Wednesday, February 27th, 2019

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: February 27, 2019

রাজধানীর আশেপাশে ৮টি স্যাটেলাইট সিটি নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে : শেখ হাসিনা

সংসদ ভবন, (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনসংখ্যার চাপ কমাতে রাজধানী ঢাকার আশেপাশে ৮টি স্যাটেলাইট সিটি নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য বেনজীর আহমদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, জনসংখ্যার চাপ কমানোর জন্য ইতোপূর্বে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় ৪টি স্যাটেলাইট সিটি নির্মাণের লক্ষ্যে পিপিপি পদ্ধতিতে প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রকল্পগুলো হচ্ছে, বংশী-ধামরাই স্যাটেলাইট টাউন উন্নয়ন, ধলেশ্বরী-সিংগাইর স্যাটেলাইট টাউন উন্নয়ন, ইছামতি-সিরাজদিখান স্যাটেলাইট টাউন উন্নয়ন ও সাভার স্যাটেলাইট টাউনে হাইরাইজ এপার্টমেন্ট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলো পিপিপি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম চলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় রাজধানী ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকায় ৪টি স্যাটেলাইট সিটি বিশেষ করে ঢাকার উত্তরে ও দক্ষিণে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ২টি এবং জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ ঢাকার পশ্চিমে ও দক্ষিণে ২টি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রকল্পগুলো হচ্ছে, কেরাণীগঞ্জ মডেল টাউন প্রকল্প, বন্যা প্রবাহ এলাকা, জলাশয় সংরক্ষণ ও কমপ্যাক্ট টাউনশিপ কেরাণীগঞ্জ মডেল টাউন প্রকল্প, ঢাকা দক্ষিণে কেরাণীগঞ্জ উপজেলায় আবাসিক প্লট উন্নয়ন প্রকল্প ও ঢাকার পশ্চিমে সাভার উপজেলায় আবাসিক প্লট উন্নয়ন প্রকল্প

Posted by: | Posted on: February 27, 2019

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় বিমানমন্ত্রী নিহত

অনলাইন ডেস্কঃ নেপালে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী রবীন্দ্র অধিকারীসহ মোট সাতজন নিহত হয়েছেন। বুধবার নেপালের তেহরাতুম জেলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই।হেলিকপ্টারটিতে নেপালের বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রবীন্দ্র অধিকারী ছাড়াও আরও যে ছ’জন ছিলেন। তারা রয়েছেন, নেপালের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী খাগড়া প্রসাদ শর্মা ওলির সহকারি যুবরাজ দাহাল, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল বীরেন্দ্র প্রসাদ শ্রেষ্ঠা এবং অ্যাং শেরিং শেরপা।

সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, এই হেলিকপ্টারটি অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার কয়েক মিনিট পরই পাথিবারা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রবল ধোঁয়া বেরুতে দেখা গেছে।

দুর্ঘটনার পর জরুরি ভিত্তিতে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর বালুয়াতরের সরকারি বাসভবনে মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকা হয়।

নেপালে বিশ্বের অন্যতম দুর্গম ও বিপজ্জনক রানওয়ে রয়েছে। খুব অভিজ্ঞ বিমানচালকদেরও যেখানে প্রায়ই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ২০১৮ সালে দেশটির কাঠমান্ডু ত্রিভূবন আন্তর্জাতিক বিমান দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি পতাকাধারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৫১ জন নিহত হন।–ইত্তেফাক

