Sunday, January 3rd, 2021

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: January 3, 2021

ফেসবুক ও গুগলে বিজ্ঞাপন প্রচারে বছরে দেশের বাইরে চলে যায় ২ হাজার কোটি টাকা

দিলরুবা আক্তারঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবে পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে দেশ থেকে প্রতি বছর প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা চলে যাচ্ছে। যদিও ফেসবুকে প্রচার হওয়া বিজ্ঞাপন ও বুস্টিংয়ে দেশের মানুষ যে অর্থ ব্যয় করছে তার বড় একটি অংশ থেকে এখন সরকার রাজস্ব পাচ্ছে।

সম্প্রতি দেশে ফেসবুক তাদের অথরাইজড সেলস পার্টনার নিয়োগ দিয়েছে। এইচটিটিপুল নামের ওই প্রতিষ্ঠানের যারা ক্লায়েন্ট, তারা দেশীয় টাকায় তাদের বিজ্ঞাপনসহ অন্যান্য খরচের বিল দিতে পারছে। এইচটিটিপুল ভ্যাটসহ অন্যান্য খরচ কেটে রেখে অর্থ পরিশোধ করতে পারছে ফেসবুককে। সরকারও এ খাত থেকে আয় করছে। যদিও আগে এ আয়ের খাতা ছিল শূন্য।

তবে এইচটিটিপুলের মতো ফেসবুকের সেলস পার্টনার থাকলেও ইউটিউব, গুগল বা অন্যান্য মাধ্যমের জন্য কোনও এজেন্ট বা পার্টনার নেই। ফলে যারা ওইসব মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন তাদের ব্যাংকিং চ্যানেল (ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড) বা বিভিন্ন পেমেন্ট প্রসেসর ব্যবহার করছেন। অনেকে ‘নন চ্যানেল’ ব্যবহার করেও এ খাতে খরচ করছেন। সেখান থেকেও সরকার কোনও রাজস্ব পায় না।

অনলাইন প্লাটফর্মে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য প্রয়োজন হয় ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড, অনলাইন পেমেন্ট প্রসেসর পেপাল বা পেয়োনিয়ারের মতো মাধ্যম। দেশে এইচটিটিপুল তাদের অপারেশন শুরু করার পর থেকে বৈধ চ্যানেলেই ফেসবুকে বুস্টিং ও বিজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য ডলার বা পেপালে পেমেন্ট করতে হচ্ছে না। দেশীয় মুদ্রায় (লোকাল কারেন্সি) সেসব বিল পরিশোধ করা যাচ্ছে।

এইচটিটিপুলের ক্লায়েন্ট সলিউশন্স ম্যানেজার তানভীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু ফেসবুক নিয়ে কাজ করছি। ফেসবুকে যেসব বিজ্ঞাপন যাচ্ছে সেসব থেকে ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) ও বিদেশে টাকা পাঠাতে গেলে যেসব কর থাকে তা কেটে আমরা ফেসবুককে পরিশোধ করছি। ভ্যাট ও কর সরকারকে জমা দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, বর্তমানে দেশে এইচটিটিপুলের ৫ শতাধিক ক্লায়েন্ট রয়েছে।

বেসিসের সাবেক সভাপতি ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ফাহিম মাশরুর বলেন, ‘নন চ্যানেল দিয়ে বিল বা মূল্য পরিশোধ করতে গেলে খরচ বেশি হতো। বৈধ চ্যানেলে খরচ কম হচ্ছে।’

