘটে যাওয়া বিপ্লবের স্থপতি সজীব ওয়াজেদ জয়।
তিনি বলেন, দেশের লাখ-লাখ তরুণ এখন ঘরে বসে আয় করছে। প্রতিযোগিতা করছে গোটা বিশ্বের সাথে। লাখ -লাখ তরুণের মাঝে এ স্বপ্ন বুনে দিয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। মেধাবী তারুণ্যের হাত ধরেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধির সোনালী সোপানে পৌঁছাবে বলে তিনি এসময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এদেশের রাজনীতিতে সততা আর দেশপ্রেমের অনন্য নজির বঙ্গবন্ধুর পরিবার উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের প্রতিটি অর্জনে রয়েছে বঙ্গবন্ধু পরিবারের বলিষ্ঠ অবদান। তিনি বলেন, ’৭৫ পরবর্তী দেশে সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক ও রাজনীতিবিদ শেখ হাসিনা।
আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে সজিব ওয়াজেদ জয়ের ভিশন, মিশন ও তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরাই হচ্ছে এই বইটি প্রকাশের মূল উদ্দেশ্য।
এসময় প্রকাশিত গ্রন্থটির অনলাইন সংস্করণও উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

image_print
Posted by: | Posted on: July 26, 2020

‘সজীব ওয়াজেদ জয়: সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন,ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্য কারিগর সজীব ওয়াজেদ জয়-ওবায়দুল কাদের

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতার রোল মডেল। তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির রোল মডেল। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর কন্যার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করছেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, পরিশ্রমী, মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন জীবন-জীবিকার অধিকারী কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়।

সাম্প্রতিককালে দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতে অর্জিত হয়েছে অসামান্য সাফল্য, বেড়েছে সক্ষমতা। করোনার এ সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সামাজিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখা তারই প্রমাণ।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

তার বাসভবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে‘সজীব ওয়াজেদ জয়: সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন শেষে ব্রিফিং-এ একথা বলেন।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য নায়ক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতে নিঃশব্দে ঘটে যাওয়া বিপ্লবের স্থপতি সজীব ওয়াজেদ জয়।

মন্ত্রী বলেন, দেশের লাখ লাখ তরুণ এখন ঘরে বসে আয় করছে। প্রতিযোগিতা করছে গোটা বিশ্বের সাথে। লাখ লাখ তরুণের মাঝে এ স্বপ্ন বুনে দিয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। মেধাবী তারুণ্যের হাত ধরেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধির সোনালী সোপানে পৌঁছবে বলে তিনি এসময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ দেশের রাজনীতিতে সততা আর দেশপ্রেমের অনন্য নজির বঙ্গবন্ধুর পরিবার উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের প্রতিটি অর্জনে রয়েছে বঙ্গবন্ধু পরিবারের বলিষ্ঠ অবদান।

তিনি বলেন, ’৭৫ পরবর্তী দেশে সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক ও রাজনীতিবিদ শেখ হাসিনা। বৈশ্বিক মহামারি করোনা দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে ক্ষণিকের ছন্দপতন ঘটালেও শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সকল দুর্যোগ মোকাবিলা করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে সমৃদ্ধির লক্ষ্যে।

এ সময় প্রকাশিত গ্রন্থটির অনলাইন সংস্করণও উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও গ্রন্থের প্রকাশক জুনাইদ আহম্মেদ পলকসহ প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব এবং গ্রন্থের সম্পাদক আশরাফুল আলম খোকন ও গ্রন্থের পরিকল্পনাকারী ইয়াসিন কবির জয় উপস্থিত ছিলেন।

Posted by: | Posted on: July 26, 2020

বরিশালে ৪’শ প্রতিবন্ধী ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্প ঋণ নিয়ে স্বাবলম্বী

জেলার ১০ উপজেলায় আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ৪’শ-এর অধিক হত-দরিদ্র, সহায়-সম্বলহীন অসহায় প্রতিবন্ধী সদস্য ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্প ঋণ নিয়ে স্বাবলম্বী।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলার ১০ উপজেলায় প্রতিবন্ধী নারী সদস্য প্রায় ১’শ ৬০ জন ও পুরুষ সদস্য প্রায় ২’শ ৫০ জন সর্বমোট প্রতিবন্ধী সদস্য প্রায় ৪’শ ১০ জনকে ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্প ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক অর্থ সহায়তা ঋণ দিয়েছেন। এরা সকলেই দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী, শারীরিক প্রতিবন্ধী বা পঙ্গু। যারা প্রত্যেকই বর্তমানে স্বাবলম্বী।
সূত্র জানায়, এদের মধ্যে দারিদ্র্যকে জয় করে সাবলম্বী হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন সদর উপজেলার চরকাউয়ার ইউনিয়নে হোসনেয়ারা বেগম, শোলনা ইউনিয়নে আলেয়া বেগম, হোগলা ইউনিয়নে নিলুফা বেগম, দ: চন্ডিপুর ইউনিয়নে রওসন আরা, কর্নকাঠি ইউনিয়নে মেরী বেগম, রায়পাশা ইউনিয়নে ইসরাত জাহান ও ফাতেমা বেগম।
এবিষয়ে বরিশাল রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি গবেষক সুশান্ত ঘোষ বলেন, গ্রামীণ সমাজের প্রত্যেকটি সদস্যের বাড়ি এখন খামারে পরিণত হয়েছে। এ সফলতা স্পষ্ট লক্ষনীয়। উপার্জনের পাশাপাশি পরিবারের চাহিদা মিটছে ফলে খরচ কমছে। প্রকল্প ও ব্যাংকের আওতায় সদস্যদের আর্থিক সক্ষমতা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর পেছনে বিশেষ ভূমিকা রাখছে ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্প।
এব্যাপারে ‘আমার বাড়ি আমার খামার’-এর জেলা সমন্বয়কারী তানিয়া আক্তার বলেন, বর্তমানে এ ঋণ ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্পের গ্রাম উন্নয়ন সমিতির সদস্যদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। তবে যে কেউ সমিতির সদস্য হওয়ার মাধ্যমে এ ঋণ কর্মসূচির আওতায় আসতে পারবে। এ ঋণ কর্মসূচির ফলে প্রকল্পের সদস্যগণ আগের চেয়ে লাভবান হচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দারিদ্র বিমোচনের মাধ্যমে মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে ২০০৯ সালে সৃষ্টি করেছিলেন একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প। ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নিজেই প্রকল্পটির নাম পরিবর্তন করে ‘আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প’ নামকরন করেন।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান বলেন, গ্রামীণ জনপথে এ প্রকল্পের সদস্যদের উন্নতি ও সফলতা চোখে পড়ে। পাশাপাশি ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্প সমাজের অসহায় প্রতিবন্ধীদের স্বনির্ভর ও নারীর ক্ষমতায় নিশ্চিত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। জেলার প্রতিটি উপজেলায় প্রদত্ত ঋণের টাকা আয়বর্ধনমুলক কর্মকান্ডে কাজে লাগিয়ে নিজেদের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে প্রতিটি বাড়িতে এক একটি ক্ষুদ্র খামার স্থাপনে প্রধানমন্ত্রীর দর্শন বাস্তবায়নে নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।বাসস।

image_print