Main Menu

ফাইজারের ভ্যাকসিন নিয়েও আসছে সুখবর

মার্কিন কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেক যৌথভাবে করোনার যে ভ্যাকসিন তৈরি করেছে, মানবদেহে প্রয়োগের পর তার আশাব্যঞ্জক ফল আসতে শুরু করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

তাদের দাবি, ভ্যাকসিনটি নিরাপদ, এটি রোগীর দেহে ইতিবাচক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করেছে।

গত ১ জুলাই পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিনের ইতিবাচক ফল পাওয়ার কথা জানায় ফাইজার। তাদের দাবি, এটি স্বাস্থ্যবান মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের বিরুদ্ধেও অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করেছে। এর মধ্যে কিছু ভাইরাস নিষ্ক্রিয় করতে কার্যকর অ্যান্টিবডি রয়েছে।

জার্মানিতে ৬০ জন স্বেচ্ছাসেবীর দেহে ভাইরাসটি পুশ করে যে ট্রায়াল চালানো হয়েছে, সেখান থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে এসব আশার খবর জানা যাচ্ছে।

ট্রায়ালে দেখা যাচ্ছে, দুই ডোজ নেয়া স্বেচ্ছাসেবীর দেহে ভাইরাস প্রতিরোধী অ্যান্ডিবডি তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রাথমিক ধাপের পরীক্ষাতেও ইতিবাচক ফল পাওয়া গিয়েছিল।

প্রসঙ্গত, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৫০ সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে। এর মধ্যে ২৩টি ভ্যাকসিন মানবদেহে প্রয়োগ করে, তা কার্যকর ও নিরাপদ কিনা সেটা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না ও যুক্তরাজ্যের অ্যাস্ট্রজেনেকাও (অক্সফোর্ডের তৈরি) রয়েছে।

তুলনামূলকভাবে অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে ভ্যাকসিন তৈরি করেছে অক্সফোর্ড। সোমবার ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলক প্রয়োগের প্রাথমিক ফলাফলে বলা হচ্ছে, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনটি মানবদেহে প্রয়োগের ক্ষেত্রে নিরাপদ বলে বোধ হচ্ছে। তবে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে আরও পরীক্ষা–নিরীক্ষা প্রয়োজন।