Monday, June 3rd, 2019

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: June 3, 2019

সিরিয়ায় রক্তপাত ‘বন্ধ’ করুন : সিরিয়া ও রাশিয়াকে ট্রাম্প

ওয়াশিংটন,  (বাসস ডেস্ক) : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার সিরিয়ার ইদলিবে বোমা ও গোলা বর্ষণ না করার জন্য সিরিয়া ও রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
তিনি টুইটবার্তায় বলেন, ‘সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশে রাশিয়া, সিরিয়া ও ইরানের বোমা হামলায় ওই অঞ্চল নরকে পরিণত হয়েছে। তারা নির্বিচারে বেসামরিক লোককে হত্যা করছে। বিশ্ববাসী এই নির্মমতা দেখছে। কি কারণে আপনারা নিরপরাধ মানুষের রক্তপাত করছেন? এ থেকে আপনারা কি পাবেন? রক্তপাত বন্ধ করুন!’
রাষ্ট্রীয় সফরে ব্রিটেনের উদ্দেশে দেশত্যাগের আগে টুইট বার্তায় তিনি একথা বলেন।
সিরিয়ার উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ও রক্তপাতের ঘটনায় সিরিয়ার এনজিওগুলোর এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তা ও উদাসিনতার সমালোচনার পর তার এই মন্তব্যটি এলো।
ইস্তাম্বুলে এনজিওগুলো এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, সম্প্রতি সিরিয়া ও রাশিয়া বাহিনীর ব্যাপক বোমা হামলায় দেশটির উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে বহু বেসামরিক লোক হতাহত হয়েছে এবং প্রাণ রক্ষার্থে ৩ লাখ লোক বাড়িঘর ছেড়ে তুরস্কের সীমানার দিকে পালিয়ে গেছে।

Posted by: | Posted on: June 3, 2019

ফিনল্যান্ডের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী

জেদ্দা (সৌদি আরব), (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরবে সরকারি সফর শেষে আজ সকালে ফিনল্যান্ডের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন। ত্রিদেশীয় সফরের শেষ ভাগে তিনি ফিনল্যান্ড সফর করবেন।
স্থানীয় সময় রাত ১টা ৩০ মিনিটে জেদ্দার বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্র্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে লুফতানসা এয়ারের একটি বিমান ফিনল্যান্ডের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়।
জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় চারঘন্টার যাত্রাবিরতির পর আজ স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় বিমানটির ফিনল্যান্ডের হেলসিনকি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।
ফিনল্যান্ডে সফরকালে শেখ হাসিনা ৪ জুন দেশটির প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তোর সাথে বৈঠক করবেন।
৭ জুন বিকেলে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশ্যে ফিনল্যান্ড ত্যাগ করবেন। পরের দিন তিনি ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে ২৮ মে প্রধানমন্ত্রী টোকিও’র উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। জাপান, সৌদি আরব ও ফিনল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সফরের প্রথমভাগে তিনি জাপান সফর করেন।
শেখ হাসিনার চার দিনের জাপান সফরকালে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে দু’দেশের মধ্যে ২.৫ বিলিয়ন ডলারের ৪০তম অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিসটেন্স (ওডিএ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জাপানে ‘দ্য ফিউচার অব এশিয়া’ শীর্ষক নিক্কেই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, তার সম্মানে আয়োজিত একটি অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং জাপানের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে একটি ভোজসভায় অংশ নেন।
এছাড়াও এ সফরকালে হলি আর্টিজেনের ঘটনায় নিহত জাপানী নাগরিকদের পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন।
জাইকার সভাপতি শিনিচি কিতাওকা পৃথকভাবে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন।
৩১ মে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরবের উদ্দেশে জাপান ত্যাগ করেন। তিনি মক্কায় ১৪তম ওআইসি শীর্ষ সম্মেলন ২০১৯ তে অংশ নেন।
তিনদিনের সৌদি আরব সফরকালে প্রধানমন্ত্রী মক্কায় ওআইসি ইসলামিক শীর্ষ সম্মেলনের ১৪তম অধিবেশনে যোগ দেন, পবিত্র উমরা পালন করেন এবং মদিনায় মহানবী হজরত মুহম্মদ সা. এর রওজা মুবারক জিয়ারত করেন।

Posted by: | Posted on: June 3, 2019

দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে স্বপ্নের জয়ে বিশ্বকাপ শুরু করলো বাংলাদেশের

মেহেদী মাসুদঃ


হাই স্কোরিং ম্যাচ এবং রেকর্ডের পর রেকর্ড করে এক অবিশ্বাস্য জয় দিয়ে দ্বাদশ বিশ্বকাপ শুরু করল বাংলাদেশ।  গতকাল রবিবার ইংল্যান্ডের কেনিংটন ওভালে শক্তিশালী দক্ষিন আফ্রিকাকে ২১ রানের ব্যবধানে পরাজিত করে  নিজেদের প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিল টাইগার বাহিনী। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবার নিয়ে দুইবার দক্ষিন আফ্রিকাকে পরাজিত করল বাংলাদেশ। এই জয় ১৬ কোটি মানুষকে ঈদের উপহার দিল টাইগার দলপতি সংসদ সদস্য মাশ্রাফি বিন মর্তুজা।


কেনিংটন ওভালের রৌদ্রজ্জল আবহাওয়াতে টস হেরে প্রথমে  ব্যাট করতে মাঠে নামে বাংলাদেশ। ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৩০ রানের পাহাড় সমান রান করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।  যথারীতি বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার দলের ইনিংস শুরু করেন। খেলার শুরু থেকে বেশ দেখেশুনেই খেলতে থাকেন দু’জন।  প্রথম ৪ ওভারে ১৪ রান পায় বাংলাদেশ। এই ১৪ রানের মধ্যে মাত্র একটি বাউন্ডারি ছিলো টাইগারদের।
তবে উইকেটের সাথে সেট হতে খুব বেশি সময় নেননি সৌম্য। পঞ্চম ওভারে ৩টি চারে নিজের আত্মবিশ্বাসী রুপ ফুটিয়ে তুলেন তিনি। সৌম্যকে দেখে নিজেকে গুটিয়ে রাখতে পারেননি অন্যপ্রান্তে থাকা তামিম। পরের ওভারে নিজের প্রথম বাউন্ডারি হাকান এই বাঁ-হাতি। এরপর আর থেমে থাকেনি বাংলাদেশের রান তোলার গতি। কারন মারমুখী মেজাজ দেখান সৌম্য। ৭ ওভারেই ৫০ রান পেয়ে যায় বাংলাদেশ।
তবে নবম ওভারে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটিকে বিচ্ছিন্ন করে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার আন্দিল ফেলুকুয়াও। ২টি চারে ২৯ বলে ১৬ রান করা তামিমকে থামান ফেলুকুয়াও। কিছুক্ষন বাদে আউট হন সৌম্যও। দুর্দান্ত শুরু করা সৌম্য এবার হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নিতে ব্যর্থ হন। ৯টি চারে ৩০ বলে ৪২ রান করেন সৌম্য।
৭৫ রানের মধ্যে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর বাংলাদেশের হাল ধরেন বাংলাদেশের তিন ও চার নম্বর ব্যাটসম্যান যথাক্রমে সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। দু’জনের ব্যাটিং ভেল্কিতে লাইন-লেন্থহীন হয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং। অবলীলায় বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডকে ভারী করতে থাকেন সাকিব-মুশফিক।
