Main Menu

বাংলাদেশের উন্নয়নের ম্যাজিক তত্ত্ব শেখ হাসিনার দেশপ্রেম: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ আজ বিশ্বের মধ্যে উন্নয়নের রোল মডেল, আর দেশের উন্নয়নের ম্যাজিক তত্ত্ব হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশপ্রেম। তিনি দেশকে ভালোবাসেন বিধায় বাংলাদেশ বিভিন্ন সেক্টরে উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। দেশে বড় বড় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এটা একমাত্র শেখ হাসিনা সরকারের কারণেই সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া বা বিএনপির সরকার থাকলে দেশ দুর্নীতিতে উন্নয়ন লাভ করে। মানুষের কল্যাণে কোনও কাজ করে না। তাদের নেত্রীকেই দুর্নীতির কারণে জেল খাটতে হয়, তারা কিভাবে দেশের উন্নয়ন করবে?

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মজুচৌধুরীরহাট সংলগ্ন মেঘনা নদীর দক্ষিণ দিকের চ্যানেলের ২৫ কিলোমিটার নৌপথের খনন কাজ উদ্বোধনের সময় দেওয়া বক্তৃতায় এসব কথা বলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। ঢাকা-লক্ষ্মীপুর নৌপথে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল এবং ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌপথে ফেরিসহ নৌযোগাযোগ দ্রুত ও নিরাপদ করতে মেঘনা নদীর নিম্নাংশে এ খনন কাজ শুরু হয়েছে।

জানা গেছে এ খনন কাজটি সম্পন্ন হলে ভোলা-লক্ষ্মীপুর এবং ঢাকা-লক্ষ্মীপুর উভয় নৌপথের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার কমবে। ঢাকা হতে লক্ষ্মীপুরে যাত্রীবাহী লঞ্চ ৬ ঘণ্টায় যেতে পারবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের আলোকবর্তিকা। তার আলোয় আলোকিত হচ্ছে দেশ। তিনি পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, চার লেন- ছয় লেনের মহাসড়ক, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করছেন।

বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য এ কে এম শাহজাহান কামাল, জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল, পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ মিয়া মোহাম্মদ গোলাম ফারুক পিংকু এবং সাধারণ সম্পাক অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন।

উল্লেখ্য, বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী এবং মেঘনা (লোয়ার) নদীর ওপর দিয়ে ঢাকা হতে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত নৌপথের দূরত্ব ১২৫ কিলোমিটার। বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীতে বর্তমানে কোনও নাব্য সংকট নেই। মেঘনা (লোয়ার) নদীতে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীরহাট সংলগ্ন এলাকায় কিছু স্থানে নাব্য সংকট রয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) মেঘনা (লোয়ার) নদীর ওই চ্যানেলে ২৫ কিলোমিটার নৌপথ খনন করবে। এ বছরের ডিসেম্বরে শুরু হয়ে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে খনন কাজ শেষ হবে। দু’বছরে ৩১ লাখ ঘনমিটার খনন কাজে ব্যয় হবে প্রায় ৫০ কোটি টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠান খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড এবং বিআইডব্লিউটিএ’র নিজস্ব ড্রেজার দিয়ে খনন কাজ সম্পন্ন করা হবে।






Related News