Main Menu

আমি যথেষ্ট ‘জীবিত’ আছি: ব্যাংকক থেকে বেজবাবা সুমন

ব্যাংকক থেকে কড়া বার্তা পাঠালেন ‘অর্থহীন’ সুমন। জানালেন, যারা তার মৃত্যুর গুজব ছড়াচ্ছে, তাদের না বিশ্বাস করতে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত ভোররাতে (১৬ এপ্রিল) তিনি তার ভক্ত-স্বজন-বন্ধুদের এই বলে আশ্বস্ত করেন, ‘‘আমি যথেষ্ট পরিমাণে ‘জীবিত’ আছি।’’

করোনার কারণে গত ১ বছর অপেক্ষা করেও জার্মানি যেতে পারেননি দেশসেরা এই বেজিস্ট। অসুস্থতা বাড়ায় চেকআপের জন্য তাকে নেওয়া হয়েছে থাইল্যান্ডের সামিতিভেজ হাসপাতালে।

এই চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার খবর সুমন নিজেই নিশ্চিত করেন ১১ মার্চ। জানান, ভর্তি হওয়ার পর পর্যবেক্ষণের জন্য তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। বেজবাবাখ্যাত এই গিটারিস্ট দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংককের এই হাসপাতালে ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়ে আসছেন।

সেখান থেকেই বৃহস্পতিবার ভোররাতে সুমন তার ভেরিফায়েড ফ্যানপেজে জানান তার আপডেট। তিনি বলেন, ‘আমার অবস্থা চলছে কোনোরকম। সারাদিন হোটেলে বসে সাইবারপাঙ্ক খেলি আর ৩ দিন পর পর হসপিটাল যাই থেরাপি নিতে।’

মে মাসে ঢাকায় ফেরার কথাও জানান সুমন। তিনি বলেন, ‘স্পাইনের অবস্থা খুব একটা ভালো না। ঢাকায় ফিরে ঈদের পর জার্মানিতে গিয়ে কিছু অস্ত্রোপচার করাবো শরীরে।’

মূলত এরপরই চিরাচরিত মজার অথবা পাগলা সুমন ধরা দেন ভক্তদের কাছে। শরীরের ভয়ংকর পরিস্থিতিতেও যিনি মজা করতে ভুলেন না। তবে মজার ছলে এবারের কথাটি ছিলো বেশ ধমকের সুরে- অনেকটা ‘সাধু সাবধান’ টাইপ! সুমন বলেন, ‘‘আমার অনুপস্থিতে যারা বলে বেড়াচ্ছে আমি ‘মৃত্যুর দিন গুনছি’ তাদের কথা সিরিয়াসলি নেবেন না কেউ। একটু আগেও চেক করলাম, আমি যথেষ্ট পরিমাণে ‘জীবিত’ আছি। সবাই সাবধানে থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।’’

থাইল্যান্ড যাওয়ার আগে বেজবাবা সুমন জানান, তার মেরুদণ্ডের এই অপারেশন খুবই গুরুতর ও জটিল। এটি ঢাকায় বা থাইল্যান্ডে রিস্ক নেওয়ার সুযোগ নেই। তাই অন্য জার্মানি যাওয়ার অপেক্ষা করছেন তিনি। এরমধ্যে প্রায় বছর খানেক আগে জার্মানির চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তারা খুব একটা আশাবাদী নন। সার্জারি অসফল হলে আজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

উল্লেখ্য, অর্থহীন ব্যান্ডের প্রধান সুমন প্রথমে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এ কারণে পাকস্থলীর একাংশ কেটে ফেলাসহ ১০ বারেরও বেশি অস্ত্রোপচার করিয়েছেন থাইল্যান্ডে।

২০১৭ সালে সার্জারির পর হাসপাতাল থেকে ফিরছিলেন এই গায়ক। এমন সময় হঠাৎ তাকে একটি গাড়ি ধাক্কা দেয়। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সুমনের শরীরে প্রায় ১১ ঘণ্টা ধরে ৯টি সার্জারি করা হয়। ব্যাংককের ওই দুর্ঘটনায় তার স্পাইনাল কর্ডের ক্ষতি হয়। তখন তার মেরুদণ্ডের দুটি ডিস্কও পরিবর্তন করা হয়েছিল।






Related News