Wednesday, February 13th, 2019

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: February 13, 2019

ঐক্যফ্রন্টের সংসদ বর্জনের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ভুল : প্রধানমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ (বাসস) : বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংসদ বর্জনের সিদ্ধান্তকে ‘রাজনৈতিকভাবে ভুল’ আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের প্রতি জাতীয় সংসদে যোগদানের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
তিনি আজ জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘যারা জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তাদের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে তারা জাতীয় সংসদে আসবেন এবং এখানে কথা বলবেন। আজ এটি তাদের কাছ থেকে আশা করি।’
সংসদ নেতা বলেন, যদি তারা সংসদে আসেন তাহলে তারা এখানে কথা বলার সুযোগ পাবেন।
এ সুযোগ শুধু জাতীয় সংসদে সীমাবদ্ধ থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের কার্যক্রম সংসদ টেলিভিশনসহ গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত হওয়ায় জনগণ তাদের কথা শুনতে পাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে যারা কম আসন পেয়েছেন তারা অভিমান করে সংসদে আসছেন না। ‘আমি মনে করি তারা রাজনৈতিকভাবে একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
শেখ হাসিনা বলেন, ভোটের মালিক জনগণ। তারা তাদের পছন্দ মতো ভোট দেবেন এবং সেভাবেই দিয়েছেন।
৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে গড় তুলতে কাজ করবে। তাই নির্বাচনের আগে আমি সকল রাজনৈতিক দলকে একটি সংলাপে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম যাতে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরে একটি সুন্দর পরিবেশে সে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
গত সাধারণ নির্বাচনে তাঁর দলের নিরঙ্কুশ বিজয় প্রসঙ্গে সংসদ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের গত দশ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে জনগণ তার সুফল পেয়েছে। ‘উন্নয়নের সুফল পাওয়ার কারণে তারা অনেক আগেই সিদ্ধান্ত নেন যে তারা নৌকায় ভোট দেবেন এবং তারা আমাদের ভোট দিয়েছেন।’
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে উন্নত সমৃদ্ধ শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে তাঁর সংকল্প ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, ‘আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন দেশের অব্যাহত উন্নয়নও অগ্রগতির জন্য কাজ করে যাবে ইনশাআল্লাহ।’
শেখ হাসিনা বলেন, আগামী দিনগুলোতে একটি স্বাধীন ও আত্মমর্যাদাবান দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত দশ বছরের বিভিন্ন আর্থ-সমাজিক উন্নয়নসূচকে আওয়ামী লীগ সরকারের নজিরবিহীন সাফল্য বাংলাদেশকে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তিনি বলেন, ‘এটি সম্ভব হয়েছে আমাদের জনগণ বান্ধব নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি জনগণের কঠোর পরিশ্রম ও সহযোগিতার কারণে। এ জন্যে আমি দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’
শেখ হাসিনা সংসদকে অবহিত করেন যে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন এবং চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় এ পর্যন্ত মোট ৯৭টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান তাঁকে তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।

Posted by: | Posted on: February 13, 2019

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ের প্রথম ধাপের কাজ শেষ হবে আগামী জুন মাসে : ওবায়দুল কাদের

(বাসস) : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’র প্রথম ধাপ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বনানী রেল স্টেশন পর্যন্ত আগামী জুন মাসে শেষ হবে।
তিনি বলেন, দ্বিতীয় ধাপ বনানী রেল স্টেশন থেকে মগবাজার রেল ক্রসিং পর্যন্ত আগামী বছরের জুলাই মাসে এবং শেষ ধাপ মগবাজার রেল ক্রসিং থেকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সম্পন্ন হবে।
ওবায়দুল কাদের আজ সকালে রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন কাওলায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের কাজ শেষ হলে উড়াল সড়কটির আংশিক শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মগবাজার রেল ক্রসিং পর্যন্ত যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
তিনি বলেন, এ পর্যন্ত প্রথম ধাপের অগ্রগতি শতকরা ৫০ ভাগ এবং প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ২০ ভাগ। ১৩০৪টি পাইল, ২৮০টি পাইল ক্যাপ, ৬২টি ক্রস-বিম, কলাম ১৬৩টি (সম্পূর্ণ) ও ৮৪টি (আংশিক) এবং ১৮৬টি আই গার্ডার নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও ২ টি স্প্যন আই গার্ডার স্থাপনের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
উল্লেখ্য, আট হাজার নয়শত চল্লিশ কোটি আঠারো লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন প্রায় ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালীতে মিলিত হবে।
পরিদর্শনকালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের পরিচালক এ এইচ এম শাখাওয়াত আকতার এবং বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ইটালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট পাবলিক কোম্পানি লিমিটেড’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক সাকসিথ সোয়ানাগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Posted by: | Posted on: February 13, 2019

গাপটিলের সেঞ্চুরিতে নিউজিল্যান্ডের বড় জয়

নেপিয়ার, বাসস : ওপেনার মার্টিন গাপটিলের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ জয় দিয়ে শুরু করলো স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। আজ সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে হারিয়েছে টাইগারদের। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৪৮ দশমিক ৫ ওভারে ২৩২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে গাপটিলের অপরাজিত ১১৭ রানের সুবাদে ৩৩ বল বাকি রেখেই ম্যাচ জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড।
নেপিয়ারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। বল হাতে পেয়েই বাংলাদেশের টপ-অর্ডারকে চাপে ফেলে দেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনিং পেস বোলার ম্যাট হেনরি ও ট্রেন্ট বোল্ট। ৪২ রানের মধ্যে বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল-লিটন দাস, তিন নম্বরে নামা সৌম্য সরকার ও চার নম্বরে নামা মুশফিকুর রহিমকে বিদায় দেন হেনরি ও বোল্ট।
তামিম-মুশফিক নামের পাশে ৫ রান রেখে বোল্টের শিকার হন। লিটন ১ ও সৌম্য ৩০ রান করে হেনরির বলে আউট হন। ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় দারুনভাবে নিজের ইনিংসের শুরু করেছিলেন সৌম্য। কিন্তু ভালো শুরুর পরও দ্রুত থেমে যেতে হয় তাকে।
এরপর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও সাব্বির রহমান ১৩ রান করে ফিরে গেলে ১শ’ রানের আগেই ৬ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন মোহাম্মদ মিথুন। রিয়াদের সাথে ২৯ ও সাব্বিরের সাথে ২৩ রানের জুটি গড়েন মিথুন।
আট নম্বরে নামা মেহেদি হাসান মিরাজও ভালো সঙ্গ দিচ্ছিলেন মিথুনকে। কিন্তু মিথুনের সাথে বেশি দূর যেতে পারেননি মিরাজ। জুটিতে মাত্র ৩৭ রান যোগ করেন তারা। এরমধ্যে ২৭ বলে ২৬ রানই ছিলো মিরাজের। সাব্বিরের পর মিরাজকেও বিদায় দেন নিউজিল্যান্ডের স্পিনার মিচেল স্যান্টনার।
দলীয় ১৩১ রানে সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে মিরাজ ফিরে গেলে দেড়শ রানের নীচে গুটিয়ে যাবার শংকায় পড়ে বাংলাদেশ। এ অবস্থায় মাথা ঠান্ডা রেখে পরিস্থিতি বুঝে খেলার চেষ্টা করেন মিথুন ও নয় নম্বরে নামা মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
উপরের সারির ব্যাটসম্যান যা করতে পারেননি মিথুন-সাইফউদ্দিন একটি শক্তপোক্ত জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। তাদের দুর্দান্ত জুটিতে ২শ ছাড়িয়ে যায় বাংলাদেশের সংগ্রহ। ৪৪ ওভার শেষে ৭ উইকেটে ২০৯ রানের পৌঁছে যায় টাইগাররা। ততক্ষণে উইকেটে সেটও হয়ে যান মিথুন ও সাইফউদ্দিন। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তৃতীয় হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ৮৪ বলে ৫৮ রানে দাড়িয়ে ছিলেন মিথুন। সাইফউদ্দিনের রান ছিলো ৫৪ বলে ৩৬। ফলে শেষ ছয় ওভারে ভালো রান তুলে নিয়ে আড়াইশতে নিজেদের স্কোর দেখার অপেক্ষায় ছিলো বাংলাদেশ।
কিন্তু ৪৫তম ওভারের পঞ্চম বলে সাইফউদ্দিনকে বিদায় দেন নিউজিল্যান্ডের স্পিনার স্যান্টনার। ৩টি চারে ৫৮ বলে ৪১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন সাইফ। মিথুনের সাথে অষ্টম উইকেটে ৯৫ বলে ৮৪ রান যোগ করেন সাইফ। এরমধ্যে মিথুন ৩৭ বলে ৩৩ ও সাইফ ৫৮ বলে ৪১ রান করেন।
দলীয় ২১৫ রানে সাইফের বিদায়ের পর বাংলাদেশকে বেশি দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি মিথুন। ইনিংসের ৭ বল বাকী থাকতে ২৩২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। পাঁচ নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে ৫টি চারে ৯০ বলে সর্বোচ্চ ৬২ রান করেন মিথুন। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ৯ রানে অপরাজিত থাকলেও মুস্তাফিজুর রহমান শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে শুন্য রান আউট হন। তার আউটেই শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। নিউজিল্যান্ডের বোল্ট-স্যান্টনার ৩টি করে উইকেট নেন।
