রাহক সেবার মান বাড়ানো, কাজে গতি আনা ও দুর্নীতি রোধে বিদ্যুৎ খাতে দ্রুত ডিজিটালাইজেশন ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ খাতের তথ্যভাণ্ডার তৈরি ও তথ্য সংরক্ষণে এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ইআরপি) বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের আরও আন্তরিক হওয়ার তাগিদ দেন প্রতিমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নিজ বাসভবন থেকে এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং
(ইআরপি) সলিউশনের ওপর ভার্চুয়াল সভায় এসব কথা বলেন নসরুল হামিদ।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ইআরপি)
বাস্তবায়নে আরও আন্তরিক হওয়া প্রয়োজন। ইআরপি এমনভাবে করা দরকার, যাতে
সার্বিক অবস্থা সমন্বিত হয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য হাতের কাছে ড্যাশবোর্ডে পাওয়া
যায়।
গ্রাহক সেবার মান বাড়াতে ও দুর্নীতি রোধে প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির প্রয়োগ যত বাড়বে, কাজ তত সহজ হবে। দুর্নীতি কমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে, গ্রাহক সেবা নিশ্চিত হবে।
আর এক্ষেত্রে ইআরপি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি গ্রাহকদের সঙ্গে বিদ্যুৎ
খাতের আস্থা ও সম্পর্ক জোরদার করবে বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।
মাইক্রোসফট, টেকনো হেভেন ও টেকভিশনের সহযোগিতায় ইআরপি বাস্তবায়ন করছে
বিদ্যুৎ বিভাগ। এরই মধ্যে মানব সম্পদ (এইচ আর), ফিক্সড অ্যাসেট,
অ্যাকাউন্টস এবং ফিন্যান্স সিস্টেম সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে ডাটাবেজে
সংযোজন করা হয়েছে বলে বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। ভার্চুয়াল সভায়
প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, রিপোর্টিং, ভ্যারিয়েবল অ্যাসেট, ইনভেন্টরি
ম্যানেজমেন্ট ইনকর্পোরেট করা নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ খাত দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ
সেবা খাত। ৯৭ ভাগ মানুষ এখন বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায়। এত বড় সেবা খাত
সঠিকভাবে পরিচালনা করতে দ্রুত ডিজিটাল সেবা দিতে হবে।
বিদ্যুৎ বিভাগের সব দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত ইআরপি-এর আওতায় আনার তাগিদ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইআরপি সিস্টেম চালু হলে কেন্দ্রীয়ভাবেই সব মনিটর করা যাবে। তাতে বাড়বে গ্রাহকের সেবার মানও।
ভার্চুয়াল সভায় এছাড়াও অংশ নেন বিদ্যুৎ সচিব ড. সুলতান আহমেদ, বিদ্যুৎ
উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান মো. বেলায়েত হোসেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন
বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মঈন উদ্দিন এবং পাওয়ার সেলের
মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন।