রাজনীতি

now browsing by category

 
Posted by: | Posted on: September 5, 2021

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট অব্যাহত রাখার বিষয়ে মতভেদ বিএনপিতে

প্রেস ওয়াচ রিপোর্টঃ

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট অব্যাহত রাখার বিষয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছে বিএনপিতে। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের কেউ-কেউ জোটের পক্ষে অবস্থান নিলেও অধিকাংশ ‘একক রাজনৈতিক’ শক্তি গড়ে তোলার পক্ষে। আর এ নিয়েই শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির নিয়মিত ভার্চুয়াল বৈঠকে উত্তাপ ছড়িয়েছে।

শনিবার অনুষ্ঠিত বৈঠক নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্তত তিন সদস্যের সঙ্গে বাংলা ট্রিবিউনের আলাপ হয়। তাদের বক্তব্যেও জোট রাজনীতির লাভ-লোকসানের প্রসঙ্গটি উঠে আসে।

স্থায়ী কমিটির সূত্র জানায়, আজকের বৈঠকে কয়েকটি বিষয় আলোচনা হয়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—জোট রাজনীতির ভবিষ্যৎ ও লাভক্ষতি, আগামী দিনের নির্বাচনি কর্মকৌশল, জিয়াউর রহমানকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং করোনা সিচুয়েশন।

এক্ষেত্রে জোট প্রসঙ্গটিই উত্তাপ ছড়ায় বৈঠকে। স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেন,‘বিএনপি আগামী দিনের নির্বাচনি কৌশল ঠিক করছে। এরমধ্যে বিগত সময়ের মতো মাঝামাঝি কোনও অবস্থা নেই। এবারের অবস্থা—ডু অর ডাই’।

তিনি বলেন, ‘বিদ্যমান ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট কাঠামোর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক লাভ নেই বিএনপির। দলের একক সক্রিয়তাই এখন মুখ্য। কোনও-কোনও সদস্য মনে করেন, জোট রাজনীতি দরকার।’

একাধিক সদস্য জানান, অধিকাংশ সদস্য বিএনপিকে একলা চলার পক্ষে মত দেন। বিশেষ করে আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য এখনও রাজনৈতিকভাবে বিএনপিই একমাত্র সক্ষম শক্তি। সেক্ষেত্রে বিদ্যমান জোট কাঠামো ধরে রেখে জনগণের সামনে নতুন কোনও বার্তা দেওয়া সম্ভব নয়। আর বিএনপি সক্রিয় হলে অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোও একইপথে হাঁটবে, এমন পর্যালোচনা রয়েছে বিএনপিতে।

কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছা জানিয়ে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা কোনও জোটই ফরমালি ভাঙবো না। যারা যাওয়ার নিজে থেকেই যাবে। বিএনপি এককভাবে কর্মসূচি দেবে। বিশেষ করে দলীয় ‘শক্তি’ দেখাতে হবে। আর সবাই বিশ্বাস করে, আন্দোলন বিএনপিকে ছাড়া হবে না।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলেন, জোটে তো অনেক রাজনৈতিক দল আছে। থাকুক না, মন্দ কী। আর  এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আলোচনা করে আসবে।
স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘বিএনপির স্থায়ী কমিটি নিয়মিত বৈঠক করে। শনিবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। বৈঠকে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।’

কমিটির একাধিক সদস্য মনে করেন, আগামী নির্বাচনকে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নিশ্চিত করতে বিএনপিকেই আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আর এটাতে বিএনপিকেই আগে মাঠে নামতে হবে।

একজন সদস্য জানান, জোটের বিষয়ে আগামী শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্থায়ী কমিটির পরের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

তবে, আরেক সদস্য বলেন, ‘ক্ষমতায় তো যেতে পারছে না বিএনপি। তাহলে জোট ভেঙে কী হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, জোট রাখা বা না রাখার বিষয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা রাজনৈতিক কৌশল প্রণয়ন করছি, রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে কবে সিদ্ধান্ত আসবে।

Posted by: | Posted on: September 3, 2021

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায় বিএনপি : ওবায়দুল কাদের

প্রেস ওয়াচ/শাহ সুলতান নবীনঃ: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক উপায়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে মরিয়া বিএনপি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়।
আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে তিনি এই বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক মেয়াদ প্রায় শেষের দিকে। পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব থাকবে নতুন নির্বাচন কমিশন। একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ‘সার্চ কমিটি’র মাধ্যমে বাছাই করে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।’
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও চেতনায় বিশ^াসী সকল মানুষকে বিএনপি নেতৃবৃন্দের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার এবং ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে নির্বাচন কমিশনের গঠন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপি নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক উপায়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে মরিয়া বিএনপি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। তাই বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রতিনিয়ত মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বক্তব্য-বিবৃতির মাধ্যমে জাতিকে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘মূলত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির উপর শুরু থেকেই বিএনপির কোন আস্থা নেই। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান অবৈধ, অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নির্বাচন ও নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করেছিল। এর পর যতবারই বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে ততবারই তারা বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ও অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছে।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আজ যখন দেশে গণতান্ত্রিক কৃষ্টি ও সংস্কৃতির ভিত্তি সুসংহত তখন গণতন্ত্র হত্যাকারী বিএনপির নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি অত্যন্ত লজ্জাকর।’
তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপির আন্দোলনের অংশ। অর্থাৎ বিএনপি নির্বাচনে জেতার লক্ষ্যে নয়, নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন ছিল। যে নির্বাচনে বিএনপিসহ দেশের সকল রাজনৈতিক দলও অংশগ্রহণ করেছিল।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির শীর্ষ নেতাদের দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত হওয়া ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের কারণে বিএনপি জনগণ দ্বারা বারবার প্রত্যাখাত হয়ে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি জনগণের উপর দায় চাপায়। নিজেদের পরাজয় আড়াল করার লক্ষ্যে নির্লজ্জভাবে তারা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্রমাগত বিষোদগার করে আসছে।’
বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে খুনি জিয়া-মোশতাক চক্র অবৈধ ও অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখল করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে নির্বাসনে পাঠিয়েছিল। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এদেশে আওয়ামী লীগের হাত ধরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ পুনপ্রতিষ্ঠিত হয়।

