Wednesday, January 27th, 2021

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: January 27, 2021

৩টি বিলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন

আইরিন নাহার: রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ একাদশ জাতীয় সংসদ (জেএস)-এর একাদশ এবং ২০২১ সালের প্রথম অধিবেশনে গৃহীত তিনটি বিলের অনুমোদন দিয়েছেন।
আজ ইস্যুকৃত এক তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি গতকাল (সোমবার) ওই তিনটি বিলের অনুমোদন দেন।
বিল তিনটি হচ্ছে- ‘ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (সংশোধনী) বিল-২০২১, ‘বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (সংশোধনী) বিল-২০২১’, ‘বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (সংশোধনী) বিল-২০২১।সুত্র-পিআইডি

Posted by: | Posted on: January 27, 2021

এন্টিবায়োটিকের যথেচ্ছা ব্যবহার বন্ধ করতে বৈশ্বিক পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ৬ প্রস্তাব

দিপু সিদ্দিকীঃ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবজাতি বিপন্ন হতে পারে নীরবে বিকশিত এমন জীবাণুনাশক ওষুধ অকার্যকর হওয়া কার্যকরভাবে মোকাবেলার লক্ষ্যে এন্টিবায়োটিকের বেপরোয়া ও নির্বিচার ব্যবহার কমিয়ে আনতে অবিলম্বে বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এন্টি-মাইক্রোবাইয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বিষয়ক ওয়ান হেলথ গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের উদ্বোধনী সভায় দেয়া রেকর্ড করা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এন্টিমাইক্রোবাইয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবেলার ছয়টি প্রস্তাব রেখেছেন। তাঁর প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে আইনের কঠোর বাস্তবায়ন, প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিমাইক্রোবাইয়াল পণ্য বিক্রয় বন্ধ করা এবং এএমআর সংক্রান্ত গবেষণা জোরদার করা।
শেখ হাসিনা বলেন, “এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মানবজাতি কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে এক মহাসঙ্কট মোকাবেলা করছে। নীরবে বেড়ে ওঠা জীবাণুনাশক ওষুধের এমন অকার্যকারিতা আধুনিক ওষুধের উল্লেখযোগ্য সকল অগ্রগতিকে বিপন্ন করতে পারে।’ তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমরা যদি এন্টিবায়োটিকের যথেচ্ছা ও নির্বিচার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি তবে আমরা ভবিষ্যতে আরও ঘন ঘন এবং আরও মারাত্মক মহামারী দেখতে পাব। বিশ্ব সম্প্রদায় অবিলম্বে পদক্ষেপ না নিলে এন্টিমাইক্রোবাইয়াল রেজিস্ট্যান্স মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও), খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং ওআইই সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে এই সভার আয়োজন করেছে। বারবাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটলি, ডাব্লিউএইচও, এফএও এবং ওআইই’র মহাপরিচালকরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
ওয়ান হেলথ গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের সহ-সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৯৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিষদ রেজুলেশনে জীবাণুনাশকের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা এই প্রতিরোধের বিরুদ্ধে লড়াই করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা সত্ত্বেও, আমরা এই হুমকি রোধে আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাবার পথে অনেক দূরে রয়ে গেছি। তাই, আমাদেরকে মানব স্বাস্থ্য, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও কৃষি খাতে এন্টিমাইক্রোবাইয়াল এজেন্টগুলোর যৌক্তিক ব্যবহার বৃদ্ধি ও তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, সম্ভাব্য বিপর্যয় রোধ করতে আমি এন্টিমাইক্রোবাইয়াল এজেন্ট উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ এবং বিপণন নিয়ন্ত্রণের জন্য কঠোরভাবে আইন ও বিধি প্রয়োগের পরামর্শ দিতে চাই। দ্বিতীয় প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মানব, মৎস্য ও প্রাণীর জন্য ব্যাপকভাবে পরীক্ষাগার ভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা স্থাপন করা দরকার। তৃতীয় প্রস্তাবে তিনি বলেছেন, অনুমোদিত ব্যক্তির প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিমাইক্রোবাইয়াল পণ্য বিক্রয় কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা দরকার। প্রধানমন্ত্রী তাঁর চতুর্থ প্রস্তাবে এএমআর সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দসহ মৌলিক, পরীক্ষামূলক এবং পরিচালনামূলক গবেষণা জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর পঞ্চম পরামর্শে, তিনি এন্টিমাইক্রোবাইয়াল পণ্যের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য উচ্চ পর্যায়ের এডভোকেসি, যোগাযোগ এবং সামাজিক উদ্ভুদ্ধকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব করেছেন। ষষ্ঠ প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেছেন, নীতিসমূহের কঠোর বাস্তবায়নের জন্য বৈশ্বিক নেতাদের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ এবং এফএও, ওআইই, ডাব্লিউএইচও, জাতিসংঘ পরিবেশ সংস্থা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থাগুলোর এই প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ততা অপরিহার্য।
সভায় যোগ দেয়ার জন্য আনন্দ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেছেন, আজ বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারকদের ধারণা ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একটি কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে আমাদের সাথে তাদেরকে দেখতে পেরে আমি আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দু’দিন ব্যাপী এই আলোচনা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা স্থির করতে বিশ্ব নেতাদের জন্য সহায়ক হবে। তিনি বলেন, আমি আস্থাশীল যে, আমাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের গ্রুপ এই বিষয়টিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট উদ্বেগ হিসাবে বিবেচনা করবে এবং এই মারাত্মক সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে সুস্পষ্ট সুপারিশ উপস্থাপন করবে।সুত্র-বাসস।

Posted by: | Posted on: January 27, 2021

সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সহকারী কর কমিশনার বরখাস্ত

প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃ শেষ পর্যন্ত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চাকরি হারালেন এনবিআরের সহকারী কর কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ খুলনা কর অঞ্চলের সহকারী কর কমিশনার ছিলেন।মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ সরকারের ৩ কোটি ৫০ লাখ ২৬ হাজার ৯২৯ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ কারণে তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা মোতাবেক চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি তাকে বরখাস্ত করার প্রস্তাব রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেছেন। তার আগে মেজবাহ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে শাস্তি প্রদানের বিষয়ে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হলে কমিশন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তকরণ দণ্ড প্রদানের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করে।

প্রসঙ্গত, সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৯ সালের ১৯ মে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এর কিছু দিন পর ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪২৯ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

প্রসঙ্গত, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল। এরপর তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

খুলনা কর অঞ্চলের উপ-কর কমিশনার (সদর প্রশাসন) খোন্দকার তারিফ উদ্দীন আহমেদ বাদী হয়ে মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে (খালিশপুর) সহকারী কর কমিশনার মেজবাহর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, মেজবাহ ২০১৭ সালের ৮ মে থেকে ২০১৮ সালের ৮ নভেম্বর পর্যন্ত খুলনা কর অঞ্চলের অধীনস্থ কর সার্কেল-১৪, বাগেরহাটে সহকারী কর কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এ সময় তিনি করদাতাদের রাজস্ব হিসাবে দাখিল করা মোট ৪০টি পে-অর্ডার, ডিডি, ক্রস চেক সরকারি কোষাগারের পরিচালিত হিসাবে চালানের মাধ্যমে জমা না দিয়ে বাগেরহাট সোনালী ব্যাংক শাখায় জমা দেন। পরবর্তীতে তিনি সেই অ্যাকাউন্ট থেকে নিজে সই করে দুই কোটি ১০ লাখ ২৪ হাজার ৪২৩ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, একাধিক চেকের মাধ্যমে বাগেরহাট অপর একটি ব্যাংক থেকে ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, সার্কেল-১৭ মোংলায় কর্মরত থাকা অবস্থায় সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক থেকে ২৯ লাখ ৯০ হাজার ৯৯৭ টাকা, জনতা ব্যাংক থেকে ২৯ লাখ ৯৯৮ টাকা, সার্কেল-১০ মাগুরায় কর্মরত থাকা অবস্থায় সোনালী ব্যাংক থেকে ৩১ লাখ ৪০ হাজার ৪৮৪ টাকা, সার্কেল-২২ ভেড়ামারায় কর্মরত থাকা অবস্থায় জনতা ব্যাংক থেকে ৪২ লাখ, সাত হাজার ৫২৭ টাকাসহ সর্বমোট তিন কোটি ৪৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪২৯ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

Posted by: | Posted on: January 27, 2021

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর নিবন্ধন, ৭ ফেব্রুয়ারি টিকাদান শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রেসওয়াচ রিপোর্ট

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার ২৫ জনকে ভ্যাকসিন প্রয়োগের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হবে। বুধবার বিকাল সাড়ে তিনটায় কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের পর নিবন্ধনের জন্য ‘সুরক্ষা’ প্ল্যাটফর্ম খুলে দেওয়া হবে। যারা নিবন্ধন করতে পারবেন না, তারা ভ্যাকসিন কেন্দ্রে গিয়েও নিবন্ধন করতে পারবেন। সেই ব্যবস্থা আমরা রেখেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশব্যাপী ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য আমরা বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছি।  আশা করি, ৭ তারিখ (ফেব্রুয়ারি) দেশব্যাপী ব্যাপক হারে আমরা ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু করতে পারবো।’

Posted by: | Posted on: January 27, 2021

ওয়ান স্টপ সার্ভিস নিশ্চিতে অর্থমন্ত্রীকে প্রধান করে কমিটি

কেন্দ্রীয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস কর্তৃপক্ষের দেওয়া ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেবার হালনাগাদ কার্যক্রম ও অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরামর্শ দিতে ওয়ান স্টপ সার্ভিস নিশ্চিতকরণ কমিটি গঠন করেছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে সভাপতি করে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ২১ সদস্যের কমিটি গঠন করে আদেশ জারি করা হয়েছে। ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী ওয়ান স্টপ সার্ভিস নিশ্চিত করতেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।

জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, সেবা দেওয়া সংস্থাগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস কর্তৃপক্ষের সম্পাদিত বা সম্পাদিতব্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) পর্যালোচনা এবং সম্পাদিত এসওপি অধিকতর ব্যবসাবান্ধব ও যুগোপযোগী করার নির্দেশনাও দেবে এই কমিটি।

কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বাংলাদেশে ব্যাংকের গভর্নর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাণিজ্য সচিব,  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের এমডি, বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট ও মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এমসিসিআই) প্রেসিডেন্ট।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক-১ কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ওয়ান স্টপ সার্ভিস নিশ্চিতকরণ কমিটি প্রয়োজন মনে করলে সংশ্লিষ্ট কোনও ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে বলেও আদেশে বলা হয়েছে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, কমিটি অনলাইনে সেবা দেওয়া নিশ্চিতে ওয়ান স্টপ সার্ভিস কর্তৃপক্ষের গৃহীত কার্যক্রমের পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও নির্দেশনা, অনলাইনে দেওয়া তথ্য সংরক্ষণ ও এর নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে নির্দেশনা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা প্রদান নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা, নির্ধারিত সময়ে সেবা দিতে ব্যর্থ সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী দফতর বা সংস্থাকে উপযুক্ত নির্দেশনা, ওয়ান স্টপ সার্ভিসে দেওয়া সুবিধা অংশীদারদের জানাতে নেওয়া প্রচার কার্যক্রম পর্যালোচনা ও অধিকতর কার্যকর করতে নির্দেশনা, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের সেবার মান উন্নয়নে সরকারকে প্রয়োজনীয় সুপারিশ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে পর্যালোচনা এবং পরিবীক্ষণ করে নির্দেশনা দেবে।

কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে- ওয়ান স্টপ সার্ভিস নিশ্চিতকরণ কমিটি প্রতি ছয় মাস অন্তর একটি সভা করতে পারবে। তবে কমিটি প্রয়োজনবোধে যে কোনও সময় সভা করতে পারবে। কমিটির সভাপতির অনুমোদনে কমিটির সদস্য সচিব সভার তারিখ, সময় ও স্থান নির্ধারণ করে সভা আহ্বান করবেন। কমিটি ওয়ান স্টপ সার্ভিসে দেওয়া সেবা সংশ্লিষ্ট যে কোনও ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দিতে পারবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।