Main Menu

গবেষণা ও উদ্ভাবনী চিন্তার আঁধার উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বিএনসিসিও

প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বিএনসিসিও স্যার শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষণায় উৎসাহিত করতে মান সম্পন্ন গবেষণা প্রবন্ধ লিখার উৎসাহ প্রদান করেন এবং তাঁর তত্ত্বাবধানে বহু গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। মাননীয় উপাচার্য স্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে শিক্ষায়, গবেষণায়, উদ্ভাবনী চিন্তায় সব সময় নিরলস ভূমিকা রেখে চলছেন। তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর ডক্টর ওয়াজেদ রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং ইনিস্টিটিউট-এর কার্যক্রমে নতুন মাত্রা সংযোজন করেছেন । এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৮- ২০২০ সেশনে আমি এম ফিল রিসার্চ ফেলো হিসাবে রেজিস্ট্রেশন করি এবং স্যারের অক্লান্ত চেষ্টা, পরিশ্রম ও উদ্যোগের ফলে আমাদের এম ফিল ও পিএইচডি কোর্সওয়ার্ক সম্পন্ন হয় । সারা বিশ্ব যখন কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে অন লাইন ও ভার্চুয়াল ক্লাসের দিকে ঝুকছে সেখানে আমরা স্যারের সুদূর চিন্তা ও মননের দূরদর্শীতার কারণে শুরু থেকেই এম ফিল ও পি এইচ ডি ক্লাস গুলো ভার্চুয়ালী যোগদান করি।

করোনাকালীন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে মাননীয় উপাচার্য স্যার সকল ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন । স্যার একজন পুরোপুরি সংস্কৃতমনা মানুষ যিনি প্রতিটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন । বেরোবির ছাত্র ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে প্রফুল্ল রাখার জন্য প্রমিলা ফুটবল ও প্রমিলা ক্রিকেট খেলার সূচনা করেন মাননীয় উপাচার্য স্যার ।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ জুন ২০১৭ তারিখে যোগদানের পর থেকে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, গাড়ীর রুট বৃদ্ধি, ক্যাফেটেরিয়া চালু করণ, বৃক্ষ রোপণ ও কাম্পাস রেডিও চালু করণ করেন । সকল ধরনের বাঁধা বিপত্তি উপেক্ষা করে সদা কর্ম চঞ্চল ও নির্ভীক প্রফেসর কলিমউল্লাহ স্যার বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরকে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে রূপ দেয়ার যে আপ্রাণ প্রচেষ্টা তা সফল হোক এই কামনায়-

লেখক, শাকিলা-তুল কুবরা
এমফিল, রিসার্চ ফেলো, ড.ওয়াজেদ রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।






Related News