Sunday, May 5th, 2019

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: May 5, 2019

সরকারি অর্থ ব্যয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান পরিকল্পনামন্ত্রীর

(বাসস) : প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
তিনি বলেন, প্রকল্পের টাকা জনগণের। তাই বাহুল্য ব্যয় পরিহার করে খরচের ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে। প্রকল্প যেন সময় মতো বাস্তবায়ন হয়, সেদিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
পরিকল্পনামন্ত্রী আজ রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে আইএমইডি আয়োজিত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর ডিজিটাল মনিটরিংয়ের জন্য প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (পিএমআইএস) বিষয়ক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আমি মাঠ পর্যায়ে গিয়ে দেখেছি, সেখানে সিস্টেমের কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা দায়িত্বশীলতার। তাই সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে প্রকল্প বাস্তবায়ন বিলম্বিত হবে না।
তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের গাড়ির সুবিধাসহ অনেক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। তাই তাদের কাজের গতি বাড়াতে হবে।’
কর্মশালায় জানানো হয়, বর্তমানে ১ হাজার ৯১৬টি প্রকল্পের মধ্যে মাত্র ৫৬২টি প্রকল্প পিএমআইএস সফটওয়্যারে যুক্ত হয়েছে। বাকি প্রকল্পগুলোকেও দ্রুত এই সফটওয়্যারে যুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেয়া হয়। পিএমআইএস থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যেসব প্রতিবেদন পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে মাসিক অগ্রগতি, বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা, বছরভিত্তিক অগ্রগতি, ডিপিপির চাহিদার বিপরীতে প্রাপ্ত বরাদ্দ, অর্থায়নের ভিত্তিতে প্রকল্পের বিন্যাস, এডিপির অগ্রগতি, মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ভিত্তিক চিত্র, উচ্চ ও নিম্নক্রম বিন্যাস, কস্ট ও টাইম ইত্যাদি।
আইএমইডি’র ভারপ্রাপ্ত সচিব আবুল মনসুর মোঃ ফয়েজ উল্লাহ’র সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ফোকাল পার্সনগণ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় আইএমইডি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Posted by: | Posted on: May 5, 2019

খলীকুজ্জমান অর্থনীতির মানবিকায়নে ক্লান্তিহীন পথিক

(বাসস) : ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ মানব উন্নয়ন ও মানব মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং নারীদের সমাজের অগ্রভাগে নিয়ে আসার নিরলস সংগ্রাম করে চলেছেন। তিনি এমন একজন অর্থনীতিবিদ যিনি কেবল অর্থনীতির বিষয় নিয়ে গবেষণা করেননি, গবেষণালবদ্ধ জ্ঞান সরাসরি জনকল্যাণে কাজে লাগিয়েছেন। তাইতো তিনি জনকল্যাণমুখী অর্থনীতির একজন শক্তিমান প্রবক্তা হিসেবে নন্দিত। অর্থনীতির মানবিকায়নে এক ক্লান্তিহীন পথিক। খলীকুজ্জমান আহমদ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০১৯’ প্রাপ্তিতে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনরা এসব কথা বলেন।
শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ড. আবুল বারকাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বাধীনতা পদকজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ও তার সহধর্মিনী ড. জাহেদা আহমদ এবং অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ বক্তব্য রাখেন।
জনসেবায় অসামাণ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি ড. খলীকুজ্জমান আহমদকে স্বাধীনতা পুরুস্কার প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির খলীকুজ্জমান আহমদকে ব্যতিক্রমী অর্থনীতিবিদ আখ্যা দিয়ে বলেন, অর্থনীতিবিদরা সাধারণত গবেষণা করেন। কিন্ত খলীকুজ্জমান গবেষণা করার পাশাপাশি গবেষণালবদ্ধ জ্ঞানকে মানব উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন ও জনকল্যাণে কাজে লাগিয়েছেন। নারীদে সমাজের অগ্রভাগে নিয়ে আসার নিরলস প্রচেস্টা অব্যাহত রেখেছেন। সবার জন্য সমান সুযোগ ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করছেন।
সভাপতির বক্তব্যে ড. আবুল বারকাত বলেন,খলীকুজ্জমান আহমদ মূলধারার প্রথাসিদ্ধ অর্থনীতিবিদ নন, তিনি একজন মানবতাবাদী এবং উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ। দারিদ্র্য বা বৈষম্যের ক্ষেত্রে যে বহুমাত্রিক বিষয় কাজ করে,সেই গবেষণায় তিনি গতিশীল নেতৃত্ব দিয়েছেন। আবার কাজ করার সুযোগ পেয়ে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনকে (পিকেএসএফ) গতানুগতিক কর্ম প্রক্রিয়া থেকে গণমুখী মানবকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, অর্থ শাস্ত্রে নৈতিকতা তেমন গুরুত্ব পায় না। কিন্তু খলীকুজ্জমান তার মানব উন্নয়ন ভাবনায় নৈতিক মূল্যবোধকে সবসময় গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তিনি চান অর্থনৈতিক উন্নয়ন যেন সমাজের বঞ্চিত মানুষকে সাথে নিয়ে হয়। সবাই যেন সুযোগ পায়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, ‘আমার দর্শনের মূল ভিত্তি হচ্ছে-মানুষ। মানুষ হিসেবে মানুষকে মর্যাদা দিতে হবে,বৈষম্য দূর করতে হবে। যেটা আমাদের সংবিধানেরও মূল দর্শন।’ তিনি বলেন,মানবাধিকার,মানব মর্যাদা, বৈষম্যহীনতা, উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সকলের অন্তর্ভূক্তি এবং সাম্য প্রতিষ্ঠা করা গেলে প্রকৃত সুখী-সমৃদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। আর এগুলো করা গেলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জন করতে পারব। তিনি এ লক্ষে সমাজের সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহবান জানান। জীবনের বাকী দিনগুলো মানবসেবায় কাজ করবেন বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে খলীকুজ্জমানকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। আর সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ড. আবুল বারকাত।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সহসভাপতি এ জেড এম আবু সালেহ।
উল্লেখ্য, ড. খলীকুজ্জমান আহমেদ পিকেএসএফের চেয়ারম্যান এবং ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে সমাজসেবায় অবদানের জন্য ২০০৯ সালে একুশে পদক পান।

Posted by: | Posted on: May 5, 2019

হামাসের রকেট হামলায় ইসরাইলি নিহত

জেরুজালেম, (বাসস ডেস্ক) : গাজা ভূখ- থেকে ছোঁড়া একটি রকেট হামলায় গত রাতে ইসরাইলের আশকেলন নগরীতে এক ব্যক্তি মারা গেছে।
রোববার পুলিশ জানায়, রকেট হামলায় গুরুতর আহত লোকটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
ইসরাইলি গণমাধ্যম জানায়, লোকটির নাম মোশে আগাদি। তার বয়স ৬০ বছর। গাজা সীমান্তবর্তী নগরীতে অবস্থিত তার বাড়িতে রকেটটি আঘাত হানে।
রোববার শুরু হওয়া এই সহিংসতার এই প্রথম কোন ইসরাইলি প্রাণ হারাল।

Posted by: | Posted on: May 5, 2019

আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস আজ

(বাসস) : আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস আজ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘নারীর অধিকার রক্ষায় মিডওয়াইফ’। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের দোরগোড়ায় উন্নত স¦াস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। মিডওয়াইফদের যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, গর্ভবতী মা ও নবজাতকের উন্নত পরিচর্যার ক্ষেত্রে সরকার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বিগত ১০ বছরে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।
আন্তর্জাতিকভাবে ধাত্রীরা সন্তান প্রসবে মায়েদের যেভাবে যুগ-যুগ ধরে সেবা দিয়ে আসছেন সেই কাজের স্বীকৃতির জন্য ১৯৮০ এর দশক থেকে তারা দাবি করে আসছেন। শেষ পর্যন্ত ১৯৯২ সালের ৫ মে তারিখটি আন্তর্জাতিক ধাত্রী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
দিবসটি উপলক্ষে আজ রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল এবং নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর যৌথভাবে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান উপস্থিত থাকবেন।

Posted by: | Posted on: May 5, 2019

চট্টগ্রামে খাল উদ্ধারে অভিযান চালাবে সেনাবাহিনী

চট্টগ্রাম, (বাসস) : চট্টগ্রামে ‘মেগা প্রকল্প’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং খালের অবৈধ দখল শতভাগ উচ্ছেদ করতে এবার সেনাবাহিনী মাঠে নামবে। খালগুলোর ওপর গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালানো হবে।
চট্টগ্রাম মহানগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ‘মেগা প্রকল্প’ বাস্তবায়নকারী সংস্থা সেনাবাহিনীর এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
শনিবার চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন শীর্ষক মতবিনিময় সভায় সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কন্সট্রাকশন ব্রিগেডের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজহার সিদ্দিকী এসব কথা বলেন। ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কন্সট্রাকশন ব্রিগেড দামপাড়া আর্মি ক্যাম্পে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বন্দরনগরীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট শর্তসাপেক্ষে ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন দেয়া হয়। পরবর্তীতে সিডিএর নেয়া চট্টগ্রামের এই বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরকে দায়িত্ব দেয়া হয়। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজহার সিদ্দিকী বলেন, সিডিএ’র নেওয়া এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ২০১৮ সালের এপ্রিলে সেনাবাহিনীর সাথে এমওইউ স্বাক্ষরের পর সরকারি আদেশ জারি হয়। এরপর প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কন্সট্রাকশন ব্রিগেড কাজ শুরু করে।
তিনি বলেন, খালের অবৈধ দখল উচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ হলেও সেনাবাহিনী জলাবদ্ধতা নিরসনে জোরেশোরে অভিযান চালাবে। এ ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) এবং পুলিশ প্রশাসনসহ স্থানীয় কাউন্সিলররা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি জানান, এই প্রকল্পের অধীনে গতবছর খাল থেকে ১ কোটি ২৫ লাখ ৮৮ হাজার ঘনফুট ও চলতি বছরে ৪২ লাখ ঘনফুট বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। প্রকল্পের অধীনে থাকা ৩৬টি খালের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ১৩টি, দ্বিতীয় পর্যায়ে ১০টি এবং তৃতীয় পর্যায়ে বাকি খালগুলো পরিষ্কার ও পুনঃখনন করা হবে।
প্রাথমিকভাবে সেই সব খাল পরিষ্কার করা হয়েছে সচেতনতার অভাবে সেই সব খাল আবারও বর্জ্যে ভরে গেছে। ড্রেন ও খাল অপরিষ্কার থাকার কারণে বৃষ্টি হলে পানি নিষ্কাশন হয় না। এতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।
তিনি আরও বলেন, অনেক খাল থেকে ময়লা অপসারণ করা হয়েছে। কিন্তু কিছুদিন পর আবারও খালগুলো ময়লায় ভরাট হচ্ছে। এক্ষেত্রে জনসচেতনতা জরুরি। এজন্য স্থানীয়ভাবে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একাধিক কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।
খাল পরিষ্কার ও পুনঃখননের পাশাপাশি নগরে যাতে জোয়ারের পানি প্রবেশ না করে, সেই লক্ষে সেনাবাহিনী ৫টি, ১২টি সিডিএ এবং ২৩টি পানি উন্নয়ন বোর্ড টাইডাল রেগুলেটর নির্মাণ করছে। এসব রেগুলেটর নির্মাণকাজ একসঙ্গে শেষ হলে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
সভায় ভারপ্রাপ্ত প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল আবু সাদাত মোহাম্মদ তানভীর চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের নানা বিষয়ে সচিত্র প্রতিবেদন তুলে ধরেন।
সভায় চসিকের প্রধান প্রকৌশলী লে, কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ, সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী হাসান বিন শামস, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী মো. আরিফুর রহমান, চট্টগ্রাম ওয়াসার এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রানা চৌধুরী, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ডেপুটি ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার মীর মাহমুদ হাসান, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামল প্রমুখ বক্তৃতা করেন।