Main Menu

সামরিক পরিচয় গোপনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে ৩ চীনা নাগরিক আটক

যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৫টি শহরে চীনের সেনাবাহিনীর সঙ্গে অঘোষিত সম্পর্ক রয়েছে এমন সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা দ্যা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশান (এফবিআই)। এসময় চীনের ৪ নাগরিকের বিরুদ্ধে ভিসা জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, ৩ জন চীনের সেনাবাহিনীর সদস্য। কিন্তু তারা তাদের সেই পরিচয় গোপন করে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন বলে দাবি এফবিআইয়ের।

শুক্রবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনামে উঠে আসে এ ঘটনা। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পাল্টা-পাল্টি কনস্যুলেট বন্ধ করায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দুদেশের সম্পর্ক। তবে নাগরিকদের আটকের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি চীন।

মার্কিন কৌঁসুলিদের দাবি, চীনা সামরিক বিজ্ঞানীদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকিয়ে দেওয়ার একটা পরিকল্পনা অনেক দিন ধরেই চীনের রয়েছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চীনা সামরিক বাহিনীর সদস্যরা পরিচয় গোপন করে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র অনেকদিন থেকে অভিযোগ করে আসছে চীন তাদের বিভিন্ন সাইবার স্পেসে আক্রমণ করে তথ্য হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে। মার্কিন সামরিকসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরির চেষ্টা করছে এবং বিভিন্ন দাফতরিক কার্যক্রমের উপর অবৈধ নজরদারি করছে। কিন্তু এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে চীন।

মার্কিন বিচার বিভাগ এক মন্তব্যে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৫টি শহরে পরিচয় গোপন করে চীনের সেনা সদস্যরা অবস্থান করছেন। এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের উপর বিভিন্নভাবে নজরদারি করছেন।’

এফবিআইয়ের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে মার্কিন বিচার বিভাগের মুখপাত্র জানান, ‘গবেষক হিসেবে কাজের জন্য ভিসার আবেদন করেন ৩ চায়না পিপলস লিবারেশান আর্মি (পিএলএ) সদস্য। কিন্তু তারা তাদের সামরিক পরিচয় গোপন রেখেছেন। এটি চীনের ক্ষমতাসীন সরকারের আরেকটি ষড়যন্ত্র আমাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) প্রাতিষ্ঠানিক নানা কার্যক্রম থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য।’

আটক হওয়া চীনা ৩ নাগরিক দেশটির সেনা বাহিনীর সদস্য বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানায় মার্কিন বিচার বিভাগ।

বহু দিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্র চীনের বিরুদ্ধে তাদের মেধাস্বত্ব চুরির অভিযোগ করে আসছে। ১৯৭৯ সালে দেশ দুটির মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।






Related News