Saturday, April 27th, 2019

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: April 27, 2019

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

(বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) মো. জয়নাল আবেদিন বাসসকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন বিষয় বিশেষ করে তাঁর সাম্প্রতিক ব্রুনাই সফর সম্পর্কে আলোচনা করেন।
তিনি জানান, সরকার প্রধান তাঁর তিন দিনের (২১-২৩ এপ্রিল) ব্রুনাই সফরের ফলাফল সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী ব্রুনাইয়ের সুলতান হাজি হাসানাল বলকিয়ার আমন্ত্রণে তাঁর তিন দিনের সরকারি সফর শেষে মঙ্গলবার সকালে ব্রুনাই থেকে দেশে ফিরেন।
তাঁর (হাসিনার) সে দেশে অবস্থান, পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ব্রুনাইয়ের মধ্যে সম্পাদিত কৃষি, মৎস্য, পশু সম্পদ, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া এবং এলএনজি সরবরাহসহ ৭টি চুক্তির বিষয়ে রাষ্ট্রপ্রধানকে অবহিত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ব্রুনাই সফরকালে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ব্রুনাইয়ের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এবং ব্রুনাই চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গেও অনেকগুলো বৈঠক করেন।
শেখ হাসিনা জানান, কেবাংগাসানে কূটনৈতিক জোনে বাংলাদেশ হাই কমিশনের নতুন চ্যানসেরি ভবনের ভিত্তি প্রস্তরও স্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফর সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে, এই সফর দু’দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরো বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
এ সময় তারা একে অপরের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন।
প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যা ৬টা ২৩ মিনিটে বঙ্গভবনে পৌঁছেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি ফুলের তোড়া দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীও রাষ্ট্রপতিকে একটি ফুলের তোড়া উপহার দেন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Posted by: | Posted on: April 27, 2019

সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন : প্রধানমন্ত্রী

(বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি ও মাদককে সমাজের একেকটি ক্ষত আখ্যা দিয়ে এসবের বিরুদ্ধে সকলকে একযোগে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতি সমাজের এক-একটি ক্ষত। কারণ এই সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের কারণেই কত নিরীহ মানুষকে আজকে জীবন দিতে হচ্ছে। এর থেকে আমাদের সমাজকে মুক্ত রাখতে হবে, দেশকে মুক্ত রাখতে হবে।
‘কাজেই আমি আমাদের অভিভাবক, পিতা-মাতা, শিক্ষক, গুরুজন, আত্মীয়-স্বজন, মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, ওলামা-মাশায়েখ, জনপ্রতিনিধিসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার এবং জনমত সৃষ্টি ও সকলকে সচেতন করার অহবান জানাচ্ছি ,’যোগ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ ২০১৯ এর সমাপনী এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা ও শরীর চর্চার মধ্যদিয়ে আমাদের ছেলে-মেয়েরা যেমন শারীরিক ও মানসিক শক্তি পাবে তেমনি মেধা বিকাশেরও সুযোগ পাবে। সে কারণেই আমরা এই উদ্যোগটা নিয়েছি। আর এরপরেই অদূর ভবিষ্যতে আমরা আন্তঃকলেজ প্রতিযোগিতাও শুরু করবো।
তিনি আশা প্রকাশ করেন এই আন্তঃস্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতাগুলো থেকে অসেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় বের হয়ে আসবে যারা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাঁদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে দেশের জন্য একদিন বিশ্বকাপও জয় করে নিয়ে আসবে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় মাসবাপী এই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ৬৫টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০০ জন ক্রীড়াবিদ এতে অংশগ্রহণ করে।
তাঁরা ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস, সাঁতার, বাস্কেটবল হ্যান্ডবল ও এ্যাথলেটিকস সহ মোট ১০টি ইভেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন এবং বলেছিলেন আমাদের আজকের তরুণ এবং যুব সমাজই হবে সোনার বাংলাদেশ গড়ার সোনার ছেলে-মেয়ে। কাজেই সেই সোনার ছেলে-মেয়েরা আমাদের দেশে গড়ে উঠবে এবং দেশকে আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
তিনি এ সময় ’৭৫ এ জাতির পিতাকে হত্যার পর বাঙালি জাতির হৃত গৌরব পুনরায় ফিরে পাবার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, ভবিষ্য্যতেও বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে এবং বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে চলবে।
খেলাধুলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খেলাধুলায় হার-জিত থাকবেই। এতে মন খারাপ করার কিছু নেই। আজ হারলে কাল জিতব এই কথা মনে রাখতে হবে। জাতির পিতা নিজেকে সেভাবেই গড়ে তুলেছিলেন, সবক্ষেত্রেই ‘হার না মানা’ একটি মনোভাব ছিল তার। যে কারণে মহান মুক্তিযুদ্ধে আমরা বিজয় অর্জন করেছিলাম।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমার দাদা ফুটবল খেলতেন। বাবাও ফুটবল খেলতেন। আমার দুই ভাই, শেখ কামাল ও শেখ জামাল তারা দুজনেই খেলাধুলা পছন্দ করত। কামালের স্ত্রী সুলতানা খেলোয়াড় হিসেবেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ব্ল­ু’ ছিল। জামালের স্ত্রীও খেলাধুলায় ছিল। আমাদের পুরো পরিবারই খেলাধুলায় সম্পৃক্ত ছিলাম।’
তিনি এ সময় দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে শেখ কামালের আবাহনী ক্রীড়া চক্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
খেলাধুলার উন্নয়নে তার সরকারের বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্য খাতের মতো খেলাধুলাতেও নজর দিই। তবে ওই মেয়াদে অনেক কাজ আমরা শুরু করেও শেষ করতে পারিনি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর আমরা আবার সেগুলো শেষ করেছি।’
এসময় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন ও রানার-আপ বিশ্ববিদ্যালয়কে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বাকি দলগুলোকেও তিনি ধন্যবাদ জানান।
এরআগে প্রধানমন্ত্রী প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে ট্রফি বিতরণ করেন।
তিনি এদিন গণবিশ্ববিদ্যালয় ও ফারইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফুটবল ফাইনালের দ্বিতীয়ার্ধের খেলা গেলারিতে উপস্থিত থেকে উপভোগ করেন।
নির্ধারিত সময় ১-১ গোলে অমীমাংসীত থাকার পর টাই-ব্রেকারের সাডেন ডেথএ গণবিশ্ববিদ্যালয় ৫-৪ গোলে ফারইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়কে পরাজিত করে শিরোপা জয় করে।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোটর্স চ্যাম্পিয়নশীপে ২০১৯ সালের চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উজ্জ্বল জন্দ্র সুত্রধর প্রতিযোগিতার শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় (পুরুষ) এবং ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী তামান্না আক্তার শ্রেষ্ঠ খোলোয়াড় মহিলা হবার কৃতিত্ব অর্জন করেন।

Posted by: | Posted on: April 27, 2019

যুদ্ধাপরাধে এবার ৩৮তম রায় যে কোন দিন, আপিলেও দুই মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায়

(বাসস) : মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধে এবার ৩৮তম রায় যে কোন দিন ঘোষণা করা হবে।
এছাড়াও ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদন্ডের রায়ের বিরুদ্ধে দুই আসামীর আপিল মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচারে গঠিত ট্রাইব্যুনালে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা (আর পি সাহা) ও তার ছেলে হত্যাকান্ডসহ তিনটি গণহত্যার অভিযোগে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার রায় যে কোন দিন ঘোষণা করা হবে।
মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল গত ২৪ এপ্রিল এ আদেশ দেয়। এটি হবে ট্রাইব্যুনালের ৩৮তম রায়।
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত। গত বছর ২৮ মার্চ এ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজার আর্জি পেশ করে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেছে প্রসিকিউশন।
রণদা প্রসাদ সাহার পৈত্রিক নিবাস ছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে। সেখানে তিনি একাধিক শিক্ষা ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এক সময় নারায়ণগঞ্জে পাটের ব্যবসা করেন রণদা প্রসাদ সাহা। থাকতেন নারায়ণগঞ্জের খানপুরের সিরাজদিখানে। সে বাড়ি থেকেই তাকে, তার ছেলে ও অন্যান্যদের ধরে নিয়ে যায় আসামি মাহবুবুর রহমান ও তার সহযোগীরা।
ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষিত মামলার মধ্যে সুপ্রিমকোর্টে আপিলে ৭টি মামলা এ পর্যন্ত নিস্পত্তি হয়েছে। চুড়ান্ত রায় শেষে ৬ আসামীর মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে।
এদিকে যুদ্ধাপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদন্ডের বিরুদ্ধে আনা জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম ও জাতীয় পার্টির (জাপা) সাবেক নেতা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মো. কায়সার আপিল শুনানির জন্য আগামী ১৮ জুন দিন ধার্য করেছে আপিল বিভাগ। গত ১০ এপ্রিল এ আদেশ দেয় সর্বোচ্চ আদালত।
আপিলে চুড়ান্ত ছয়টি রায়ের পর জামায়াতের প্রাক্তন আমীর মতিউর রহমান নিজামী ও সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, প্রাক্তন দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লা ও মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, জামায়াতের প্রাক্তন নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলী এবং বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। আপিল ও আপিল রিভিউ’র আরেক রায়ে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সাজা মৃত্যুদন্ড কমিয়ে আমৃত্যু কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

Posted by: | Posted on: April 27, 2019

ডিজিটাল ল্যাব চালু হলে সময় ও উৎপাদন খরচ কমবে : কৃষি সচিব

(বাসস) : ডিজিটাল ল্যাব চালু হলে জনগণের সময় ও ব্যয় কমবে। কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পাবে ও কৃষকরা ঠকবেন না।
আজ ‘ডিজিটাল সার্ভিস ডিজাইন ল্যাব’ শীর্ষক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান এসব কথা বলেন।
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) গাজীপুরে এ টু আই ও তথ্য প্রযুক্তি এবং যোগযোগ বিভাগ আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন নাটার মহাপরিচালক ড. মোঃ আঃ ছালাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মুঈদ, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর ও কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ।
ডিজিটাল সার্ভিস ডিজাইন ল্যাব সম্পর্কিত উপস্থাপন করেন এ টু আইয়ের চীফ স্ট্যাটিজিস্ট ফরহাদ জাহিদ শেখ।
মো. নাসিরুজ্জামান বলেন, সরকার যখন রুপকল্প ২০২১ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা করলো, তখন বিষয়টিকে সবাই নেতিবাচক হিসেবে ধরে নিয়েছিল। যারা বলেছিল এটি কখনো অর্জন সম্ভব নয়। কিন্তু বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশ কল্পনা নয়, বাস্তবতা। যার সুফল দেশবাসী পাচ্ছে। তিনি বলেন, নতুন লক্ষ্য হচ্ছে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ।
তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের ডিজাইনকৃত ৯টি ডিজিটাল সার্ভিস দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য দিক-নিদের্শনা দেন এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের নতুন ধানের জাত ব্রি ৮৯ এর মাঠ পরিদর্শন করেন।
২৩ এপ্রিল শুরু হওয়া এ প্রশিক্ষণে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ৪৪ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

Posted by: | Posted on: April 27, 2019

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে শিল্পকলা একাডেমির ব্যাপক আয়োজন

(বাসস) : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের লক্ষ্যে বছরব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, নাটক, সেমিনার, আর্টক্যাম্প, তথ্যচিত্র নির্মাণ, চলচ্চিত্র নির্মাণ, নৃত্যনাট্য, কোরিওগ্রাফি, যাত্রাপালা, ভাস্কর্য নির্মাণ ও ৬৪ জেলায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর উৎসব আয়োজন।
শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে একাডেমির মহাপরিচালক ও নাট্যজন লিয়াকত আলী লাকী আজ বাসসকে এ সব তথ্য জানান।
তিনি জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে স্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশে সংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বছরব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হবে। এই সব কর্মসূচির প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তিনি জানান, বেশির ভাগ কর্মসূচি সংস্কৃতি বিষয়ে নতুন নতুন সৃষ্টিশীল কাজের মাধ্যমে পালিত হবে।
একাডেমি থেকে বাসসকে জানান হয় , স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের লক্ষ্যে একাডেমির পক্ষ থেকে সৃজনশীল কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দেশের ৫০টি বধ্যভূমিতে পরিবেশ থিয়েটার নির্মাণ, ১০০টি শিশু নাটক নির্মাণ, যুব নাটক নির্মাণ, বড়দের নাটক নির্মাণ, ১টি পূর্ণদৈর্ঘ চলচ্চিত্র নির্মাণ, ৫টি স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র নির্মাণ, ৫টি তথ্যচিত্র নির্মাণ, শিল্পকর্ম নিয়ে এ্যালবাম প্রকাশ, ১০০টি পারফরমেন্স আর্ট নির্মাণ , ২টি নৃত্যনাট্য নির্মাণ এবং দেশব্যাপী আর্টক্যাম্প আয়োজন করা হবে।
লাকী জানান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ সব কর্মসূচির মধ্যে বেশ কিছু কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। একাডেমির প্রায় সব বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারাীদের সাথে সমন্বয় করে ইতিমধ্যে কাজগুলো বাস্তবায়নের পরিকল্পনার পাশপাশি অন্যান্য কাজ এগিয়ে চলছে।