Saturday, November 28th, 2020

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: November 28, 2020

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে একটি ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী যে অনাহুত বিতর্কের সৃষ্টি করছে-ওবায়দুল কাদের

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে একটি ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী যে অনাহুত বিতর্কের সৃষ্টি করছে তার ভিন্ন কোনও উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ধর্মকে রাজনৈতিক ইস্যুতে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভাস্কর্য নিয়ে মনগড়া ব্যাখ্যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশের সংস্কৃতির প্রতি চ্যালেঞ্জ। দেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সংবিধান এবং রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনও বক্তব্য বরদাশত করা হবে না। ধর্মীয় ইস্যুকে সামনে এনে ধর্মীয় সহনশীলতা বিনষ্টের যে কোনও অপচেষ্টা সরকার কঠোর হস্তে দমন করবে। সরকারের সরলতাকে দুর্বলতা ভাববেন না। জনগণের শান্তি বিনষ্টের কোনও অপচেষ্টা করলে জনগণই রুখে দাঁড়াবে।’

শনিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে তার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে একটি ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মপ্রিয় মানুষের মনে বিদ্বেষ ছড়ানোর অপচেষ্টা করছে বলে এসময় মন্তব্য করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসারে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা স্মরণ করে কাদের বলেন, ‘স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এদেশে ইসলাম সম্পর্কে গবেষণা, চর্চা এগিয়ে নিতে বঙ্গবন্ধু প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারে মাদ্রাসা বোর্ড পুনর্গঠনসহ ইসলাম প্রচারে তাবলিগ জামাতকে জমি প্রদান করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা পবিত্র ধর্মের একজন নিবেদিত প্রাণ ও অনুসারী হিসেবে ইসলামের সঙ্গে জ্ঞানবিজ্ঞানের সমন্বয় করে প্রকৃত ইসলামের চর্চা এগিয়ে নিতে জনমানুষের ধর্মানুরাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশের প্রতিটি উপজেলায় নির্মাণ করেছেন মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একজন ধর্মপ্রাণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন সরকার পরিচালনার দায়িত্বে তখন এদেশে ইসলামবিরোধী কোনও কার্যক্রম হবে, তা বিশ্বাস করার কোনও কারণ নেই।’

তিনি বলেন, ‘ভাস্কর্যকে যারা মূর্তি বলে অপপ্রচারে নেমেছে তারা নিজেরাই ভ্রান্তিতে আছে। দেশের আলেম সমাজ এবং বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যেই বারবার বলেছেন, মূর্তি আর ভাস্কর্য এক নয়।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ইসলাম আমাদের ধর্ম। এ ধর্মের বিধিবিধানে ধর্মীয় ইস্যুতে বাড়াবাড়ির সুযোগ নেই। নিরুৎসাহিত করা হয়েছে ধর্মীয় বিষয়ে বিতর্ক করতে, নিষেধ করা হয়েছে ফিতনা-ফ্যাসাদ সৃষ্টিতে।‘

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের স্থপতির ভাস্কর্য টেনে হিঁচড়ে নামাবে বলে কোনও কোনও ধর্মীয় নেতা ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য রাখছেন। তাদের এমন রুচি এবং ভাষা ব্যবহার দেখে তাদের ধর্মচর্চা ও ইসলামি রুচিবোধ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।’

তিনি বলেন, “পবিত্র কোরআনের সুরা সাবা’র ১৩ নম্বর আয়াতে বর্ণিত ‘তামাসিলা’ এবং সূরা ইব্রাহিমের ৩৫ নম্বর আয়াতে বর্ণিত ‘আসনাম’ শব্দ দুটি এক নয়। কাজেই মুফাসসসিরগণ মনে করেন তামাসিলা মানে ভাস্কর্য আর আসনাম মানে প্রতিমা পূজা। এ দুটি শব্দকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে।“

ওবায়দুল কাদের প্রকৃত ইসলাম চর্চার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা থেকে সবাই বিরত থাকি।’ তিনি ধর্মকে রাজনৈতিক ইস্যুতে ব্যবহার না করারও আহ্বান জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সরকার প্রধান আগেই বলেছেন, দেশে কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনও আইন হবে না। তাই অন্য কোনও পথ না পেয়ে ধর্মীয় ইস্যুকে সামনে এনে ধর্মীয় সহনশীলতা বিনষ্টের যে কোনও অপচেষ্টা সরকার কঠোর হস্তে দমন করবে।’

যারা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে, বিশ্বাস করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, তাদের সবাই এক হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী সব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

Posted by: | Posted on: November 28, 2020

‘সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে আমাদের করনীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও অধ্যাপক ড. কুতুব উদ্দীন চৌধুরী।

প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃ গত শুক্রবার শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে সোনার বাংলা ফাউন্দেশন  কর্তৃক আয়োজিত  ‘সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে আমাদের করনীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে  বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও অধ্যাপক ড. কুতুব উদ্দীন চৌধুরী।

 

Posted by: | Posted on: November 28, 2020

আলী যাকের থাকবেন হৃদয়ে: তথ্যমন্ত্রী

প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃ একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধের শব্দসৈনিক, প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব আলী যাকেরের ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলী যাকেরের ইন্তেকালের সংবাদে তথ্যমন্ত্রী প্রয়াতের আত্মার শান্তিকামনা করেন। সেসময় তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ নন্দিত অভিনেতা আলী যাকেরকে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী পুরোধা ব্যক্তিত্ব হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ‘তিনি ছিলেন একাধারে অভিনেতা, নির্দেশক, কলামিস্ট, নাট্য সংগঠক ও স্বনামধন্য বিজ্ঞাপনী সংস্থার কর্ণধার। টেলিভিশন ও মঞ্চ নাটকে সমান জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব আলী যাকের অভিনয় ও সৃজনশীল কর্মের মধ্য দিয়ে এদেশের অগণিত দর্শক-শ্রোতার হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।
Posted by: | Posted on: November 28, 2020

দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু কমেছে, বেড়েছে সুস্থতা

ঢাকা, ২৭ নভেম্বর, ২০২০: দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের ২৬৫তম দিনে ২৪ ঘন্টায় এই ভাইরাসে মৃত্যু সংখ্যা কমেছে, পাশাপাশি সুস্থতা বেড়েছে।
গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। গতকালের চেয়ে আজ ১৭ জন কম মৃত্যুবরণ করেছেন। গতকাল ৩৭ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। এখন পর্যন্ত দেশে এ ভাইরাসে মৃত্যুবরণ করেছেন ৬ হাজার ৫৪৪ জন। করোনা শনাক্তের বিবেচনায় আজ মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
আজ স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘন্টায় ১৬ হাজার ৩৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২ হাজার ২৭৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। গতকালের চেয়ে আজ ১৯ জন কম শনাক্ত হয়েছে। গতকাল ১৭ হাজার ৫২ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছিলেন ২ হাজার ২৯২ জন। গত ২৪ ঘন্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ। গতকালের চেয়ে আজ শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৪৪ শতাংশ বেশি।
দেশে এ পর্যন্ত মোট ২৭ লাখ ২৯ হাজার ৫৮০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৭১১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মোট পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৮১ শতাংশ। গতকাল পর্যন্ত এই হার ছিল ১৬ দশমিক ৭৮২ শতাংশ।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় হাসপাতাল এবং বাসায় মিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ২২৩ জন। দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৬৭৬ জন।
আজ শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ৮১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আগের দিনের চেয়ে আজ সুস্থতার হার শূন্য দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ বেশি।
বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ‘করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘন্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৫ হাজার ৯২২ জনের। আগের দিন সংগ্রহ করা হয়েছিল ১৬ হাজার ৪৯৪ জনের। গতকালের চেয়ে আজ ৫৭২টি নমুনা কম সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় দেশের ১১৮টি পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৬ হাজার ৩৭৮ জনের। আগের দিন নমুনা পরীক্ষা হয়েছিল ১৭ হাজার ৫২ জনের। গত ২৪ ঘন্টায় আগের দিনের চেয়ে ৬৭৪টি কম নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রতি ১০ লাখে এ পর্যন্ত শনাক্ত ২৬৯৩ দশমিক ৪৪ জন। সুস্থ হয়েছেন প্রতি ১০ লাখে এ পর্যন্ত ২১৯৪ দশমিক ১৪ জন এবং প্রতি ১০ লাখে মারা গেছেন এ পর্যন্ত ৩৮ দশমিক ৪২ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যুবরণকারী ২০ জনের মধ্যে পুরুষ ১৭ জন, আর নারী ৩ জন। এ পর্যন্ত পুরুষ মৃত্যুবরণ করেছেন ৫ হাজার ২৪ জন, আর নারী মৃত্যুবরণ করেছেন ১ হাজার ৫২০ জন। শতকরা হিসেবে পুরুষ ৭৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ; নারী ২৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। ২৪ ঘন্টায় ২০ জনই হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ২১ থেকে ৩০ বছরের বছরের ১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের বছরের ১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের বছরের ১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৭ জন এবং ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ১০ জন। এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ৩১ জন; যা দশমিক ৪৭ শতাংশ। ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ৫২ জন; যা দশমিক ৭৯ শতাংশ। ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ১৪৬ জন; যা ২ দশমিক ২৩ শতাংশ। ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ৩৪২ জন; যা ৫ দশমিক ২৩ শতাংশ; ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ৭৯৪ জন; যা ১২ দশমিক ১৩ শতাংশ। ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ১ হাজার ৭১০ জন; যা ২৬ দশমিক ১৩ শতাংশ এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সের রয়েছেন ৩ হাজার ৪৬৯ জন; যা ৫৩ দশমিক ০১ শতাংশ।
মৃত্যুবরণকারীদের বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘন্টায় ঢাকা বিভাগে ১০ জন, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ৩ জন করে, খুলনা বিভাগে ২ জন এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে ১ জন করে মৃত্যুবরণ করেছেন। এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের বিশ্লেষণে ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ৩ হাজার ৪৮৭ জন; যা ৫৩ দশমিক ২৯ শতাংশ। চট্টগ্রাম বিভাগে ১ হাজার ২৫৩ জন; যা ১৯ দশমিক ১৫ শতাংশ। রাজশাহী বিভাগে ৪০১ জন; যা ৬ দশমিক ১৩ শতাংশ। খুলনা বিভাগে ৪৯২ জন; যা ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ। বরিশাল বিভাগে ২১৮ জন; যা ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। সিলেট বিভাগে ২৬৪ জন; যা ৪ দশমিক ০৩ শতাংশ। রংপুর বিভাগে ২৯৭ জন; যা ৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১৩২ জন; যা ২ দশমিক ০২ শতাংশ।
