সম্প্রতি ‘দ্য ডেইলি স্টার’ পত্রিকায় প্রকাশিত “Audit uncovers embezzlement of Taka 3088 crore” শীর্ষক সংবাদটির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক পরিচালনা পর্ষদ। প্রতিবাদলিপিতে দাবি করা হয়েছে, ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. এইচ বি এম ইকবাল এবং সাবেক পর্ষদ সদস্যদের জড়িয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ একপাক্ষিক, বাস্তবতা বিবর্জিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সাবেক পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নিজেদের অনিয়ম ও ব্যর্থতা আড়াল করতে ডা. ইকবাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে আনীত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগগুলোকে তথ্যহীন ও ভিত্তিহীন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
*অফিস ভাড়া ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা:*
প্রতিবেদনে অফিস ভাড়া বাবদ ৪০৬.৩৫ কোটি টাকা আত্মসাতের যে দাবি করা হয়েছে, তাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা উল্লেখ করে প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ব্যাংকের যেকোনো অফিস ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে সকল বিধিবদ্ধ নিয়ম মেনেই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। একইভাবে সিএসআর, বিজ্ঞাপন ও ফাউন্ডেশনে অনুদান সংক্রান্ত ৬০৭ কোটি টাকার ব্যয়ের বিষয়টিও বাংলাদেশ ব্যাংকের যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন সাপেক্ষে সম্পন্ন হয়েছে।
*হিসাব প্রক্রিয়ায় পর্ষদের ভূমিকা:*
সানড্রি ডেটরস অ্যাকাউন্ট এবং প্রিন্টিং স্টেশনারি খাতের ব্যয় সম্পর্কে বলা হয়েছে, এসব বিষয় সরাসরি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (এমডি) তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো যাচাই করে। ইসি কমিটি কেবল বিভাগীয় তথ্যের ভিত্তিতে অনুমোদন দেয়। এখানে ব্যক্তিগতভাবে পরিচালকদের অর্থ আত্মসাতের কোনো আইনগত বা ব্যবহারিক সুযোগ নেই।
সাবেক পর্ষদ সদস্যদের দাবি, ব্যাংকের যাবতীয় আয়-ব্যয় প্রতিবছর ‘স্ট্যাটিউটরি অডিট’, ‘ইন্টারনাল অডিট’ এবং খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের অডিট দ্বারা নিয়মিত নিরীক্ষিত হয়ে আসছে। বিগত বছরগুলোতে এসব অডিটে কোনো ধরনের বড় অনিয়ম বা অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল সংবাদমাধ্যমকে ভুল তথ্য দিয়ে ডা. এইচ বি এম ইকবালের দীর্ঘদিনের অর্জিত সামাজিক সুনাম ও চরিত্র হননের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে এই প্রতিবাদটি গুরুত্বের সাথে প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।