Tuesday, July 28th, 2020

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: July 28, 2020

জাতির পিতার সমাধিতে নৌবাহিনী প্রধানের শ্রদ্ধা নিবেদন

ঢাকা, ২৭ জুলাই, ২০২০ (বাসস) : নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল আজ সোমবার টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান।
পরে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিবার কল্যাণ সংঘ (বিএনএফডব্লিউএ) এর প্রেসিডেন্ট বেগম মনিরা রওশন ইকবাল জাতির পিতার সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পন করেন।
আইএসপিআর জানিয়েছে, এ সময় উপস্থিত সকলে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির এ মহানায়কের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
টুঙ্গিপাড়ায় অবস্থানকালে নৌপ্রধান ভাইস এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল এনবিপি, এনইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি জাতির পিতার স্থানীয় বাড়ি, জাদুঘর ও লাইব্রেরী পরিদর্শন করেন এবং পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন।
তিনি লাইব্রেরীতে ‘বঙ্গবন্ধু’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধ’ বিষয়ক বই প্রদান করেন। এ সময় খুলনা নৌঅঞ্চলের আঞ্চলিক কমান্ডার, বিএনএফডব্লিউএ খুলনা শাখার চেয়ারম্যান এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
টুঙ্গিপাড়া সফর শেষে নৌবাহিনী প্রধান খুলনা নৌ অঞ্চলে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। বানৌজা তিতুমীরে আয়োজিত স্ট্যাটিক প্যারেডে নৌবাহিনী প্রধান গার্ড পরিদর্শন করেন ও সালাম গ্রহণ করেন। পরিদর্শন শেষে নৌপ্রধান সর্বস্তরের নৌসদস্যদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন।
পরে তিনি ঘাঁটির লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত এবং আশার আলো খুলনা স্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপন করেন।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিবার কল্যাণ সংঘের (বিএনএফডব্লিউএ) প্রেসিডেন্ট বেগম মনিরা রওশন ইকবাল বিএনএফডব্লিউএ খুলনা কার্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপন করেন ও বিএনএফডব্লিউএর কাউন্সেলিং অফিস ও বিপনী বিতান ‘নোঙ্গর’ পরিদর্শন করেন।

Posted by: | Posted on: July 28, 2020

কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুবকদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা, ২৭ জুলাই, ২০২০ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় যুবকদের জন্য স্থিতিশীল ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ধারণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে তাদেরকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী আজ বিকেলে দু’দিন-ব্যাপী ‘ঢাকা-ওআইসি ইয়থ ক্যাপিটাল ২০২০’ এর অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি উদ্বোধনকালে এ আহ্বান জানান।
বিশে^ করোনা ভাইরাসে আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত ৬ লাখ ৫২ হাজার ৬০৪ জন মৃত্যুবরণ করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা এই মহামারি কবল থেকে মানবতার মৌলিক অস্তিত্ব রক্ষায় বিশ^ব্যাপী আরো সহযোগিতারও আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে যুবকদের স্থিতিশীল ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ধারণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে নিজেদের সম্পৃক্ত করার সূবর্ণ সুযোগ রয়েছে। প্রাণবন্ত যুবকরা তা দেখাতে সক্ষম হবে বলে আমরা আশা করি।’
সেইসঙ্গে তিনি ‘সমতা ও সমৃদ্ধি : একটি স্থিতিশীল ভবিষ্যতের জন্য’ এই শিরোনামে দু’দিন ব্যাপী ‘রেসিলেন্ট যুব নেতৃত্ব শীর্ষ সম্মেলন’রও উদ্বোধন করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, এটা দেখা যাচ্ছে যে, প্রাকৃতিক পরিবেশের লালিত মানুষ এই মহামারির সঙ্গে ভালোভাবেই লড়াই করছে। তিনি বলেন, ‘তাই আমাদের অবশ্যই দৈনন্দিন জীবনে মৌলিক প্রকৃতিক পরিবেশ বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
কোভিড-১৯ সঙ্কট জল¯্রােতধারা অভিহিত করে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী মহামারি পরবর্তী ‘বৈশি^ক অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা পুনর্গঠনের’ জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিস্থিতি ‘বৈশি^ক অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা পুনর্গঠনের’ ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তমূলক পরিবর্তন এভাবে হতে পারে- প্রথমত: উদ্বেগের কারণে সুরক্ষাবাদের নামে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে আরও নিয়ন্ত্রণ, অভিবাসন ও ভিসা নীতিমালায় আরো কঠোর হতে পারে। তবে, এটি মহামারি মোকাবিলার জন্য বৈশি^ক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরে।
দ্বিতীয়ত: এটা পরিস্কার যে কোভিট-১৯ এর কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি ২০০৮-২০০৯ এর অর্থনৈতিক সঙ্কটকে ছাড়াবে। তবে, নেটওয়ার্কযুক্ত অর্থায়ন ও সম্পদ সৃষ্টির নতুন মাত্রা যোগ করবে।
তৃতীয়ত: এরূপ অর্থনীতির ওপর এতবড় অভিঘাত গত কয়েক দশকেও দেখা যায়নি। শুধুমাত্র ১০ এপ্রিলের মধ্যে বিশ্বের সরকারগুলো বিশ^ব্যাপী ১০. ৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি উদ্বীপনা পরিকল্পনা ঘোষনা করেছিলো। এটি আটটি মার্শাল প্লানের সমতুল্য।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি সর্বত্র – সরকার, প্রাইভেট সেক্টর, আন্তর্জাতিক কমিউনিটি এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দের কাছে অস্বাভাবিক দাবি জানাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘একটি সঙ্কটের সময়ে কি ধরনের নেতৃত্ব প্রয়োজন তা পুননির্ধারিত পরিকল্পনায় হয় না বরং এই প্রক্রিয়ায় জড়িত মানুষের আচরণ ও মানসিকতায় তা গড়ে ওঠে।’
শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ চূর্ণবিচূর্ণ মাত্রার রৌপ্য রেখা তুল্য ঠুনকো বাধাগুলি দূর করে কর্মক্ষেত্রে উদ্ভাবনের গতি ও মাত্রা যোগ করতে বাধ্য করছে।
‘এর বিকল্প হিসেবে আমরা অর্থনীতিতে শক্ত অবস্থান নিতে পারি এবং এই বিপর্যস্থ পরিস্থিতিতে সবধরণের বাধা মোকাবিলা করে আমরা উদ্ভাবনের জন্য নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণে নমনীয়তা ও গতিশীলতা আনতে পারি।’ তিনি আরও বলেন, প্রবাদবাক্য এই পরিস্থিতিকে ‘সোনার গড়’ হিসেবে নিতে পারি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জনসংখ্যা ব্যবসা ও কৃষিক্ষেত্রের দূর্বলতা কাটিয়ে ঊঠতে ১২. ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঘোষণা করেছে যা জিডিপির ৩.৭ শতাংশ।
তিনি বলেন, খাদ্যে নিরাপত্তা অর্জন, স্বাস্থ্য ও সেনিটেশন উন্নতি ও লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ ও নারী ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।

শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, আগামী তিন দশকে বিশ্বব্যাপী তিনটি দ্রুততম ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির একটি হিসেবে বিশ্বব্যাপী মূল্যায়ন অভিক্ষেপণ বাংলাদেশের দিকে। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ২৬ তম বৃহত্তম অর্থনীতি এবং ২০৫০ সালের মধ্যে ২৩ তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এর জন্য তার সরকারের ভিশন-২০২১ এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি শুধুমাত্র ৫৩ মিলিয়ন তরুণের ডিজিটাল সৃজনশীলতা উন্মোচনের নীলনকশা নয়, বরং এটি বাংলাদেশের প্রাক-কোভিড-১৯ জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৩ শতাংশ পর্যন্ত দ্রুত ট্র্যাক করতে সক্ষম হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে জোর পূর্বক বাস্তুচ্যুত ১১ লক্ষেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। তিনি ওআইসি এবং এর সকল সদস্য রাষ্ট্রকে বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত এই জনগোষ্ঠীর প্রতি তাদের উদার সহায়তা প্রদানের জন্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, নিয়মতান্ত্রিকভাবে অস্বীকার করা সত্ত্বেও, আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাহায্যে তাদের মাতৃভূমিতে তাদের নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি।
শেখ হাসিনা ‘ঢাকা, ওআইসি ইয়ুুথ ক্যাপিটাল ২০২০’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের জন্য আয়োজকদের উষ্ণ অভিনন্দন জানান এবং ঢাকাকে ওআইসি ইয়ুুথ ক্যাপিটাল ২০২০ হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্য ইসলামিক কোঅপারেশন ইয়ুুথ ফোরামকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি) সারা বিশ্বের ১.৮ বিলিয়নেরও বেশি মানুষের আকাক্সক্ষার প্রতীক।
তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালে আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যোগদানের সময় থেকে আমরা সবসময় ওআইসির দিকে তাকিয়ে থাকি তার দৃঢ় নীতি, মানবতার প্রতি সহানুভূতি এবং নীতি নৈতিক দিক নির্দেশনার প্রতি সহানুভূতির জন্য।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু তারুণ্য, পৌরুষ এবং প্রাণশক্তির প্রতীক।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সবসময় অদম্য তারণ্যের শক্তি দিয়ে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার ছাত্র জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি আদর্শ জীবন হতে পারে। যেহেতু, তিনি একজন খেলোয়াড়, নিষ্ঠাবান ছাত্র এবং একই সঙ্গে অবিচার এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে একজন বীরযোদ্ধা ছিলেন।