১৬ ওভারে ১০০, ২৪ ওভারে ১৫০ ও ৩২ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২০০ রানে নিয়ে যান সাকিব-মুশফিক। ততক্ষনে দু’জনই তুলে নেন হাফ-সেঞ্চুরি। সাকিব ৪৩ ও মুশফিক ৩৪তম হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন। দু’জনের ব্যাটিং নৈপুন্য আভাস দিচ্ছিলো- দু’টি সেঞ্চুরির। কিন্তু ৩৩তম ওভারে ভেঙ্গে যায় সাকিব-মুশফিক দুর্দান্ত জুটিটি। দক্ষিণ আফ্রিকার লেগ-স্পিনার ইমরান তাহির থামিয়ে দেন সাকিবকে। সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন সাকিব। ৮টি চার ও ১টি ছক্কায় ৮৪ বলে ৭৫ রান করেন সাকিব। তৃতীয় উইকেটে ১৪১ বলে ১৪২ রান যোগ করেন সাকিব-মুশকিক। বিশ্বকাপে যেটি ছিল বাংলাদেশের রেকর্ড জুটি।
সাকিব ব্যর্থ হলেও, মুশফিকের সেঞ্চুরি দেখার অপেক্ষায় ছিলো বাংলাদেশ। কিন্তু তিনিও ব্যর্থ হন। ৮টি চারে ৮০ বলে ৭৮ রান করেন মুশি। মুশফিক ফিরে যাবার আগে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন পাঁচ নম্বরে নামা মোহাম্মদ মিথুন। মারমুখী মেজাজে শুরু করা মিথুন ২১ বলে করেন ২১ রান। তার ছোট্ট ইনিংসে ছিলে ২টি চার ও ১টি ছক্কা।
দলীয় ২৫০ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তখন ইনিংসের ৪৭ বল বাকী ছিলো। এ অবস্থায় বাংলাদেশের ক্রিকেপপ্রেমিদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছিলো, লাল-সবুজের দল কি- ৩শ রানের কোটা স্পর্শ করতে পারবে??
আর এটি নির্ভর করছিলো বাংলাদেশের মিডল-অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের উপর। ষষ্ঠ উইকেটে মোসাদ্দেক হোসেনকে নিয়ে ভয়ংকর রুপ নেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের উপর চড়াও হন দু’জন। ফলে ৪৮তম ওভারেই ৩শ রান পেয়ে যায় বাংলাদেশ। ৪৯তম ওভারের শেষ বলে আউট হন মোসাদ্দেক। মাহমুদুল্লাহ’র সাথে ষষ্ঠ উইকেটে মাত্র ৪১ বলে ৬৬ রান যোগ করেন আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ২৭ বলে অপরাজিত ৫২ রান করা মোসাদ্দেক। এবার মোসাদ্দেক করেন ২০ বলে ৪টি চারে ২৬ রান।
আট নম্বরে নামা মেহেদি হাসান মিরাজকে নিয়ে পরবর্তীতে ইনিংস শেষ করেন মাহমুদুল্লাহ। মাহমুদুল্লাহ’র ৩৩ বলে অপরাজিত ৪৬ রানের সুবাদে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৩০ রানের বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। মাহমুদুল্লাহর ইনিংসে ৩টি চার ও ১টি ছক্কা ছিলো। মিরাজ ৩ বলে ৫ রানে অপরাজিত থাকেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ফেলুকুওয়াও-ক্রিস মরিস ও তাহির ২টি করে উইকেট নেন।
জয়ের জন্য ৩৩১ রানের টার্গেটে ভালো শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকাও। ৫৮ বল মোকাবেলা করে উদ্বোধনী জুটিতে ৪৯ রান জড়ো করেন প্রোটিয়া দুই ওপেনার কুইন্ট ডি কক ও আইডেন মার্করাম। বাংলাদেশকে প্রথম ব্রেক-থ্রু এনে দেন দলের উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিম। তার বুদ্ধিমত্তায় রান আউটের ফাঁেদ পড়েন ৩২ বলে ২৩ রান করা ডি কক।
এরপর ইনিংস মেরামতের কাজ করেন আরেক ওপেনার মার্করাম ও অধিনায়ক ডু-প্লেসিস। তাতে শতরানের কোটায় পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। বড় হতে থাকা জুটিটিকে দলীয় ১০২ রানে থামিয়ে দেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব। মার্করামকে ব্যক্তিগত ৪৫ রানে বোল্ড করেন তিনি। এই উইকেট নিয়ে ওয়ানডেতে ২৫০তম শিকার পূর্ণ করেন সাকিব। যার মাধ্যমে সবচেয়ে কম ম্যাচ খেলে ৫ হাজার রানের পাশাপাশি ২৫০ উইকেট শিকারের বিশ্বরেকর্ড গড়েন সাকিব। আজ নিজের ১৯৯তম ম্যাচ খেলতে নামেন সাকিব।
মার্করামকে হারালেও, নিজের মারমুখী মেজাজ ধরে রাখা ডু-প্লেসিস ৪৪ বলে হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন। বাংলাদেশের স্পিনার মোসাদ্দেককে ছক্কা মেরে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করা ডু-প্লেসিস হাফ-সেঞ্চুরির পরও নিজের ইনিংস বড় করছিলেন। অন্যপ্রান্তে তাকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন ডেভিড মিলার। এ অবস্থায় ইনিংসের ২৭তম ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা শিবিরে আঘাত হানেন বাংলাদেশের স্পিনার মিরাজ। ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫৩ বলে ৬২ রান করা ডু-প্লেসিসকে বোল্ড করেন মিরাজ। খেলায় ফেরে বাংলাদেশ।
কিন্তু চতুর্থ উইকেটে জুটি গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আবারো খেলায় ফেরান মিলার ও পাঁচ নম্বরে নামা ভ্যান ডার ডুসেন। আস্কিং রেট বেড়ে যাওয়ায় দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন তারা। তাতে দু’শতে পৌছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ। এ অবস্থায় ম্যাচে ফিরতে ব্রেক-থ্রুর প্রয়োজন পড়ে বাংলাদেশের। আর সেই কাজটিই করেন বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। মারমুখী ব্যাটসম্যান মিলারকে বিদায় দেন ফিজ। পয়েন্টে মিরাজকে ক্যাচ দিয়ে ৩৮ রানে থেমে যান মিলার। ডুসেনের সাথে ৫১ বলে ৫৫ রানের জুটি গড়েন মিলার।
মিলার- ডুসেন জুটি ভেঙ্গে চাঙ্গা হয়ে উঠে বাংলাদেশ। সেই চাঙ্গাভাবটা বেশি প্রভাব ফেলে মিডিয়াম পেসার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের উপর। উইকেটের সাথে দারুনভাবে সেট হয়ে যাওয়া ডুসেন ও সাত নম্বরে নামা ফেলুকুওয়াও’কে দলীয় ২৫২ রানের মধ্যে ফিরিয়ে দেন সাইফউদ্দিন। ডুসেন ৩৮ বলে ৪১ ও ফেলুকুওয়াও ৮ রান করে সাইফউদ্দিনের শিকার হন। এ অবস্থায় ৪ উইকেট হাতে নিয়ে ৪৩ বলে ৭৯ রান দরকার পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার। কাজটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব পেয়েছিলেন স্বীকৃত ব্যাটসম্যান ডুমিনি ও বোলিং অলরাউন্ডার ক্রিস মরিস।
মারমখী মেজাজেই রান তুলছিলেন ডুমিনি ও মরিস। কিন্তু বেশি দূর এগোতে পারেননি তারা। ১০ বলে ১০ রান করা মরিসকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ। অষ্টম ওভারে মরিসকে শিকারের পর, নিজের নবম ওভারের প্রথম বলে দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ ভরসার ডুমিনির বিদায় নিশ্চিত করেন ফিজ। তাতে ২৮৭ রানে অষ্টম উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা। পুরোপুরিভাবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রন নিয়ে নেয় বাংলাদেশ। ডুমিনি ৩৭ বলে ৪৫ রান করেন। শেষ পর্যন্ত পুরো ৫০ ওভার খেলে ৮ উইকেটে ৩০৯ রান করে ম্যাচ হারে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর ৩টি ও সাইফউদ্দিন ২টি উইকেট নেন।
স্কোর কার্ড :
বাংলাদেশ ইনিংস :
তামিম ইকবাল ক ডি কক ব ফেলুকুওয়াও ১৬
সৌম্য সরকার ক ডি কক ব মরিস ৪২
সাকিব আল হাসান বোল্ড ব তাহির ৭৫
মুশফিকুর রহিম ক ডুসেন ব ফেলুকুওয়াও ৭৮
মোহাম্মদ মিথুন বোল্ড ব তাহির ২১
মাহমুদুল্লাহ অপরাজিত ৪৬
মোসাদ্দেক হোসেন ক ফেলুকুওয়াও ব মরিস ২৬
মেহেদি হাসান মিরাজ অপরাজিত ৫
অতিরিক্ত (লে বা-৯, ও-১২) ২১
মোট (৬ উইকেট, ৫০ ওভার) ৩৩০
উইকেট পতন : ১/৬০ (তামিম), ২/৭৫ (সৌম্য), ৩/২১৭ (সাকিব), ৪/২৪২ (মিঠুন), ৫/২৫০ (মুশফিকুর), ৬/৩১৬ (মোসাদ্দেক)।
দক্ষিণ আফ্রিকা বোলিং :
এনগিডি : ৪-০-৩৪-০,
রাবাদা : ১০-০-৫৭-০ (ও-৩),
ফেলুকুওয়াও : ১০-১-৫২-২ (ও-৩),
মরিস : ১০-০-৭৩-২ (ও-২),
মার্করাম : ৫-০-৩৮-০,
তাহির : ১০-০-৫৭-২,
ডুমিনি : ১-০-১০-০,
দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংস :
কুইন্টন ডি কক রান আউট (মুশফিক) ২৩
আইডেন মার্করাম বোল্ড ব সাকিব ৪৫
ফাফ ডু-প্লেসিস বোল্ড ব মিরাজ ৬২
ডেভিড মিলার ক মিরাজ ব মুস্তাফিজ ৩৮
ভ্যান ডার ডুসেন বোল্ড সাইফউদ্দিন ৪১
ডুমিনি বোল্ড ব মুস্তাফিজুর ৪৫
ফেলুকুওয়াও ক সাকিব ব সাইফউদ্দিন ৮
মরিস ক সৌম্য ব মুস্তাফিজুর ১০
রাবাদা অপরাজিত ১৩
তাহির অপরাজিত ১০
অতিরিক্ত (বা-৪, নো-১, ও-৯) ১৪
মোট (৮ উইকেট, ৫০ ওভার) ৩০৯
উইকেট পতন : ১/৪৯ (ডি কক), ২/১০২ (মার্করাম), ৩/১৪৭ (ডু-প্লেসিস), ৪/২০২ (মিলার), ৫/২২৮ (ডুসেন), ৬/২৫২ (ফেলুকুয়াও), ৭/২৭৫ (মরিস), ৮/২৮৭ (ডুমিনি)।
বাংলাদেশ বোলিং :
মুস্তাফিজ : ১০-০-৬৭-৩ (ও-২),
মিরাজ : ১০-১-৪৪-১,
সাইফউদ্দিন : ৮-১-৫৭-২ (ও-২, নো-১)।
সাকিব : ১০-০-৫০-১।
মাশরাফি : ৬-০-৪৯-০।
মোসাদ্দেক : ৬-০-৩৮-০ (ও-১)।
ফল : বাংলাদেশ ২১ রানে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : সাকিব আল হাসান(বাংলাদেশ)।