Saturday, February 16th, 2019

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: February 16, 2019

মাশরাফিদের উড়িয়ে সিরিজ জিতল নিউজিল্যান্ড

মাহাবুবুর রহমান চঞ্চলঃ


এবার আশা করা হয়েছিল কিছু একটা হবে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে। মানে ওয়ানডে সিরিজে একটা জয়। কিন্তু এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও বাংলাদেশ ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে। আর কিউইদের এই বড় জয়ে বড় অবদান সেই মার্টিন গাপটিলের। প্রথম ম্যাচের মতো তিনি এই ম্যাচেও সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন।


২২৭ রান তাড়া করতে নামা নিউজিল্যান্ডকে একটু বেগও দিতে পারেনি বাংলাদেশের বোলাররা। মোস্তাফিজুর রহমান ৪৫ রানে হেনরি নিকোলসকে(১৪) ফেরান। এরপর অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে সঙ্গে নিয়ে যা করার একাই করেন গাপটিল। ১৮৮ রানে তিনি যখন আউট হন তখন তাঁর নামের পাশে জ্বলজ্বল করছিল ১১৮। ৮৮ বলে ১৪টি চার আর চার ছক্কায় এই রান করেন গাপটিল। ম্যাচ তাঁর অনেক আগেই শেষ হয়েছে। জয়ের জন্য বাকি কাজটুকু সেরেছেন উইলিয়ামসন অপরাজিত ৬১ রান করে। ফলে ৮৩ বল হাতে রেখেই বিশাল জয় তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড। দুটি উইকেটই তুলে নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। এখন ২০ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেটি হয়ে দাঁড়াল নিছকই আনুষ্ঠানিকতার।  এর আগে ক্রাইস্টচার্চে সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.৪ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশ তোলে ২২৬ রান।

ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল (৫) এবং লিটন দাস (১) দ্রুত ড্রেসিংরুমে ফেরেন। তিন নম্বরে নামা সৌম্য সরকার থিতু হলেও ২৩ বলে তিনটি বাউন্ডারিতে করেন ২২ রান। ২০০তম ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে নামা মুশফিকের ব্যাট থেকে বড় ইনিংস আসেনি, ৩৬ বলে করেন ২৪ রান। মাঝে মোহাম্মদ মিঠুন ব্যাট হাতে আবারো রান পেয়েছেন। আগের ম্যাচে নেপিয়ারে ফিফটি করার পর এই ম্যাচেও ফিফটি করেছেন। ৬৯ বলে সাতটি চার আর একটি ছক্কায় করেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৫৭ রান। মাহমুদউল্লাহ ৭ রানে বিদায় নেন। সাব্বির রহমান ৬৫ বলে সাত বাউন্ডারিতে করেন ৪৩ রান। মেহেদি মিরাজের ব্যাট থেকে আসে ১৬ রান। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ১০, অধিনায়ক মাশরাফি ১৩, মোস্তাফিজ ৫* রান করেন।

নিউজিল্যান্ডের লুকি ফার্গুসন তিনটি, জেমস নিশাম দুটি, টড অ্যাসল দুটি করে উইকেট তুলে নেন। এছাড়া একটি করে উইকেট পান ম্যাট হেনরি, ট্রেন্ট বোল্ট এবং কলিন ডি গ্রান্ডহোম।-তথ্য সূত্র বাসস

Posted by: | Posted on: February 16, 2019

দেশের শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় প্রথম পর্বের ইজতেমা সমাপ্ত