শেখ হাসিনা ঢাকা, ওআইসি ইয়ুুথ ক্যাপিটাল ২০২০’ এর আয়োজকরা এই মহান নেতার চিরন্তন আদর্শের প্রকৃত চেতনাকে সম্মান জানাতে ‘বঙ্গবন্ধু গ্লোবাল ইয়ুুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ওআইসি মহাসচিব ইউসুফ বিন আহমেদ আল-ওছাইমেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুুল মোমেন, আজারবাইজানের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী আজাদ রহিমভ, কাতারের সংস্কৃতি ও ক্রীড়া মন্ত্রী সালাহ বিন গনিম আল আলী, , ইসলামিক কো অপারেশন ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি তাহা আইহান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এ সময় বক্তব্য রাখেন।
এর আগে কাতারের সংস্কৃতি ও ক্রীড়া মন্ত্রী ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দোহা থেকে ওআইসি যুব রাজধানী চাবি ঢাকায় হস্তান্তর করেন।
৭৪টি দেশের ১ হাজার ২ শ’-র বেশি তরুণ এতে অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিল।
যুব সম্মেলনে অংশগ্রহণ, যার মধ্যে আয়োজক কমিটি ২ শ’ ৫০ জন অংশগ্রহণকারীকে সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত করেছে, যার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ১ শ’ জন এবং ওআইসি সদস্য রাষ্ট্র এবং এর বাইরে আরও ১ শ’ ৫০ জন অংশগ্রহণকারীকে সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এদিকে, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটিয়ে যথাযথ লিঙ্গ ভারসাম্য বজায় রাখা হয়েছে।
গত ২৫ ডিসেম্বর ইস্তাম্বুল ভিত্তিক ইসলামিক কোঅপারেশন ইয়ুুথ ফোরাম (আইসিওয়াইএফ) ঢাকাকে ‘ওআইসি ইয়ুুথ ক্যাপিটাল ২০২০’ হিসেবে ঘোষণা করে।
বাংলাদেশ গত বছরের মে থেকে প্রত্যাশিত শিরোপার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল এবং অবশেষে ২৫ ডিসেম্বর তারিখে শিরোপা জয়ের আগে পর্যন্ত আইসিইএফ কর্তৃক কাজাখস্তান এবং তিউনিশিয়াসহ সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত ছিল।(বাসস)

Posted by: | Posted on: July 28, 2020

ঢাকা জেলার আশেপাশের নদীর পানি সমতলে হ্রাস

ঢাকা, ২৭ জুলাই, ২০২০ (বাসস) : ঢাকা জেলার আশেপাশের নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আগামী ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
অপরদিকে, গঙ্গা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরদিকে, পদ্মা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে।যা আগামী ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
আজ বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও উত্তরপূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পাচ্ছে। যা আগামী ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর ও ভারত আবহাওয়া অধিদফতরের গাণিতিক আবহাওয়া মডেলের তথ্য অনুযায়ী আগামী ৪৮ ঘন্টা থেকে ৭২ ঘন্টায় দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং তৎসংলগ্ন ভারতের হিমালয় পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ, হিমালয়, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস আছে। এই সময়ে উত্তরাঞ্চলের এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদ নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে।
আগামী ২৪ ঘন্টায় কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, জামালপুর, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ি, শরিয়তপুর, ঢাকা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।
দেশের পর্যবেক্ষণাধীন ১০১টি পানি সমতল স্টেশনের মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৭ টির, হ্রাস ৬৪টির, বন্যা আক্রান্ত জেলার সংখ্যা ১৭ টির,বিপদসীমার উপরে নদীর সংখ্যা ২০ টি, বিপদসীমার উপরে স্টেশনের সংখ্যা ৩০ টি।
সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছে,জকিগঞ্জ ৮৫ মিলিমিটার, চিলমারী ৮২ মিলিমিটার, লালাখাল ৭২ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জ ৭০ মিলিমিটার, কুড়িগ্রাম ৬১ মিলিমিটার এবং রংপুর ৫৮ মিলিমিটার।

