বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

now browsing by category

 
Posted by: | Posted on: August 16, 2021

ডিজিটাল বাংলাদেশ মানে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ী অঙ্গিকার : মোস্তাফা জব্বার

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর মেধা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে নেতৃত্ব দিবে। আজকের তরুণ প্রজন্ম ডিজিটাল দক্ষতা নিয়ে বেড়ে ওঠছে। তাদের ডিজিটাল শিক্ষা দিতে হবে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ মানে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ী অঙ্গিকার। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ বিশ্বে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

মন্ত্রী গতকাল রাতে ঢাকায় ইনস্টিটিউট অভ চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্স, বাংলাদেশ (আইসিএবি)-এর উদ্যোগে ‘অটোমেশন অব সি এ এক্সামিনেশন সিস্টেম সফটওয়্যারের ভার্চুয়াল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী নিরীক্ষা কার্যক্রমে প্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ডিজিটালাইজেশনের এই যুগে পেশাগত কারণে প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টদের নিরীক্ষার সর্বাধুনিক পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে।বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে তাদের দক্ষতা অর্জন অপরিহার্য উল্লেখ করে কম্পিউটারে বাংলা সফটওয়্যারের জনক মোস্তাফা জব্বার বলেন, জাতির পিতা বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, টিএন্ডটি বোর্ড গঠন, আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন্স ও ইউনিভার্সেল পোস্টাল ইউনিয়নের সদস্য পদ অর্জন এবং প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণের মধ্য দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বীজ বপন করে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ভিশনারি নেতৃত্বের মাধ্যমে সেটি মহীরূহে রূপান্তর করেছেন।

কম্পিউটার প্রযুক্তি বিকাশের অগ্রদূত মোস্তাফা জব্বার সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরীক্ষা গ্রহণে আইসিএবির উদ্যোগকে অন্যদের জন্য একটি অনুকরণীয় উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতে  শিক্ষাক্ষেত্রে এই সফটওয়্যারটি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে কাজে লাগানো সম্ভব।

অনুষ্ঠানে আইসিএবির প্রেসিডেন্ট মাহমুদউল হাসান খসরু এফসিএ, আইসিএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট মো: আবদুল কাদের জোয়ার্দার এফসিএ এবং আইসিএবি কর্মকর্তা স্বদেশ রঞ্জন সাহা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইসিএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট মারিয়া হাওলাদার এফসিএ।

অনুষ্ঠানে জানানো হয় যে আইসিএবি ডিজিটাইজেশনের জন্য ১৯টি প্রকল্প হাতে নিয়েছে যার শতকরা ৭৫ ভাগ বাস্তবায়িত হয়েছে। মন্ত্রী সংস্থাটির এই প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়ে চার্টার্ড একাউন্টেন্সিসহ পুরো প্রতিষ্ঠানটিকে ডিজিটাল করার আহ্বান জানান। সূত্র ভয়েস টুয়েন্টিফোর বিডি  l মা /হ…..

Posted by: | Posted on: February 25, 2021

প্রযুক্তির প্রসারকে রাজনৈতিক জটিলতায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে: হুয়াওয়ের ক্যাথরিন চেন

ডেইলি প্রেস ওয়াচ রিপোর্টঃ হুয়াওয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বোর্ড সদস্য ক্যাথরিন চেন বলেছেন, ‘ইদানিং বিজ্ঞানের বিভিন্ন অসামান্য অবদানকে নানা ধরণের রাজনৈতিক জটিলতায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে। বিরূপভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে। উদ্বেগ ও সংশয় থেকে অনেকের মনে বিজ্ঞানের প্রতি বিরূপ মানসিকতা জন্মাচ্ছে। এমনকি প্রযুক্তির প্রসারকে থামানোর জন্যও অনেকে রীতিমতো উঠেপড়ে লেগেছে।’

সাংহাইয়ে অবস্থিত জুমেইরাহ হিমালায়াস হোটেলে ‘কানেক্টেড ফর শেয়ারড প্রসপারিটি’ শীর্ষক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এই কথা বলেন। হুয়াওয়ে, গ্লোবাল মোবাইল অ্যাসোসিয়েশন, সেন্টার অব অ্যান ভায়রনমেন্টাল ইকোনমিকস অব ফুডান ইউনিভার্সিটি এবং দ্য পেপার এর উদ্যোগে এই ফোরাম আয়োজিত হয়। হুয়াওয়ে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