গাজীপুর, (বাসস) : লাখ মুসল্লীর অংশগ্রহণে আল্লাহপাকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, দেশ-জাতির সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে টঙ্গীর তুরাগ তীরে ৫৪তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব আজ সমাপ্ত হয়েছে।
আজ সকাল ১০টা ৪০মিনিট থেকে ১১টা ৭মিনিট পর্যন্ত ২৭ মিনিটের এই আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশের কাকরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. যোবায়ের।
আজ যোবায়ের পন্থী অনুসারীদের আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে ভোর থেকে ঢাকা ও গাজীপুরের আশ-পাশের জেলা থেকে লাখ লাখ মুসল্লী ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতে অংশ নেয়। এ সময় ‘আমিন, আল্লাহুম্মা আমিন’ ধ্বনিতে আকাশ-বাতাস মুখরিত করে মহামহিম ও দয়াময় আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি লাভের আশায় মুসল্লিরা আকুতি জানান।
মোনাজাতে মারামারি, কাটাকাটি, হানাহানি বন্ধ করে সুন্নতের জিন্দেগী, ইমান, আমল, আখলাক, ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য, সংহতি, আল্লাহকে রাজি-খুশি করার জন্য কোরআন সুন্নাহর আলোকে প্রত্যেক মুসলমানকে নীতি আদর্শ মেনে চলার সক্ষমতা দানে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়। ইহলৌকিক ও পারলৌকিক কল্যাণ কামনায় দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লী আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করেন। মহামহিম ও দয়াময় আল্লাহ’র সন্তুষ্টি লাভে আকুতি ব্যক্ত করেন। ধনী-গরিব, মালিক-শ্রমিক নির্বিশেষে সর্বস্তরের লাখ লাখ মুসল্লী সবকিছু ভুলে দু’হাত তোলে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানান।
ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতে প্রায় ২৫ লাখ মুসল্লীর অংশগ্রহণে আবেগঘন পরিবেশে রাহমানুর রাহিম আল্লাহর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা, আত্মশুদ্ধি, দুনিয়ার সব বালা মুসিবত, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি, দেশ ও বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনায় দুই হাত তুলে মহান আল্লাহর দরবারে রহমত প্রার্থনা করেন।
বাদ ফজর থেকে উর্দুতে বয়ান করেন মাওলানা ওবায়েদ উল্লাহ খুরশিদ, বাংলায় তরমজা করেন মাওলানা আব্দুল মতিন। আখেরী মোনাজাতের পূর্বে বয়ান করেন ভারতের মাওলানা মো. ইব্রাহিম। বাংলায় তরজমা করেন মাওলানা যোবায়ের।
মোনাজতের সময় ইজতেমা ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। জায়গা না পেয়ে হাজার হাজার মুসল্লী ময়দানের পাশে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, কামারপাড়া সড়কসহ আশ-পাশের অলি-গলি, ফুটওভারব্রিজ, বাসা-বাড়ি, কলকারখানা, মার্কেট ও যানবাহনের ছাদে, শহীদ আহসান উল্লাহ উড়াল সেতু, তুরাগ নদে নৌকায় অবস্থান নিয়ে আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন।
বিশ্ব ইজতেমার আয়োজকদের সূত্রে জানা গেছে, তুরাগ তীরে একটানা ৪দিনব্যাপী ৫৪তম ইজতেমায় দু’টি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে শনিবার আখেরি মোনাজাতসহ প্রথম দু’দিন ইজতেমা পরিচালনা করেন মাওলানা যোবায়ের অনুসারীরা। আগামীকাল থেকে দু’দিন সা’দ অনুসারীরা ইজতেমা পরিচালনা করবেন। সোমবার সকালে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের ৫৪তম বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, আব্দুল মতিন খসরু এমপি, গাজীপুর সিটি মেয়র আলহাজ¦ এড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, পুলিশ কমিশনার ওয়াইএম বেলালুর রহমানসহ সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের পদস্থ কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ওয়াই এম বেলালুর রহমান জানান, আখেরি মোনাজাতের পর মুসল্লীদের বাড়ি ফেরা পর্যন্ত ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশের এলাকায় পুলিশের নিরাপত্তা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া সাদা পোশাকে মুসল্লীদের বেশে খিত্তায় খিত্তায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, হামদর্দ, ইবনে সিনা, ইসলামিক মিশন, যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশন, জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, হাফেজি হুজুর সেবা সংস্থা, হোমিওপ্যাথিক ওয়েলফেয়ার, বাংলাদেশ ইউনানি-আয়ুর্বেদিক, বঙ্গবন্ধু ইউনানী-আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পসহ বেশ কিছু সংগঠন ইজতেমা ময়দানে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে।

Posted by: | Posted on: February 16, 2019

মুশফিকুর রহিমের ২শ ম্যাচ

মাহাবুবুর রহমান চঞ্চল : নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেই অনন্য এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ওয়ানডেতে ২শ ম্যাচ খেলার রেকর্ড স্পর্শ করলেন মুশি। এর আগে বাংলাদেশের হয়ে শুধুমাত্র বর্তমান ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাই ২শ ম্যাচ খেলেছেন। ২০০৬ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ওয়ানডে অভিষেক হয় মুশফিকের।

এরপর উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে দলের অপরিহার্য খেলোয়াড় হয়ে উঠেন তিনি। ২০১১ সালে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-২০ দলের অধিনায়কত্ব পান মুশফিক। ২০১৭ সাল পর্যন্ত টেস্ট দলের অধিনায়ক থাকলেও, ২০১৪ সালে ওয়ানডে ও টি-২০ দলের দায়িত্ব থেকে মুশফিককে সরিয়ে দেয়া হয়।
তারপরও দলের ব্যাটিং লাইন-আপের মেরুদন্ড মুশফিক। এখন পর্যন্ত ২০০ ওয়ানডেতে ৬টি সেঞ্চুরিতে ৫৩৭৫ রান করেছেন তিনি। ব্যাটিং গড়- ৩৪ দশমিক ৬৭।
এছাড়াও ৬৬টি টেস্টে ৪০০৬ ও ৭৭টি টি-২০তে ১১৩৮ রান করেছেন মুশফিক।-বাসস সূত্র

Posted by: | Posted on: February 16, 2019

জামায়াত ক্ষমা চাইলেও যুদ্ধাপরাধের বিচার চলবে : ওবায়দুল কাদের

(বাসস) : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জামায়াত ক্ষমা চাইলেও যুদ্ধাপরাধের বিচার চলবে।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৪৭ বছর জামায়াত এখন ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি কেনো সামনে নিয়ে আসছে, এটা ঘোলাটে। এটি তাদের রাজনৈতিক কৌশল হতে পারে। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে (অফিসিয়ালি) এখনও কিছু বলেনি। তবে ক্ষমা চাইলেও যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের যে বিচার চলছে, সেটা বন্ধ হবে না।’ সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আজ দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সদস্য এস এম কামাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ক্ষমা চাওয়ার কথা বলে জামাতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখনও তারা ক্ষমা চায়নি। এটা স্পেকুলেশনের পর্যায়ে, আলোচনার পর্যায়ে, গুজব-গুঞ্জনের পর্যায়ে সীমিত আছে। এখনও তারা অফিসিয়ালি ক্ষমা চায়নি।’
তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল বলেছি, তারা ক্ষমা চাওয়ার আগে আমাদের কোনো মন্তব্য করা সমীচীন না। তবে ক্ষমা চাওয়ার পরও মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধের যে বিচার চলছে, তা বন্ধ হবে না। যারা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত, যাদের বিচার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তাদের বিচার কাজ চলবে।’
জামায়াত নেতা আব্দুর রাজ্জাকের বিষয়ের ওবায়দুল কাদের বলেন, সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এই বিষয়গুলো তাদের দলের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। এ ধরনের খবর প্রকাশের পরও তাদের দলের ভেতরে যারা আছেন, তারা কেউ কেউ সরে যেতে পারেন। সেটা তাদের বিষয়। এখনও তাদের কোনো বিষয়ই ক্লিয়ার না। ইনটেনশনটা ক্লিয়ার হোক, তারপর এ নিয়ে মন্তব্য করা যাবে। জামায়াত নতুন নামে রাজনীতিতে আসতে পারে কিনা এমন কোন শঙ্কা রয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, নতুন নামে জামায়াত। নতুন বোতলে পুরান মদ যদি আসে, তাহলে পার্থক্যটা আর কী। নতুন নামে পুরান আদর্শই যদি থাকে, তাহলে তো একই কথা। অপর এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী অবসরের কথা বলেছেন। এর আগেও তিনি অবসর নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দলের নেতাকর্মী ও কাউন্সিলরদের দাবির মুখে তিনি তা পারেননি। আসলে তিনি অনেকদিন ধরেই বলছেন, ‘আর কত? আমি তো অনেকদিন দায়িত্ব পালন করলাম’। বাস্তবতা হচ্ছে, এখনও শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প আমাদের পার্টিতে নেই। সেইসঙ্গে তাঁর কোনো বিকল্প সমসাময়িক বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গণেও নেই। ৭৫’ পরবর্তীকালে গত ৪৩ বছরে তাঁকে কেউ অতিক্রম করতে পারেনি। তিনি সবাইকে এবং নিজেকেও অতিক্রম করে গেছেন। সেজন্য আমরা এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তাঁকে বলেন স্টেটসম্যান। তবে এই পাঁচ বছরে তিনি যদি শারীরিকভাবে সুস্থ ও সবল থাকেন, আমার মনে হয় তার বিকল্পের চিন্তাভাবনা নেই। পাঁচ বছর পরে শেখ হাসিনা রাষ্ট্র পরিচালনায় অক্ষম হবেন, অসমর্থ হবেন, এটা আমরা এই মুহূর্তে ভাবতে পারি না। আর তিনি ছাড়তে চাইলেও সময় পরিস্থিতি তাঁকে ছাড়বে কিনা, নেতাকর্মীরা তাকে ছাড়বে কিনা সেটাও তো আমাদের চিন্তাভাবনা করতে হবে।

Posted by: | Posted on: February 16, 2019

উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় টেকসই গণতন্ত্র অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য জরুরি : পরিকল্পনা মন্ত্রী

(বাসস) : পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় টেকসই গণতন্ত্র অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য জরুরি। সরকারের লক্ষ্য সব খাতের উন্নয়ন। আমাদের সবচেয়ে বড় অন্তর্ভুক্তিমূলক কৌশল হলো গণতন্ত্র। আমরা যদি টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারি, তাহলে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন অর্জন করতে পারব।
মন্ত্রী আজ ঢাকায় ব্র্যাক সেন্টারে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সানেম’ আয়োজিত দু’দিনব্যাপী চতুর্থ বার্ষিক অর্থনীতিবিদ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সম্মেলনের এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সুশাসনের নতুন চ্যালেঞ্জ : অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, বাণিজ্য ও অর্থব্যবস্থা’ শীর্ষক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সানেমের চেয়ারম্যান বজলুল হক খন্দকার। এতে বক্তব্য রাখেন সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান, এসকাপ-এসএসডব্লিউ’র পরিচালক ড. নাগেশ কুমার ও বিআইডিএস গবেষণা পরিচালক ড. বিনায়েক সেন।
এম এ মান্নান বলেন, গ্রামে পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে। দারিদ্র্য কমছে, সাক্ষরতার হার বাড়ছে, মানুষের আকাক্সক্ষা বাড়ছে ও উৎপাদনও প্রান্তিকভাবে বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন শুরু করেছিলাম তখন প্রতি পাঁচ জনে দু’জনের বেশি ছিল দরিদ্র, এখন প্রতি পাঁচ জনে একজন।’ ‘আমরা এখন পারব’ এই বিশ্বাস মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে। এখন অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।