নির্বাচন সংবাদ

now browsing by category

Featured posts

 
Posted by: | Posted on: September 22, 2021

১৬০ ইউপিতে ভোট পড়েছে ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ

দিপু সিদ্দিকীঃ : প্রথম ধাপে সোমবার অনুষ্ঠিত ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
এসব ইউপির মধ্যে ৪৪টিতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
মাঠ পর্যায় থেকে পাঠানো তথ্য সমন্বয় করে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বিকেলে এ তথ্য জানান ইসি সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান।
ইসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৬০টি ইউপিতে মোট ভোটার সংখ্যা ২০ লাখ ৯৩ হাজার ১১৭ জন। এদের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১৪ লাখ ৫১ হাজার ৩০০ জন। অর্থাৎ ভোট পড়ার হার হচ্ছে ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
এদিকে ৮টি ইউপিতে ভোট হয়েছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। এতে ভোট পড়েছে ৬৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আটটি ইউপির মোট ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ৯৭৯ জন। এদের মধ্যে ১ লাখ ১৩ হাজার ৭২৫ জন ভোট দিয়েছেন।

Posted by: | Posted on: September 22, 2021

এক-তৃতীয়াংশ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

প্রেস ওয়াচ রিপোর্টঃ

সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এক-তৃতীয়াংশ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। অবশ্য স্বতন্ত্র হলেও প্রার্থীদের বেশিরভাগই ছিলেন আওয়ামী লীগ ঘরানার। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তারা।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার প্রথম দফার স্থগিত ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও একক প্রার্থী থাকায় এসব ইউপির ৪৩টিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়েনি। এসব ইউপিতে আওয়ামী মনোনীত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে সোমবারের ভোটে চেয়ারম্যান পদে ১১৭টি ইউপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১১৭টি ইউপির মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা ৭৬টিতে জয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্ররা জয়ী হয়েছেন ৩৬টি ইউপিতে। এর বাইরে ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত প্রার্থী একটি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তালা উপজেলার ঘষিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদে ওয়ার্কার্স পার্টির মোল্লা সাবির হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। ইউপিতে তার নিকটবর্তী প্রার্থী আওয়ামী লীগের মোজাফফর রহমান।

একটি করে কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত থাকায় চারটি ইউপির ফলাফল স্থগিত রয়েছে। এরমধ্যে একটিতে আওয়ামী লীগ ও তিনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার ৬টি ইউপির মধ্যে পাঁচটিতে ব্যালট এবং একটিতে ইভিএমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যালটে অনুষ্ঠিত পাঁচটি ইউপির সবক’টিতেই স্বতন্ত্ররা জয়ী হয়েছেন। অপরদিকে ব্যালটে অনুষ্ঠিত বারাকপুর ইউপিতে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী।

বাগেরহাট জেলার ২৭টি ইউপির মধ্যে ২৬টিতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। এ জেলার কেবল মোরেলগঞ্জ উপজেলার দুটি ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। বাগেরহাট জেলার ৩৯টি ইউপিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সেখানে চেয়ারম্যান পদে ভোট গ্রহণের প্রয়োজন পড়েনি।

পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সাতক্ষীরা জেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তুলনামূলক বেশি বিজয়ী হয়েছে। এ জেলার মোট ২১টি ইউপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১১টি ইউপির চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা ৯টিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছে। এ জেলার একটি ইউপিতে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী জিতেছেন।

ইভিএমে ভোটের হার বেশি

ইউপি নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটের হার কাগজে ব্যালটের তুলনায় কিছুটা বেশি পড়েছে। সচরাচর নির্বাচনে কাগজের ব্যালটে ভোটের হার বেশি থাকলেও এবার কিছুটা ব্যতিক্রম দেখা গেছে।

সোমবার ইউপি নির্বাচনে গড় ভোটের হার ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ। মোট ২০ লাখ ৯৩ হাজার ১১৭টি ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ১৪ লাখ ৫১ হাজার ৩০০টি।

নির্বাচনে ব্যালটে ভোটের হার ছিল ৬৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে ১৯ লাখ ৩০ হাজার ১৩টি ভোটের মধ্যে পড়েছে ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫৭৫টি।

আটটি ইউপিতে ইভিএমে ভোট হয়। ইভিএমে ভোট ছিল ৬৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ১ লাখ ৬২ হাজার ৯৭৯টি ভোটের মধ্যে ইভিএমে পড়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৭২৫টি।

সর্বোচ্চ ৮৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ ভোট পড়েছে খুলনার দাকোপ উপজেলার দাকোপ ইউনিয়ন পরিষদে। ইউপিতে মোট ৬ হাজার ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ৫ হাজার ৩৫০টি। ইউপিতে আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

নির্বাচনে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মুছাপুর ইউপিতে। এখানে ভোট পড়েছে ৪৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এখানে ৩১ হাজার ৪০১টি ভোটের মধ্যে কাস্ট হয়েছে ১৩ হাজার ৭৪০টি। এখানে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

Posted by: | Posted on: September 20, 2021

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হলেন ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত

প্রেস ওয়াচ রিপোর্টঃ : কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। আজ সোমবার দপুর ১২ টায় কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার এ ঘোষণা দেন।
ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) মনিরুল ইসলাম গত শনিবার সকালে তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।
কুমিল্লা-৭ আসনের উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার বাসসকে বলেন, কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হলো।
ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য।
চান্দিনা উপজেলা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৭ আসনে টানা তিন মেয়াদসহ পাঁচ বারের সাংসদ ছিলেন সাবেক ডেপুটি স্পিকার অধ্যাপক আলী আশরাফ। গত ৩০ জুলাই তাঁর মৃত্যু হলে আসনটি শূন্য হয়। আগামী ৭ অক্টোবর ভোট গ্রহণের দিন ধার্য করে গত ২ সেপ্টেম্বর নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র নিয়ে জমা দেন চার জন। ১৪ সেপ্টেম্বর যাচাই-বাছাই শেষে একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী ছালেহ ছিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। গত ১৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী, দলটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক লুৎফুর রেজা খোকন তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।

Posted by: | Posted on: September 20, 2021

সন্দ্বীপে ১২ ইউনিয়নের ১০টিতেই নৌকার জয়

প্রেস ওয়াচ রিপোর্টঃ

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার ১২ ইউনিয়নের মধ্যে ১০টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। বাকি দুটিতে স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) প্রার্থীরা জয়ী হন।

সোমবার রাতে রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘এখনও আমরা নির্বাচনের ফল পুরোপুরি হাতে পাইনি। নির্বাচন কমিশনের লোকজন এখনও কাজ করছেন। ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে চারটিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি আটটিতে আজ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হয়েছে। বেসরকারি ফলাফলে আটটি ইউনিয়নের মধ্যে ছয়টিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। বাকি দুটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়লাভ করেন।’

জানা গেছে, মাইটভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন মিজানুর রহমান মিজান, রহমতপুর থেকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদুল মাওলা কিশোর, সন্তোষপুর থেকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন মহিউদ্দিন জাফর, গাছুয়া থেকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন আবু হেনা, মুছাপুর থেকে নৌকা প্রতীকে আবুল খায়ের নাদিম, হরিশপুর থেকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন আবুল কাশেম মোল্লা, আমানউল্লাহ থেকে আনারস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাইফুল ইসলাম ও আজিমপুর থেকে আনারস প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন যুবলীগের মো. রকি।

বাকি চারটি ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সরকার দলীয় প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন হারামিয়া থেকে মো. জসিম উদ্দিন, বাউরিয়া থেকে জিল্লুর রহমান, সারিকাইত থেকে ফখরুল ইসলাম পনির এবং মগধরা থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন এসএম আনোয়ার হোসেন।

Posted by: | Posted on: September 13, 2021

‘নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করা হচ্ছে’

প্রেস ওয়াচ রিপোর্ট ঃ

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে কক্সবাজারের টেকনাফে ‘রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের’ ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। কিছু অসাধু চক্র নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও প্রভাবিত করতে সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে অপতৎপরতা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রার্থীরা। অনেক প্রার্থীও এমন ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।

২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় টেকনাফের চার ইউপির নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অধিকাংশ চেয়ারম্যান প্রার্থী এমন অভিযোগ করেন। রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজ চৌধুরীর সভাতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ।

সভায় হ্নীলা ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী রাসেদ মাহামুদ আলী অভিযোগ করেন, ‘আমার নির্বাচনি এলাকা রোহিঙ্গা অধ্যুষিত হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ক্যাম্পের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ভাড়া করে নিয়ে আসছে। কিছু দিন আগে আমার এক সমর্থককে গুলি করে হত্যা করেছিল তারা। এটা উদ্বেগের বিষয়, এটি জরুরি ভিত্তিতে দেখতে হবে। এমনও খবর আছে যে, পাহারার নামে এসব স্বশস্ত্র বাহিনী ভোটকেন্দ্রে যেতে ভোটারদের বাধা দেবে। ফলে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তৎপর হতে হবে।’

স্বচ্ছ ব্যালটবক্স ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পারলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে উল্লেখ করে সাবরাংয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুর হোসেন বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকায় প্রতিপক্ষের প্রার্থীর স্বজনরা লাইসেন্সধারী অস্ত্র ব্যবহার করে সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাই নির্বাচন সময়ে এসব অস্ত্র সরকারের জিম্মায় নিয়ে আসতে হবে। না হলে অপীতিকর ঘটনা ঘটবে। পাশাপাশি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা করতে হবে।

একই ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী সোনা আলী জানান, ‘আমার জনপ্রিয়তা দেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নৌকা প্রতীক দিয়েছেন। কিন্তু দলীয় নেতাকর্মীরা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এমনকি তারা প্রভাব খাটিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সুবিধামতো ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখতে হবে।’

এএসপি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ‘সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন উপহার দিতে সর্বোচ্চ আইন প্রযোগ করা হবে। নির্বাচনি নীতিমালা লঙ্ঘন করলে কোনও পরিচয়ে কেউ ছাড় পাবে না।’

ডিসি মো. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োচনে আমরা সবাই কাজ করছি। বাইরে থেকে কোনও লোক এখানে আসার সুযোগ নেই। নির্বাচনে কেউ অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করলে, কোনও আদেশের অপেক্ষা না করে দ্রুত আইন প্রয়োগ করা হবে। তাছাড়া প্রার্থীকে আচরণবিধি মেনে নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে হবে। নইলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এসএম শাহাদাৎ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান, স্বাগত বক্তব্য রাখেন, টেকনাফ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সদর, হোয়াইক্যং ও হ্নীলা ইউনিয়নে রির্টানিং কর্মকর্তা মো. বেদারুল ইসলাম, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া-টেকনাফ সার্কেল) শাকিল আহমদ ও সহকারী কমিশনার ভূমি এরফানুল হক চৌধুরী ও সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা রির্টানিং কর্মকর্তা ও রামু নির্বাচন অফিসার মাহফুজুল ইসলাম প্রমুখ।

এদিকে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় টেকনাফ উপজেলার চার ইউনিয়নের নির্বাচনে ২৫ চেয়ারম্যান প্রার্থী, সদস্য পদে ৩৩৭ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৬৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ সদর ও সাবরাং ইউনিয়নে মোট ভোটার এক লাখ ১৭ হাজার ৭৫৬ জন। এরমধ্যে নারী ৫৯ হাজার ২৬৫ ও ৫৮ হাজার ৪৫১ জন পুরুষ ভোটার রয়েছে। তবে বৈরি আবহাওয়ার কারণে সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।