Main Menu

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কর্মকর্তা বহিষ্কার,প্রশাসনে স্বস্তি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) তিন কর্মকর্তাকে অবশেষে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।বহিষ্কৃত তিন কর্মকর্তা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক এটিজিএম গোলাম ফিরোজ, উপ-রেজিস্ট্রার মোর্শেদুল আলম রনি ও হিসাব শাখার উপ-পরিচালক খন্দকার আশরাফুল আলম।দুর্নীতি দমন কমিশনের(দুদক) করা মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন থেকে বহাল তবিয়তে ছিলেন।

একই মামলার আসামী হওয়ায় উপ-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ শাহজাহান আলী মন্ডলকে সে সময় বহিষ্কার করলেও রহস্যজনক কারণে এ তিনজনের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয়  কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬ জন কর্মকর্তা লিখিতভাবে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিলেও ওই তিন কর্মকর্তার ব্যপারে নীরব থাকে প্রশাসন। আলোচিত ওই মামলায় দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জেল খেটেছেন বেরোবির সাবেক উপাচার্য আব্দুল জলিল মিয়া।

দুদকের মামলার নথি এবং ওই তিনজনের মুচলেকা দিয়ে জামিন নেয়ার কাগজপত্র অনুসন্ধান করে দেখা যায়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন ব্যতিত ৩৩৮ জন কর্মচারী কে নিয়োগ ও শর্ত পূরণ ছাড়াই পারস্পরিক যোগসাজশে উচ্চতর পদে নিয়োগের অভিযোগে দুদকের রংপুর সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুল করিম ২০১৩ সালের অক্টোবরে দন্ডবিধি ধারা: ৪০৯/১০৯, তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ৫(২) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন (যার নম্বর-স্পেশাল কেস নম্বর- ৮/২০১৭, কোতয়ালী থানার মামলা নম্বর- ৪০/২০১৩, জি আর কেস নম্বর ১০৯৮/১৩)।

ওই মামলায় বেরোবির উপ-রেজিস্ট্রার শাহজাহান আলী মন্ডল, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক এটিজিএম গোলাম ফিরোজ, উপ-রেজিস্ট্রার মোর্শেদুল আলম রনি ও হিসাব শাখার উপ-পরিচালক খন্দকার আশরাফুল আলমসহ তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল জলিল মিয়াকে মামলায় আসামি করা হয়।

দুদক দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ১৯ মার্চ বিশেষ জজ আদালত রংপুর এর নিকট উক্ত পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত একই বছরের ২০ জুলাই চার্জশিট আমলে নিয়ে আদালতে হাজির উপ-রেজিস্ট্রার শাহজাহান আলী মন্ডল ও সাবেক ভিসি অধ্যাপক আব্দুল জলিল মিয়াকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। এছাড়া অন্যদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

ওই বিচারিক আদালতে ২০১৭ সালের ২১ অক্টোবর অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তা এটিজিএম গোলাম ফিরোজ, মোর্শেদুল আলম রনি ও খন্দকার আশরাফুল আলমকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি দেয়। কিন্তু দুদক ওই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল (নম্বর ৩৮৯/২০১৮) দায়ের করলে হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি নিম্ন আদালতে তাদের অব্যাহতি দেয়ার আদেশ বাতিল করে রুল জারি করেন। অভিযুক্ত তিনজনকে রংপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আত্মসমর্পণের আদেশ দেন। সে অনুযায়ী ২০১৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি এটিজিএম গোলাম ফিরোজ, মোর্শেদুল আলম রনি ও খন্দকার আশরাফুল আলম হাজির হয়ে ২০ হাজার টাকা মুচলেকা প্রদান করে আদালত থেকে জামিনে নেন। এখনো তারা জামিনে আছেন।

দুদক দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ১৯ মার্চ বিশেষ জজ আদালত রংপুর এর নিকট উক্ত পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত একই বছরের ২০ জুলাই চার্জশিট আমলে নিয়ে আদালতে হাজির উপ-রেজিস্ট্রার শাহজাহান আলী মন্ডল ও সাবেক ভিসি অধ্যাপক আব্দুল জলিল মিয়াকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। এছাড়া অন্যদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

ওই বিচারিক আদালতে ২০১৭ সালের ২১ অক্টোবর অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তা এটিজিএম গোলাম ফিরোজ, মোর্শেদুল আলম রনি ও খন্দকার আশরাফুল আলমকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি দেয়। কিন্তু দুদক ওই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল (নম্বর ৩৮৯/২০১৮) দায়ের করলে হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি নিম্ন আদালতে তাদের অব্যাহতি দেয়ার আদেশ বাতিল করে রুল জারি করেন। অভিযুক্ত তিনজনকে রংপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আত্মসমর্পণের আদেশ দেন। সে অনুযায়ী ২০১৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি এটিজিএম গোলাম ফিরোজ, মোর্শেদুল আলম রনি ও খন্দকার আশরাফুল আলম হাজির হয়ে ২০ হাজার টাকা মুচলেকা প্রদান করে আদালত থেকে জামিনে নেন। এখনো তারা জামিনে আছেন।

বর্তমানে উচ্চ আদালতের নির্দেশ ও জামিনের তথ্য গোপন করে প্রায় দেড় বছর যাবৎ তারা চাকরিতে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। কিন্তু চাকরি বিধি অনুযায়ী, আত্মসমর্পণের পর জামিনে মুক্তি লাভ করলেও সাময়িক বরখাস্ত থাকার কথা। উচ্চ আদালতের নিদের্শনার বিষয়টি দুদকের জেলা অফিস থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে লিখিতভাবে জানানো হলেও অজ্ঞাত কারণে বিষয়টি আমলে নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একজন শিক্ষক, চার কর্মকর্তা ও সাত কর্মচারীকে গ্রেফতার বা জামিনে থাকার কারণে সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত করে রেখেছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যলয়ের উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, অভিযুক্ত তিনজনকে আজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানান। এ বিষয়ে তিনি বলেন এ ঘটনাটি দ্বিতীয় উপাচার্য জলিল মিয়ার আমলের, যে মামলায় জলিল মিয়া নিজেও জেল খেটেছেন উনার আমলে অবৈধভাবে শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়োগ দিয়ে যে সিন্ডিকেট তৈরি করে গেছেন তার ফল বিশ্ববিদ্যালয়কে এখনো ভোগ করতে হচ্ছে।






Related News