Posted by: | Posted on: September 3, 2021

আ. লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ফরম সংগ্রহের আহ্বান

প্রেস ওয়াচ রিপোর্ট/ দিলরুবা আক্তারঃ

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী শূন্যপদের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে আগ্রহী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের আহ্বান জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর)  দলটির দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন’ ঘোষিত বিভিন্ন শূন্যপদের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য আগামী ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ (সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৫টা) পর্যন্ত মনোনয়নের আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা প্রদানের তারিখ নির্ধারণ করেছে আওয়ামী লীগ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে আগ্রহী প্রার্থীদের আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহ এবং আবেদনপত্র জমা প্রদান করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে এবং কোনও লোকসমাগম ছাড়া প্রার্থী নিজে অথবা প্রার্থীর একজন যোগ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা প্রদান করতে হবে। আবেদনপত্র সংগ্রহের সময় অবশ্যই প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে এবং আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ বিকাল ৫টার মধ্যে মনোনয়ন ফরম জমা প্রদান করতে হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদের ২০৫ কুমিল্লা-৭ আসনের উপ-নির্বাচন, রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র পদে উপ-নির্বাচন এবং নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ, নরসিংদী সদর উপজেলা, নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরি, চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি, যশোর সদর উপজেলা, মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল, বাগেরহাট জেলার কচুয়া, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর ও ফেনী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে।

Posted by: | Posted on: September 1, 2021

‘জিয়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হলে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করতেন’

প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হলে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত না করে বাতিল করতেন বলে মন্তব্য করেছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট আয়োজিত এক শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

আনিসুল হক বলেন, ‘জিয়াউর রহমান যদি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হতেন, তাহলে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত না করে বাতিল করতেন ও বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করতেন। কিন্তু জিয়াউর রহমান তা না করে খুনিদের বিদেশি মিশনে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী শাহ আজিজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। আর এরশাদ খুনিদের ফ্রিডম পার্টি গঠনের অনুমতি দেন। খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিনা ভোটে নির্বাচন করে বঙ্গবন্ধুর খুনিকে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার আসনে বসান। জনগণের মুখে চপেটাঘাত করার জন্য এসব করা হয়।’

বঙ্গবন্ধু বন্দুকের নল দেখিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন না উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাজনীতি করে জনগণকে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করেছেন এবং অধিকার আদায়ের পদ্ধতি শিখিয়েছেন। এরপর জনগণ যখন তাকে ম্যান্ডেট দিয়েছেন, তখনই তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা ‍দিয়েছেন এবং বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছেন।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য যা কিছু প্রয়োজন, বঙ্গবন্ধু তা করে দিয়েছেন। আজকে বাংলাদেশ যে আইনি কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে, তা বঙ্গবন্ধুর তৈরি করে দেওয়া। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর ২১ বছর এই আইনি কাঠামো পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও রাস্তায় ঘোরাফেরা করছে। এদের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আমাদের শিখিয়েছেন আমরা বাঙালি। তিনি আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, সংবিধান দিয়েছেন। বিনিময়ে আমরা তাঁকে হত্যা করেছি। আমরা এ কলঙ্ক কোনও দিন মোচন করতে পারবো না।’

বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আলী আকবর, নিবন্ধন অধিদফতরের মহাপরিদর্শক শহীদুল আলম ঝিনুক, আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা ও যুগ্ম সচিব উম্মে কুলসুম, ইনস্টিটিউটের পরিচালক মো. গোলাম কিবরিয়া বঙ্গবন্ধুর জীবন আলেখ্য নিয়ে আলোচনা করেন।

Posted by: | Posted on: August 31, 2021

১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড ছিল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত করার নীল নকশা: শেখ পরশ

প্রেসওয়াচ ডেস্কঃ যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেছেন, ১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ড শুধু একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড না । ১৫ই আগস্ট ছিল পুনরায় পাকিস্তানকে প্রতিষ্ঠিত করার নীলনকশা। ১৫ই আগস্ট ছিল একটি পূর্ব পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, বাঙালির স্বাধীকারকে অস্বীকার করার প্রয়াস।

সোমবার (৩০ আগস্ট) সাভার সরকারি কলেজ মাঠে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা যুবলীগ কর্তৃক আয়োজিত খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি ।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন,  ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে আমি স্বজনদের হারিয়েছি। মাত্র ৫ বছর বয়সে বাবা-মায়ের রক্তাক্ত দেহ অতিক্রম করে এক কাপড়ে বাসা থেকে বের হতে বাধ্য হয়েছিলাম। আশ্রয়ার্থী হয়ে বিভিন্ন বাসাতে পালাতে হয়েছিল সেদিন।

তিনি আরও বলেন, শুধু সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকেই নয়, সেদিন একটি আদর্শ ও মূল্যবোধ্যের সমাধি হতে দেখেছি। এসব কারণে এই আগস্ট মাস আমাদের কাছে অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলসহ যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।