দুই বছর আগেও এই খাতে দেশের বাইরে চলে যেত প্রায় হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। এর পরিমাণ প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা বলে উল্লেখ করেন ফাহিম মাশরুর। তিনি জানান, খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন কমে গেছে। বাড়ছে ডিজিটাল মাধ্যমে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে বিদেশি ডিজিটাল প্রোডাক্ট বা সার্ভিস কোম্পানিগুলো দেশের বাইরে তাদের মাদার কোম্পানির মাধ্যমে ডিজিটাল মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রকাশের বিল পরিশোধ করে থাকে। এটা ঠিক নয়। ওই কোম্পানিগুলো যদি দেশে এফডিআই-এর মাধ্যমে বিনিয়োগ এনে সংশ্লিষ্ট খাতে খরচ করতো তাহলে দেশ আরও উপকৃত হতো। কিন্তু তা করা হচ্ছে না। এটাও কিন্তু এক অর্থে মানিলন্ডারিং।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ফিজিক্যাল প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে দেশের ভেতর থেকেই ফরমায়েশ করে পণ্য কিনতে হয় বা বিদেশ থেকে মেশিনারিজ আনতে হয়। সেক্ষেত্রে টাকা দেশের ভেতর থেকে বাইরে যায়। কিন্তু ডিজিটাল প্রোডাক্টের বেলায় এটা হচ্ছে না। কিছু ডিজিটাল কোম্পানি দেশের বাইরে থেকে মাদার কোম্পানির মাধ্যমে ডিজিটাল মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধ করে। ওই অর্থগুলো দেশে এনে তবে ডিজিটাল মাধ্যমের বিল পরিশোধ করার কথা।

দেশের একটি ডিজিটাল বিজ্ঞাপনী সংস্থার প্রধান পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বৈধ চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচারের সংখ্যা আগের চেয়ে বেড়েছে। নন চ্যানেলে কমেছে। কারণ এখন ডলারের পরিবর্তে টাকায় বিল পরিশোধ করা যাচ্ছে, এটা বিশাল একটা সুযোগ।

প্রসঙ্গত, দেশে ইন্টারনেট ও ফেসবুক ব্যবহারকারী বেড়ে যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্য ও সেবার প্রচার ও প্রসারের জন্য বিকল্প মাধ্যম হিসেব পছন্দের তালিকায় রেখেছেন গুগল-ফেসবুক-ইউটিউব। ফেসবুকের যেকোনও পোস্টের ‘অর্গানিক রিচ’ অনেক কমে যাওয়ায় উদ্যোক্তারা বুস্টিং বা বিজ্ঞাপনের পেছনে ছুটছেন। ফেসবুক তাদের ব্যবসায়িক কৌশল হিসেবে স্বাভাবিক ‘রিচ’ কমিয়ে দিয়েছে যাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির ব্যবসা বাড়ে। উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে ফেসবুক ব্যবহারীর সংখ্যা প্রায় ৪ কোটির কাছাকাছি।

জানা যায়, দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে মাসে গড়ে ১০ হাজার ডলার খরচ করে। সেই হিসাবে এসব প্রতিষ্ঠান বছরে ১ লাখ ডলারের বেশি খরচ হয়। অনলাইনে বিজ্ঞাপন না দিলে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে পণ্যের অর্ডার আসা কমে যায়। অন্যদিকে এফ-কমার্সগুলো (ফেসবুকভিত্তিক ই-কমার্স) প্রতিদিন গড়ে ১০ ডলার বুস্টিং বাবদ খরচ করে। দেশে বর্তমানে ৫০ হাজারের বেশি এফ-কমার্স প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সক্রিয় পেজগুলোই সাধারণত বুস্টিং করে।

Posted by: | Posted on: January 3, 2021

বহুমাত্রিক নাগরিক সুবিধায় গড়ে উঠছে রাজশাহী মহানগরী

শাহ সুলতান নবীনঃ প্রশস্ত রাস্তা, কারুকাজ, সবুজের নান্দনিকতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার এক শৈল্পিক রূপসহ বহুমাত্রিক নাগরিক সুবিধায় অত্যাধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে উঠছে রাজশাহী মহানগরী। মেট্রোপলিটন এ শহরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ করেই এগিয়ে চলছে উন্নয়ন কাজ। নগর উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কর্মকৌশলে বদলেছে নগরীর পুরো চিত্র। করোনা পরিস্থিতিতেও সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে মুজিববর্ষের নতুন রূপ পেয়েছে ‘গ্রিন, ক্লিন ও হেলদি’ নগরী।

রাসিক সূত্রে জানা যায়, সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রথমবার মেয়র থাকাকালে সবুজের মহানগরীতে পরিণত করাসহ দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত প্রভাব ঠেকাতে এবং শহরের রাস্তা ও ফুটপাত বাদে ফাঁকা জায়গাগুলো সবুজ গাছে ঢেকে দিতে ‘জিরো সয়েল’ প্রকল্প গ্রহণ করেন তিনি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে সবুজ ও বিচিত্র ফুলের সমাহারে নতুন রূপ পেয়েছে নগরী।

মহানগরীর রাজশাহী-নওগাঁ প্রধান সড়ক থেকে মোহনপুর-রাজশাহী-নাটোর সড়ক পর্যন্ত পূর্ব-পশ্চিম সংযোগ সড়ক নির্মাণ, উপশহর মোড় থেকে সোনাদিঘি মোড় এবং মালোপাড়া মোড় থেকে সাগরপাড়া মোড় পর্যন্ত প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প, কল্পনা সিনেমা হল থেকে তালাইমারী মোড় পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উন্নয়ন প্রকল্প এবং ৩০টি ওয়ার্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-নর্দমাসমূহের উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণে নর্দমা নির্মাণ প্রকল্পে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থার চিত্র বদলাচ্ছে। এতে খুশি নগরবাসী।

নগরীর অটোরিকশাচালক সুরুজ ইসলাম জানান, নগরীর রাস্তাঘাটের উন্নয়নের ফলে তাদের গাড়ি চলাচলে অনেক সুবিধা হয়েছে। আগের চেয়ে রাস্তাঘাট বড় হওয়ায় ও নগরীর ভেতরের রাস্তাগুলোও নতুন রূপ পাওয়ায় যাত্রীদের যেমন ভোগান্তি কমেছে, তেমনি তারাও গাড়ি চালিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।

নগরীর শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থাই নয়। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে শিল্পাঞ্চল, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠাসহ প্রস্তুত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক। যেখানে  প্রায় ১৪ হাজার কর্মসংস্থান হবে। এরই মধ্যে হাইটেক পার্কের জায়গা বরাদ্দ নিয়ে কাজে নেমেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এতে আশাবাদী হচ্ছেন রাজশাহীর শিক্ষিত তরুণ-তরুণীরা।

রাজশাহী কলেজশিক্ষার্থী বদরুদ্দোজা জানান, তিনি এরই মধ্যে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্সের কাজ শিখেছেন। আন্তজার্তিক প্রযুক্তি বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকতে নিজেকে আরও দক্ষ করে তোলার প্রচেষ্টায় আছেন। আর তাদের মতো প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের জন্য বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রাজশাহীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পর্যটনসহ সার্বিক উন্নয়নের জন্য মহানগরীর সমন্বিত নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, পরিবেশ উন্নয়নের জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন প্রকল্প, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ৫টি জায়গায় ফ্লাইওভার নির্মাণ, ৫টি সেকেন্ডারি ট্রান্সপার স্টেশন নির্মাণ, মহানগরীর প্রাকৃতিক জলাশয় সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প, মহানগরীর সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন প্রকল্প, সড়কবাতি ও ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির আধুনিকায়ন, শ্রীরামপুর পদ্মা নদীর তীরে বঙ্গবন্ধু ইকো পার্ক নির্মাণ প্রকল্প, শেখ রাসেল সায়েন্স সিটি ও সাফারি পার্ক নির্মাণ প্রকল্প, নগরীর পরিবেশ উন্নয়ন কার্যক্রম, স্বাস্থ্য কার্যক্রম, আলোকায়ন ব্যবস্থার উন্নয়ন, দরিদ্র ও হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান কার্যক্রম, কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট, শিল্পায়ন, যানজট কমাতে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ, পিপিপির মাধ্যমে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ, ডিজিটাল কার্যক্রম, শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানার উন্নয়ন, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম, রাজশাহী সিটি মিউজিয়ামসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ কিছু বাস্তাবায়ন ও চলমান থাকায় এরই মধ্যে মডেল নগরী হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে এ শিক্ষা মহানগরী।

রাজশাহী নগরীর সৌন্দর্য ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম দেখতে অন্য জেলাগুলো থেকে অনেকেই ঘুরতে আসছেন। প্রশংসামূলক অনুভূতি জানিয়ে রাজশাহীকে মডেল হিসেবে অনুসরণ করার কথাও বলেন তারা। গাইবান্ধা পৌরসভার বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বিদ্যুৎ জানান, তিনি রাজশাহীর সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ। গ্রিন, ক্লিন ও হেলদি সিটি খ্যাত রাজশাহী নগরীকে অন্যান্য পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন মডেল হিসেবে নিয়ে অনুসরণ করতে পারে।

তিনি আরও জানান, কিছুদিন আগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ব্র্যাকের একটি প্রতিনিধি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে তিনি অংশ নেন। সেখানে অন্যান্য সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে রাজশাহীকে মডেল হিসেবে নিয়ে পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনকে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার খায়রুল বাশার জানান, রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ও নির্দেশনায় নগরজুড়ে ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন, সবুজায়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ নগরীর চেহারাই পাল্টে গেছে। রাজশাহী শান্তির শহর ও উত্তম বাসযোগ্য শহর হিসেবে প্রস্তুত হয়েছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তার নির্দেশনায় তারা কাজ করে যাচ্ছেন। রাজশাহীকে গ্রিন, ক্লিন ও হেলদি সিটিসহ আধুনিক মডেল শহর হিসেবে গড়তে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে রাসিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেমন সহযোগিতা করছেন, তেমনি সাধারণ মানুষও সহযোগিতা করছেন। সবার সহযোগিতায় রাজশাহীকে এক অন্যন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

উল্লেখ্য, রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উন্নয়নে ১৭৩ কোটি টাকার প্রকল্পের আওতায় ২৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বিলসিমলা রেলক্রসিং থেকে কাশিয়াডাঙ্গা মোড় পর্যন্ত সড়কটি ৩০ ফুট থেকে ৮০ ফুটে উন্নীত করা হয়েছে। সড়কের দুই পাশে ১০ ফুট চওড়া ফুটপাত ও রাস্তার দক্ষিণ পাশে সাড়ে সাত ফুট ড্রেন করা হয়েছে। এ ছাড়া সড়কটিতে বাইসাইকেল লেন নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন আইল্যান্ড। সবুজায়নের জন্য আইল্যান্ডে ইতোমধ্যে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

Posted by: | Posted on: January 3, 2021

সুবর্ণজয়ন্তীর আগেই দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায়। ৩শ’ থেকে ২৩ হাজার মেগাওয়াট

দিপু সিদ্দিকীঃ১৯৭১ সাল। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ। দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল মাত্র ৩০০ মেগাওয়াট। ঢাকার অদূরের ঘোড়াশাল, সিদ্ধিরগঞ্জের সঙ্গে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পই ছিল উৎপাদনের বড় ভরসা। দেশের সব মানুষতো দূরের কথা, সব শহরেও বিদ্যুৎ ছিল না। আবার যে শহরে বিদ্যুৎ ছিল সেই শহরের সব জায়গাতেও থাকত না। স্বাধীনতার ৪৯ বছর পেরিয়ে দেশ এখন ৫০-এ। সুবর্ণজয়ন্তী পালনের আগেই দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে শতভাগ বিদ্যুতায়নের মাইলফলক স্পর্শের অপেক্ষা এখন আমাদের। বাংলাদেশের দুই যুগ আগে স্বাধীন হওয়া ভারত-পাকিস্তানও এখনও শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণা দিতে পারেনি।

প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক ই ইলাহী চৌধুরী বীরবিক্রম বলেন, ‘পাকিস্তান সরকার দেড় বিলিয়ন ডলারের বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। এই প্রকল্পর লক্ষ্য ছিল এক হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন। কিন্তু তখন আমাদের দেশে মাত্র ৩০০ মেগাওয়াটের সক্ষমতা ছিল। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানের দিকে নজর দেয়নি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু রাশিয়ার সহায়তা নিয়ে দেশে নতুন করে বিদ্যুৎখাত পুনর্গঠন করেন।’

তিনি আরও বলেন ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আইপিপি নীতি গ্রহণ করা হয়। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বার্জ মাউন্টেড বিদ্যুৎ নিয়ে আসেন। এ ছাড়া ক্যাপটিভ নীতি করে শিল্পে বিদ্যুৎ দেওয়া হয়। এরপর জামাত-বিএনপি ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সরকারের সকল উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধ করে দেয়। ২০০৯ সালে বিদ্যুৎ সঙ্কটের মধ্যে দায়িত্ব নিলেও গত ১১ বছরে আগের পরিস্থিতি আমূল বদলে দিয়েছে সরকার।

আগামী মার্চের মধ্যে দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কাজ শেষ হবে বলে জানা গেছে। এতে দেশের ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়নের আশা করা হচ্ছে। অন্ধকার ছেড়ে আলোর পথে আসায় গ্রামীণ অর্থনৈতিক চালচিত্র বদলে যেতে শুরু করেছে।

দেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা আরইবি’র আওতাধীন গ্রিডভুক্ত ৪৬১টি উপজেলা এবং অফগ্রিডে একটি উপজেলাসহ (পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলা) মোট এক হাজার ৫৯টি গ্রাম রয়েছে। আরইবি তার ৮০টি পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে গ্রিডভুক্ত ৪৬১টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে ২৮৮টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন উদ্বোধন করেন। অবশিষ্ট ১৭৩টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। এ ছাড়া, অফগ্রিড এলাকার সকল গ্রামে শতভাগ বিদ্যুতায়ন ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হবে বলে জানা গেছে।

বিদ্যুৎখাতের বেশি অগগতি হয়েছে গত ১১ বছরে। এখন দেশে ১৪০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। নতুন নতুন আরো কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।

জ্বালানির সংস্থান করতে সরকার প্রথমে দেশীয় জ্বালানি উত্তোলনের চেষ্টা করে। কিন্তু দেশের স্থলভাগের গ্যাসের মজুদ প্রায় শেষের পথে। এজন্য সরকার বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানির জন্য দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করছে।

গত অর্থবছরে প্রায় সাড়ে আট লাখ টন এলপিজির চাহিদা ছিল। সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বলছে ২০৪১ সালের মধ্যে চাহিদার পরিমাণ দাঁড়াবে ৮০ লাখ মেট্রিক টনে। সরকার এখন এলপিজির মূল্য নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে দায়িত্ব দিয়েছে। বছরের শুরুতেই দাম নিয়ে হতে যাচ্ছে গণশুনানি।

Posted by: | Posted on: January 3, 2021

চালকল মালিকদের দৌরাত্ম্য। সরকারের অনুরোধ, হুঁশিয়ারি উপেক্ষা।দুর্বিষহ ভোক্তাজীবন

মাহবুব বাশার/প্রেসওয়াচঃ দেশের চালের বাজারে চালকল মালিকদের দৌরাত্ম্যে সরকারের কোনও উদ্যোগই চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না। সরকারের আবেদন, অনুরোধ, হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে বাড়িয়ে চলেছে চালের দাম।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চালের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে আনতে দেরিতে হলেও সরকার আমদানি করা চালের শুল্ক কমিয়েছে। তারপরও গত এক সপ্তাহে এর কোনও প্রভাব পড়েনি বাজারে। উল্টো দাম বেড়েছে।
সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক সপ্তাহে (২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর) চিকন চালের দাম ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৬৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি মানের পাইজাম ও লতাশাইলের দাম ১ দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়ে প্রতি কেজি ৫৩ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ এই দাম বাড়ার আগের দিন ২৭ ডিসেম্বর আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছিল।
রাজধানীর কোনাপাড়া বাজার, কাওরানবাজার, বাদামতলী বাজার, সূত্রাপুর, শাহজাহানপুর, মালিবাগ, শ্যামবাজার, কচুক্ষেত, রহমতগঞ্জ, রামপুরা, মিরপুর-১, মৌলভীবাজার, মহাখালী, উত্তরা আজমপুর বাজারে খোঁজ নিয়ে এ সব তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বাজারের চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘মিলারদের কারণেই চালের দাম বেড়েছে। এ নিয়ে সন্দেহ নেই। কারণ সরকারের মন্ত্রী এ তথ্য প্রকাশ্যে জানিয়েছেন।’
খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যেই ভারত থেকে জিটুজি পদ্ধতিতে আমদানি করা ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল ১৯ ডিসেম্বর বন্দরে পৌঁছেছে। আগামী এক মাসের মধ্যে আরও এক লাখ টন চাল একই পদ্ধতিতে ভারত থেকে আসবে। ভারতের বাইরে অন্য যে কোনও দেশ থেকে চাল আমদানি করেও মজুদ বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে সরকার। আর এসব চাল সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাজারে সরবরাহ করা হবে। এতে চালের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছে নির্ভরযোগ্য সূত্র।
সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০২০ সালে আমনের উৎপাদনও ভালো হয়েছে। তারপরও কী কারণে বেড়েছে চালের দাম, এ প্রশ্নের উত্তরে সরকারের দেওয়া ভুল তথ্যকে দায়ী করেছেন মিলাররা।
মিলাররা জানিয়েছেন, ২০২০ সালে আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে কৃষি মন্ত্রণালয় দাবি করলেও এ তথ্য ঠিক নয়। তারা বলেছেন, ২০২০ সালে বন্যায় পানিতে ভেসে আসা পলির কারণে ধানের গাছ উর্বর হলেও উৎপাদন কম হয়েছে। প্রতি একরে ৪০ মণ ধান হওয়ার কথা থাকলেও এবছর ২৫ থেকে ২৬ মণের বেশি উৎপাদন হয়নি। এ কারণেই চাহিদা অনুযায়ী বাজারে সরবরাহ হচ্ছে না।
সম্প্রতি ধানের দাম অতীতের অনেক বছরের তুলনায় বেশি। দেশের বিভিন্ন বাজারে প্রতিমণ ধান বিক্রি হয়েছে ১২২০ টাকা দরে। যা আগে কখনও হয়নি।
এ বিষয়ে সম্প্রতি কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, মিলারদের কারসজিতেই বেড়েছে চালের দাম। চালকল মালিকরা নানা কারসাজি করে বাজারে চালের দাম বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, চাল উৎপাদনে যে ঘাটতি হয়েছে তা মেটানোর জন্য সরকার ৫ থেকে ৬ লাখ টন চাল আমদানি করবে। সরকারি গুদামেও চাল কমে গেছে। গত বছর এই সময়ে সরকারি গুদামগুলোয় ১৩ লাখ টনের মতো খাদ্যশস্য থাকলেও এবার তা কমে ৭ লাখ টনে নেমেছে।
কৃষিমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশের মিলার, আড়তদার, জোতদারদের যারা চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে তারা দাম বাড়ায়। এবারও তারা সেই কাজ করছে। এই মৌসুমের সময় এখনও তারা ধান কিনছে। ধানের দাম ও চালের দাম দুটিই তারা বাড়িয়ে দিয়েছে।
কৃষিমন্ত্রী জানিয়েছেন, চলতি বছর দুই দফা বন্যার কারণে আউশ ও আমন ফলনের কিছু ক্ষতি হয়েছে। তবে উৎপাদনের যে পরিসংখ্যান সরকারের হাতে আছে, তাতে চালের এত ঘাটতি হওয়ার কথা নয়। এখনও বাজারে যথেষ্ট চাল আছে। তবু ৩২ থেকে ৩৩ টাকার মোটা চাল ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিষয়টি সম্পর্কে চালকল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক লায়েক আলী জানিয়েছেন, ধানের দাম বেশি, তাই চালের দাম বেড়েছে। ধানের দাম বাড়লে কেউ কৃষককে দায়ী করে না, কিন্তু ওই কারণে চলের দাম বাড়লে সবাই মিলারদের দোষ দেয়।
তিনি আরও জানান, মন্ত্রীরা বলছেন গুদামে চাল নাই। উৎপাদনও কম হয়েছে। চাল আমদানি করা হচ্ছে সেই কারণে। আমরা বার বার এ তথ্য জানাতে চাইলেও কেউ শোনেনি। উল্টো আমাদের দায়ী করা হয়েছে গুজব ছড়ানোর জন্য। এবছর আমন ফলন ভালো হয়নি জেনেও সেটা জানায়নি সরকারের কেউ। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সরকারের শীর্ষমহলকে এ বিষয়ে অন্ধকারে রেখেছে। আগেভাগে জানালে আগেভাগে আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া যেত। তখন এমন পরিস্থিতি হতো না।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং টিসিবির তথ্যানুযায়ী, গত এক দশকে (২০১০-১১ অর্থবছর) প্রতি কেজি (মাঝারি মানের) চালের গড় দাম ছিল ৪১ টাকা, যা বর্তমান বাজারে ৬০ টাকা। গত অর্থবছরও (২০১৯-২০) প্রতি কেজি চালের গড় দাম ছিল ৫৬ টাকা। দেখা গেছে, গত এক দশকের মধ্যে ২০১৩-১৪ অর্থবছরের আগ পর্যন্ত চালের দাম ছিল সর্বোচ্চ ৪৬ টাকা। এরপর হঠাৎ করেই পরের বছর চালের দাম ৫৩ টাকায় ওঠে। পরে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দাম এক টাকা কমলেও এরপর দাম বাড়তেই থাকে।
তথ্য বলছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছর পরবর্তী বছরগুলোতে চালের দাম ছিল যথাক্রমে ৫৩ টাকা, ৫৫ টাকা, ৫৭ টাকা ও ৫৬ টাকা।
এদিকে কৃষি অধিদফতরের তথ্যমতে এক দশক আগেও দেশে চালের উৎপাদন ছিল তিন কোটি ৩৫ লাখ টন। যা এখন (২০১৯-২০ অর্থবছর) তিন কোটি ৮৭ লাখ টনে এসে দাঁড়িয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের পর প্রতিবছর চালের উৎপাদন প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টন করে বেড়েছে।

Posted by: | Posted on: January 3, 2021

রত্নগর্ভা মুনিরা হকের দাফন সম্পন্ন

ডেইলি প্রেসওয়াচ/আইরিন নাহারঃ পূর্ব পাকিস্তান সরকারের সাবেক লেবার কমিশনার খান বাহাদুর এস এ ওয়াই বি মুর্শেদীর কন্যা, বাংলাদেশের প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক সচিব চৌধুরী এ কে এম আমিনুল হকের সহধর্মিণী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের  ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও এর শাশুড়ি এবং ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক রত্নগর্ভা মুনিরা হকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (০২ জানুয়ারি ) বিকাল ৩ ঘটিকায় বনানী কবরস্থানে তার স্বর্গীয় স্বামী বাংলাদেশের প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক সচিব চৌধুরী এ কে এম আমিনুল হকের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।

শিক্ষক রত্নগর্ভা মুনিরা হক

মৃত্যুকালে তিনি দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রত্নগর্ভা মুনিরা হকের বড় মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক প্রফেসর ড. নুজহাত আমিন মান্নান ও ছোট মেয়ে জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদের (জানিপপ) নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট ইতরাত আমিন কলিমউল্লাহ। বড় মেয়ের জামাতা তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত মস্যুদ মান্নান এবং ছোট মেয়ের জামাতা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও।

এছাড়া বেরোবি ভাইস-চ্যান্সেলরের শাশুড়ির মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন সংসদ সদস্য, পেশাজিবী, সাংবাদিক, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দের বিভিন্ন সংগঠন।