Sunday, November 15th, 2020

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: November 15, 2020

‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করলে ঘাড় মটকে দেবো।’-শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতাকারীদের উদ্দেশে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, ‘যতটুকু বলেছেন ক্ষমা চেয়ে সাবধান হয়ে যান, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করলে ঘাড় মটকে দেবো।’ শনিবার (১৪ নভেম্বর) শ্যামাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীর গোলপাহাড় মহাশ্মশান পরিচালনা পরিষদ আয়োজিত ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতাকারী ধর্মীয় সংগঠনটির নেতাদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।

শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) রাজধানীর ধূপখোলা মাঠে তৌহিদি জনতা ঐক্য পরিষদের এক সমাবেশ থেকে ধোলাইপাড়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতারা।

ওই বক্তব্যের বিরোধিতা করে আলোচনা সভায় নওফেল বলেন, ‘দেখলাম, একটি খুব ছোট মৌলবাদি দলের নেতা দাঁড়িয়ে মঞ্চ কাঁপাচ্ছিলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিষয়েও কথা বলছিলেন। মঞ্চ কাঁপিয়ে, ভয়-ডর সৃষ্টি করে বড় গলায় যারা কথা বলছেন, তাদের উদ্দেশে বলতে চাই- মঞ্চ বেশি কাঁপাবেন না। মঞ্চ বেশি কাঁপালে পায়ের নিচের মাটিও নরম হয়ে যাবে।’

নওফেল বলেন, ‘আপনাদের হুমকি-ধামকি বন্ধ করুন। এদেশের মানুষ গণতন্ত্রকে শ্রদ্ধা করে। মৌলবাদি কথা বলা, জনমনে শঙ্কা তৈরি করা, জাতীয় প্রতিষ্ঠান এবং জাতির পিতাকে নিয়ে কথা বলার ধৃষ্ঠতা যারা দেখাবেন, তাদেরকে আমরা বলতে চাই- আপনারা বাড়াবাড়ি বন্ধ করুন। আওয়ামী লীগের কাছে, এদেশের মানুষের কাছে দ্বীনে ইসলাম সুরক্ষিত আছে। আপনাদের কাউকে সেই ঠিকাদারি দেওয়া হয়নি।’

শিক্ষা উপমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনারা সাবধান হয়ে যান, বাড়াবাড়ি বেশি করে ফেলেছেন। আপনাদের বাড়াবাড়ি দেখছি আর শুনছি। সরকার এবং রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। আওয়ামী লীগ ঘাড়ে হাত রেখে বন্ধুত্বও করতে জানে, ঘাড়ে হাত রেখে ঘাড় মটকে দিতেও জানে। সুতরাং ঘাড়ে হাত দিয়ে বন্ধুত্ব করেছি বলে, সহনশীল আচরণ দেখিয়েছি বলে, মনে করবেন না সেটা দুর্বলতা। দেশে হানাহানি করলে, আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করলে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করলে ঘাড় আমরা মটকে দেবো। সময় থাকতে সাবধান হয়ে যান, মৌলবাদের জায়গা এই বাংলাদেশ নয়।’

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক কথা বলুন। কাউকে কোনও ঠিকাদারি দেওয়া হয়নি দ্বীন ইসলাম রক্ষার। সেটার দায়িত্ব মহান আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিন সবাইকে দিয়েছেন। সুতরাং আপনারা মঞ্চ কাঁপিয়ে জাতির পিতার নামে যে কথা বলছেন—সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী যেসব কথাবার্তা বলছেন, তাদের আমরা শেষবারের মতো বলতে চাই— সহনশীল আচরণকে-গণতান্ত্রিক আচরণকে দুর্বলতা ভাববেন না। আমাদের শক্তি মাটির অনেক গভীরে। মহান আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিন আমাদের প্রত্যেককে শক্তিশালী করেছেন। মঞ্চ কাঁপিয়ে বেশি কথা বলা এই বাংলাদেশে আমরা সহ্য করবো না। যেখানে আছেন, যতটুকু বলেছেন, ক্ষমা চেয়ে সাবধান হয়ে যান, নয়তো ঘাড় মটকে দিতে বেশি সময় লাগবে না।’

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ এনে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের সতর্ক করে দিয়ে নওফেল বলেন, ‘এই দেশে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া যেমন আমরা কেউ সহ্য করবো না, তেমনি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের নাম করে মানুষকে হেনস্থা করাও সহ্য করবো না। দেশে আইন আছে, আদালত আছে, সরকার আছে, সেখানে না গিয়ে যারা নানা ধরনের গুজব ছড়িয়ে আমাদের জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভীতি ও শঙ্কার পরিবেশ আনার চেষ্টা করছেন, তাদের আমরা সাবধান হয়ে যেতে বলছি। মুষ্টিমেয় মৌলবাদি গোষ্ঠীর কাছে আমরা মাথা নত করবো না।’

এই বাংলাদেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক। বাংলার হিন্দু, বাংলার মুসলমান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার খ্রিস্টান- অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ পরিবেশে শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে, যোগ করেন তিনি।

সব ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ভয় পাওয়ার কিছু নেই, নির্ভয়ে থাকুন। কারণ আমাদের নেতৃত্বে আছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। আমরা দেখছি— কিছু ষড়যন্ত্রকারী, মুষ্টিমেয় গোষ্ঠী সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করে শঙ্কার পরিবেশ আনার চেষ্টা করছে। কিন্তু যতদিন শেখ হাসিনার হাতে থাকবে বাংলাদেশ, ততদিন আমাদের শঙ্কার কোনও কারণ নেই।’

বাংলাদেশে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী হবে, ঈদুল ফিতর হবে, ঈদুল আজহা হবে, শ্যামাপূজা হবে, স্বরস্বতী পূজা হবে, এই বাঙালির সব পূজাপার্বণ- ঈদ-উৎসব নির্ভয়ে নিসঙ্কোচে, শান্তিপূর্ণভাবে হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

Posted by: | Posted on: November 15, 2020

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট রাকিবুল ইসলাম তালুকদার

দিলরুবা নুসরাত নুপুর ঃ প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০১৯ এ বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন কারীদের মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগের ৩ জনের মধ্যে অন্যতম হলেন জনাব মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম তালুকদার। প্রতি বছর এপ্রিল মাসে এ পদকের ঘোষনা হলেও করোনার কারণে বিলম্বিত সদ্য ঘোষিত ফলাফলে তিনি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সুপারিনটেনডেন্ট ক্যাটাগরীতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন।

 বর্তমানে ময়মনসিংহ পিটিআইতে সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা  টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নে বাসুদেব বাড়ির এ কৃতি সন্তান তালুকদার বাড়ি জন্মগ্রহণ করেন।তার পিতার মোঃ আঃ আজিজ তালুকদার মাতা রেজিয়া বেগম।তার দাদা জমশেদ আলী তালুকদার দীর্ঘ ২২ বছর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ভাইঘাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯২ সালে মানবিক বিভাগ থেকে ৭৯৩ নম্বর পেয়ে এসএসসি এবং ১৯৯৪ সালে ঢাকা কলেজ থেকে ৭৩৬ নম্বর পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন৷ এরপর ১৯৯৪-৯৫ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে সমাজকল্যান বিষয়ে ভর্তি হয়ে ১৯৯৭সালে সমাজকল্যানে অনার্স ও ১৯৯৮ সালে মাস্টার্স ২য় শ্রেণি তে উত্তীর্ণ হন ৷২০০২ সালে ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে বিএড কোর্স সমাপ্ত করেন। ব্যাক্তিগত জীবনে বিবাহিত জনাব তালুকদারের তিন সন্তান ভিকারুন্নেসা নুন স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যয়নরত।
তিনি ২০০১ সালে ১লা সেপ্টেম্বর তারিখে কাপাসিয়া উপজেলার তারাগঞ্জ কলেজে প্রভাষক হিসাবে চাকরি জীবন শুরু করেন৷ অতপর গ্রামীন ব্যাংকে ম্যানেজার ও শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার পদে দায়িত্ব পালন করেন ৷ ২০০৬ সালে অক্টোবর মাসের ২২ তারিখে  পিটিআই এর সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট পদে যোগদান করেন৷ পরবর্তীতে ২০১১ সালে সুপারিনটেনডেন্ট পদে পদোন্নতি পেয়ে মুন্সীগঞ্জ পিটিআইতে যোগদান করেন ৷ ২০১৮ সালে মে মাসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পদে যোগদান করেন৷ ২০১৯ সালে এপ্রিল মাসে ময়মনসিংহ পিটিআইতে সুপারিনটেনডেন্ট পদে যোগদান করে অদ্যাবধি কর্মরত আছেন ৷

তিনি ২০১৬ সালে প্রতিটি শিশু শিখবে (ECL) বিষয়ে ভারতে ৭ দিনের প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন ৷ ২০১৭ সালে সেপ্টেম্বর মাসে Lesson study বিষয়ে জাপান ও লাউস থেকে এক মাসের প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন ৷ এরপর ২০১৯ সালে নভেম্বর মাসে জাপানের হিরোশিমা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে Continuous Professional Development (CPD) বিষয়ে এক মাসের প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন ৷
বিভিন্ন দেশ সফরের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন প্রশিক্ষণে কৃতিত্বের সাক্ষর রেখেছেন।দক্ষ,কর্মঠ সৃজনশীল এ মানুষটির কর্মদক্ষতায় ময়মনসিংহ পিটিআইকে একটি আধুনিক ও ডিজিটাল পিটিআইতে পরিনত করেছেন।  জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি যেখানেই গেছেন সেখানেই সৃজনশীল কর্মের মাধ্যমে পরিবর্তন এনেছেন।

প্রাথমিক শিক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন।তার এই প্রাপ্তিতে জনাব তালুকদার আনন্দিত এবং বাকী সময়টুকু তিনি প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ণে ও মান সম্মত শিক্ষা বাস্তবায়ণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করার ইচ্ছা পোষণ করেন।

Posted by: | Posted on: November 15, 2020

যুবলীগের কমিটিতে নতুন মুখ,কমিটিতে ব্যারিস্টার সুমন ও নিক্সন চৌধুরী

মাহবুব বাশার  ঃ যুবলীগের এবারের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে এসেছে বেশকিছু নতুন মুখ। তাদের মধ্যে সাবেক ছাত্রনেতা এবং আইনজীবীর সংখ্যা বেশি। রয়েছেন অন্যান্য পেশাজীবীরাও। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংবাদিকও রয়েছেন। তবে, সংগঠনটির আগের কমিটিতে থাকা অনেক নেতা বাদ পড়েছেন।

নতুন এসেছেন যারা
প্রেসিডিয়ামে পদ পাওয়া অন্তত পাঁচ জন যুবলীগে এবার প্রথমবারের মতো নেতা হয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন মুজিবুর রহমান নিক্সন এবং শেখ সোহেল উদ্দিন, জুয়েল আরেং এমপি, আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী এমপি, ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ এমপি।

কমিটিতে প্রথমবার স্থান পাওয়া সাবেক ছাত্রনেতারা হলেন সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুর রহমান সোহাগ, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, উপ-সম্পাদক হিসেবে মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ, শামসুল কবীর রাহাত, আব্দুল আজিজ, আদিত্য নন্দী, দেলোয়ার শাহজাদা প্রমুখ।

আইনজীবী সৈয়দ সাইদুল হক সুমন আইন সম্পাদক পদের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো যুবলীগের কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন। দফতর সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, অর্থ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিল্টন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক কাজী সরওয়ার হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামীম খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মুস্তাফিজ প্রমুখ প্রথমবারের মতো যুবলীগে পদ পেয়েছেন।

