বিবিধ

now browsing by category

 
Posted by: | Posted on: August 13, 2021

শুভ জন্মদিন

ডাক্তার এ বি এম মাহবুবুল হক ( মনোয়ার ) : ডেইলি প্রেস ওয়াচ এর সাব এডিটর ডাক্তার  ফারজানা র শুভ জন্মদিনে, ডেইলি প্রেস ওয়াচ এর সকল সদস্য এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ হোমিওপ্যাথিক এন্ড অল্টারনেটিভ মেডিসিন এর সকল ডাক্তারগণ জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা l শুভ জন্মদিন lll

Posted by: | Posted on: August 12, 2021

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালন করছে কুকুর! -জাঁ-নেসারওসমান

ঘটনাটা কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের।
অসুস্থ্য রোগী নিয়ে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের. জরুরি বিভাগে গেলে দেখা যায় যে, জরুরি বিভাগের ডিউটি ডাক্তারের টেবিলের. উপর ক্লান্ত হয়ে এক সারমেয় বা কুকুর ঘুমাচ্ছেন।
প্রতিবেদক তাচ্ছিলভরে. লিখেছেন, “চিকিৎসকের টেবিলের উপর ঘুমিয়ে আছে এক নেড়িকুকুর”।
সব ঠিকআছে, কর্তব্যরত ডাক্তারের অনুপস্থিতিতে তার টেবিলে যে শুয়ে আছেন সেই সারমেয়কে নেড়ি কুকুর বলাতেই আমার আপত্তি।
প্রতিবেদক কি জানেন বিশ্ব চিকিৎসাবিজ্ঞানে, রকেট সায়েন্সে ও সাহিত্যে কুকুরের অবদান??
তাযদি জানতেন তাহলে এই শ্রদ্ধেয় সারমেয়কে আপনি নেড়ি কুকুর বলতে পারতেন না। পাঠক মনে রাখবেন চিকিৎসাশাস্ত্রের. পিতা বলতে বিশ্বে যার নাম সবাই শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন তিনি হচ্ছেন খৃষ্টপূর্ব ৪৬০ সালের সর্বজন শ্রদ্ধেয় মি: হিপোক্রিট।
আজ প্রতিটি চিকিৎসক চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রবেশের পূর্বে হিপোক্রিট ওথ্বা শপথ বাক্য পাঠকরে, তারপর চিকিৎসক হন। আর আপনার এই মি: হিপোক্রিটআজ থেকে প্রায়আড়াই হাজার বছর পূর্বে সারমেয় বা কুকুরের উপর ব্যবচ্ছেদ করে চিকিৎসাশাস্ত্রে পারদর্শীহন। সেই মানব দরদী সারমেয় যাঁরা মানবচিকিৎসার জন্য জাঁ-নিসার মানে জীবনউৎসর্গ করলো আজ আপনি তাঁকে নেড়ি কুত্তা বলে হেয় করছেন!! এই সাহস বা ঔধত্য আপনাকে কে দেয়??
আপনি কি জানেন রাশিয়ার মনোবিজ্ঞাণী ড. আইভান পাবলোভকে কন্ডিশনালরিফ্লেক্স কারা শিখিয়েছিলেন??
আপনারভাষায় নেড়িকুকুর, আরআমারভাষায়শ্রদ্ধেয় বামপন্থীসারমেয়। যিনি বৈজ্ঞানিক ড. আইভান পাবলোভকে কন্ডিশনালরিফ্লেক্স এর তথ্য শিখিয়েছিলেন। এই নেড়িকুকুর যদি ড.পাবলোভকে সাহায্য না করতো তাহলে আজও আপনারা মনোবিজ্ঞানের একটি বিশেষ বিষয় থেকে বঞ্চিত থাকতেন! ড.পাবলোভ ঐ সারমেয় স্যারের সাহায্যে প্রমাণ করেছেন যে, আমরা সবাই কুকুরের মতো আমাদের পারিপার্শ্বিক অবস্থার মাঝে আবদ্ধ। আমরা ঘুম থেকে উঠেই পাবলোভ্স ডগের মতো ঘন্টা শুনলেই দৌড়মারি। কোনোপ্রকার চিন্তাছাড়া বাছবিচার ছাড়া ইমার দৌড় ভোঁ-দৌড়। আর কালক্রমে এই কন্ডিশনালরিফ্লেক্স এমনই তীব্র আকার ধারণ করে যে, কেউ যদি বলে ভাই, তুমি পাবলোর ডগের মতোঘন্টা শুনলেইকন্ডিশনালরিফ্লেক্সের. তাড়নায়না দৌড়ে, একটু ভেবেধীরে. ধীরে. যাও দৌড়ালেতোপড়েও যেতেপারো, ব্যাথাও পেতেপারো?? ব্যাস যেইব্যাটা এই কথাবলল, আমনি তুমি তোমার কন্ডিশনালরিফ্লেক্সের. তাড়নায় হালারে. ধইরা দিলা মাইর। এটা কি মানুষের কাজ হলো??
তারপর তুমি দেখো আমেরিকার সর্বাধিক পারিশ্রমিক পাওয়া লেখক জ্যাকলন্ডন, তাকে লেখক বানিয়েছে কে? ওই তোমার ভাষায় নেড়িকুকুর“ হোয়াইটফ্যাং”। এই “হোয়াইটফ্যাং”উপন্যাস লিখেতি নিজ্যা কলন্ডন, বিশ্বসেরা লেখক হলেন।
বুঝলেন আপনি অযথা সারমেয়দের ছোট করবেন না নেড়িকুকুর বলবেন না। এদিকে “রবিনসন ক্রুশো”র, কুকুরটি জাহজডুবির পর রবিনসনকে বাঁচিয়েছিলো। ফলে জন্ম নিলো বিশ্ব সাহিত্যেও অমর সৃষ্টি “রবিনসন ক্রুশো”র। আর আপনি বাংলার এক সাংবাদিক সারমেয় কে, সৃষ্টির সেরা জীব যাঁর জন্ম আদমের মাটি ও ফেরেস্তার থুথু দিয়ে, তাকে আপনি নেড়িকুকুর বলেন!!
রকেটসায়েন্স বোঝেন? এহাশূন্যে রকেট প্রেরণ। বর্তমানেভারতের এ পি জে আবুলকালামতাঁর“উইংস অব ফায়ার”বইটিতেরকেটসায়েন্সনিয়েবহুকথাবলেছেন। কিন্তু উনিকিজানেন ১৯৫৭ সালের ৩রা, নভেম্বর, বিশ্বে প্রথম যে মহাশূন্যযান স্পুটনিকপাঠানোহয়েছিলো সেটাপরিচালনাকরেছিলো কে? “লাইকা”নামেরবিশ্বের. প্রথমমহিয়সীনারীসারমেয়। বুঝলেন বিশ্বের রকেট সায়েন্সে প্রথম অবদান আপনার ভাষায় নেড়িকুকুর,“লাইকা”। কিন্তু আমাদের. কাছেতিনিবিশ্বের. প্রথম এক মহান উৎসর্গী তপ্রাণ সারমেয় এম এস লাইকা। যাকেআপনারাপুড়িয়েমারলেন। কারণউৎকোচগ্রহণকারীপ্রকৌশলীরা সঠিক রুপে কুলিং চেম্বার তৈরীকরেনি, ফলে আমাদের শ্রদ্ধেয়া সারমেয় এম এস লাইকাপুড়েমারাযান। তাইকুকুরকে নেড়ি কুকুর বলবেননা, শ্রদ্ধা করতে শিখুন। জানেন তো“জীবে দয়া করে. যেই জন সেই জন সেবিছেঈশ্বর”।
বুঝলেন মহাভারতে, একলব্য দ্রোণচার্য্যর. নিদ্রার যাতেডির্ষ্টাবনা হয় তাইসারমেয়রমুখবন্ধকরার জন্য বান মেরেছিলো।
সেইপাপেঅর্জুন ও দ্রোনার্চায্য একলব্যের. বুইড়া আঙুল কাইট্টা তার জীবন ধ্বংসকরল।
আর মহাপ্রস্থানের পথে, ধর্মপূত্র যুধিষ্ঠির যখন স্বর্গের. পথে রওয়ানা হলো। তখন একে একেপথি মধ্যে দ্রৌপদী, নকুল-সহদেব, অর্জুন, ভীম সব মারা গেলো। তখন যুধিষ্ঠিরের একমাত্র সাথীছিলো একজন সারমেয়, আপনারভাষায়কুকুর। সবাইমারা গেলেওএই সারমেয় যুধিষ্ঠিরকে ত্যাগ করেননি। বরংউনিনিজে কোলে করে. জুজুকে মানে যুধিষ্ঠির কে স্বর্গে নিয়ে যান। মনে রাখবেন মহাভারতে একমাত্র যুধিষ্ঠির ও সারমেয় মানে কুকুরজীবন্ত অবস্থায় স্বর্গে প্রবেশকরেন।
আর আপনি সেই মহান কুকুরকে-সারমেয়কে নেড়িকুকুর বলেন??
চিন্তা করেন যেখানে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের. জরুরি বিভাগে বেতন দিয়েও লোক পাওয়া যাচ্ছে না- সেখানে এক মহান সারমেয় জরুরিবিভাগে স্বেচ্ছায় দায়িত্ব পালন করছেন!! তাকে আপনি হেয় করলেন!!
বাঙালরি চৌদ্দগুষ্টির ভাগ্য যে,স্বয়ংধর্মরুপী সারমেয় আপনাদের. জরুরি বিভাগে ডিউটি করছে।
আশা করি আপনি আপনার ভুল বুঝতে পেরেছেন।
নেড়ি কুকুর বলার জন্য পুরো সারমেয় জাতির কাছে আপনি নিঃশর্ত ক্ষমা চাইবেন।
জয় বাংলা।

জাঁ-নেসারওসমান।  চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সমাজ চিন্তাবিদ।

Posted by: | Posted on: January 11, 2021

কচুয়ায় ড. মুনতাসীর মামুনের মায়ের দাফন সম্পন্ন

প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃ চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে আওয়ামী দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মিসবাহ উদ্দীন খানের স্ত্রী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. মুনতাসীর মামুনের মা জাহানারা খানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার বাদ মাগরিব নামাজের পরে কচুয়ার গুলবাহার আশেক আলী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে লাশ দাফন করা হয়। এর আগে তিনি গত এপ্রিল মাসে করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ্য হয়ে বাসায় ফিরেন। মৃত্যুকালে ৩ ছেলেসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
মরহুমের জানাজায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি, মরহুমের বড় ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস   বিভাগের অধ্যাপক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. মুনতাসীর মামুন, রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা শাহজাহান শিশির,ইমাম হাসান মজুমদার মেহেদী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো.সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ, উপজেলা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড.হেলাল উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা ফয়েজ আহমেদ স্বপন,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মো.আক্তার হোসেন সোহেল ভূইয়া, অস্ট্রলিয়া সিডনী শাখার আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো.ফয়সাল আজাদ,কচুয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহ মো.জালাল উদ্দিন চৌধুরী,চাঁদপুর -১ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম খোকা,ইউপি চেয়ারম্যান মো.রফিকুল ইসলাম লালু, ইমাম হোসেন সোহাগ,মোস্তাফিজুর রহমান জুয়েল,আশেক আলী খান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো.মিজানুর রহমান,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক মোফাচ্ছেল হোসেন খান,উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন-আহবায়ক সোহাগ উদ্দিন,সাবেক সভাপতি ইব্রাহিম খলিল বাদল,সাদারন সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন সবুজসহ উপজেলার আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ এবং সহযোগী সংগঠন ও উপজেলা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. মুনতাসীর মামুনের মা জাহানারা খান বার্ধক্যজনিত কারণে শনিবার ভোর ৫টায় ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

 

Posted by: | Posted on: November 25, 2020

শীতকালেও হচ্ছে তরমুজ চাষ

শীতে তরমুজ চাষ

শীতকালে তরমুজ চাষ বা পাওয়া যাওয়ার কথা এক সময় স্বপ্নেও কেউ ভাবেনি। এখন বিষয়টি ভাবনাতে আটকে নেই। বাস্তবেই শীতকালেও হচ্ছে তরমুজ চাষ। ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার বকুয়া বটতলা দুলালপাড়া গ্রামে গিয়াসউদ্দিন বাবুর মাচায় কালো তরমুজ ঝুলছে। অসময়ে তরমুজ চাষ করে সফলতা দেখিয়েছেন তিনি।

বাবু ২৫ শতক জমিতে ব্লাক বেরি জাতের এই তরমুজের চাষ করেন। অসময়ে উৎপাদন হওয়ায় এ তরমুজ বিক্রি করে ভালো দামও পাচ্ছেন তিনি। ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করে এ পর্যন্ত গিয়াসউদ্দিন বাবু ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা আয় করেছেন।

শীতে তরমুজ চাষ
বাবু জানান, অসময়েও তরমুজের চাহিদা থাকায় ক্রেতারা মাঠ থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ২৫ শতক জমিতে তরমুজ চাষ করতে তার মোট খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। খরচের থেকে যে লাভ হয়েছে তাতে বেজায় খুশি তিনি। আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে ব্লাক বেরি জাতের তরমুজের বীজ বপন করেন তিনি। অক্টোবরের মধ্যেই খাবার উপযোগী হয় এ তরমুজ।
হরিপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মারুফ হোসেন জানান, অসময়ের এ তরমুজ খেতে বেশ মিষ্টি ও সুস্বাদু হওয়ায় ভোক্তাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। আগাম জাতের তরমুজ চাষে এ উপজেলার অন্যান্য কৃষকদেরও আহ্বান জানান তিনি।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আফতাব হোসেন বলেন, এটি ব্লাক বক্স জাতের তরমুজ। এ ফসলটি রোপন থেকে উত্তোলন পর্যন্ত খুবই কষ্টসাধ্য। শ্রম ও সার্বক্ষণিক সতর্কতার মধ্যে করতে হয়। বাবুর প্রশংসা করে অন্যান্য কৃষকদের তাকে অনুসরণ করতে পারেন।

Posted by: | Posted on: October 13, 2020

বাংলাদেশের সমুদ্র-অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে নরওয়ে

ঢাকা: বাংলাদেশের সমুদ্র-অর্থনীতির (ব্লু-ইকোনমি) বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে আগ্রহী নরওয়ে।
আজ সোমবার দুপুরে শিল্পমন্ত্রণালয়ে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সাথে ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এসপেন রিকটার ভেন্ডসেনের (Mr. Espen Rikter-Svendsen)  মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বি-পাক্ষিক এক বৈঠকে এ আগ্রহ ব্যক্ত করেন। সমুদ্র সম্পদ আহরণে ঐতিহ্যগতভাবে নরওয়ের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, তার দেশের এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাপকভাবে লাভবান হতে পারে।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে সুমুদ্র-অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এছাড়া শিপ রিসাইক্লিং শিল্পের উন্নয়নে নরওয়ের কারিগরি সহায়তার পাশপাশি এ শিল্পে কর্মরত জনবলের প্রশিক্ষণ, সামুদ্রিক আবর্জনা ও শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সামুদ্রিক মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, আধুনিক প্রযুক্তিতে শুঁটকীমাছ সংরক্ষণসহ উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশে পরিবেশ-বান্ধব শিপ রিসাইক্লিং শিল্পের উন্নয়নে নরওয়ের সাথে দীর্ঘদিনের কারিগরি সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এরফলে বাংলাদেশের জাহাজ পুন:প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প ক্রমেই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করছে।
এ শিল্পের শ্রমিক ও জনবলের দক্ষতা বাড়াতে নরওয়ে থেকে প্রশিক্ষক আনার পাশাপাশি কারিগরি সহায়তা বাড়ানোর জন্য মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
নূরুল মজিদ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের রয়েছে বিশাল সমুদ্রসীমা। এজন্যই সমুদ্র-অর্থনীতিরও বিপুল সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, এরফলে সমুদ্র সম্পদকেন্দ্রিক ব্যাপক শিল্প-কারখানা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
মন্ত্রী সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ড্রাই ফিস শিল্পের প্রসারে নরওয়ের কাছ থেকে প্রযুক্তি সহায়তা কামনা করেন। একই সাথে তিনি পরিবেশ-বান্ধব সবুজ শিল্পায়নের লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশে শিল্প-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নরওয়ের সহায়তা অব্যাহত রাখার তাগিদ দেন।
নরওয়ের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের শিপ রিসাইক্লিং শিল্পের উন্নয়নে নরওয়ে বিগত দশ বছর ধরে সহযোগিতা করে আসছে। ফলে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে এ শিল্পের ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে। তিনি এ শিল্পের আধুনিকায়ন, সমুদ্র সম্পদ আহরণ, সামুদ্রিক মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ড্রাই ফিস শিল্প স্থাপন এবং সমুদ্রিক আবর্জনা ও শিল্প বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নরওয়ের কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও উল্লেখ করেন।
শিল্পমন্ত্রীর সাথে ইরানি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ : এর আগে শিল্পমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ রেজা নাফার শিল্প মন্ত্রণালয়ে এক সাক্ষাতকারে মিলিত হন। এ সময় তারা দ্বি-পাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
ইরানের রাষ্ট্রদূত করোনা মহামারি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৃহীত উদ্যোগের ভূঁয়সী প্রশংসা করে বলেন, চলমান করোনা মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক অর্জন প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয়।
তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয়দানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, মুসলিম ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে ইরানের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। এ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে বাংলাদেশ আন্তরিক।
তিনি অভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন।
এছাড়াও শিল্পখাতে দ্বি-পাক্ষিক সহায়তার ক্ষেত্র চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেয়ার জন্য মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। শিল্পখাতে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেলে বাংলাদেশ তা যথাযথ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।