ক্যাথরিন চেন তার আলোচনায় বলেন, ‘২০২০ সাল আমাদের সকলের জন্যই মিশ্র প্রতিক্রিয়া বয়ে এনেছিল। মহামারির কারণে আমাদের জীবনযাত্রায় এসেছে আমূল পরিবর্তন। আমাদের পারিপার্শ্বিকতাকে দেখবার চোখ ও যাচাই করার মনও অনেকখানি বদলে গিয়েছে। এই কঠিন সময়ের মধ্য দিয়েই উপলব্ধি করতে পেরেছি যে, সমাজের সকলের মধ্যে ঐক্যমত তৈরি করা একটি অত্যন্ত দূরহ ব্যাপার। লকডাউন দেওয়া–না দেওয়া থেকে আরম্ভ করে মাস্ক পরা–না পরা, সকল ক্ষেত্রেই কিছু না কিছু দ্বিমত এবং বিবাদ আমি লক্ষ্য করেছি।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিজিটাল প্রযুক্তির সূত্র ধরেই জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব বলে বিশ্বাস করে হুয়াওয়ে। এই বিশ্বাস থেকে হুয়াওয়ে ইতোমধ্যেই এসডিজি’র ডিজিটাল টেকের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে কাজ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একমত হওয়া কঠিন, কিন্তু প্রযুক্তিকে বন্ধ করা সহজ। এন্টারপ্রাইজগুলোর জন্য প্রযুক্তির ওপর বিশ্বাস ছোট বিষয় থেকেও শুরু হতে পারে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা অনলাইনে এবং সরাসরি উভয়ভাবেই যুক্ত হন। বিশ্বের ৫০টিরও অধিক দেশ থেকে অন্তত ১ হাজার অতিথি অনলাইনে এই কনফারেন্সে অংশ নেন, যেখানে ভবিষ্যতের জন্য
পৃথিবী গড়তে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের আন্তঃসংযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। যেখানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং চীন, মালয়েশিয়া, স্পেন, থাইল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও পর্তুগালের খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Posted by: | Posted on: September 15, 2020

শুক্র গ্রহের মেঘে কি জীবন্ত প্রাণী ভাসছে?

সৌর জগতে সূর্য থেকে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থানকারী শুক্র গ্রহের মেঘে জীবন্ত প্রাণী ভেসে বেড়ানোর চরম সম্ভাবনা দেখতে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। গ্রহটির পরিবেশে ফসফিন নামে একটি গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্তের পর এই সম্ভাবনার কথা ভাবছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেন গ্রিভস ও তার সহকর্মীরা জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় এই গ্যাসটি শনাক্ত করলেও সেটি কীভাবে সেখানে পৌঁছেছে তা ব্যাখ্যা করতে পারেননি। ন্যাচার অ্যাস্ট্রোনোমি জার্নালে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তারা দেখাতে চেয়েছেন, গ্যাসটি হয়তো প্রাকৃতিকভাবে সেখানে তৈরি হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।.

শিল্পীর চোখে শুক্র গ্রহের পৃষ্ঠদেশ; যা প্রাণের জন্য উপযুক্ত নয়

একটি অণু গঠনের জন্য প্রয়োজন তিনটি হাইড্রোজেন পরমাণু আর একটি ফসফরাস পরমাণু। আর ফসফিন গ্যাসে রয়েছে ফসফরাস পরমাণু। পৃথিবীতে জীবনের সঙ্গে ফসফিন গ্যাসের সম্পর্ক রয়েছে। পেঙ্গুইনের মতো প্রাণীর দেহের অভ্যন্তরে বসবাসকারী অণুজীব কিংবা জলাভূমির মতো কম অক্সিজেনের এলাকাতে থাকা অণুজীবের সঙ্গে ফসফিন গ্যাসের সম্পর্ক রয়েছে।

তবে নিশ্চিত হতে হলে ফসফিন গ্যাস শিল্প কারখানায় তৈরি করতে হয়। কিন্তু শুক্র গ্রহে নিশ্চিতভাবে কোনও শিল্প কারখানা কিংবা পেঙ্গুইনের মতো প্রাণী নেই। তাহলে গ্রহটির পৃষ্ঠ থেকে ৫০ কিলোমিটার উঁচুতে গ্যাসটি কীভাবে আসলো- সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা চালাচ্ছেন কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেন গ্রিভস ও তার সহকর্মীরা।.

পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যাওয়া অন্যতম গ্রহ শুক্র

ওই জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, শুক্র গ্রহ এবং সেখানকার পরিবেশ সম্পর্কে যা কিছু এখন পর্যন্ত জানা গেছে তাতে সেখানে ফসফিন গ্যাস থাকার কোনও জৈবিক কারণ ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। আর যে পরিমাণ গ্যাসের উপস্থিতি সেখানে শনাক্ত হয়েছে তাতে জীবন্ত কোনও উৎস থাকার কথা বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে।

অধ্যাপক জেন গ্রিভস বলেন, ‘পুরো ক্যারিয়ার জুড়ে আমি মহাজগতের যেকোনও জায়গায় প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে আগ্রহী থেকেছি, ফলে এই সম্ভাবনায় আমি কেবল আপ্লুত হয়ে পড়েছি।’ তিনি বলেন, ‘কিন্তু হ্যাঁ আমরা কোনও ভুল করে থাকলে তা ধরিয়ে দিতে আমরা অন্যদের সত্যিকারভাবে উৎসাহিত করছি। আমাদের গবেষণা এবং তথ্য সবকিছুই প্রকাশ্য; এভাবেই বিজ্ঞান কাজ করে থাকে।’

উল্লেখ্য, সৌর জগতে প্রাণের অস্তিত্ব পাওয়ার কথা যখন চিন্তা করা হয় তখন সেই তালিকার শীর্ষে কোনওভাবেই শুক্র গ্রহকে রাখা হয় না। মানুষের বাসস্থান পৃথিবীর তুলনায় গ্রহটি একটি নরককুণ্ড। এর বায়ুমন্ডলের প্রায় ৯৬ শতাংশই কার্বন ডাই অক্সাইড। পৃষ্ঠদেশের তাপমাত্রা পিৎজা ওভেনের মতো চারশ’ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। এখন পর্যন্ত যতগুলো মহাকাশযান শুক্র গ্রহে অবতরণে সক্ষম হয়েছে তার সবগুলোই কয়েক মিনিটের মধ্যে নষ্ট হয়েছে। আর যদি এর পৃষ্ঠদেশ থেকে ৫০ কিলোমিটার উপরে যদি পৌঁছানো যায় তাহলে সেটি প্রকৃতপক্ষে হবে ‘শার্টের হাতার মতো পরিস্থিতি’। আর শুক্র গ্রহে যদি জীবনের অস্তিত্ব পাওয়া যায় তাহলে নিশ্চিতভাবে সেটি এসব স্থানেই খুঁজতে হবে।

Posted by: | Posted on: September 9, 2020

বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটারের নতুন মহাপরিচালক আব্দুর রাজ্জাক

ফাইল ছবি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (যুগ্ম সচিব) মো. আব্দুর রাজ্জাক।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এ নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

একই আদেশে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. শওকত আলীকে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (নিরাপত্তা) নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব মীর জাহিদ হাসানকে মাতারবাড়ি পোর্ট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অংশ) প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

Posted by: | Posted on: September 9, 2020

আইটি খাতে ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকার কাজ করছে : আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০  : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে দেশিপণ্য ব্যবহারে গুরুত্বারোপ করেছেন।
তিনি দেশের আইটি খাত থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ রপ্তানি হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে এ খাত থেকে আরো ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে সরকার।
প্রতিমন্ত্রী সোমবার বিকেলে অনলাইনে ওয়ালটন ল্যাপটপ এক্সচেঞ্জ অফার লঞ্চিং কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা যদি নিজেদের তৈরি পণ্য নিজেরা ব্যবহার করি, তবে আমাদের দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে। আমরা আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে পারবো। আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। লাখলাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হবে। সাশ্রয়ী মূল্যে শিক্ষার্থীদের হাতে বাংলাদেশে তৈরি বিশ্বমানের ডিজিটাল ডিভাইস তুলে দেয়া এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ই-বর্জ্যের ক্ষতি থেকে পরিবেশরক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশকে সবুজে সুশোভিত রাখা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যোর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মঞ্জুরুল আলম এবং ওয়ালটন কম্পিউটার বিভাগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রকৌশলী লিয়াকত আলী।