জয়ের জন্য ২৩৩ রানের টার্গেটে উড়ন্ত সূচনাই করে নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশে বোলারদের বিপক্ষে সর্তকই ছিলেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার মার্টিন গাপটিল ও হেনরি নিকোলস। প্রথম পাওয়ার প্লে’তে বিনা উইকেটে ৪২ রান যোগ করেন তারা। তবে দলের স্কোর শতরানে পৌছে দিতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি তাদের। ২১তম ওভারেই গাপটিল-নিকোলসের ব্যাটিং দৃঢ়তায় শতরানে পৌঁছে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ।
অবশ্য দলীয় ৮৫ রানেই বিচ্ছিন্ন হতে পারতেন গাপটিল-নিকোলস। ১৯তম ওভারের তৃতীয় বলে বাংলাদেশের স্পিনার মিরাজের বলে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান নিকোলস। জীবন পেয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সপ্তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। হাফ-সেঞ্চুরির পরও ঐ মিরাজের ডেলিভারিতেই বোল্ড হন নিকোলস। ৫টি চারে ৮০ বলে ৫৩ রান করেন তিনি। উদ্বোধনী জুটিতে গাপটিলের সাথে ১৩৫ বলে ১০৩ রান যোগ করেন নিকোলস।
এরপর উইকেটে গিয়ে বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। বাংলাদেশের অকেশনাল স্পিনার মাহমুদুল্লাহ’র শিকার হবার আগে ১১ রান করেন তিনি। রিভিউ নিয়ে কিউই অধিনায়ককে লেগ বিফোর ফাঁদে ফেলে বাংলাদেশ।
দলীয় ১৩৭ রানে উইলিয়ামসনকে তুলে নিয়ে ম্যাচ ফেরার স্বপ্ন দেখছিলো বাংলাদেশ। কিন্তু সেটি হতে দেননি গাপটিল ও রস টেইলর। তৃতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৯৬ রানের জুটি গড়ে নিউজিল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন তারা। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৫তম সেঞ্চুরির তুলে ১১৭ রানে অপরাজিত থাকেন গাপটিল। তার ইনিংসে ৮টি চার ও ৪টি ছক্কা ছিলো। অপরপ্রান্তে ৬টি বাউন্ডারিতে ৪৯ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন টেইলর। বাংলাদেশের মিরাজ-মাহমুদুল্লাহ ১টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হয়েছেন নিউজিল্যান্ডের গাপটিল।
আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে।
স্কোর কার্ড :
বাংলাদেশ ইনিংস :
তামিম ইকবাল ক লাথাম ব বোল্ট ৫
লিটন দাস বোল্ড ব হেনরি ১
সৌম্য সরকার ক এন্ড ব হেনরি ৩০
মুশফিকুর রহিম বোল্ড ব বোল্ট ৫
মোহাম্মদ মিথুন বোল্ড ব ফার্গুসন ৬২
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ক টেইলর ব ফার্গুসন ১৩
সাব্বির রহমান স্টাম্প লাথাম ব স্যান্টনার ১৩
মেহেদি হাসান মিরাজ ক নিশাম ব স্যান্টনার ২৬
মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ক গাপটিল ব স্যান্টনার ৪১
মাশরাফি বিন মর্তুজা অপরাজিত ৯
মুস্তাফিজুর রহমান বোল্ড ব বোল্ট ০
অতিরিক্ত (লে বা-৫, নো-১, ও-১৬, পে-৫) ২৭
মোট (অলআউ, ৪৮.৫ ওভার) ২৩২
উইকেট পতন : ১/৫ (তামিম), ২/১৯ (লিটন), ৩/৪২ (মুশফিকুর), ৪/৪২ (সৌম্য), ৫/৭১ (মাহমুদুল্লাহ), ৬/৯৪ (সাব্বির), ৭/১৩১ (মিরাজ), ৮/২১৫ (সাইফউদ্দিন), ৯/২২৯ (মিথুন), ১০/২৩২ (মুস্তাফিজুর)।
নিউজিল্যান্ড বোলিং :
হেনরি : ৯-১-৪৮-২,
বোল্ট : ৯.৫-০-৪০-৩ (ও-১, নো-১),
গ্র্যান্ডহোম : ৫-০-১৯-০,
ফার্গুসন : ১০-১-৪৪-২ (ও-৬),
স্যান্টনার : ৮-০-৪৫-৩ (ও-১),
নিশাম : ৭-০-২৬-০ (ও-৪)।
নিউজিল্যান্ড ইনিংস :
মার্টিন গাপটিল অপরাজিত ১১৭
হেনরি নিকোলস বোল্ড ব মিরাজ ৫৩
কেন উইলিয়ামসন এলবিডব্লু ব মাহমুদুল্লাহ ১১
রস টেইলর অপরাজিত ৪৫
অতিরিক্ত (লে বা-৩, ও-৪) ৭
মোট (৪৪.৩ ওভার, ২ উইকেট) ২৩৩
উইকেট পতন : ১/১০৩ (নিকোলস), ২/১৩৭ (উইলিয়ামসন)।
বাংলাদেশ বোলিং :
মাশরাফি : ৮.৩-০-৩৩০ (ও-১),
সাইফউদ্দিন : ৭-০-৪৩-০ (ও-২),
মুস্তাফিজুর : ৮-০-৩৬-০,
মিরাজ : ৮-১-৪২-১,
সাব্বির : ৭-০-৪১-০,
মাহমুদুল্লাহ : ৫-০-২৭-১,
সৌম্য : ১-০-৮-০ (ও-১।
ফল : নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : মার্টিন গাপটিল (নিউজিল্যান্ড)।
সিরিজ : তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড।

Posted by: | Posted on: February 13, 2019

ইজতেমাকে ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজীপুর, (বাসস) : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি বলেছেন, মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় সমাবেশ তুরাগ তীরের বিশ্ব ইজতেমাকে ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে বিশ্ব ইজতেমার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আজ বুধবার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের টঙ্গী অঞ্চল-১ মিলনায়তনে বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
আজকে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগের চেয়ে অনেক সমৃদ্ধ এ কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুসল্লীদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন থাকবে এবং তা আগের তুলনায় অনেক বেশি।
তিনি বলেন, বিশ্ব ইজতেমার সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিং এর জন্য ৫টি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।
আসাদুজ্জামান খান কামাল বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে কোন ধরনের উস্কানী মূলক বক্তব্য না দেয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। কেউ এ ধরনের তৎপরতা চালালে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।।
মুসল্লীদের উদ্দ্যেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা দীর্ঘ ৫৪ বছর যাবত আপনারা একত্রে চলেছেন একই প্লেটে খেয়েছেন, আমি আশা করব আপনারা এবারও একত্রিত হয়ে বিশ্ব ইজতেমাকে সুন্দরভাবে করবেন এবং আগের মতো মিলে মিশে চলবেন।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মো. হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এমপি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন মেয়র আলহাজ মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের আইজিপি ডা. জাবেদ পাটোয়ারী, র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, গাজীপুর পুলিশ কমিশনার ওয়াইএম বেলালুর রহমান ও পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার বক্তৃতা করেন।
সভায় জানানো হয়, বিশ্ব ইজতেমার সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিং এর জন্য ৫টি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন কন্ট্রোল রুম, গাজীপুর জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম, পুলিশ প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম, পুলিশ প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম, র‌্যাবের কন্ট্রোল রুম, আনসার ও ভিডিপির কন্ট্রোল রুম।
সার্বিক নিরাপত্তার জন্য পুলিশ প্রশাসনের ১৫টি ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন, র‌্যাবের ১০টি ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন, মুসল্লীদের জন্য ৩৫০টি অস্থায়ী টয়লেট নির্মাণ, ওজু, গোসল, পয়ঃনিষ্কাশন ও সুপেয় পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ১৩টি গভীর নলকূপ প্রতিদিন ৩ কোটি ৫৪ লাখ গ্যালন সুপেয় পানি সরবরাহ করবে। চাহিদা মোতাবেক ৬শ’ ড্রাম ব্লিচিং পাউডার, ২হাজার লিটার কেরোসিন সরবরাহ করা, ৫০টি গার্বেজ ট্রাকের মাধ্যমে দিন-রাত বর্জ্য অপসারণ করা, ৩০টি ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধনের ব্যবস্থা করা ও ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহা সড়কের চৌরাস্তা পর্যন্ত দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেছদ করা হয়েছে।
তুরাগ নদীতে নিরাপত্তার জন্য টঙ্গী ব্রীজ ও কামারপাড়া ব্রীজের নীচে নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার জন্য বাঁশ দ্বারা ৩টি নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণ, অস্থায়ী ৭৫০টি বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা করা, জিসিসি’র কাউন্সিলর, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে ১৩টি কমিটি গঠন ও সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব প্রদান করা এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
এছাড়া ইজতেমা চলাকালে অত্র এলাকার সিনেমা হলসমূহ বন্ধ এবং দেয়ালের অশ্লীল পোষ্টার অপসারণের ব্যবস্থা, মাঠের চারপাশের রাস্তার ধূলাবালি নিয়ন্ত্রণ ও মুসল্লীদের সুবিধার্থে গাড়ির মাধ্যমে পানি ছিটানোর ব্যবস্থা গ্রহণ, বিদেশি মেহমানদের রান্নার কাজের জন্য ১৭৫টি গ্যাসের চুলা স্থাপন, জিসিসি’র কন্ট্রোল রুমে ৬টি টেলিফোন সেট, ২টি হটলাইন সংযোগ স্থাপন, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য ৪৫টি সিটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।

Posted by: | Posted on: February 13, 2019

আজ কবি রফিক আজাদের জন্মবার্ষিকী

(বাসস) : কবি রফিক আজাদের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী আজ। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিভিন্ন সংগঠন কবির কবির জন্মবার্ষিকী।
দিবসটি উপলক্ষে কবি রফিক আজাদ স্মৃতি পর্ষদ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সকালে কবির সমাধিতে স্মৃতি পর্ষদ ও পরিবারের পক্ষ থেকে পুস্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হবে। বিকেল চারটায় কবি রফিক আজাদের বাসভবনে (বাড়ি নং ১৩৯/৪এ, সড়ক নং ১, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২০৫)-এ কবির সাক্ষাৎকারভিত্তিক গ্রন্থ ‘মুখোমুখি রফিক আজাদ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া আগামীকাল বাংলা একাডেমির গ্রন্থমেলা মঞ্চে বিকেল চারটায় ‘কবি রফিক আজাদ : শ্রদ্ধাঞ্জলি’ শীর্ষক আলোচনা সভা এবং কবির কবিতা থেতে আবৃত্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
একাধারে মুক্তিযোদ্ধা, কবি, সাংবাদিক, সম্পাদক ও লেখক রফিক আজাদ ১৯৪২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্র জীবনেই সাহিত্য তিনি চর্চা শুরু করেন। ষাট দশকের কবি শিক্ষকতা পেশার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। টাঙ্গাইল মওলানা মুহম্মদ আলী কলেজে শিক্ষকতা করেন। দেশ স্বাধীনের পর বাংলা একাডেমিতে চাকুরী শুরু করেন। প্রায় দেড় দশক বাংলা একাডেমিতে থাকাকালে তিনি একাডেমি’র পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একাডেমির সাহিত্য পত্রিকা ‘উত্তরাধিকার’ সম্পাদনা করতেন। একাডেমির চাকুরিতে ছেড়ে ইত্তেফাক গ্রুপের ‘সাপ্তাহিক রোববার’ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। কবি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনীর অধীনে অংশ নেন।
কবি রফিক আজাদ মূলতঃ সৃজনশীল ও চিরায়ত কবিতার প্রণেতা। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো, অসম্ভবের পায়ে, সীমাবদ্ধ জলে সীমিত সবুজে, চুণিয়া আমার আর্কেডিয়া, পাগলা গারদ থেকে প্রেমিকার চিঠি, প্রেমের কবিতাসমগ্র, বর্ষণে আনন্দে যাও মানুষের কাছে, বিরিসিরি পর্ব ও রফিক আজাদের কবিতা সমগ্র।
সাহিত্যে অবদানের জন্য কবি রফিক আজাদ একুশে সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, হুমায়ুন কাদর স্মৃতি পুরস্কার, হাসান হাফিজুর রহমান পুরস্কার, কবি আহসান হাবী পুরস্কার, মুক্তিযোদ্ধা সন্মাননায় ভূষিত হন। ২০১৬ সালের ১২ মার্চ কবি ঢাকায় ইন্তেকাল করেন।