ঢাকা মহানগরীতে কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে সাধারণ শয্যা সংখ্যা ৩ হাজার ৪৮৪টি, সাধারণ শয্যায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ১৭৪ জন ও শয্যা খালি আছে ১ হাজার ৩০৯টি। আইসিইউ শয্যা সংখ্যা ৩০৫টি, আইসিইউ শয্যায় ভর্তি রোগী আছে ২১৫ জন ও শয্যা খালি আছে ৯০টি। চট্টগ্রাম মহানগরীতে সাধারণ শয্যা সংখ্যা ৭৭০টি, ভর্তিকৃত রোগী ১৪৭ জন ও শয্যা খালি আছে ৬২৩টি। আইসিইউ শয্যা সংখ্যা ৩৯টি, আইসিইউ শয্যায় ভর্তি আছে ১৮ জন ও শয্যা খালি আছে ২১টি। সারাদেশে অন্যান্য হাসপাতালে সাধারণ শয্যা সংখ্যা ৭ হাজার ১৬৪টি, সাধারণ শয্যায় ভর্তিকৃত রোগী ৫৯২ জন ও শয্যা খালি আছে ৬ হাজার ৫৭২টি এবং আইসিইউ শয্যা রয়েছে ২১১টি ও আইসিইউ শয্যায় ভর্তিকৃত রোগীর সংখ্যা ৬৮ জন ও শয্যা খালি আছে ১৪৩টি। সারাদেশে হাসপাতালে সাধারণ শয্যা সংখ্যা ১১ হাজার ৪১৮টি, রোগী ভর্তি আছে ২ হাজার ৯১৪ জন এবং শয্যা খালি আছে ৮ হাজার ৫০৪টি। সারাদেশে আইসিইউ শয্যা সংখ্যা ৫৫৫টি, রোগী ভর্তি আছে ৩০১ জন এবং খালি আছে ২৫৪টি। সারাদেশে অক্সিজেন সিলিন্ডারের সংখ্যা ১৩ হাজার ৬২৫টি। সারাদেশে হাই ফ্লো নেজাল ক্যানেলা সংখ্যা ৬০৪টি এবং অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ৩৯৯টি।
০১৩১৩-৭৯১১৩০, ০১৩১৩-৭৯১১৩৮, ০১৩১৩৭৯১১৩৯ এবং ০১৩১৩৭৯১১৪০ এই নম্বরগুলো থেকে হাসপাতালের সকল তথ্য পাওয়া যাবে। কোন হাসপাতালে কতটি শয্যা খালি আছে। কত রোগী ভর্তি ও কতজন ছাড় পেয়েছেন এবং আইসিইউ শয্যা খালি আছে কি না এই ফোন নম্বরগুলোতে ফোন করে জানা যাবে। এছাড়া www.dghs.gov.bdএর CORONA কর্ণারে ‘করোনা বিষয়ক অভিযোগ প্রেরণ’ লিঙ্ক অথবা http:/app.dghs.gov.bd/covid19-complain লিঙ্ক ব্যবহার করে করোনা বিষয়ক যেকোন অভিযোগ পাঠানো যাবে।
গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হওয়া ২ হাজার ২২৩ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন ১ হাজার ৬৪৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৬৮ জন, রংপুর বিভাগে ৪০ জন, খুলনা বিভাগে ২৮ জন, বরিশাল বিভাগে ২৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ৭৯ জন, সিলেট বিভাগে ৩০ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৭ জন সুস্থ হয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘন্টায় কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৭২ জন, আর কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৭৮৮ জন। এখন পর্যন্ত কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৭৭ হাজার ১১১ জন, আর এখন পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ৫ লাখ ৩৬ হাজার ২৩৮ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৪০ হাজার ৮৭৩ জন।
গত ২৪ ঘন্টায় আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ২৩০ জন, আর ছাড় পেয়েছেন ১১৮ জন। এখন পর্যন্ত আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ৯০ হাজার ৬৬৩ জন, আর ছাড় পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৯৪৭ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১২ হাজার ৭১৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, দেশের বিমানবন্দর, নৌ, সমুদ্রবন্দর ও স্থলবন্দর দিয়ে গত ২৪ ঘন্টায় ৫ হাজার ১৫৩ জনসহ সর্বমোট বাংলাদেশে আগত ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮০ জনকে স্কিনিং করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ হটলাইন নম্বরে ফোনকল গ্রহণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৩৮টি এবং আইইডিসিআর’র হটলাইন ১০৬৫৫, এই নম্বরে ফোন এসেছে গত ২৪ ঘন্টায় ২১৪টি। সব মিলিয়ে ২৪ ঘন্টায় ফোনকল গ্রহণ করা হয়েছে ৪ হাজার ২৫২টি। এ পর্যন্ত হটলাইনে ফোনকল এসেছে ২ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার ২১৫টি।
কোভিড বিষয়ে হটলাইনে ২৪ ঘন্টায় ফোন করে স্বাস্থ্যসেবা নিয়েছেন ৩ হাজার ৪৯৭ জন, এবং এ পর্যন্ত ৫ লাখ ৭১ হাজার ৩০ জন।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পরিস্থিতি তুলে ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৫ লাখ ৮০ হাজার ৯৬০ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৩৬ জন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী সারাবিশ্বে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬ কোটি ৭৪ হাজার ১৭৪ জন এবং ১৪ লাখ ১৬ হাজার ২৯২ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

Posted by: | Posted on: November 28, 2020

ওয়ান পারসন ওয়ান আইডি

এনআইডি

জন্মনিবন্ধনের মধ্য দিয়েই শুরু হবে দেশের  সব নাগরিকের একক পরিচয় নম্বর—ইউআইডি (Unique ID)। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এ কার্ড দেওয়া  শুরু হবে। তবে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগ থেকে ১০ ডিজিট কার্ডের নম্বর সরবরাহ করা হবে।  অপরদিকে যেসব নাগরিক ইতোমধ্যে ১০ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়েছেন, সেটাই তাদের ইউআইডি হিসেবে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের জন্মনিবন্ধন কার্ডটিও ওই ১০ ডিজিটের নম্বরে রূপান্তরিত হবে।  এর বাইরে ১৮ বছরের অনূর্ধ্ব যাদের জন্মনিবন্ধন রয়েছে কিন্তু পরিচয়পত্র পাননি, তাদের  জন্মনিবন্ধন নম্বরই ইউআইডি আকারে ১০ ডিজিটে রূপান্তর হবে।

নির্বাচন কমিশনের জাতীয় (এনআইডি) পরিচয়পত্র অনুবিভাগ ও সরকারের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলমান মুজিববর্ষকে কেন্দ্র করে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ১০ ডিজিটের নম্বরে জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম চালুর মধ্য দিয়ে ইউআইডি প্রদান প্রক্রিয়া শুরু হবে। ওই সময় থেকে যেসব শিশু জন্ম নেবে, তারা এই ইউআইডি পাবে। আর ২০২১-এর আগে যেসব শিশুর ইতোমধ্যে জন্ম নিবন্ধন হয়েছে, তাদের বর্তমান ১৭ ডিজিটের নিবন্ধন নম্বর ১০ ডিজিটে পরিণত হবে। এক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনে আবেদন করে তাদের বিদ্যমান নিবন্ধন নম্বরের পরিবর্তে নতুন নিবন্ধন সনদ নিতে হবে।

এদিকে ইতোমধ্যে যারা ভোটার হয়ে ১০ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়েছেন, তাদের এই নম্বরই ইউআইডি হিসেবে পরিচিত হবে।  অর্থাৎ এই নম্বরের কোনও পরিবর্তন আসবে না।

নির্বাচন কমিশন থেকে এখন যারা জাতীয় পরিচয়পত্র করছেন, তাদের সবাইকে ১০ ডিজিটের ইউনিক আইডি নম্বর দেওয়া হচ্ছে। আগের ১৩ বা ১৭ ডিজিটের সব আইডি ইতোমধ্যে ১০ ডিজিটে রূপান্তরিত হয়েছে। এক্ষেত্রে স্মার্টকার্ড হোক বা লেমিনেটেড হোক, উভয়কেই এখন ১০ ডিজিটের কার্ড দেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, কেবল জন্মনিবন্ধন বা ভোটার আইডি নয়, সবক্ষেত্রেই নাগরিকদের একটি আইডি থাকবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি, পাসপোর্টসহ সবক্ষেত্রেই এই অভিন্ন নম্বর দিয়ে ব্যক্তির পরিচয় হবে।

নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছে, এই নিবন্ধন কার্যক্রম যৌথ ব্যবস্থাপনায় চলবে। জন্মের পরে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ ১০ ডিজিটের নম্বর দেবে। আর এই নম্বরটি এনআইডির সার্ভার থেকে অটো জেনারেট হবে। ওই ইউনিক আইডি নম্বর বহাল রেখে কোনও শিশুর বয়স ১০ বছর পূর্ণ হলেই তাকে এনআইডি কার্ড দেওয়া হবে। ১০ বছর পূর্ণ না হলে শিশুদের ক্ষেত্রে আঙুলের ছাপসহ অন্যান্য বায়োমেট্রিক পূর্ণতা পায় না বলেই এনআইডি কার্ড পেতে তাকে অপেক্ষায় থাকতে হবে। তবে ইউনিক আইডি নম্বরের মাধ্যমে ১০ বছরের নিচের শিশুরা এনআইডির সুবিধা ভোগ করতে পারবে। ১০ বছর পূর্ণ হলে এসব শিশুর বায়োমেট্রিক সংগ্রহ করে স্মার্ট আইডি সরবরাহ করা হবে। এদিকে যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে এবং যারা এখনও ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়নি, তাদের নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইউআইডি দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জন্ম ও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের ডেপুটি রেজিস্ট্রার একেএম মাসুদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ ধরনের একটি প্রস্তাবনা এসেছে। আগামী ৩০ নভেম্বর এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে  বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকের পর এর অগ্রগতি জানানো যাবে।’

নির্বাচন কমিশনের এনআইডি অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সব নাগরিকের একক আইডি নম্বর দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আমরা আগে থেকেই কাজ শুরু করছি। আশা করি, নতুন বছর থেকে এটি শুরু করতে পারবো।’

‘ওয়ান পারসন ওয়ান নম্বর’ এই পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগুচ্ছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একজন মানুষ জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একটি পরিচয় নম্বর নিয়ে চলবে। আমরা কয়েক শতকের পরিকল্পনা নিয়ে ১০ ডিজিটের এই ইউআইডি দেবো। দুইশ’ কোটি মানুষকে কার্ড দেওয়া যাবে।’

তিনি বলেন, ‘জন্মের পরপরই নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ এই ১০ ডিজিটের নম্বর সরবরাহ করবে। এটি চাহিদা মাফিক আমাদের এনআইডি সার্ভার থেকে অটো জেনারেট হবে।’

জানা গেছে, পরিসংখ্যান, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকারসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো আগে থেকেই যার যার মতো নাগরিকদের নিবন্ধন ও তথ্য সংগ্রহ করে এলেও এতে দ্বৈততা, অসামঞ্জস্য ও বৈপরীত্যসহ বেশ কিছু সমস্যা ও জটিলতা পরিলক্ষিত হয়। যে কারণে বর্তমান সরকারের বিগত মেয়াদে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তত্ত্বাবধায়নে নাগরিকের জন্ম, মৃত্যু, মৃত্যুর কারণ, বিবাহ, তালাক, দত্তক, স্থানান্তর ও শিক্ষা সংক্রান্ত ডাটাবেজ সংগ্রহে ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্র্যাটিসটিকস (সিআরভিএস)’-এর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে দেশের নাগরিকদের জীবন-প্রবাহের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো তথ্য-উপাত্ত আকারে সংরক্ষণ এবং তার ভিত্তিতে সব ধরনের সেবা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে একক আইডি প্রদানের চিন্তা-ভাবনা করা হয়। এই একক আইডি জন্মনিবন্ধন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ভোটার আইডি, বিভিন্ন ধরনের লাইসেন্স প্রাপ্তি, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, ঋণগ্রহণ, কর ও ভ্যাট, আইনি সেবা, বিদেশ গমন, শ্রমিক সংক্রান্ত সেবা, পুলিশ সংক্রান্ত সেবাসহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি সব ক্ষেত্রে ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যাবে।