Posted by: | Posted on: February 27, 2019

পুষ্টি মেটাতে স্থানীয় ফল-সবজিই যথেষ্ট

বিবিসি ডেস্কঃ স্থানীয়ভাবে উত্পাদিত শাক-সবিজ বা ডিম, ফলমূল ইত্যাদি থেকেই যে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া সম্ভব। এ জন্য বাইরে থেকে খাবার আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই। এ বার্তা দিতে ভারতজুড়ে শুরু হয়েছে ক্যাম্পেইন। জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফও এ ক্যাম্পেনে সক্রিয় সমর্থন জানাচ্ছে। যার মূল কথাটা হলো— স্থানীয় খাবার বা ‘লোকাল ফুড সিস্টেম’ই আমার আপনার প্রয়োজন মেটাতে যথেষ্ট। ভারতে ইউনিসেফের প্রধান ইয়াসমিন আলি হক একজন বাংলাদেশি নাগরিক। তিনি বলছেন, এ কথাটা ভারতের জন্য যেমন তেমনি বাংলাদেশের জন্যও সত্যি।

ড. ইয়াসমিন বলেন, লোকাল ফুড বলতে আমরা বোঝাচ্ছি— আমার বাড়ির আঙিনায় যেটা পাওয়া যাচ্ছে, কিংবা বাড়ির পাশের বাজারে যেগুলো সব সময় পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো। তবে ভারতের মতো বিশাল দেশের প্রতিটি রাজ্যে, এমন কী দেশের প্রতিটি জেলাতেও যে স্থানীয় খাবারের ধরনটা পাল্টে যেতে পারে সে কথাও ইউনিসেফ মনে করিয়ে দিচ্ছে। ড. ইয়াসমিন বলেন, নিজের বাড়ির আঙিনায় কুমড়ো, লালশাক বা পুঁইশাকও তো আমরা লাগাতে পারি। তা না করে আমরা কি বাজারে যেটা বেশি চোখে পড়ে সেগুলোই শুধু খাচ্ছি? কিন্তু তার মানে কি পশ্চিমবঙ্গের একটি শিশুর হিমাচল প্রদেশ থেকে আনা আপেল খাওয়ার দরকারই নেই? ইয়াসমিন আলির জবাব, সেই প্রয়োজনটা কিন্তু পেয়ারা দিয়েও মেটানো যেতে পারে। কিংবা বাংলায় কুল প্রচুর পরিমাণে হয়। তারা কুলও খেতে পারে। আপেলই খেতে হবে, এমন তো কথা নেই। আপেল-স্ট্রবেরি না খেলেও তাদের চলে যাবে।

ড. ইয়াসমিন বলেন, যেখানে যা পুষ্টিকর খাবার স্থানীয়ভাবে পাওয়া যায়, সেটা যদি আমরা ভারসাম্য রেখে খাই; সঠিক পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিনস বা শাক-সবিজ খেতে পারি তা হলেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়। ইয়াসমিন হকের জন্ম ও বেড়ে ওঠা বাংলাদেশে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন ছাত্রী তিনি। কর্মসূত্রে নানা দেশে থাকলেও তিনি আজও বাংলাদেশি নাগরিক। তার বাংলাদেশের অভিজ্ঞতাই তিনি ভারতের ক্যাম্পেনে প্রয়োগ করেছেন।

ড. ইয়াসমিন বলেন, ছোটবেলায় আম্মা সব সময় বলতেন গাজর খেতে, তাতে চোখের দৃষ্টি নাকি ভালো হবে। আমরাও যখন মা হয়েছি, বাচ্চাদের গাজর খেতে উত্সাহ দিতে বাড়িতেই গাজর লাগিয়েছি। বাংলাদেশে আর একটা জিনিস ছিল, আপনি কি শাক-সবিজ ধুয়ে কাটেন; না কি কাটার পর ধোন? কাটার পর ধুলে কিন্তু তার ভিটামিন বা মিনারেলস চলে যায়। কিন্তু বাংলাদেশে সেই অভ্যাসটা পাল্টানোর জন্য জাতীয় স্তরে একটা ক্যাম্পেইন দরকার হয়েছিল। আসলে সাধারণ মানুষ তাদের খাদ্যাভ্যাসে ছোট ছোট কিছু পরিবর্তন আনলেই যে নিজেদের ডায়েটে অনেক বেশি পুষ্টি নিশ্চিত করতে পারবে, এ অভিযানের মাধ্যমে ইউনিসেফ সেই বার্তাটাই দিতে চাইছে।

আরো পড়ুন: পাটের নতুন জাত উদ্ভাবন ফলন বাড়বে ২৪ শতাংশ

ড. ইয়াসমিন বলেন, এমন জেলা নেই যেখানে কিছু না-কিছু ফল বা শাক উত্পাদিত হচ্ছে না। ডিম তো সব জায়গাতেই হচ্ছে। কিন্তু আমরা এখন দেখছি বাচ্চারা ডিম না খেয়ে বাইরে থেকে আনা অন্য খাবারের দিকে ঝুঁকছে। তিনি বলেন, আসলে গর্ভবতী মা-ই বলুন বা বাচ্চারা, তাদের কী খাবার দেওয়া হবে সেখানে লোকাল ফুড সিস্টেমের একটা বড় ভূমিকা থাকা উচিত। একটা বাচ্চাকে স্ন্যাকস দেওয়ার সময় তাকে একটা গাজর, কমলালেবু বা পেয়ারা দিতে পারি। কিন্তু সেগুলো না-দিয়ে আমরা তাকে একটা বিস্কুটের প্যাকেট ধরিয়ে দিচ্ছি কি না, প্রশ্ন সেটাই।

Posted by: | Posted on: February 27, 2019

পিএসসিকে যোগ্য প্রার্থীদের চাকরির জন্য সুপারিশের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

(বাসস) : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)কে যোগ্য প্রার্থীরা যাতে সরকারি চাকরি পায় সে লক্ষ্যে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বিকেলে পিএসসি’র একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৮ পেশ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি হামিদ এ আহ্বান জানান।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন রাষ্ট্রপতির উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীরা যাতে পিএসসির সুপারিশে প্রজাতন্ত্রের চাকরি পায় সে জন্য নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে আপনারা কাজ করবেন।’
রাষ্ট্রপতি পিএসসিকে কমিশনের সকল কর্মকান্ডে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি)’র সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করারও পরামর্শ দেন।
দেশ সকল ক্ষেত্রে এক অসাধারণ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পিএসসিকেও সরকারের চলমান উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে আরো বেগবান করতে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি হামিদ কমিশনের সার্বিক কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে পিএসসি’র চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিকের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল কমিশনের সার্বিক কর্মকান্ড ও প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন্
সাদিক রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন যে, পিএসসি ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২৬ হাজার ৫৮৪ জন ক্যাডার ও ৩৩ হাজার ৯৬৭ জন নন-ক্যাডার মিলিয়ে মোট ৬০ হাজার ৫৫১ জন সকল প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়েছে।
তিনি রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন যে, কোন পরীক্ষায় একজন পরীক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের মধ্যে যদি দু’জন পরীক্ষকের দেয়া নম্বরে ২০ নম্বরের ব্যবধান হয়, সে ক্ষেত্রে প্রত্যেক পরীক্ষার জন্য তৃতীয় পরীক্ষক অন্তর্ভুক্ত করাসহ পরীক্ষার্থীর খাতা পরীক্ষণ ও পুনঃপরীক্ষণে অধিকতর নিশ্চিত করার মাধ্যমে পিএসসি জনগণের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছে।
ড. সাদিক বলেন, ‘পিএসসি ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের ওপর ৫০ নম্বর চালু করেছে।’

Posted by: | Posted on: February 27, 2019

অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য পুরাতন ঢাকার কেমিক্যাল শ্যামপুর ও টঙ্গিতে সরানোর সিদ্ধান্ত

(বাসস) : পুরাতন ঢাকার বিভিন্ন ভবনে রক্ষিত কেমিক্যাল অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য রাজধানীর শ্যামপুর এবং টঙ্গিতে নিরাপদ স্থানে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়।
কদমতলী থানার শ্যামপুর মৌজায় অবস্থিত বিসিআইসির উজালা ম্যাচ ফ্যাক্টরি এবং ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে টঙ্গির কাঠালদিয়া মৌজায় বিএসইসির খালি জায়গায় এগুলো সরিয়ে নেয়া হবে।
প্রাথমিকভাবে দু’টি স্থান মিলিয়ে ১২ দশমিক ১৭ একর জমির ওপর ৪ লাখ বর্গফুট আয়তনের স্টিল সেড নির্মাণ করে এগুলো সংরক্ষণ করা হবে।
চকবাজারে অগ্নিকা-ের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন ভবনে রক্ষিত দাহ্য কেমিক্যাল নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর বা সংরক্ষণের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য জায়গা নির্ধারণের বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় আজ এ সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। শিল্পসচিব মো. আবদুল হালিম এতে সভাপতিত্ব করেন।
সভায় শিল্প, ভূমি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, কৃষি, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়,রাজউক,জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ,ফায়ার সার্ভিস,পুলিশ,বিসিআইসি,বিএসইসি,বিএডিসি,ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন,ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি এবং কেমিক্যাল ও প্লাস্টিক সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পুরাতন ঢাকার ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে সাময়িক সময়ের জন্য বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে উপযুক্ত স্থান নির্ধারণের ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় ব্যবসায়ী নেতাদেরকে আগামীকালের মধ্যে তাদের কেমিক্যাল সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় জায়গার পরিমাণ নির্ধারণ করে লিখিতভাবে শিল্প মন্ত্রণালয়কে জানানোর পরামর্শ দেয়া হয়। আলোচনা শেষে রাজধানীর শ্যামপুর এবং টঙ্গির নিরাপদ স্থানে এগুলো সরানোর বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় কেমিক্যাল ও এসিড ব্যবসায়ীরা বলেন, চকবাজারে অগ্নি দুর্ঘটনার পর কেমিক্যাল ইস্যুতে স্থানীয়ভাবে এক ধরণের ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ ধরণের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে পুরাতন ঢাকার প্রায় ২৫ লাখ ব্যবসায়ী বেকার হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন। তারা ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিদ্যমান ভীতি দূর করতে সরকারের সহায়তা কামনা করেন। সাময়িকভাবে টঙ্গিতে নির্ধারিত জায়গায় এসিড ও শ্যামপুরের জায়গায় কেমিক্যাল সরানোর বিষয়ে তারা একমত পোষণ করেন।
অনুষ্ঠানে শিল্পসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী রাজধানী ঢাকা থেকে নিরাপদ স্থানে কেমিক্যাল স্থানান্তরের বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এগুলো স্থানান্তরের জন্য ব্যবসায়ীদেরকে জায়গা করে দেয়া হবে। জননিরাপত্তার স্বার্থে অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য এসিড ও কেমিক্যাল স্থানান্তর বা সংরক্ষণের জন্য দু’টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। আরও জায়গা প্রয়োজন হলে, শিল্প মন্ত্রণালয় তারও ব্যবস্থা করবে।
শিল্পসচিব আরও বলেন, টঙ্গি ও কদমতলীতে সরকারের খরচেই স্টিল স্ট্রাকচার নির্মাণ করে দেয়া হবে। তবে ব্যবসায়ীরা সেখানে যৌক্তিক ভাড়ায় কেমিক্যাল সংরক্ষণ করবেন। তিনি আগামী ৩ দিনের মধ্যে কমপ্লায়েন্স মেনে এ বিষয়ে কারিগরি প্রস্তাব প্রণয়নের জন্য বিএসইসি এবং বিসিআইসিকে নির্দেশনা দেন। জাতীয় জরুরি প্রয়োজনে এরপরই দ্রুত সরকারি অর্থায়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সাথে তিনি এ লক্ষ্যে সরকারের সাথে একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানান।