মহানগর

now browsing by category

 
Posted by: | Posted on: September 13, 2021

কাটাবন থেকে সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত তিন লেন সড়কের দুই লেনেই পার্কিং!

প্রেস ওয়াচ রিপোর্টঃ

রাজধানীর কাটাবন থেকে সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত সড়কটির দুই পাশে তিনটি করে ছয়টি লেন। পরিবাগ মসজিদ থেকে বাংলামোটর লিংকরোড পর্যন্ত দুই পাশে দুটি করে চারটি লেন। কিন্তু দুটি সড়কের মাত্র একটি লেন দিয়েই যানবাহন চলতে পারে কোনোমতে। কখনও সেটাও আটকে যায়। স্থানয়ীরা বলছেন, রিকশাসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান অবৈধভাবে পার্কিং করে থাকে এ লেনে। দিনের বেলায় ওরা মালামালও ওঠা-নামা করায় বলে এমনটা ঘটছে। যে কারণে সড়ক দুটোতে যানবাহন পার হতে লেগে যায় এক দেড়-ঘণ্টা।

কর্মব্যস্ত দিনে সড়ক দুটোতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে-সেখানে পার্কিং আর উল্টোপথে রিকশা চলাচলের কারণে ভয়াবহ যানজট। এ সময় আটকে থাকা গাড়িগুলোর মোড় পার হতে লেগেছে দেড় ঘণ্টার মতো।

রবিবার সকালে কাটাবন থেকে রিকশা নিয়ে কাওরানবাজার সার্ক ফোয়ারায় আসেন বেসরকরি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন। তিনি বলেন, একদিকে ছোট রাস্তা, অন্যদিকে অর্ধেকের বেশিজুড়ে পার্কিং। রিকশা দাঁড়িয়ে থাকে যেখানে-সেখানে।

240861948_844069909644366_7017340746178415817_n আশপাশের বিভিন্ন দোকানের মালামাল লোড-আনলোড করতে গিয়ে ট্রাক বা কাভার্ড ভ্যানগুলোও নিজেদের মতো পার্কিং করে রাখে।

রাসেল রহমান নামের এক পথচারী বলেন, বাংলামোটর লিংকরোড থেকে কাঁঠালবাগান আসতে রিকশায় উঠলাম। কিছু দূর যেতে না যেতেই বাধ্য হয়ে নেমে হাঁটা শুরু করি।

পরিবাগ মসজিদ থেকে বাংলামোটর লিংকরোড সড়কটির অবস্থাও একই। এখানে রিকশা ও কাভার্ড ভ্যান পার্কিং করা থাকে সবসময়ই। নামমাত্র ফুটপাত থাকলেও তা টাইলস ব্যবসায়ীদের দখলে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে মালামাল লোড-আনলোডের ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান। দিনের পুরো সময়ই সড়কটিতে যানজট লেগে থাকে।

জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল ১-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মেরীনা নাজনীন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এদের কেউ আইন বা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করে না। আমি ভ্যানচালক, দোকানিসহ এলাকার অনেককে বলেছি এভাবে পার্কিং করা যাবে না। কেউ কথা রাখে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু মাত্র লকডাউন শেষ হলো, আমরা নিয়মিত অভিযান আবারও শুরু করবো।  ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার সময় শর্ত দিয়ে দেবো। এখন জরিমানা আদায়ে আমাদের কিছুটা নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। কারণ লকডাউনে তারা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কাজে পুলিশের সহযোগিতাও পাই না। তারা নিয়মিত টহল দিলে যত্রতত্র যানবাহন রাখা সম্ভব হতো না।’

240881713_375068210779915_6864038957625915483_n এদিকে বাংলামোটর থেকে মগবাজার রোডের দুই পাশেই সড়কে পার্কিং করে বিভিন্ন ধরনের গাড়ি মেরামতের দোকান গড়ে উঠেছে। এসব সড়কে পার্কিং করেই ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল মেরামত করা হচ্ছে। ফ্লাইওভার ব্যবহারের সুবিধার কারণে সড়কটিতে যানবাহনের চাপ থাকে। যে কারণে যানজট এখানকারও নিত্যসঙ্গী।

রমনা ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জয়দেব চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মগবাজার থেকে বাংলামোটর পর্যন্ত প্রতিনিয়ত রেকারিং করি। ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা মগবাজার মোড় এবং বাংলামোটর মোড়ে থাকে। তারা আশপাশে নজর রাখে। মোবাইল টিমের মাধ্যমে অভিযানও চলে।’

মগবাজার বাংলামোটর এলাকায় গাড়ি রাস্তায় রেখে মেরামত করা হয়। এ বিষয়ে কী ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ব্যবসা পরিচালনার জন্য সিটি করপোরেশন লাইসেন্স দেয়। এবিষয়ে সিটি করপোরেশনকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা শুধু আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।’

Posted by: | Posted on: August 17, 2021

বঙ্গবন্ধুকে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করেছেন শেখ হাসিনা: তাপস

দিপু সিদ্দিকীঃ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারানোর শোককে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শক্তিতে পরিণত করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

সোমবার (১৬ অগাস্ট) দুপুরে সর্দার ফকিরচাঁন কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেন আলো আয়োজিত দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এই মন্তব্য করেন।

বঙ্গবন্ধুকে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করেছেন শেখ হাসিনা: তাপস

মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “যে ত্যাগ-তিতিক্ষা ও অসীম সাহসিকতায় জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তার স্বপ্ন ছিলো স্বাধীন বাংলাদেশ হবে একটি সোনার বাংলা। তিনি সেটা দেখে যেতে পারেননি। আমরা তাকে হারানোর যে বেদনা, হারানোর যে শোক, সে শোককে তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আজকে শক্তিতে পরিণত করেছেন।’

বাংলাদেশ আজ বীরদর্পে সারা পৃথিবীর বুকে এগিয়ে চলেছে জানিয়ে তাপস বলেন, ‘জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে পরিশ্রম করে চলেছে। আজকের বাংলাদেশ আজ কোন দুর্ভিক্ষের দেশ না, কোন ভিখারির দেশ না। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশ, একটি মর্যাদাবান দেশ।’

অনুষ্ঠানে ৬০০ দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের প্রত্যককে খাদ্য সহায়তা হিসেবে ১০ কেজি চাল, ২ কেজি তেল, ২ কেজি আলু ও ১ কেজি ডাল বিতরণ করা হয়।

এর আগে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ৪২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ আয়োজিত দোয়া ও তবারক বিতরণে অংশ নেন।

Posted by: | Posted on: August 15, 2021

বঙ্গবন্ধু ছিলেন দেশ ও জাতির প্রতিমূর্তি -কিবরিয়া মজুমদার।। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে ৭৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র দোয়া ও খাদ্য বিতরণ।।

।। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে ৭৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র দোয়া ও খাদ্য বিতরণ।।
ডেইলি প্রেস ওয়াচ রিপোর্টঃ ১৫ আগস্ট।জাতীয় শোক দিবস।স্বাধীনতার স্থপতি,মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকী।জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দিবসটি পালন করে ।করোনা ভাইরাস এর কারণে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে অথিতি হিসেবে অংশগ্রহণ করে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উপ-সচিব একে এম কিবরিয়া মজুমদার। জনাব মজুমদার বলেন,’ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। বাঙালির জীবনে এক শোক বিধুর দিন। এ হত্যাকাণ্ড বাঙালী জাতির জন্য ছিলো অপূরণীয় ক্ষতি। বঙ্গবন্ধু নিজে কষ্ট করে বাঙালী জাতির জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে পাঞ্জেরীর ভূমিকা পালন করেন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন দেশ ও জাতির প্রতিমূর্তি। বঙ্গবন্ধু দেশকে সমৃদ্ধ করার জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন।

বাছির আহমদ রতন বলেন,১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। একইসঙ্গে ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট কালরাতে শহীদ সদস্যের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।’

হযরত আলী বলেন,দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মদদে এ হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে। এ অপশক্তিকে রুখে দিতে হবে। তাহলেই বাংলার মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন।

শ্রী সত্যজিৎ মণ্ডল বলেন,বাঙালী জাতিকে নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। তাহলেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রকৃত সম্মান প্রদর্শিত হবে।

ডিএস সিসি ৭৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ দোয়া ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি পালন করে।এতে উপ-সচিব একে এম কিবরিয়া মজুমদার ,ওসি মুরাদ ,জিয়াউল হক জিয়া,৭৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা হযরত আলী,বাছির আহমদ রতন, মনির মেম্বার,শ্রী সত্যজিৎ মণ্ডল,ডেইলি প্রেসওয়াচ সম্পাদক দিপু সিদ্দিকী , এ,কে আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Posted by: | Posted on: August 12, 2021

বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশকে আরও সবুজতর করার আহবান আইজিপি’র

প্রেসওয়াচ/দিপু সিদ্দিকী: সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় বিশেষত ফলজ বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশকে আরও সবুজতর করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।
তিনি পশু-পাখি ও বৃক্ষের বৈচিত্র্য রক্ষা তথা উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল রক্ষায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আজ বুধবার ‘বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি’র (পুনাক) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
সবুজ দেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) এবার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। ‘মুজিববর্ষে অঙ্গীকার করি সোনার বাংলা সবুজ করি’ প্রত্যয়ে বাংলাদেশ পুলিশ ও পুনাক যৌথভাবে পরিচালিত সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি সকল পুলিশ ইউনিটের সাথে একযোগে ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন আইজিপি
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইড কনফারেন্স রুমে আজ এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পুনাক সভানেত্রী জিশান মির্জা। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট প্রধানগণ ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।
আইজিপি বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে এক কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির লক্ষ্য অর্জনের জন্য সারাদেশে বাংলাদেশ পুলিশ ও পুনাক যে কর্মসূচি নিযেছে তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ কর্মসূচি দেশের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য, সমাজের জন্য এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পুনাক’র কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে পুনাক বহুমাত্রিক সৃজনশীল উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে সমাজ এবং পুলিশ পরিবারের কল্যাণে অনেক অবদান রেখে আসছে।
তিনি বলেন, করোনাকালেও দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে পুনাক। করোনাকালে কেন্দ্রীয় পুনাক প্রায় প্রতিরাতেই দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে। গত রমজানে প্রায় প্রতিদিন ইফতার বিতরণ করেছে। কয়েকদিন আগে বঙ্গমাতার জন্মদিনে টুঙ্গিপাড়ায় গিয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করেছে, এটি একটি অভিনব কর্মসূচি ছিল।
পুলিশ পরিবারের কল্যাণের পাশাপাশি এটাকে দেশ ও জাতির কল্যাণে পুলিশের গন্ডির বাইরে নিয়ে আসা একটি সাহসী পদক্ষেপ। তিনি এজন্য পুনাক সভানেত্রীসহ সকল নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
পুনাক সভানেত্রী বলেন, পুনাক একটি অলাভজনক, সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। আমরা আমাদের সীমিত সামর্থ্য দিয়ে পুলিশ পরিবারের পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে চাই।
তিনি বলেন, আমরা বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখি। সকলের সহযোগিতা থাকলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে আমরা একটি অনন্য মাত্রায় নিয়ে যেতে পারবো।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজি (এএন্ডআই) ড. মোঃ মইনুর রহমান চৌধুরী, অতিরিক্ত আইজি (এফএন্ডএল) এস এম রুহুল আমিন, অতিরিক্ত আইজি (এইচআরএম) মো: মাজহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজি মো. আতিকুল ইসলাম, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পুনাক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে আইজিপি এবং পুনাক সভানেত্রী পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স চত্বরে গাছের চারা রোপণ করেন।সুত্র-বাসস

Posted by: | Posted on: August 12, 2021

এডিসের বিস্তার থেকে ঢাকাবাসী নিস্তার পাবে : মেয়র তাপস

প্রেসওয়াচ রিপোর্ট/দিপু সিদ্দিকী: ঢাকা দক্ষিণ সিটি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, চিরুনি অভিযানের মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ এডিস মশকের বিস্তার রোধ করে ঢাকাবাসীকে নিস্তার দিতে পারবো।
আজ খিলগাঁও রেলগেট সংলগ্ন দক্ষিণ সিটির ১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তবর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
মেয়র বলেন, ‘আমরা এডিস মশকের উৎসস্থল ও বিস্তার দেখে দেখে অবাক হচ্ছি। সেদিন ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আপনারা দেখেছেন- একটি হাউজে কি পরিমাণ লার্ভা পেয়েছি। সুতরাং আমরা আশা করছি, ঢাকাবাসী আরও সচেতন হবেন, আমাদেরকে সহযোগিতা করবেন, আমাদেরকে তথ্য দেবেন। আমরা চিরুনি অভিযান চলমান রাখবো। চিরুনি অভিযানের মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ এডিস মশকের বিস্তার থেকে ঢাকাবাসীকে নিস্তার দিতে পারবো।’ খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগী সম্পর্কে যে তথ্য পাচ্ছি তাতে দেখা যাচ্ছে – কেউ হয়তোবা হাসপাতালের ঠিকানা দিয়েছেন, নতুবা বলে দিচ্ছেন একটি জায়গা যেখানে সুনির্দিষ্ট ঠিকানাও পাচ্ছি না। আবার অনেক সময় যখন আমরা যোগাযোগ করছি (যাদের সুনির্দিষ্ট ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছে) তখন দেখা যাচ্ছে তারা কেউ হয়তো চট্টগ্রাম থেকে এসেছেন, কেউ ময়মনসিংহ থেকে এসেছেন, কেউ অন্য জায়গা থেকে খালার বাসায় বেড়াতে এসেছেন, কেউ দুলাভাইয়ের বাসায় বেড়াতে এসেছেন। দেখা যায় তারা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েই এখানে এসেছেন। সুতরাং ঢালাওভাবে বলা যাবে না, আশি ভাগ ডেঙ্গু রোগী ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার। বিপুল পরিমাণ রোগী পাচ্ছি যারা বাইরের জেলা থেকে এসেছেন। নোয়াখালীর রোগী পাচ্ছি, যশোরের রোগী পাচ্ছি, গাজীপুরের রোগী পাচ্ছি। এরকম অনেক জায়গার রোগী পাচ্ছি। আমরা কিন্তু যাদের তথ্য পাচ্ছি, সব জায়গায় যাচ্ছি। তার মানে এই নয় যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিস্তার নেই? প্রচুর বিস্তার আছে। আমরা এডিসে উৎসস্থল দেখে দেখে অবাক হচ্ছি।’
এডিস লার্ভার বিস্তার রোধে চলমান চিরুনি অভিযানে শুধু ঊর্ধ্বমুখিতায় রোধ করিনি বরং কিছুটা হলেও তা নিম্নমুখী নিয়ে আসতে পেরেছি উল্লেখ করে মেয়র তাপস বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি – এডিস লার্ভার উৎসস্থল সম্পর্কে ঢাকাবাসীর উদাসীনতাও রয়েছে। যার কারণে অনেক পানির ছোট ছোট আধার সৃষ্টি হয়। শ্রাবণ মাসের আজ ২৬ তারিখ, এই ২৬ দিনের প্রত্যেকদিনই থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। সুতরাং একদিকে পরিষ্কার করছি, উৎস নিধন করছি, আবার অন্যদিকে নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরী হচ্ছে। প্রায় ৮ হাজার বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়েছি, তারপরও সেরকমভাবে সচেতনতা আমরা পাচ্ছি না। বিশেষ করে ছাদবাগানগুলোতে বিপুল পরিমাণে লার্ভার উৎস লক্ষ্য করছি।’
মেয়র নগরবাসীকে যেসব জায়গায় পানি জমতে পারে সেসব আধার বিনষ্ট করতে এবং এডিস মশার উৎসস্থল সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনার আশপাশে যদি কোন লার্ভার উৎস থাকে তাহলে আমাদেরকে জানান। আমরা সরাসরি সেখানে যাবো। আমাদের প্রায় ১ হাজার জনবল সকাল থেকে সন্ধ্যা সার্বক্ষণিক মাঠে রয়েছে, উৎস নিধনে কাজ করছে, অভিযান পরিচালনা করছে। সুতারাং আমরা যত বেশী তথ্য পাবো তত বেশী সফল হবো।’
এর আগে তিনি দক্ষিণ কুতুবখালীতে খাল পরিষ্কারকরণ কার্যক্রম, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী খালপাড় এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম এবং পরে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের এনায়েতগঞ্জ ম্যাটাডোর ডায়াগনস্টিক সেন্টার সংলগ্ন বাইলেন এলাকায় সড়ক সংস্কার কার্যক্রম ও ১৬ নম্বর ওয়ােের্ডর পুকুর পাড় মসজিদ থেকে মেহেরুন্নেসা স্কুল পর্যন্ত সড়ক সংস্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এ সময় ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান প্রকৌশলী মো. রেজাউর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডসমূহের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন।