Monday, April 12th, 2021

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: April 12, 2021

করোনাভাইরাসের মতো অদৃশ্যশত্রুর মোকাবেলায় শান্তিরক্ষীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, এপ্রিল, ২০২১ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নতুন প্রযুক্তির আবির্ভাবের এই সময়ে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের নতুন সংকট নিরসনে বিশেষকরে করোনাভাইরাসের মত অদৃশ্য শত্রুর মোকাবেলায় শান্তিরক্ষীদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ুিবকল্প নেই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে শান্তিরক্ষীদের বহুমাত্রিক ও জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে। সাম্প্রতি শান্তিরক্ষীদের প্রাণহানির সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে। এযাবত বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীগণের মধ্যে ১৫৮ জন প্রাণোৎসর্গ করেছেন এবং ২৩৭ জন আহত হয়েছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অপারেশনে আগামী দিনের নতুন সংকটগুলো মোকাবিলায় শান্তিরক্ষীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামাদি দিয়ে প্রস্তুত করা এখন সময়ের দাবি।’
শেখ হাসিনা আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আয়োজিত অনুশীলন ‘শান্তির অগ্রসেনা’র সমাপনী অনুষ্ঠানে দেয়া প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বঙ্গবন্ধু সেনানিবাসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশ^শান্তি নিশ্চিত করা অতীতের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনা ভাইরাসের মতো অদৃশ্য শত্রুর আবির্ভাব, প্রযুক্তির দ্রুত প্রসার এবং সময়ের অগ্রযাত্রার সাথে সাথে নতুন নতুন হুমকির উপাদান সৃষ্টি হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আমি জানতে পেরেছি যে, ‘অনুশীলন শান্তির অগ্রসেনা’য় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সাম্প্রতিক সময়ের উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ে কিছু ঘটনা অংশগ্রহণকারীদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে করে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমাদের ভবিষ্যত শান্তিরক্ষীরা সুপ্রশিক্ষিত হয়ে উঠতে পারে। এই অনুশীলনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অপারেশনে নারীদের অবদান তুলে ধরা হয়েছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত’।
সরকার প্রধান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে অত্যন্ত নিখুুঁত এবং সফলভাবে এই অনুশীলনটি আয়োজন করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার শান্তিদর্শন প্রতিষ্ঠায় এই বহুজাতিক অনুশীলনটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ৪এপ্রিল থেকে ১২ই এপ্রিল ২০২১ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ‘অনুশীলন শান্তির অগ্রসেনা’- অনুশীলনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্ধুপ্রতিম দেশ ভারত, ভুটান ও শ্রীলংকা থেকে আগত অংশগ্রহণকারী সামরিক সদস্যদের প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক অভিবাদন জানান।
তিনি বলেন, স্বাগত জানাই যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, তুরস্ক, সৌদি আরব, কুয়েত এবং সিঙ্গাপুর থেকে আসা আমন্ত্রিত পর্যবেক্ষকগণকে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮শ’ নারী শান্তিরক্ষীসহ ১ লাখ ৭৫ হাজারের অধিক বাংলাদেশেী শান্তিরক্ষী ৫টি মহাদেশের ৪০টি দেশের ৫৪টি মিশনে অংশগ্রহণ করেছে। বর্তমানে ৭ হাজারের অধিক বাংলাদেশী সেনা ও পুলিশ সদস্য ১০টি মিশনে শান্তিরক্ষার উদ্দেশ্যে মোতায়েন আছে।
তিনি বলেন, আমাদের শান্তিরক্ষীগণ যে মিশনেই গেছেন, সেখানে জাতিসংঘের পতাকাকে সমুন্নত রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সমুজ্জ্বল করেছেন। একারণেই বাংলাদেশ আজ বিশে^র সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে।
অনুশীলন শান্তির অগ্রসেনা’র ওপরে অনুষ্ঠানে একটি ভিডিও চিত্র পরিবেশিত হয়।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ স্বাগত ভাষণ এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সেনাপ্রধান অংশগ্রহণকারী চার দেশ বাংলাদেশ, ভারত, ভূটান এবং শ্রীলংকার অংশগ্রহণকারী ১২৩ জন সেনা সদস্যদের পক্ষে প্রত্যক দেশের দু’জন করে সেনা সদস্যকে অনুষ্ঠানে সনদ পত্র প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ^শান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে তাঁর প্রতি সম্মান জানাতে আমরা ২০২০-২০২১ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছি। পাশাপাশি সমগ্র বাঙালি জাতি গৌরবের সাথে উদ্যাপন করছে আমাদের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। বিশে^র ১১৬টি দেশের নেতৃবৃন্দ ভিডিও এবং লিখিত অভিনন্দনবার্তা প্রেরণ করেছেন। এসব বার্তায় অত্র অঞ্চলসহ বিশ^শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবদানের স্বীকৃতি মিলেছে।
তিনি বার্তা প্রেরণকারি দেশগুলোকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
সরকার প্রধান বলেন, মুজিব শতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ‘অনুশীলন শান্তির অগ্রসেনা’ আয়োজন করেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আমি উল্লেখ করতে চাই- যে সকল বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র অনুশীলনটিতে অংশগ্রহণ করেছে, সেসব দেশের প্রধানমন্ত্রীগণ আমাদের সরকারের আমন্ত্রণে মুজিব শতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আমাদেরকে আরও গর্বিত ও মহিমান্বিত করেছেন। আমি ‘অনুশীলন শান্তির অগ্রসেনা’য় অংশগ্রহণকারী অতিথি সামরিক সদস্যদের মাধ্যমে আপনাদের দেশের সরকার এবং বন্ধুপ্রতিম জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। নিশ্চয়ই আপনাদের মাধ্যমে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরও সমৃদ্ধ হবে।
প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই সশ্রদ্ধ চিত্তে স¥রণ করেন বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের সকল আন্দোলন-সংগ্রামের মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্রদ্ধা জানান জাতীয় চার নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহিদ ও ২ লাখ নির্যাতিত মা-বোনের প্রতি। শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন সময় দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে যেসব বীর সেনা অসীম সাহসের সঙ্গে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং সেই সঙ্গে জাতিসংঘের বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে যারা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের প্রতি। তিনি ’৭৫ এর ১৫ আগষ্ট নিহত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ সকল শহিদদের প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
যেকোন দেশের জাতীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী অপরিহার্য উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সক্ষমতা যাচাইয়ে নিয়মিত অনুশীলনের বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, জাতির পিতা স্বাধীন বাংলাদেশে একটি সুশৃঙ্খল ও পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি অত্যাধুনিক সামরিক একাডেমী প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ১১ জানুয়ারি কুমিল্লার সামরিক একাডেমীতে প্রদত্ত ভাষণের উদ্ধৃতি তুলে ধরেন।
জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘পূর্ণ সুযোগ-সুবিধা পেলে আমাদের ছেলেরা যেকোন দেশের যেকোন সৈনিকের সাথে মোকাবিলা করতে পারবে। আমার বিশ্বাস, আমরা এমন একটি একাডেমী সৃষ্টি করব, সারা দুনিয়ার মানুষ আমাদের এই একাডেমী দেখতে আসবে।’
জাতির পিতা দেশ গঠনের জন্য মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন উল্লেখ করে জাতির পিতার কন্যা বলেন, মাত্র নয় মাসেই জাতির পিতা একটি সংবিধান উপহার দিয়েছিলেন। সেই সংবিধানের ২৫-নং অনুচ্ছেদে ‘আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নকল্পে’ সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতির ভিত্তি রচনা করে দিয়েছেন- যেখানে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশকে স্বল্পোন্নত দেশে রূপান্তরিত করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, এরপর দীর্ঘ ২১ বছরের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করি। সেসময় আমি সামরিক বাহিনীকে আধুনিকায়নের পাশাপাশি দেশের শীর্ষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) প্রতিষ্ঠা করি।
তিনি বলেন, এ প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা, কৌশল এবং উন্নয়ন বিষয়ে সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করি। বিশ্ব শান্তি সুসংহত করার প্রয়াসে দেশ-বিদেশের শান্তিরক্ষীদের অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৯৯ সালে ‘বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিপসট)’ প্রতিষ্ঠা করি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে পুনরায় সরকার গঠনের পর অত্যন্ত পেশাদার ও প্রশিক্ষত সামরিক বাহিনী গঠনের লক্ষ্য তাঁর সরকার ‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’ শীর্ষক একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ২০১৬ সালে ‘বাংলাদেশ পিস বিল্ডিং সেন্টার (বিপিসি)’ প্রতিষ্ঠা করেছি।
তিনি বলেন, গত ১২ বছরে আমরা আমাদের তিন বাহিনীর আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রসর হয়েছি। আমাদের সামরিক বাহিনীতে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র ও প্রযুক্তির সংযোজন করেছি। সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ নিরসনে আমরা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছি। মহামারীর সময়েও ৫ দশমিক ৪ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি এবং বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ^শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ^শান্তি কাউন্সিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পুরস্কার প্রদান করে। জাতির পিতার বিশ্বশান্তির দর্শন প্রতিফলিত হয়েছিল ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে প্রদত্ত ভাষণে।
জাতির পিতা বলেন, ‘মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শান্তি একান্ত দরকার। এই শান্তির মধ্যে সারাবিশ্বের সকল নর-নারীর গভীর আশা-আকাক্সক্ষা মূর্ত হয়ে রয়েছে। ন্যায়নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত না হলে শান্তি কখনো স্থায়ী হতে পারে না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতি সম্প্রতি ভারত সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ‘গান্ধী শান্তি ’পুরস্কারে ভূষিত করেছে। এসব পুরস্কার বাংলাদেশের জনগণের পাশাপাশি বিশ^ মানবতার শান্তি ও সমৃদ্ধিতে জাতির পিতার আজীবন সংগ্রামের স্বীকৃতি বহন করে।
ভারত সরকারকে এজন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও জানান প্রধানমন্ত্রী।বাসস।

Posted by: | Posted on: April 12, 2021

বিশ্বে নতুন করে ৬ লাখ ৪৬ হাজারেরও বেশি লোক করোনায় আক্রান্ত : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

জেনেভা, এপ্রিল, ২০২১ (প্রেসওয়াচ ডেস্ক) : বিশ্বে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৬ লাখ ৪৬ হাজারেরও বেশি লোক করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।
এ নিয়ে বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৪৯ লাখ ৫৭ হাজার ২১ জনে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিওএইচও রোববার এ কথা জানিয়েছে।
সূত্র মতে, করোনা সম্পর্কিত মৃত্যু বেড়ে ১০ হাজার ৭শ’ ছাড়িয়েছে। এ নিয়ে বিশ্বে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ লাখ ১৮ হাজার ৭৫২ জনে।
বিভিন্ন দেশের সরকারি সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডব্লিওএইচও এ কথা জানিয়েছে।
বিশ্বে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি লোক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ সংখ্যা ৩ কোটি ৬ লাখ ৯২ হাজার ২২৬ জন। এর পরের অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল। দেশটিতে ১ কোটি ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার ১৭৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। তৃতীয় স্থানে ভারতে ১ কোটি ৩৩ লাখ ৫৮ হাজার ৮০৫ জন, ফ্রান্সে ৪৯ লাখ ৪৫ হাজার ২৩৮ জন, রাশিয়ায় ৪৬ লাখ ৪১ হাজার ৩৯০ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।

Posted by: | Posted on: April 12, 2021

“কবরে টাকা নেওয়ার সহজ উপায়” —- জা-নেসার ওসমান

জা-নেসার ওসমান

-দেখছেন, দেখছেন, ভাই-বোনে লাইগ্গা গেছে!!

– মানে কি?

– আরে, দেখছেন না, চেয়ারম্যান মরার সাথে সাথে ভাই বোনে ব্যাংকের মালিকানা নিয়া ফাইট!

– কোন ব্যাংকের কথা বলছেন?

– ওই যে, ব্যাক্তিগত প্লেনে  যারা শ্যাম দেশে ঘুরতে যায়।

– অর্থ সব অনর্থের মূলভাই, টাকা থাকলেগন্ডগোলতো লাগবোই।

– এ সব ফালতু কথা বইলেন না ভাই, এই যে ট্রান্সকমের, ব্র্যাকের চেয়ারম্যান মারা গেলেন, কোই ওই খানে তো

কোনো গন্ডগোল নাই।

–              শিক্ষ, ভাই শিক্ষা, শিক্ষা না থাকলে এই সব হবেই।

–              কি বলেন শিক্ষা নাই! এইসব ছেলে-মেয়েরা, বাপের টাকায় সব ইংল্যান্ডের অক্সর্ফোড পাশ। যে অক্সর্ফোডে ইন্দিরা গান্ধী পড়তো। কি কন শিক্ষা নাই!

–              তাহলে এতো শিক্ষিত হয়ে মধ্যপ্রাচ্যে আঙুল কাটাবাঙালী কন্ট্রাক্টার মরার সাথে সাথে মা’য়েপুতে কাইজ্জা লাগলো ক্যান?? টাকার জন্য ,ভাই টাকার জন্য।পাগলা দাশু | দ্রিঘাংচু

–              আসলেই টাকা যদি নিজে কষ্ট কইরা কামাইতো তায়লে এই ঝগড়া লাগতোনা । স্বামীর-অথবা বাপের কষ্টের কামানো টাকা টোকায়া পায় তো – তাই টাকার র্মম বুঝেনা কাইজ্জা করে। ক্যান ভাই মিল্লা মিইশ্শা খাইতে পারসনা!

–              আপনিও তো গ্রুপ অব্ ইন্ডাষ্ট্রিজের মালিক তো আপনি কি করবেন বলে ঠিক করেছেন?

–              ভাই আমিতো আর এমনি বড় হই নাই, আমি আর আপনের ভাবি দু’ইজনে নিজহাতে বিড়িবাইšধা ফেরী করছি, বহুত কষ্ট কইরা কারখানা বানাইছি।

–              বিড়ি ফেরী করে. কারখানা কপাল , ভাই কপাল!!

–              কিসের কপাল! আপনের ভাবি নিজে অফিসে অফিসে ঘুইরা সিএসপি অফিসারগো- সহানুভতি নিয়া তবে ডিজি ইন্ডাষ্ট্রিজ বীরু ভায়ের কাছ থেইক্কা পারমিশন বাইর করছে। পূর্ব-পাকিস্তান ভাই কোনো ঘুষলাগে নাই।

–              আশা করি আপনার পর আপনার ছেলে-মেয়েদের, মাঝে কোনো গন্ডগোল হবেনা।

–              ক্যেমনে কন?

–              কারণ আপনার ছেলে স্কুল-কলেজে-বিশ্ববিদ্যালয়ে, সব পরীক্ষায় প্রথম স্থান নিয়ে পাশ করেছে, র্শাপ ছেলে।

–              আরে, ছেলে র্শাপ হইবোনা! আপনের ভাবি সিএসপিদের সানিধ্যে, সিএসপিদের, সক্রিয় সহযোগিতায় ইন্ডাষ্ট্রি বানাইছে- প্রশ্ন হইছে আমার মায়াগো নিয়া, প্রত্তেকটা পরীক্ষায় ডাব্বা, স্কুল কলেজে ডোনেশন দিয়া পাশ। টাকা দেইখ্খা বিয়া বইছে-কিন্তু মায়ার জামাইরা কারখানার ভাগ চায়। গন্ডগোল লাগবোই।

–  তাহলে কি ভাবছেন?                                                     তথাকথিত: September 2010

–   ভাবতাছি সব ট্যাকা কব্বরে, নিয়াযামু।

–   কিন্তু ভাই কাফনের তো পকেটনাই।

–   বাংগালীর বুদ্ধির, কাছে সব ফেইল। কাফনের পকেট নাই তো কি হইছে, সব ট্যাকা কবরে নিয়া যামু।

–   যাহ্ তা হয় নাকি কবরে টাকা নিয়ে যাবেন!!

–   ভাই বুদ্ধি থাকলে বুড়ার বিয়া হয়- আর এ তো আমার নিজের কামাই আমি নিজে কবরে  নিয়া যামু কার বাপের কি!!

– বুঝলাম আপনের কষ্টের কামাই, পাকিস্তান আমলে ঘাড়ে ঝুড়ি ঝুলিয়ে রাস্তায় ঘুরে ঘুরে  বিড়ি ফেরী করেছেন। তারপর ধীরে ধীরে কষ্টকরে  শ্বশুরের জমিতে কারখানা করে বড় থেকে বৃহৎ হয়েছেন, কিন্তু কবরে কি করে  টাকা নিয়ে যাবেন??

– কবরে টাকা নেওয়া খুবই সহজ ব্যাপার, একটু বুড়াহয়া- আমেরিকায় যায়া ম্যানেজ কইরা সব টাকা সাথে নিয়া কবরে যামু।

– এতো হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে কিকরে কবরে  যাবেন? টাকার গরমে কি মাথা খারাপ হলো নাকিগাঁজা ধরেছেন!!

–  মাথা খারাপও হয় নাই গাঞ্জাও খাইনাই!

–  তাহলে??

–  চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাহায্য নিমু।

–  বাংলাদেশের??

–  আরে না, আমেরিকার.।

–  ব্যাপারটা একটু খুলে বলুন তো, আমেরিকার চিকিৎসকের সাহায্যে, কবরে  কিভাবে টাকা নিয়ে যাবেন??

–  ব্যাপার টাখুবই সোজা, একটু বুড়া হইলে দাঁত পড়বো, তহন আমেরিকায় যায়া সোনাদিয়া দাঁত না বান্ধাইয়া ক্যালিফোরনিয়াম দিয়া দাঁত বাধামু। জানেন ক্যালিফোরনিয়ামের দাম কতো?

– কত আর হবে, সোণার ভরি যদি ষাট্ সত্তর হাজার টাকা হয় তাহলে ক্যালিফোরনিয়ামের দাম এক লাখহবে।

টুইটারে IAEA - International Atomic Energy Agency: "The discovery of # californium was announced 71 years ago #onthisday, after it was synthesized  by a team of physicists at the @UCBerkeley Radiation Laboratory. #Thread #    –  হয়নি হয়নি ফেল। মিয়াভাই এক গ্রাম ক্যালিফোরনিয়ামের দাম দেড় হাজার কোটি টাকা ।

– বলেন কি, দেড় হাজার কোটি টাকা, এক গ্রাম। পৃথিবী ঘুরছেনা আমার মাথা ঘুরছে??

–  আপনার যাই ঘুরুক আমার তিনটা দাঁত বান্ধাইতে লাগবো প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। তারপর আমার কোমরে রব্যাথার জন্য, ষ্ট্যাবুলানচ্বানাইতে আরো সাড়ে পাঁচহাজার কোটি টাকা। ব্যাস চুপিচুপি ইন্ডাষ্ট্রি বেইচ্চা সারাজীবনের কামাই দশ হাজার কোটি টাকার বডি পার্টস নিয়া কবরে চইল্লা যামু।

দাঁত এনামেল পুনরুদ্ধার করুন (ছবি সহ) - সমাধান - 2021

– বাব্বারে, কবরে,  টাকা নিয়ে যাওয়ার বুদ্ধিটা খুবই বৈজ্ঞানিক। সারা জীবন যা কামালেন কবরে নিয়ে গেলেন। কিন্তু ভাই..

–  এহানে আবার  কিন্তু খোঁজেন ক্যান? নিজের কামাইয়ের ট্যাকা নিজের  লগে কবরে নিয়া গেলাম, এহানে আবার কিন্তু কি দেখলেন!!

– না বলছিলাম কি আপনার ছেলেতো খুব র্শাপ, যদি ও  আপনি মরার পর জানতে পারে আপনার দাঁত ও কোমরের ষ্ট্যাবুলানচ্ ক্যালিফোরনিয়ামের তৈরী। তায়লে তো ও মর্গে নিয়া আপানার বডিরেকাইট্টা ছিইল্লা লবন লাগাইবো। আর যদি ওর বোন ও বোন-জামাই টের পায় – তায়লে তো আপনার মরার পর লাশ দখলের জন্য লাগবো কুদা-কুদি।

– এইটা কি কও? লাশ দখলের ফাইট!!    রয়েসয়ে"

– দশ হাজার কোটি টাকার লাশ, কুদা-কুদি, মারা-মারি, ফাটা-ফাটি হবেনা!!!

– তায়লে কি কও? পরিবারের জ্বালায় মইরাও শান্তি পামুনা!

– কি জানি বাবা। তবে দেখেন কবরে টাকা নেয়ার অন্য কোনো রাস্তা পান কিনা?

– হায় খোদা ঘাটে এসে আমার তরী ডুবলো।

লেখকঃ জা-নেসার ওসমান। রম্য লেখক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ।

 

 

 

 

Posted by: | Posted on: April 12, 2021

১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষণা : প্রজ্ঞাপন জারি

ঢাকা, ১২ এপ্রিল, ২০২১ : করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী ১৪ এপ্রিল বুধবার থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। লকডাউন চলাকালে বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে পালনের জন্য সংশিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়,
১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
৩. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।
৪. শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।
৫. আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।
৬. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।
৭. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে।
৮. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে।
১০. সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদপেক্ষ গ্রহণ করবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।
১১. স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।
১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবির নামাজে জমায়েত বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।
১৩. উপরোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

Posted by: | Posted on: April 12, 2021

মঙ্গলবার রমজান শুরুর ঘোষণা মিশর ও লেবাননের

কায়রো, ১২ এপ্রিল, ২০২১ (ডেস্ক) : মিশর ও লেবাননে ১৩ এপ্রিল মঙ্গলবার থেকে মুসলিম জাতির পবিত্র রমজান মাসের রোজা পালন শুরু হবে। এ দুই দেশের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ রোববার এমন ঘোষণা দিয়েছে। খবর এএফপি’র।
আরব বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল এ দেশের ধর্ম বিষয়ক বিভিন্ন নির্দেশ জারি করা প্রতিষ্ঠান ইজিপ্ট’স দার আল-ইফতা বলেছে, ‘১৩ এপ্রিল হবে রমজানের প্রথম দিন।’
এদিকে লেবাননের সুন্নি মুসলমানদের শীর্ষ নেতা গ্র্যান্ড মুফতি শেখ আব্দল্লতিফ দারিয়ানও বলেন, মঙ্গলবার পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে।
চঁন্দ্র মাসের হিসাব এবং সরাসরি চাঁদ দেখার মাধ্যমে রমজান মাস শুরু হচ্ছে।
এদিকে ইসলাম ধর্মের দু’টি পবিত্র স্থানের হেফাজতকারী দেশ সৌদি আবর জানিয়েছে, রোববার নতুন চাঁদ দেখা যায়নি এবং নতুন চাঁদ দেখা কমিটি সোমবার রাতে এ ব্যাপারে আবারো বৈঠকে বসবে।
রমজান মাসের রোজা ইসলাম ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম । মুসলমানরা ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে নিজেকে বিরত রেখে রোজা পালন করেন।