Sunday, August 16th, 2020

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: August 16, 2020

ডেঙ্গু ঝুঁকিতে থাকা ওয়ার্ডে অভিযান চালাতে ডিএসসিসির সমন্বয় টিম গঠন

ঢাকা, ১৬ আগস্ট, ২০২০ ডেইলি প্রেসওয়াচ : স্বাস্থ্য অধিদফতরের জরিপে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের যেসব এলাকায় (ডিএসসিসি) ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেশি সেসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালাতে তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয় টিম গঠন করা হয়েছে। রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে ডিএসসিসি সম্পত্তি বিভাগের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের জরিপে এডিসের লার্ভার আধিক্য আছে এমন পূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে ডিএসসিসির আওতাধীন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার লক্ষ্যে মো. নাজমুল আহসান, মো. কাজী ফয়সাল ও বিতান কুমার মন্ডল—এ তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়োগ করা হল। স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে আলোচনাক্রমে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করবে বলেও জানানো হয়।
এর আগে গত ১৩ আগস্ট স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা থেকে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে। জরিপে উত্তর সিটি করপোরেশনের ৯টি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৬টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানানো হয়। উত্তর সিটির ১০, ১১, ১৭, ১৯, ২১, ২৩, ২৪, ২৯, ৩২ নম্বর ওয়ার্ড এবং দক্ষিণ সিটির ২, ৪, ৮, ৯, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৮, ২৫, ৩৪, ৪০, ৪১, ৪৫ এবং ৫১ নম্বর ওয়ার্ড অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানানো হয়। তবে উত্তরে ১৭ নম্বর এবং দক্ষিণে ৫১ নম্বর ওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে বলেও জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

Posted by: | Posted on: August 16, 2020

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার পেপারবুক প্রস্তুত

ঢাকা, ১৬ আগস্ট, ২০২০ : ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা মামলার পেপারবুক এখন সুপ্রিমকোর্টে।
সুপ্রিমকোর্টের মুখপাত্র ও বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান আজ বাসস’কে এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার পেপার বুক আজ বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টে পৌছেছে।’
চাঞ্চল্যকর এ মামলায় বিচারিক আদালতে দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আনা আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য রয়েছে। এ শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত করা আবশ্যকিয় বিষয়৷
ইতিহাসের জঘন্যতম ও বর্বরোচিত এ হামলা মামলায় বিচারিক আদালতের দেয়া রায়সহ ৩৭ হাজার ৩৮৫ পৃষ্ঠার নথিপত্র ২৭ নভেম্বর ২০১৮ সালে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।
গত ১০ অক্টোবর ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দলটির নেতা হারিছ চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১।
বিএনপি নেতা সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদন্ড দেন আদালত। যাবজ্জীবন দন্ড পাওয়া এই ১৯ আসামির মধ্যে ১৩ জনই পলাতক।
আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন শাহাদাৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল, মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবু ওমর আবু হোমাইরা ওরফে পীরসাহেব, মাওলানা সাব্বির আহমদ ওরফে আবদুল হান্নান সাব্বির, আরিফ হাসান ওরফে সুজন ওরফে আবদুর রাজ্জাক, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, আবু বকর ওরফে সেলিম হাওলাদার, মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ, মহিবুল মোত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন (পলাতক), আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন (পলাতক), মো. খলিল (পলাতক), জাহাঙ্গীর আলম বদর ওরফে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর (পলাতক), মো. ইকবাল (পলাতক), লিটন ওরফে মাওলানা লিটন (পলাতক), তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়া (পলাতক), হারিছ চৌধুরী (পলাতক), কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (পলাতক), মুফতি শফিকুর রহমান (পলাতক), মুফতি আবদুল হাই (পলাতক) এবং রাতুল আহম্মেদ বাবু ওরফে বাবু ওরফে রাতুল বাবু (পলাতক)।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। হামলায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আওয়ামী লীগের তৎকালীন মহিলাবিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কয়েক শ নেতা-কর্মী। তাঁদের অনেকে আজও শরীরে গ্রেনেডের স্প্রিন্টার নিয়ে দুঃসহ জীবন যাপন করছেন।সুত্র -বাসস।

Posted by: | Posted on: August 16, 2020

বঙ্গবন্ধু হত্যা ষড়যন্ত্র উদঘাটনে তদন্ত কমিশন গঠন করা প্রয়োজন

॥ জাফর ওয়াজেদ ॥
ঢাকা, ১৬ আগস্ট, ২০২০ : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর জীবনের সবকিছু ত্যাগ করেছিলেন আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করতে। তাঁর লক্ষ্যই ছিল বাঙালির স্বাধীনতা। সেজন্যই তিনি দলটিকে গড়ে তুলেছিলেন যুগোপযোগী করে। সময়ের সঙ্গে তালমিলিয়ে দলের খোলনলচেও বদল করেছেন।
কখনো সাইকেলে, কখনো হেঁটে, আবার নৌকায় করে গ্রাম-গঞ্জে গিয়েছেন, নেতা-কর্মীদের খোঁজখবর নিয়েছেন। শক্তিশালী সংগঠন ছিল বলেই আওয়ামী লীগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল ১৯৭১ সালে। এমনকি স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় যুদ্ধবিধ্বন্ত দেশ গড়ে তুলতে পেরেছিলেন। তারও আগে মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষকে মোকাবেলা করেছেন সুকঠিন ভাবে।
সেই বঙ্গবন্ধুকে কী কারণে বা কেন হত্যা করা হয়েছিল, তার প্রকৃত ভাষ্য মেলে না। কিন্তু এটা প্রশ্নাতীত যে, বিদেশি ও দেশি শক্তিগুলো একত্রে কাজ করেই এই নির্মমতার প্রকাশ ঘটিয়েছে। আওয়ামী লীগের একাংশ যেমন, তেমনই আরও রাজনৈতিক দল হত্যাকান্ডের ক্ষেত্র তৈরি ও ষড়যন্ত্রে জড়িত কিংবা সহায়ক ছিল।
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক আলোকপাত করেছেন, জিয়া-মোশতাকের ভূমিকা ছিল এই হত্যাকান্ডে। তাঁর মতে, বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়াউর রহমানের প্রত্যক্ষ মদত ছিল। পঁচাত্তর-পরবর্তী সময়ে জিয়ার সব কর্মকান্ড বিশ্লেষণ করলে এটি পরিষ্কার যে, তিনি ছিলেন পাকিস্তানের ভাবাদর্শের একজন ব্যক্তি। তার আসল রূপ ফুটে উঠেছে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে। তাই, বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়া ও মোশতাকের ভুমিকা বিশ্লেষণের জন্য তদন্ত কমিশন গঠন করা প্রয়োজন। অবসরপ্রাপ্ত এই বিচারপতির মতে, জিয়া ক্ষমতা গ্রহণের পরই দেশকে পাকিস্তানে পরিণত করার উন্মাদনায় মেতে উঠেছিলেন। এছাড়া, বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বাঁচানোর জন্য জিয়া- মোশতাকরা ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি এবং তাদের পুরস্কৃত করেছে। মোশতাক যুদ্ধকালেই পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যে দূতিয়ালি করেছিলেন তাতে পাকিস্তানের সঙ্গে কনফেডারেশনের প্রস্তাব ছিল।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও শেষ পর্যন্ত বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা উদঘাটনে কমিশন গঠন করা হবে, যা এদেশের জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি। শুধু সামরিক নয়, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রই এই হত্যার পথ তৈরি করেছে। কমিশন হলে পরিষ্কার হবে, জাতির পিতা হত্যায় কারা কারা জড়িত ছিল। তাদের চিহ্নিত করা না গেলে জাতিকে কলঙ্কের ভার আরও বহুকাল বয়ে যেতে হবে।
বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যখন বঙ্গভবনে শপথ নিচ্ছে বঙ্গবন্ধুরই মন্ত্রিসভার সদস্যদের একটা বড়ো অংশ, তখন আরেক অংশকে ক্রমশ কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সামরিক অভ্যুত্থান হলে বাকশালের মন্ত্রীদের শপথ নেওয়ার কথা নয়, আইয়ুব স্টাইলে উর্দিওলারাই ক্ষমতার দন্ডমুন্ডের কর্তা হতেন।
সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্য রাজনীতিকদের সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে তাদের মতাবলম্বীদের ক্ষমতায় আসীন করে । সংবিধান ও সংসদ তখনও বহাল। রাষ্ট্রপতির অবর্তমানে পদটিতে দায়িত্ব পালন করার বিষয়টি সংবিধানেই নির্ধারিত। সংসদ সদস্যরা ক্ষমতা দখলকারী খন্দকার মোশতাকের রাষ্ট্রপতি পদ দখল করার বিরোধিতায় একাট্টা হয়নি। স্পিকার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সংসদ ডেকে পদক্ষেপ নিতে পারতেন কি না, সে প্রশ্ন আজও অবান্তর নয়।
সেদিন যার যা দায়িত্ব ছিল, তারা তা যথাযথভাবে বা সামান্যতম হলেও পালন করেছিলেন, এমনটা জানা যায় না। বরং ঘাতকরা যে বেতার-টিভিতে বঙ্গবন্ধুকে ‘খুনি, স্বৈরাচারি, সম্পদলুটেরা’ ইত্যাদি
বানোয়াট অভিধা দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিল, তাতে ভয়ার্ত, আতঙ্কিত হওয়ার কী কারণ ছিল বাকশাল নেতা, সংসদ সদস্যদের।
প্রতিরক্ষা বাহিনীর ব্যর্থতার কথা আংশিক হলেও সর্বজনবিদিত। কিন্তু রাজনীতিকদের ভূমিকা ও অবস্থান দেখে বিস্মিত হতে হয়েছে সেদিন। বঙ্গবন্ধু নেই জেনে শোকাহত সাধারণ মানুষকে সেদিন শোককে শক্তিতে পরিণত করে দেশকে পাকিন্তানপন্থীদের হাতে চলে যাওয়ার পথে প্রতিবন্ধক হতে পারেননি। সরকারি দলের নেতাদের অনেকের মধ্যে বদ্ধমূল এই ধারণা জন্মেছিল যে, বঙ্গবন্ধু নেই, তাতে কী হয়েছে, আওয়ামী লীগ নেতারাই তো ক্ষমতায়। অনেকে মোশতাকের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছে। অথচ মুজিব বিরোধিতা দিয়েই মোশতাক এবং তার সেনা-সহযোগী জিয়ার অবস্থান গ্রহণ। মোশতাক ক্ষমতায় বসে বঙ্গবন্ধু প্রণীত সব ব্যবস্থা সমূলে উৎপাটন করে পাকিস্তানি বিধিবিধান প্রবর্তন শুরু করে। পাশাপাশি, জাতীয় চার নেতাসহ অন্যান্য নেতা, যারা তার আনুগত্য মেনে নেননি, তাদের কারাগারে পাঠায়। মোশতাক যখন বুঝতে পারে, আওয়ামী লীগ নেতানির্ভর দল নয়, কর্মীনির্ভর দল; তখন সে সারাদেশে কর্মীদের তার পক্ষে টানার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছিল। আর জেলা ও থানা পর্যায়ে তার বিরোধী নেতাদের মামলা-হামলার ভয় দেখিয়ে কাউকে কাউকে অনুগত করে। অনেককে জেলে পাঠায়। অস্ত্র উদ্ধারের নামে মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়িঘরে তল্লাশি চালানো হয়। প্রশাসনে পাকিস্তানপন্থী আমলাদের বসানো হয়।
মোশতাক খুব স্বল্পসময়ে এবং দ্রুত তার কার্য সমাধা করে পরিস্থিতি নিজের অনুকুলে নিয়ে আসতে পেরেছিল ৮১ দিনের ক্ষমতা দখলকালে। এ সময়ে মওলানা ভাসানী, আতাউর রহমান খান, হাজী দানেশ, মওলানা তর্কবাগীশ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন তার প্রতি সমর্থন জানায়। অনেক সংসদ সদস্য সংবাদপত্রে বিবৃতি দিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিষোদ্গার করে মোশতাকের প্রতি আনুগত্য জানিয়েছিল। মোশতাক পররাষ্ট্র ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী রাষ্ট্রগুলোর সমর্থন আদায়, কট্টর বামপন্থি ও স্বাধীনতা বিরোধী দালালদের উন্মুক্ত পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার সূচনা করে।
পাকিস্তানীদের পক্ষে দালালির অভিযোগে যাদের নাগরিকত্ব বাতিল হয়েছে, তাদের পুনর্বাসনের সূচনা হয়। রাষ্ট্রীয় কাজে ধর্মের প্রাধান্য দান, কালো টাকা বৈধকরণসহ অবাধ বাণিজ্য ব্যবস্থা চালু; বেসামরিক প্রশাসনে সামরিক বাহিনীর অন্তর্ভুক্তির কাজটি দ্রুত সেরেছিলেন।
তার প্রতি বিরূপ আওয়ামী লীগারদের বিচার করার জন্য মোশতাক দুটি সামরিক আদালত গঠন করে। অস্ত্র উদ্ধারের নামে দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করায়।
৬১টি জেলা গঠনের আদেশ বাতিল করে ১৯টি জেলা বহাল করে। একপর্যায়ে সব রাজনৈতিক দল ও নিষিদ্ধ করে। কিন্তু মোশতাক ও তার অনুসারীরা নিজস্ব রাজনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখে। ভাসানী ন্যাপ পুনর্গঠিত হয়। দালাল আইনে আটক তাদের নেতা যাদুমিয়া ছাড়া পেয়ে পাকিস্তানি ধারা চালু করে। বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ড এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের সমন্বয়ে ক্ষমতা দখলকারীদের কেউই তাদের
কর্মকান্ডের জন্য অনুতপ্ত হয়েছেন, তাদের মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত শোনা যায়নি। এদিকে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সন্দেহ, অবিশ্বাস বাড়ছিল। কাউকেই আর বিশ্বাস করা যাচ্ছিল না।
দেশের মানুষ এমন একটা ধাক্কা খেয়েছে ১৫ আগস্ট যে তারা যেন নির্বিকার, ভাবালুতাহীন হয়ে পড়েছিল। শোকের, বেদনার মাত্রা খুব তীব্র ছিল বলেই ঘুরে দাঁড়ানোর ইচ্ছে থাকলেও দাঁড়াতে পারেনি। সেদিন কেউ জনগণকে খুনিদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে ডাক দেয়নি। যাদের দায়িত্ব ছিল বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করা, তারাই খুনিদের প্রতি, মোশতাকের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছিল।
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যে দিয়ে শুধু ব্যক্তি মুজিবকে নয়, তাঁর সৃষ্ট বাংলাদেশ রাষ্ট্রটাকেও হত্যা করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে বহুবার হত্যার চেষ্টা হয়েছে স্বাধীনতার পূর্বাপর। ১৯৭৫ সালে ঘাতকরা সফল হয়েছে।
শেখ হাসিনাকেও ১৯ বার হত্যার চেষ্টা হয়েছে। এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। তাই, সব ষড়যযন্ত্র ও ষড়যন্ত্রকারীর মুখোশ উন্মোচনের জন্য বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া দেশটাকে তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত করার লক্ষ্যে আজ বঙ্গবন্ধু হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যের সব রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার ষড়যন্ত্র উদঘাটন প্রয়োজন।
লেখক: মহাপরিচালক, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক।সুত্র-বাসস।

Posted by: | Posted on: August 16, 2020

‘শেখের বেটিরে একবার দেখার’

Nazim-Uddin-(3).jpg

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার পাকা ঘরে উঠেছেন শেরপুরের সেই ভিক্ষুক নাজিম উদ্দিন। ভিক্ষা করে ঘর মেরামতের জন্য দুই বছর ধরে জমানো ১০ হাজার টাকা করোনার দুঃসময়ে কর্মহীন মানুষের জন্য ত্রাণ তহবিলে দান করে প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসেন তিনি। জীবদ্দশায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একবার দেখা করার ইচ্ছা তার।

এদিকে ভিক্ষুক নাজিম উদ্দিনের উদারতায় খুশি হয়ে তার এলাকার একটি বাজারের নামকরণ করা হয়েছে ‘নাজিম উদ্দিন বাজার’।করোনা প্রতিরোধে লকডাউন চলাকালে ঘরবন্দি কর্মহীন মানুষদের জন্য নগদ ১০ হাজার টাকা করোনা তহবিলে দান করেছিলেন।গত ২১ এপ্রিল গণমাধ্যমে এ সংবাদ প্রচারের পর তার মহানুভবতায় খুশি হয়ে পাকা বাড়ি করে দেয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দেয়া হয় সম্মাননা, জীবিকার জন্য দেয়া হয়েছে দোকান।

স্ত্রী ও ছয় ছেলে-মেয়ে নিয়ে জরাজীর্ণ ঘরে ভিক্ষা করে সংসার চালাতেন নাজিম উদ্দিন। আজ জীর্ণ মাটির ঘর ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া পাকা ঘরে উঠেছেন তিনি। নতুন ঘরের চাবি তার হাতে তুলে দেন জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব।নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী খুশি হয়ে আমারে ঘর বাড়ি কইরে দিছে। আমি ম্যালা খুশি হইছি। আমি দোয়া করি আল্লাহ যেন প্রধানমন্ত্রীরে নেক হায়াত দান করেন। তারে আরো মাইনষের উপকার করার দিল দেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডিসি সাব আমারে একটা দোহান বানাইয়া দিছেন। মাল তুলার লাইগা ২০ হাজার টেহাও দিছেন। হেরেও আল্লাহ সহি সালামতে রাহুক। আমগো উপজেলা চেয়ারম্যান নাঈম ভাই আমারে একটা অটোরিকশা কিন্না দিছেন। হেরেও আল্লাহ ভালা রাহুক।’

নাজিম উদ্দিন আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘আমার জীবনের শেষ ইচ্ছা আমি যাতে একবার শেখের বেটিরে সামনা সামনি দেহি। আমার জীবনের সব আমি পাইছি। আমি শেখের বেটির পায়ে ধইরে একবার সেলাম করতে চাই। আল্লাহ যাতে আমার জীবনের এই শেষ ইচ্ছাডা পূরণ করেন।’

এদিকে নাজিম উদ্দিনের উদারতায় খুশি হয়ে তার এলাকার একটি বাজারের নাম ‘নাজিম উদ্দিন বাজার’ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া বলেন, ‘নাজিম চাচার উদারতায় দুনিয়ার মানুষ আমগো এলাকা চিনছে। তাই আমরা আমাগো বাজারের নাম চাচার নাম করছি।’

Nazim-Uddin-(3).jpg

স্থানীয় রেজাউল করিম বলেন, ‘নাজিম চাচা আমাদের সম্পদ। প্রধানমন্ত্রীকে আমরা ধন্যবাদ জানাই, চাচাকে ঘরবাড়ি দেয়ার জন্য। আমরাও খুশি হয়ে আমাদের বাজারের নাম চাচার নামে করেছি।’

জীবিকা নির্বাহের জন্য স্থানীয় বাজারে একটি দোকানও করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ভবিষ্যতেও তাকে সব সহযোগিতা করবে সরকার, বলেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘নাজিম চাচার প্রয়োজনীয় সব কিছু আমরা দেখভাল করবো ইনশাআল্লাহ।’

এদিকে ব্যক্তিগত অর্থায়নে নাজিম উদ্দিনকে একটি ইজিবাইক কিনে দিয়েছেন ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এসএমএ ওয়ারেজ নাঈম। তিনি বলেন, ‘আমার এলাকার এরকম একজন উদার মানুষের জন্য উপজেলার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। যেখানে সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসেননি, সেখানে তিনি এগিয়ে এসেছেন। তার যাতে আর ভিক্ষাবৃত্তি না করা লাগে, এজন্যই তাকে ইজিবাইক কিনে দিয়েছি। যাতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।’

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নাজিম উদ্দিনের চিকিৎসা ও জীবিকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আনার কলি মাহবুব। তিনি বলেন, তার চিকিৎসা ও জীবিকা নির্বাহের জন্য সব কিছুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও সার্বিকভাবে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।

Posted by: | Posted on: August 16, 2020

ডলার ছিনতাইয়ে ভয়ঙ্কর খুনি চক্র

ঢাকা ,১৬ আগস্ট,২০২০/ডেইলি প্রেসওয়াচঃদি ফ্যাশন বায়িং হাউজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মো. সুলতান হোসেন (৪৬)। তার কাছে বিপুল পরিমাণ ডলার আছে ভেবে মতিঝিল থেকে তাকে অনুসরণ করে র‌্যাব পরিচয়ে সংঘবদ্ধ একটি ডাকাত চক্র। গত ১৪ জুলাই তারা প্রথমে বাসে অনুসরণ করে সুলতানকে। মিরপুরের পল্লবীতে নামার পরই তাকে ওই চক্রের কয়েকজন র‌্যাব পরিচয় দিয়ে ভাড়া করা অ্যাম্বুলেন্সে ওঠায়। চেঁচামেচি করায় গামছা দিয়ে সুলতানের গলা পেচিয়ে ধরা হয় এবং পেছন থেকে তার হাত চেপে ধরা হয়। এ অবস্থায় চলন্ত গাড়িতেই শ্বাসরোধে মারা যান সুলতান।

তার মৃত্যুর পর ছিনতাইকারী পুরো টিমসহ গাড়িটি গাবতলী-হেমায়েতপুর-সাভার হয়ে নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দাঁড়ায়। সেখানে ড্রাইভার ছাড়া পুরো টিম নেমে পালিয়ে যায়। ড্রাইভার সুমনও সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অদূরে রাস্তার পাশে জঙ্গলে সুলতানের লাশটি ফেলে পালিয়ে যায়। চাঞ্চল্যকর ওই ঘটনায় মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগ।গুলশান গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, ওই হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ব্যক্তিরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী একটি বাহিনীর ভুয়া পরিচয়ের আড়ালে সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় হুন্ডির ব্যবসায়ী, বেশি ডলার ভাঙায় কিংবা যারা মতিঝিলের ব্যাংক থেকে মোটা অংকের টাকার লেনদেন করে, এমন লোকদের টার্গেট করে। পরে তাদের অনুসরণ করে সুবিধাজনক স্থানে গিয়ে র‌্যাব পরিচয়ে গাড়িতে উঠিয়ে হাত-পা বেঁধে মারধর করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ অর্থসহ যাবতীয় মালামাল ছিনিয়ে নেয়।

এ ব্যাপারে গুলশান গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান বলেন, গত ১৪ জুলাই বায়িং হাউজ কর্মকর্তা সুলতান অফিসের উদ্দেশে বের হয়ে আর ফিরে না আসায় তার ভাই আবুল হোসেন গত ১৫ জুলাই তেজগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

একদিন পর ১৬ জুলাই মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অদূরে মহাসড়কের ঢালে ঝোপঝাড়ের ভেতর একটি অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ পাওয়া যায়। পরে সুলতানের আত্মীয়-স্বজন সেখানে গিয়ে তার মরদেহ শনাক্ত করেন।

গামছা পেঁচিয়ে তাদের মেরে ফেলা হয়। তেজগাঁওয়ের বায়িং হাউজ কর্মকর্তা সুলতান তেমনভাবেই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।

ওই ঘটনায় আবুল হোসেন বাদী হয়ে ১৮ জুলাই তেজগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দায়ের হওয়ার পর থানা গোয়েন্দা পুলিশও ছায়া তদন্ত শুরু করে।

মশিউর রহমান বলেন, প্রথমে চক্রটির সদস্য এবং সুলতানের অন্যতম হত্যাকারী ফরহাদ হোসেনকে শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার সরকার গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যে ১৫ আগস্ট প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে ছিনতাইকাজে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সসহ ড্রাইভার জালাল উদ্দিন ওরফে সুমনকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়। তার দেয়া তথ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চক্রের মূল হোতা কাজী মো. আকবর আলী (৪৫), সাহারুল ইসলাম ওরফে সাগর (২১), আমিনুল ইসলাম ওরফে সবুজকে (৫০) রাজধানীর পুরানা পল্টন লাইন থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতি ও ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত র‌্যাবের দুটি জ্যাকেট, একটি হাতকড়া, একটি ওয়্যারলেস সেট, একটি পিস্তল, ম্যাগজিন সংযুক্ত ৫ রাউন্ড গুলি, একটি ডামি পিস্তল ও একটি পিস্তলের কভার উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার বিবরণে ডিসি মশিউর জানান, গত ১৪ জুলাই সাগর ও সবুজ মতিঝিল মানি এক্সচেঞ্জ অফিস থেকে সুলতানকে অনুসরণ করেন। পল্টন মোড় থেকে সুলতানের সাথেই বিআরটিসি বাসে ওঠেন সাগর ও সবুজ। তারা চক্রের অপর সদস্য আকবরকে ফোন করে লোকেশন জানান। পূর্বপরিকল্পিতভাবে ছিনতাইয়ের কাজের জন্য ভাড়া করা অ্যাম্বুলেন্স অনুসরণ করে বাসটিকে।

ফার্মগেটে নেমে সুলতান মিরপুরগামী শিখর পরিবহনের বাসে উঠলে তাৎক্ষণিকভাবে সাগর ও সবুজ তাকে অনুসরণ করে সেটিতে ওঠেন। তারা আকবরকে জানান, সুলতানের কাছে অনেক বিদেশি ডলার আছে, কাজটি করতে হবে। তখন আকবর অ্যাম্বুলেন্সযোগে পুনরায় বাসটিকে অনুসরণ করতে থাকেন।

পল্লবীর পূরবী সিনেমা হলের সামনে সুলতান নামার পরই আকবর, মনির, ফরহাদ নিজেদের র‌্যাবের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সুলতানকে অ্যাম্বুলেন্সে ওঠান। আকবরের হাতে ওয়ারলেস সেট, মনিরের গায়ে র‌্যাবের পোশাক, ফরহাদের গায়ে র‌্যাবের পোশাক এবং হাতে একটি হাতকড়া ছিল। কিন্তু তারা র‌্যাবের প্রকৃত সদস্য নয় বুঝতে পেরে চেঁচামেচি শুরু করেন সুলতান। মূল হোতা আকবর তখন সুলতানের হাতে থাকা ব্যাগটি তল্লাশি করতে থাকেন। কোনো ডলার না পেয়ে তা কোথায় জিজ্ঞাসা করতে থাকেন। ভয়ে সুলতান পুনরায় চিৎকার-চেঁচামেচি করলে অ্যাম্বুলেন্সের সামনের সিটে বসা মনির চালক সুমনের গামছা নিয়ে সুলতানের গলা পেচিয়ে ধরেন। পেছনের সিটে বসা আকবর তখন তার হাত চেপে ধরেন এবং ফরহাদ চেপে ধরেন পা। একপর্যায়ে চলন্তপথেই মারা যান সুলতান।

তিনি মারা যাওয়ায় ছিনতাইকারী পুরো টিমসহ গাড়িটি গাবতলী-হেমায়েতপুর-সাভার হয়ে নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দাঁড়ায়। সেখানে সবাই নেমে পালিয়ে যান। ড্রাইভার সুমন একা লাশটিকে নিয়ে অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরি করে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অদূরে রাস্তার পাশে জঙ্গলে লাশটি ফেলে পালিয়ে যান।

ডিসি মশিউর রহমান বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে পল্টন থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।