Main Menu

শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকীতে আরইউডি উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রফুল্ল চন্দ্র সরকার’র শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা

দিপু সিদ্দিকীঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র  ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক শহীদ শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রফুল্ল চন্দ্র সরকার।

শুভেচ্ছা বার্তায় উপাচার্য বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রথম পুত্র এবং দ্বিতীয় সন্তান শ্রদ্ধেয় শহীদ শেখ কামাল এর জন্মদিন একই সঙ্গে যেমন আনন্দের, তেমনই বেদনার স্মৃতিবাহী। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মানবতার বিরুদ্ধে যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল, তখন পিতা বঙ্গবন্ধু, মাতা বঙ্গমাতা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনিও নির্মমভাবে শহীদ হন। বহুমাত্রিক গুণের অধিকারী তারুণ্যের উজ্জ্বল প্রতীক শহীদ শেখ কামাল ছিলেন এই উপমহাদেশের অন্যতম সেরা ক্রীড়া সংগঠক, বাংলাদেশে আধুনিক ফুটবলের প্রবর্তক আবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা। শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অঙ্গনের সাথে যুক্ত থাকতে তিনি পছন্দ করতেন। তিনি ছায়ানটের সেতার বাদন বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান থেকে বিএ অনার্স পাস করা শহীদ শেখ কামাল পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সমাজ চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে মঞ্চনাটক আন্দোলনে প্রথম সারির সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সাথে সাথে বন্ধু শিল্পীদের নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন ‘স্পন্দন শিল্পী গোষ্ঠী’ এবং ঢাকা থিয়েটারেরও অন্যতম প্রতিষ্ঠা ছিলেন শহীদ শেখ কামাল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক শহীদ শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা'র উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রফুল্ল চন্দ্র সরকার।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক শহীদ শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রফুল্ল চন্দ্র সরকার।

তিনি বলেন,৬৯-এর গণঅভুত্থান ও ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ওয়ার কোর্সে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে মুক্তিবাহিনীতে কমিশনন্ড লাভ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল এম এ জি ওসমানির এডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উপাচার্য বলেন, শেখ কামাল ছিলেন তারুণ্যের প্রতীক। তিনি অভিনয় শিল্পী হিসেবেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাচ্যাঙ্গণে ছিলেন সুপ্রতিষ্ঠিত। শৈশব থেকেই ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, বাস্কেটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় তার ছিল প্রচন্ড ভালোবাসা, আগ্রহ ও উৎসাহ।তিনি যুব উন্নয়নের প্রতীক হয়ে হিসেবে  চিরভাস্বর হয়ে থাকবেন তারুণ্যের হৃদ্যয়ে।






Related News