Posted by: | Posted on: July 28, 2020

ঢাকা-দিল্লী সম্পর্ক পাথরের মত শক্ত : মোমেন

ঢাকা, ২৭ জুলাই, ২০২০ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুল মোমেন ঢাকা-নয়া দিল্লী সম্পর্ককে পাথরের মত শক্ত বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি ১০টি ভারতীয় ব্রড গেজ ডিজেল লোকোমোটিভের অভ্যর্থনা উপলক্ষ্যে আজ এক ভার্চুয়াল সভায় তার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে যোগ দেন।
তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক পাথরের মত শক্ত এবং যৌথ মূল্যবোধ, নীতি এবং আত্মবিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে- আমাদের জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রকে স্পর্শ করে।
মোমেনকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, বিশ্বের খুব কম দেশই আমাদের মত ঘনিষ্ঠ ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক ভাগাভাগি করে। জয়শঙ্কর আরও বলেন, আমাদের অংশীদারিত্ব আজ এই অঞ্চলের একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে উঠেছে।
মোমেন বলেন, গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বে অংশীদারিত্বে একটি সুবর্ণ অধ্যায় রচনা করেছে।
তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই সর্বোত্তম সম্পর্ক উপভোগ করছি। আমি নিশ্চিত আগামী দিনে আমরা আমাদের সম্পর্ককে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারব।
ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বাংলাদেশের পশ্চিম সীমান্তের দর্শনা-গেদে ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্টে লোকোমোটিভ হস্তান্তরকালে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে তাদের মন্তব্য উঠে আসে।
বাংলাদেশ ও ভারতের রেলমন্ত্রী যথাক্রমে মো. নুরুল ইসলাম সুজন ও পীযূষ গোযেল ঢাকা ও নয়া দিল্লী থেকে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
বাংলাদেশ ও ভারতের মোট ৮টি রেলওয়ে ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট রয়েছে, যার মধ্যে ৪টি এখন কাজ করছে – পেট্রাপোল (ভারত)-বেনাপোল (বাংলাদেশ), গেদে (ভারত)-দর্শনা (বাংলাদেশ), সিংহাবাদ (ভারত)- রোহনপুর (বাংলাদেশ), রাধিকাপুর (ভারত)-বিরোল (বাংলাদেশ)।
মোমেন বলেন, এটি আমাদের দুই দেশের মানুষকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসতে সাহায্য করবে।
অন্যদিকে জয়শঙ্কর বলেন, চলমান মহামারীর এই কঠিন সময়ের নয়াদিল্লী বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, আমি সমানভাবে আনন্দিত যে চলমান কোভিড মহামারী আমাদের সামগ্রিক সহযোগিতার গতি মন্থর করেনি।বাসস