কেন্দ্রীয় কমিটিতে না হলেও যুবলীগের এবারের জাতীয় কমিটিতে সদস্য হয়েছেন কমপক্ষে ছয় জন সাংবাদিক। ঘোষিত কমিটিতে ২১ জনকে বিষয়ভিত্তিক সম্পাদক ও ২১ জনকে উপসম্পাদক পদ দেওয়া হয়েছে। ৪১ জনকে দেওয়া হয়েছে সহ-সম্পাদকের পদ, ৭৫ জন রয়েছেন নির্বাহী সদস্য।

বাদ পড়লেন যারা
বাদ পড়াদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আতাউর রহমান আতা, বেলাল হোসেন, আনোয়ার হোসেন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ মহি ও নাসরিন জাহান শেফালী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক আতিক, ফারুক হাসান তুহিন, সাবেক উপ-গ্রন্থনা সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ বাবলু, সাবেক উপ-মহিলা সম্পাদক জাকিয়া সুলতানা শেফালী, সাবেক সহ-সম্পাদক তারিক হাসান, সাবেক সদস্য মনিরুল ইসলাম হাওলাদার মনির প্রমুখ।

এর আগে, গত বছর অনুষ্ঠিত সপ্তম কংগ্রেসে শেখ ফজলে শামস পরশকে যুবলীগের চেয়ারম্যান ও মাইনুল ইসলাম খান নিখিলকে সাধারণ সম্পাদকের পদ দেওয়া হয়। শনিবার (১৪ নভেম্বর) বিকালে তারা পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করেন। ওবায়দুল কাদের তাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটির এই প্রস্তাব গ্রহণ করে কমিটি অনুমোদন দেন।

আওয়ামী যুবলীগের ২০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। শনিবার (১৪ নভেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা গ্রহণ করেছেন সংগঠনটির নেতারা।
অনুমোদন পাওয়া কমিটিতে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে আছেন মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন এমপি। ২০১৪ সালে স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হয়ে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। সর্বশেষ ২০১৮ সালের নির্বাচনেও স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
অন্যদিকে আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কমিটিতে আছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইদুল হক সুমন। ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন সামাজিক নানা সমস্যা নিয়ে ফেসবুক লাইভ করে আলোচিত। ফেসবুকে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিয়ে সরব থাকেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের ২০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। শনিবার (১৪ নভেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা গ্রহণ করেছে সংগঠনটির নেতারা। দলটির সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

যুবলীগের নতুন কমিটিতে স্থান পেলেন যারা

অনুমোদন পাওয়া কমিটিতে সংগঠনটির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন।

নতুন কমিটিতে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য করা হয়েছে অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ, মনজুর আলম শাহীন, আবু আহমেদ নাসিম পাভেল, শেখ সোহেল উদ্দিন, ডা. খালেদ শওকত আলী, শেখ ফজলে ফাহিম, মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন এমপি, ইঞ্জিনিয়ার মৃনাল কান্তি জোয়ার্দার, তাজউদ্দিন আহমেদ, জুয়েল আরেং, মো. জসিম, মো, আনোয়ার হোসেন ও এন শাহাদাত হোসনে তাসলিমকে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মশিউর রহমান বাদশা, সুব্রত পাল, মো. বদিউল আলম, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম ও মো. রফিকুল আলম জোয়াদার।

সাংগঠনিক সম্পাদক: কাজী মো. মাজহারুল ইসলাম, ডা. হেলাল উদ্দিন, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মো. জহির উদ্দিন খসরু, মো. সোহেল পারভেজ, আবু মুনির মো. শহিদুল হক রাসেল, মশিউর রহমান চপল, অ্যাডভোকেট মো. শামীম আল সাইফুল সোহাগ ও প্রফেসর ড. মো. রেজাউল কবির।

প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দফতর সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম মিল্টন, অর্থবিষয়ক সম্পাদক মো. শাহদাত হোসেন, শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আলী আসিফ খান রাজিব, আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইদুল হক সুমন, আন্তজাতিকবিষয়ক সম্পাদক কাজী সরোয়ার হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক মো. সাদ্দাম হোসেন পাভেল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শামীম খান, তথ্য ও যোগাযোগ (আইটি)-বিষয়ক সম্পাদক মো. শামসুল আলম অনিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মুস্তাফিজ, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. ফরিদ রায়হান, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মীর মো. মহিউদ্দিন।

জনশক্তি ও কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক শাহীন মালুম, ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক মো. নিজামউদ্দিন চৌধুরী পারভেজ, পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মো. হ্যারিস মিয়া শেষ সাগর, শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুল হাই, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. হেমায়েত উদ্দিন মোল্লা, মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুল মুকিত চৌধুরী, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা খলিলুর রহমান সরদার, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুক্তা আক্তার, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আদিত্য নন্দী, উপ-দফতর সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন সাহজাদা, উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ নবীরুজ্জামান বাবু, উপ-অর্থবিষয়ক সম্পাদক শরীফুল ইসলাম।

উপ-শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক কাজী খালিদ আল মাহমুদ টুকু, উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. এনামুল হোসেন সুমন, উপ-আন্তজাতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. সায়েদ আশফাক আকন্দ তুহিন, উপ-ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক মো.আলতাফ হোসেন, উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হাসান সুপ্ত, উপ-তথ্য ও যোগাযোগ (আইটি) বিষয়ক সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকত, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফজলে রাব্বী স্বরণ।

উপ-স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহফুজুর রহমান উজ্জল, উপ-তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. মিছির আলী, উপ-জনশক্তি ও কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক শামসুল কবির রাহাত, উপ-ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুর রহিম, উপ-পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক সামসুল ইসলাম পাটোয়ারী, উপ-শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক মো. ফিরোজ আল-আমিন, উপ-কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা রওমন জামির রানা, উপ-মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক মো. গোলাম কিবরিয়া শামীম, উপ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হরে কৃষ্ণ বৈদা, উপ-মহিলাবিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা সানজিদা শারমীন।

সহ-সম্পাদক যারা হলেন: মো. সাইফুল আলম সাইফুল, সাইফুল ইসলাম শাহীন পাটোয়ারী, মো. বেলাল হোসেন ফিরোজ, আবির মাহমুদ ইমরান, তোফাজ্জল হোসেন, মো.আতাউর রহমান উজ্জল, মো. মামুন আজাদ, মির্জা মো. নাসিউল আলম শুভ, মো. রাজু আহমেদ, গোলাম ফেরদৌস ইব্রাহীম, মো. মাইনুল ইসলাম, ব্যারিস্টার আরাফাত হোসেন খান, মো. আলামিনুল হক আলামিন, জামিল আহমেদ, মো. আব্দুল রহমান জীবন, নাজমুল হুদা ওয়ারেসি চণ্ডল, মো. আরিফুল ইসলাম, মো. আজিজুল রহমান সরকার, সামিউল আমিন, মো. আলমগীর হোসেন শাহ জয়, মো. কামরুল হাসান লিংকন, রাজীব আহমেদ তালুকদার, মো. বাবলুর রহমান বাবলু, এ কে এম মুক্তাদির রহমান শিমুল, হিমেলুর রহমান হিমেল, আগতাসামুল হাসান ভূইয়া রুমি, মো. রাশেদুল ইসলাম সাফিন, মো. মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ, মো. রায়হান রুবেল, সাইফুল ইসলাম সাইফ, ইঞ্জিনিয়ার মো. কামর’জ্জামান, মো. মনিরুজ্জামান পিন্টু, মো. মনিরুল ইসলাম আকাশ, জিএম ওয়াহেদ পারভেজ, মো. জয়নাল আবেদীন চৌধুরী, ডা. মো. মনজুর’ল ইসলাম ভূইয়া রাফি, মো. নাসির উদ্দিন মিন্টু, মশিউর রহমান মহারাজ ও এ কে এম মহিউদ্দিন খোকা মজুমদার।প্রেসওয়াচ।

Posted by: | Posted on: November 15, 2020

লাহোর কালান্দার্সের জয়ে তামিমের ১৮ রান

 ভিসার টানা দুই ছক্কা, ম্যাচ জিতলো লাহোর                 -ছবি: পিএসএল টুইটার

পেশোয়ার জালমিকে বিদায় করে দিয়ে পিএসএলের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ধরে রেখেছে তামিম ইকবালদের দল লাহোর কালান্দার্স। লাহোরের ৫ উইকেটের জয়ে তামিমের অবদান ১৮ রান। আগামীকাল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার বা দ্বিতীয় এলিমিনেটর ম্যাচে মুলতান সুলতানসকে হারাতে পারলেই তারা ১৭ নভেম্বরের ফাইনালে করাচি কিংসের মুখোমুখি হবে।

শনিবার করাচি ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে মূলত শোয়েব মালিকের ২৪ বলে ৩৯, হার্ডাস ভিলোয়েনের ১৬ বলে ৩৭ এবং ফ্যাপ ডু প্লেসির ২৫ বলে ৩১ রানের সৌজন্যে ৯ উইকেটে ১৭০ রান করে পেশোয়ার জালমি। এক ওভার বাকি থাকতেই ৫ উইকেট খুইয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় লাহোর কালান্দার্স।

রান তাড়ার শুরুটা বাজে হয়েছিল লাহোরের। পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত ইংলিশ পেসার সাকিব মাহমুদের তোপে ৩৩ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান বেন ডাঙ্ক ও মোহাম্মদ হাফিজ করতে চতুর্থ উইকেটে ৫৫ রান যোগ করে ইনিংস মেরামত করেন। কিন্তু ডাঙ্ক ৮৮ রানের মাথায় আউট হয়ে গেলে পুরো দায়িত্ব এসে পড়ে হাফিজের ওপর। আর কী অসাধারণভাবেই না সেটি পালন করলেন ৪০ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান। দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডার ডেভিড ভিসাকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত এক ওভার বাকি থাকতে ম্যাচ জিতিয়ে ফেরেন ‘প্রফেসর’, ৪৬ বলে গড়া অপরাজিত ৭৪ রানের ইনিংসটির জন্য ম্যান অব দ্য ম্যাচও হয়েছেন তিনি। ডেভিড ভিসা বাঁহাতি পেসার ও পেশোয়ার অধিনায়ক ওয়াহাব রিয়াজকে ১৯তম ওভারের পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে দুটি ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করে দিয়েছেন। তিন ওভারে দরকার ছিল ৩৬ রান। শেষ দুই ওভারে প্রয়োজনীয় ২০ রান তারা তুলে নেন দ্বিতীয় শেষ ওভারেই।

টসজয়ী লাহোরের ইনিংসের গোড়াপত্তনে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল ভালোই শুরু করেছিলেন। অন্তত বোঝাতে পেরেছেন যে ছন্দে আছেন। ১০ বলে ১৮ রান করে সাকিব মাহমুদের বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে দুটি চার ও সাকিবকেই ফ্লিক করে ফাইন লেগের ওপর দিয়ে একমাত্র ছক্কাটি মেরেছেন তামিম। সাকিব মাহমুদ প্রথম তিনটি উইকেট তুলে নিলেও সবচেয়ে খরুচে বোলারও তিনি, চার ওভারে দিয়েছেন ৪১ রান।

পঞ্চমবারের প্রচেষ্টায় পাকিস্তান সুপার লিগের প্লে-অফে ওঠা লাহোর ফাইনাল থেকে আর এক পা দূরে। দলটি এবার প্রথমে ব্যাট করেও জিতছে, রান তাড়া করেও জিতছে। শনিবার দ্বিতীয় পিএসএলের চ্যাম্পিয়ন পেশোয়ারের ১৭০ রান সহজেই তাড়া করলো। পেশোয়ারের বিদায়ে একটি বিষয় এবার নিশ্চিত যে  নতুন চ্যাম্পিয়ন পাচ্ছে পিএসএল। টুর্নামেন্টে টিকে থাকা কোনও দলই যে আগে শিরোপা জেতেনি!

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

পেশোয়ার : ২০ ওভারে ১৭০/৯ (মালিক ৩৯, ভিলোয়েন ৩৭, ডু প্লেসি ৩১, ইমাম-উল-হক ২৪, দিলবার ৩/৩৩, শাহীন আফ্রিদি ২/১৯, ভিসা ২/৪০) ও  লাহোর: ১৯ ওভারে ১৭১/৫ (হাফিজ ৭৪*, প্যাটেল ২০, ডাঙ্ক ২০, তামিম ১৮, সাকিব মাহমুদ ৩/৪১, ইমরান ১/১৬)

Posted by: | Posted on: November 15, 2020

শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

সনদ সর্বস্ব শিক্ষা থেকে বেরিয়ে আনন্দময় করতে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। দুপুরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শেখ রাসেল জিমনেশিয়ামের উদ্বোধন অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এর আগে শিক্ষামন্ত্রী যবিপ্রবির প্রধান ফটকস্থ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. এম আর খান মেডিক্যাল সেন্টারের সামনে একটি কৃষ্ণচূড়া বৃক্ষ রোপণ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গতানুগতিক চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে হবে। আমরা শিক্ষা ব্যবস্থায় আনন্দ নিয়ে আসতে চাই।  শিক্ষাটা হতে হবে আনন্দময়। শিক্ষার্থীরা আনন্দের মাধ্যমে শিখবে। শুধুমাত্র পড়াশোনা করাচ্ছি, পরীক্ষা দিচ্ছি, সনদ দিচ্ছি। এমনিতেই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটা পরীক্ষা নির্ভর এবং সনদ সর্বস্ব। একইসঙ্গে আনন্দহীন। সেটি প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত।’

সংখ্যায় নয়, শিক্ষায় গুণ ও মানের দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শিক্ষা ব্যবস্থায় আনন্দ নিয়ে আসতে চাই। আনন্দ নিয়ে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জন করবে। তারমধ্যে অনুসন্ধিৎসা জাগ্রত হবে। সে জ্ঞান অর্জনের আনন্দেই জ্ঞান অর্জন করবে, বাধ্য হয়ে নয়।’ শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটি খুঁজে বের করারও আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।

প্রযুক্তি হলে উন্নয়নের বাহন উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগী হতে হবে। শুধু উদ্ভাবন করলেই হবে না, এটার যেন সঠিক প্রয়োগ হয়, সেটাও আমাদের দেখতে হবে।’

যশোরের উন্নয়নে শেখ হাসিনার অবদানের কথা স্মরণ করে যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, ‘যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পস-২০১৯ এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এ জিমনেশিয়ামটি ঢাকার ইনডোর স্টেডিয়ামের সমকক্ষ।’ সরকারের কাছ থেকে যে সুবিধা পাচ্ছি তা সত্যিকারভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এ বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একার পক্ষে সেটা সম্ভব নয়। প্রয়োজন সরকারের সার্বিক সহযোগিতা। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যে অগ্রযাত্রা আজ শুরু হয়েছে, আরও সহযোগিতা পেলে আমরা অতি দ্রুত তার পূর্ণতা দিতে পারবো।’

যবিপ্রবির ডিনস কমিটির আহ্বায়ক ড. মো. নাসিম রেজার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল মজিদ, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব, পরিচালক (শরীর চর্চা শিক্ষা দফতর) ড. মোহাম্মদ তোফায়েল আহম্মেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে যশোরের জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, যশোর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোল্লা  আমীর হোসেনসহ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।