বঙ্গবন্ধু পরাভব মানতে জানতেন না : ড. কলিমউল্লাহ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সোমবার,৮ ই জুলাই, ২০২৪,  সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ বিষয়ক সেমিনারের ৯৬৮ তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। জানিপপ কর্তৃক আয়োজিত জুম ওয়েবিনারে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জানিপপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও।

 

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুদুল হক চৌধুরী।

 

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পি এইচ ডি গবেষক বি সি এস এডুকেশন ক্যাডার এর সদস্য বাবু রণজিৎ মল্লিক

সেমিনারে গেস্ট অব অনার হিসেবে যুক্ত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পি এইচ ডি গবেষক অধ্যক্ষ মাসুদ আহমেদ।

সেমিনারে আলোচক হিসেবে যুক্ত ছিলেন বিশিষ্ট নারী উদ্যোগক্তা নাঈমা ফেরদৌস ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর আব্দুলাহ আল মাহমুদ।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন জানিপপ এর ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার শারমিন সুলতানা শিমু, শাকিব হোসেন ও সাদিয়া হালিমা।

 

সভাপতির বক্তব্যে ড. কলিমউল্লাহ বলেন, জাতির পিতা পরাভব মানতে জানতেন না।

 

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুদুর হক চৌধুরী জাতির পিতাকে নিয়ে তার নিজ জীবনের স্মৃতি চারণ করে বলেন, ১৯৭৬ ১৩ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালনের জন্য রোকন আহমেদের নেতৃত্বে মৌন মিছিল এবং শহীদ মিনার পুস্তবক অর্পণের পরিকল্পনা করা হয় । সকাল ৯ঃ০০ টায় প্রস্তুতি চলে তখন আর্মি আমাদের ঘেরাও করে এবং পুরাতন একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। আর্মিরা বলেছিলো শাহাদাৎ বার্ষিকী উৎযাপন করতে পারবে না। তখন রোকন বলেন – আমারা নামাজ পরে দোয়া করব , সেটাও আমরা করতে পারব না? আর্মিরা তখন বলেন আমরাও তা করব রোকন এবং অন্য একজনকে আমিনা রেখে দিবে তাদের কাছ থেকে পরে জানা যায় আর মেয়েরা বঙ্গবন্ধুর হত্যার জন্য ব্যতীত ছিল অবস্থার প্রেক্ষিতে তাদের কাজ করতে হচ্ছিল ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিটি গ্রামের শহরের বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন হচ্ছে তার খবর এখন তীর্থস্থান বাড়ি জাদুঘর তার আদর্শকে নিশ্চিহ্ন করা যাবে যতদিন বাঙালি পৃথিবীতে ততদিন বঙ্গবন্ধু থাকবে।

সেমিনারের বিশেষ অতিথি পি এইচ ডি গবেষক বাবু রণজিৎ মল্লিক বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে আমেরিকানদের একটি লেখায় মুজিব সম্পর্কে বলা হয়েছে মুজিব সবসময় যা বলতেন তা নিয়ে বলা হয় “He talks for my rivers, my people, my land, my forest.”

শেখ মুজিবুর রহমানকে পোস্টকলোনিয়াল এর নেতা বলা হয় কারণ তিনি নিজের করতে পেরেছিলেন বাঙালিকে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় ঐক্যের প্রত্যাশাযর ঐক্য সবাইকে ভালোবাসতেন। মহাত্মা গান্ধীর মত অহিংস আদর্শ পালন করতেন।

সেমিনারের গেস্ট অব অনার অধ্যক্ষ মাসুদ আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম চাওয়া ছিল জাতীয় স্বাধীনতা তার নেতৃত্বের মাধ্যমে আমরা তা পাই। দ্বিতীয় চাওয়াটা ছিল শোষনমুক্ত সমাজ গঠন। ১৯৪৯ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুবলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। শোষন মুক্ত সমাজের জন্য নানা ধরনের কাজ করেন । শেখ মুজিবুর রহমান শোষনের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন ,কুটির শিল্পের সমৃদ্ধতায় কাজ করেছেন , শিশুশিল্পের জন্য কাজ করেছেন, প্রশাসনের জটিলতা কমাতে কাজ করেছেন ,সমবায় প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন, পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কাজ করেছেন ,দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য কাজ করেছেন এবং শিল্প সংস্কৃত সম্পন্ন সমাজ গঠনের জন্য অবদান রেখেছেন।

 

বিশিষ্ট নারী উদ্যোগক্তা নাঈমা ফেরদৌস বলেন,

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। শেখ লুৎফর রহমান ও মোসাম্মৎ সাহারা খাতুনের চার কন্যা ও দুই পুত্রের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয় সন্তান যাকে বাবা-মা আদর করে খোকা বলে ডাকতেন।

 

সেমিনারে উপস্থিত জানিপপ এর ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার শারমিন সুলতানা শিমু বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন নিখুঁত পরিকল্পনাকারী।

জানিপপ এর ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার সাদিয়া হালিমা বলেন, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও ভারতীয় উপমহাদেশের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন, গোপালগঞ্জস্থ বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক কুমার সরকার।

Share: