নির্বাচন সংবাদ

now browsing by category

Featured posts

 
Posted by: | Posted on: January 27, 2021

লালমনিরহাটে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বর্তমান মেয়র রিন্টু

দিপু সিদ্দিকীঃলালমনিরহাট পৌরসভায় মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন টানা দুই মেয়াদের মেয়র রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু। দল থেকে মনোনয়ন চেয়ে না পাওয়ায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ও দলের মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন তিনি। এসময় তাকে জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। আর কোনও প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় এ নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থেকে গেলেন ৫ জন। তাদের প্রতীকও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এদিন। লালমনিরহাটে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার ঘোষণা দিয়ে দলের প্রার্থীকে শুভেচ্ছা রিন্টুর

লালমনিরহাট জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানিয়েছে, লালমনিরহাট পৌরসভায় মেয়র পদে নৌকা প্রতীকে মোফাজ্জল হোসেন, ধানের শীষ প্রতীকে মোশাররফ হোসেন রানা, লাঙ্গল প্রতীকে এসএম ওয়াহিদুল হাসান সেনা, হাতপাখা প্রতীকে আমিনুল ইসলাম ও আওয়ামী যুবলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল করিম স্বপন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নারিকেল গাছ প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বর্তমান মেয়র রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু  শেষ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেন শহরের রাজনীতিতে এ আলোচনা চাউর ছিল তার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন থেকেই। অনুমিতভাবেই তিনি শেষদিনে এসে তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিলেন। এ উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি। এতে দলের শহুরে সিনিয়র নেতাদের সবাই উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে মনোনয়ন না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেও কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন তিনি।

লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সভাপতি সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, মেয়র প্রার্থী ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় রিয়াজুল ইসলাম রিন্টুকে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে মেয়র রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের সমর্থন পেয়ে ২০১১ ও ২০১৫ সালের পৌর নির্বাচনে লালমনিরহাটের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু। এই পৌরসভায় এর আগে রিন্টুর পিতা প্রয়াত আলহাজ মকবুল হোসেন টানা ৫ বার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এদিকে, জেলা আওয়ামী যুবলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল করিম স্বপন তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় আওয়ামী লীগে দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী থেকে গেলো।

পাটগ্রাম পৌরসভাতেও আছে আ.লীগে দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী

জেলার অপর পৌরসভা পাটগ্রামে একইদিনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এখানে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে মেয়র পদে নৌকা প্রতীকে রাশেদুল ইসলাম সুইট, ধানের শীষ প্রতীকে একেএম মোস্তফা সালাউজ্জামান ওপেল, হাতপাখা প্রতীকে সুমন মিয়া ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী আসাদুজ্জামান আসাদ নারিকেল গাছ প্রতীকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জেলার দুটি পৌরসভাতেই দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় আওয়ামী লীগের মধ্যে অস্বস্তি রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

প্রসঙ্গত, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি এ দুই পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। লালমনিরহাটের ৯টি ওয়ার্ডেই প্রথম ইভিএম ভোটিং মেশিন ব্যবহার করা হবে। তবে পাটগ্রাম পৌরসভায় ইভিএম ভোটিং মেশিন ব্যবহার করা হবে না।  ে

Posted by: | Posted on: January 27, 2021

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আলমগীর ওএসডি

মাহবুব বাশারঃ সরকার বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীরকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। অপরদিকে রাজশাহীর বর্তমান বিভাগীয় কমিশনার মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকারকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে নির্বাচন কমিশনের নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত অতিরিক্ত সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীরকে রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ ও সিনিয়র সহকারী সচিব শেখ রাসেল হাসান স্বাক্ষরিত পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এসব আদেশ অবিলম্ব কার্যকর হবে।

জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের বর্তমান সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর ফেব্রুয়ারি মাসের ২ তারিখ অবসরে যাবেন। অবসরে যাওয়ার সুবিধার্থে মঙ্গলবার তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে পৃথক আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

Posted by: | Posted on: January 11, 2021

জমে উঠেছে শ্রীপুর পৌর নির্বাচন

জমে উঠেছে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভা নির্বাচন। শিল্প অধ্যুষিত প্রথম শ্রেণির এ পৌরসভায় মেয়র পদে এবার চার জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা পৌরসভার উন্নয়ন, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত এবং পৌরবাসীর দুঃখ-দুর্দশায় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার ভোটগ্রহণ। এখানকার ভোটাররা প্রথমবারের মতো ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোট দেওয়ার স্বাদ গ্রহণ করবেন। ভোট নিয়ে সব বয়সের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ দেখা গেছে। তবে, ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দেওয়া কতটুকু নিরপেক্ষ হবে, তা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে তাদের মধ্যে। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে জমে উঠেছে নির্বাচনি মাঠ। প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন মেয়র, কাউন্সিলর প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা। সব মিলিয়ে সরগরম শ্রীপুরের তৃণমূলের রাজনীতি।

শ্রীপুর পৌরসভা নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এম শামসুজ্জামান জানান, পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে চার জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৯ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার সংখ্যা ৬৭ হাজার ৯৩৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩৩ হাজার ৮৩২ জন এবং মহিলা ভোটার ৩৪ হাজার ১০৩ জন।

সরেজমিনে শ্রীপুর পৌর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পৌর এলাকায় এখন নির্বাচনি হওয়া বাইছে। প্রার্থীরা লিফলেট বিতরণ, পোস্টার সাঁটিয়ে, ব্যানার টানিয়ে ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে নির্বাচনি মাঠে নিজেদের প্রার্থী হওয়ার খবর জানাচ্ছেন। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও চলাচ্ছেন জোর প্রচার-প্রচারণা। পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকানও জমে উঠেছে নির্বাচনি আলোচনায়।

নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী চার জন হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র আনিছুর রহমান (নৌকা), বিএনপি মনোনীত শ্রীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী খান (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শামীম আহমেদ মোমতাজী (হাত পাখা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম (জগ) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলমের ছোট ভাই শ্রীপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ শহীদ দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। পরে তফসিল ঘোষণার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলে তার বড় ভাই বিএনপি থেকে মনোনয়ন চেয়ে ব্যার্থ হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

শ্রীপুরের স্থানীয় রাজনীতিতে মতবিরোধ থাকলেও পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের সেই মতবিরোধ এখন আর চোখে পড়ছে না। দলের হাই কমান্ড এবং কেন্দ্রের নির্দেশনা মোতাবেক দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করার জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ করছেন বলে দাবি নেতাকর্মীদের। ফলে অনেকটাই ফুরফুরে মেজাজে মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন নৌকা মার্কার প্রার্থী বর্তমান মেয়র আনিছুর রহমান ও তার সমর্থকেরা। করছেন সভা সমাবেশ, দিচ্ছেন আধুনিক পৌরসভা গড়ার প্রতিশ্রুতি। দিন রাত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন সমর্থকরা।

 এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আনিছুর রহমান বলেন, টানা তিনবার জনগণের ভালোবাসা ও ভোটে আমি শ্রীপুর পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করছি। এই দায়িত্বে থাকাকালে আমি সাধারণ মানুষের আশার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হয়েছি। গরীব এবং মেহনতি মানুষের পাশে সবসময় থাকার চেষ্টা করেছি। তাই এখানকার ভোটাররা নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে।

এদিকে, বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে মতবিরোধ থাকলেও পৌর নির্বাচনে সবাই মতবিরোধ ভুলে দলের প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নেমেছেন। তারা তাদের প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পৌরসভার প্রতিটি ঘরে দলীয় প্রতীক ধানের শীষের সালাম পৌঁছে দিচ্ছেন। দলের কেন্দ্রীয় নেতারাও ইতোমধ্যে নির্বাচনি প্রচারণা চালিয়েছেন। তারা দেশে ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী শ্রীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী খান বলেন, ২০ বছরের ঐতিহ্যবাহী প্রথম শ্রেণির পৌরসভা শ্রীপুর। বর্তমান মেয়র তিনবার নির্বাচিত হওয়ার পরও শ্রীপুর পৌরসভায় উল্লেখযোগ্য কোনও উন্নয়ন করতে পারেননি। তিনি শুধু সাধারণ মানুষকে আশার কথা শুনিয়েছেন। আমি নির্বাচিত হলে, শ্রীপুর পৌরসভা হবে দেশের অন্যতম একটি মডেল পৌরসভা। যদি অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট হয় তাহলে ধানের শীষের জয় নিশ্চিত বলে জানান তিনি।

জগ প্রতীকের স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী শাহ আলম বলেন, নির্বাচনি পরিবেশ এখনও ভালো আছে। তবে, শ্রীপুর পৌর শহরে আমার কর্মী-সমর্থকেরা পোস্টার লাগিয়ে আসলে পরদিন সকালে আর দেখা যায় না। কে বা কারা রাতের কোনও এক সময় আমার ‘জগ’ মার্কার পোস্টার ছিড়ে ফেলছে। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছি। যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হয় তবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

 গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকতা মোহাম্মদ ইস্তাফিজুল হক আকন্দ বলেন, নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু এবং প্রভাবমুক্ত করার জন্য সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। এরই মধ্যে ইভিএম-এ যেন সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারেন সেই লক্ষ্যে এলাকায় লিফলেট বিতরণ, গত শুক্রবার (৮ জানুয়ারী) পৌরসভা এলাকার সব মসজিদে, প্রতিদিন বিকাল থেকে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকে ইভিএম প্রদর্শনী হচ্ছে।

আগামী ১৪ জানুয়ারি ২৬টি ভোট কেন্দ্রে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ওয়ার্ডে ডামি ভোটিংয়ের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। ১২ এবং ১৩ জানুয়ারি মাইকিং করে তা জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

জেলা নির্বাচন অফিসের দেওয়া তথ্যমতে, শ্রীপুর পৌরসভার নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে মোট ভোট কেন্দ্র ২৬টি। এর মধ্যে পুরুষ ভোট কেন্দ্র ১০টি, মহিলা ভোট কেন্দ্র ১০ এবং উভয় ভোট কেন্দ্র ৬টি। ভোট কক্ষ ১৯০টি এবং অস্থায়ী ভোট কক্ষ ২৬টি।

Posted by: | Posted on: December 27, 2020

২৪ পৌরসভার ভোট সোমবার: শেষ হলো প্রচারণা

ডেইলি প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃ

প্রথম ধাপের ২৪টি পৌরসভা নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ হলো। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ১২টা থেকে সব ধরনের প্রচারণা শেষ হয়েছে। পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি অনুযায়ী নির্বাচনের ৩২ ঘণ্টা আগে থেকে সব ধরনের প্রচার প্রচারণা বন্ধ থাকবে। সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে। বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সবকটি পৌরসভায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করে ভোট নেওয়া হবে।
এ ধাপে ২৩টি জেলায় ২৪টি পৌরসভায় ভোট হবে। নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম-সচিব (পরিচালক-জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, তারা সারাদেশ থেকে রিপোর্ট নিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো আছে, খারাপ কোনও প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, নির্বাচনি এলাকায় আচরণবিধি প্রতিপালনে ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।
গত ২২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ২৫টি পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। নির্বাচনী মাঝপথে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভায় মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী মারা যান। ওই পৌরসভায় ১৬ জানুয়ারি ভোটের দিন নির্ধারণ করে পুন:তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ২৪টি পৌরসভায় ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ হতে যাচ্ছে। এ নির্বাচনে মেয়র পদে ৯৩ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৮৪৮জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ২৭৭জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিটি পৌরসভায় একজন মেয়র, তিনজন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ও ৯জন করে সাধারণ কাউন্সিলর নির্বাচিত হবেন। প্রথম ধাপের সবকটি পৌরসভায় ইভিএম এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে। ভোটের পরপরই ফল নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে পৌরসভা নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন পরিকল্পনা নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রতিটি পৌরসভায় পুলিশ ও আনসারের একটি করে স্ট্রাইকিং ও তিনটি করে মোবাইল ফোর্স ও র‍্যাবের তিনটি টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ১০ হাজারের কম ভোটারের পৌরসভার জন্য এক প্লাটুন বিজিবি সদস্য, ১০ হাজারের বেশি ভোটারের পৌরসভার জন্য দুই প্লাটুন ও ৫০ হাজারের বেশি ভোটারের জন্য তিন প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকছে। শনিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এসব সদস্য মাঠে নেমেছেন। এ নির্বাচনে সাধারণ ভোটকেন্দ্রের পাহারায় ১১ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ (গুরুত্বপূর্ণ) কেন্দ্রে ১৩ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।

Posted by: | Posted on: December 27, 2020

পৌরসভা নির্বাচনে ৬৪ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলো আ.লীগ

ডেইলি প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃ

পৌরসভার নির্বাচনের আসন্ন তৃতীয় ধাপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ৬৪ পৌরসভায় দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) দলটির স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে এসব নাম চূড়ান্ত করা হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে তার সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
মনোনয়ন পেলেন যারা:

রংপুর বিভাগের দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর পৌরসভায় এনএএম জামিল হোসেন , নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভায় মো. মোহসীন, কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভায় মামুন সরকার, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভায় খন্দকার মো. জাহাঙ্গীর আলম।
রাজশাহীর বিভাগের বগুড়া জেলার ধুনট পৌরসভায় টিআইএম নুরুন্নবী, শিবগঞ্জ পৌরসভায় তৌহিদুর রহমান মানিক, গাবতলী পৌরসভায় মোমিনুল হক (শিলু), কাহালু পৌরসভায় হেলাল উদ্দিন কবিরাজ, নন্দীগ্রাম পৌরসভায় আনিছুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের রহনপুর পৌরসভায় গোলাম রাব্বানী বিশ্বাস, নওগাঁর ধামইরহাট পৌরসভায় আমিনুর রহমান, নওগাঁ সদর পৌরসভায় নির্মল কৃষ্ণ সাহা, রাজশাহীর তানোর-মুন্ডুমালা পৌরসভায় আমির হোসেন (আমিন), মোহনপুর কেশরহাট পৌরসভায় মোঃ শহিদুজ্জামান, নাটোরের সিংড়া পৌরসভায় জান্নাতুল ফেরদৌস, পাবনা সদর পৌরসভায় আলী মুর্তজা বিশ্বাস।

খুলনার বিভাগের চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার দর্শনা পৌরসভায় মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু পৌরসভায় ফারুক হোসেন, কোটচাঁদপুর পৌরসভায় শাহাজান আলী, যশোরের মনিরামপুর পৌরসভায় কাজী মাহমুদুল হাসান, নড়াইল সদর পৌরসভায় আঞ্জুমান আরা, কালিয়া পৌরসভায় ওয়াহিদুজ্জামান (হীরা), বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌরসভায় এস. এম. মনিরুল হক, খুলনার পাইকগাছা পৌরসভায় সেলিম জাহাঙ্গীর, সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভায় মো. মনিরুজ্জামান।

বরিশাল বিভাগের বরগুনা সদর পৌরসভায় কামরুল আহসান (মহারাজ), পাথরঘাটা পৌরসভায় আনোয়ার হোসেন আকন, ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভায় রফিকুল ইসলাম, দৌলতখান পৌরসভায় জাকির হোসেন, বরিশালের গৌরনদী পৌরসভায় হারিছুর রহমান, মেহেন্দিগঞ্জ পৌরসভায় কামাল উদ্দিন খান, ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভায় আ. ওয়াহেদ খাঁন, পিরোজপুরের নেছারাবাদ স্বরূপকাঠী পৌরসভায় গোলাম কবির।

ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল সদর পৌরসভায় এস,এম সিরাজুল হক, মির্জাপুর পৌরসভায় সালমা আক্তার, ভূঞাপুর পৌরসভায় মাসুদুল হক মাসুদ, সখিপুর পৌরসভায় আবু হানিফ আজাদ, মধুপুর পৌরসভায় সিদ্দিক হোসেন খান, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌরসভায় শওকত উসমান, মুন্সিগঞ্জ সদর পৌরসভায় মোহাম্মদ ফয়সাল, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৌরসভায় শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল, রাজবাড়ীর পাংশা পৌরসভায় ওয়াজেদ আলী, শরীয়তপুরের নড়িয়া পৌরসভায় আবুল কালাম আজাদ, ভেদরগঞ্জ পৌরসভায় আবদুল মান্নান হাওলাদার, জাজিরা পৌরসভায় অধ্যাপক আবদুল হক কবিরাজ।

ময়নসিংহ বিভাগের জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভায় মনির উদ্দিন, শেরপুরের নকলা পৌরসভায় হাফিজুর রহমান, নালিতাবাড়ী পৌরসভায় আবু বক্কর সিদ্দিক, ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভায় এ, কে, এম মেজবাহ্ উদ্দিন, ত্রিশাল পৌরসভায় নবী নেওয়াজ সরকার, গৌরীপুর পৌরসভায় শফিকুল ইসলাম হবি, ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভায় হাবিবুর রহমান, নেত্রকোনার দূর্গাপুর পৌরসভায় আলা উদ্দিন।

সিলেট বিভাগের সিলেটের গোলাপগঞ্জ পৌরসভায় মোহাম্মদ রুহেল আহমদ, জকিগঞ্জ পৌরসভায় খলিল উদ্দিন, মৌলভীবাজার সদর পৌরসভায় ফজলুর রহমান।

চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা জেলার লাকসাম পৌরসভায় আবুল খায়ের, বরুড়া পৌরসভায় বক্তার হোসেন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভায় মীর হোসেন মীরু, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভায় মাহবুব-উল আলম, ফেনী সদর পৌরসভায় নজরুল ইসলাম স্বপন, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ চৌমুনী পৌরসভায় আক্তার হোসেন, হাতিয়া পৌরসভায় কে, এম ওবায়েদ উল্যাহ, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভায় আবুল খায়ের পাটওয়ারী।