image_print
Posted by: | Posted on: July 28, 2020

সজীব ওয়াজেদ জয়ের রূপকল্পেই ঠিক সময়ে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবে বাংলাদেশ : তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২৭ জুলাই, ২০২০ : তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সজীব ওয়াজেদ জয়ের রূপকল্পেই ঠিক সময়ে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবে বাংলাদেশ।
তিনি বলেন “বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের রূপকল্পেই বাংলাদেশ ঠিক সময়ে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে যুক্ত হয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশ।”
হাছান মাহমুদ আজ দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টার জন্মদিন উপলক্ষে ‘মুজিব থেকে সজীব’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনকালে একথা বলেন।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা: মুরাদ হাসান, গ্রন্থটির প্রকাশক জয়ীতা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী সাংবাদিক ইয়াসিন কবীর জয় ও প্রচ্ছদশিল্পী শাহরিয়ার খান বর্ণ এসময় বক্তব্য রাখেন। গ্রন্থটির সম্পাদক কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত অনলাইনে যোগ দেন।
তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক অবৈতনিক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্পকার। আর এই ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, “চতুর্থ শিল্প বিপ্লব অর্থাৎ দেশ-সমাজকে ডিজিটালাইজ করা, রোবটিক্স প্রযুক্তি প্রভৃতির প্রয়োগে যোগ দেবার জন্যেই জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা বলেছিলেন। কারণ প্রথম তিন শিল্পবিপ্লবে আমরা যুক্ত হতে দেরি করেছি।”
ড. হাছান বলেন, ‘প্রথম শিল্প বিপ্লব বাস্পীয় ইঞ্জিন আবিস্কারের প্রায় ১০০ বছর পর, দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব বিদ্যুৎ আবিস্কারের বেশ কয়েক দশক পর এবং তৃতীয় শিল্প বিপ্লব কম্পিউটার আবিস্কারেরও বেশ পরে আমরা সেটির সাথে যুক্ত হয়েছিলাম।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের শ্লোগান দিয়েছি ২০০৮ সালে, সেখানে ডিজিটাল ভারতের শ্লোগান এসেছে ২০১৪ সালে, এমনকি যুক্তরাজ্যও আমাদের কয়েক বছর পর ডিজিটাল দেশ রচনার শ্লোগান দিয়েছিল।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, “অর্থাৎ প্রথম তিনটি শিল্প বিপ্লবে আমাদের এই জনপদ পিছিয়ে থাকলেও, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্যপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো আন্তর্জাতিকখ্যাতি সম্পন্ন প্রযুক্তিবিদ ও ভবিষ্যত দ্রষ্টার কাছ থেকে ধারণা আসার কারণে আমরা ঠিক সময়ে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে বাংলাদেশকে সম্পৃক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।”
ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, ‘২০০৮ সালে এই ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণাটি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রযুক্তিবিদ সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকেই এসেছিল এবং তার ধারণা প্রসূত এই ডিজিটাল বাংলাদেশের শ্লোগান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে যখন দেয়, তখন অনেকেই এটি নিয়ে হাস্যরস করেছিল, অনেকেই এটি উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়েছিল। আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ কোনো স্বপ্নের কথা নয়, আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আজকে যখন করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে আমরা আগের মতো চলাচল করতে পারছিনা, তখন ডিজিটাল বাংলাদেশ রচনা করা যে কত প্রয়োজন ছিল, সেটি আমরা অনুধাবন করতে পারছি। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ক্লাশ করছে, অনলাইনে ব্যবসা-বাণিজ্য হচ্ছে, ই-ফাইলিং এর মাধ্যমে দাপ্তরিক কাজ হচ্ছে। আর ডিজিটাল বাংলাদেশ নাগরিকসেবা একেবারে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে।’
২০১০ সালে ইউএনডিপির তৎকালীন মহাপরিচালক হেলেন ক্লার্ক এর সাথে চর কুকরি-মুকরিতে ডিজিটাল সেন্টার তথ্য বাতায়ন কেন্দ্র উদ্বোধন করতে যাওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, তখন সেখানে বিদ্যুৎ ছিল না, সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেছিলাম। আর হেলেন ক্লার্ক নিউইয়র্কে গিয়ে তার বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘চর কুকরি-মুকরিতে যে রেজ্যুলেশন পেয়েছি তা অনেক সময় নিউইয়র্কেও পাওয়া যায় না, এমনভাবেই তখন থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশের সেবা মানুষের কাছে পৌঁছেছে।’
এখন একজন পিতা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিদেশ যাওয়া ছেলের কাছ থেকে টাকা পেয়ে যায়, শিক্ষার্থীরা এসএমএস করে, ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে তার কাছে পরীক্ষার ফলাফল চলে আসে, বাংলাদেশের শেষ প্রান্তে বসে কিংবা বঙ্গোপসাগরের নির্জন দ্বীপ থেকেও একজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে দরখাস্ত করতে পারে -এটিই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ, বর্ণনা করেন তথ্যমন্ত্রী।
সজীব ওয়াজেদ জয়কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র, আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, চার চারবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় এর ৫০তম জন্মদিনে আমি তাকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।’
হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি (সজীব ওয়াজেদ জয়) সব শিক্ষার্থীর স্বপ্নের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্সে মাস্টার্স করা, উচ্চশিক্ষিত। তার নেতৃত্ব ও সঠিক দিকনির্দেশনা বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন। যেভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়ে, তিনি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, ভবিষ্যতেও তিনি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’
তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা: মুরাদ হাসান তার বক্তৃতায় সজীব ওয়াজেদের প্রতি জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘সজীব ওয়াজেদ জয় যেমন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন, তেমনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তেও একনিষ্ঠভাবে কাজ করে চলেছেন। আমরা তার সাথে রয়েছি।’
তথ্যমন্ত্রী এসময় ‘মুজিব থেকে সজীব’ গ্রন্থের প্রকাশক, সম্পাদক ও প্রচ্ছদ ও অঙ্গসজ্জাকারসহ এর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, জয়ীতা প্রকাশনী দু’টি বই প্রকাশ করার মধ্যদিয়ে এই জন্মদিনকে আরো অর্থবহ করেছে বলে আমি মনে করি।
উল্লেখ্য, ১১২ পৃষ্ঠার এ গ্রন্থে দেড় শতাধিক সংবাদচিত্র স্থান পেয়েছে। সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে ‘সজীব ওয়াজেদ জয় : সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি’ শিরোনামে আরো একটি গ্রন্থ প্রকাশ করেছে জয়ীতা প্রকাশনী।বাসস

image_print