Sunday, January 24th, 2021

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: January 24, 2021

আপাতত সপ্তাহে একদিন ক্লাসের পরিকল্পনা : শিক্ষামন্ত্রী

আইরিন নাহারঃ করোনা মহামারির কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলা হলেও আপাতত সপ্তাহে প্রতিদিন ক্লাস হবে না। শুধু দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়মিত ক্লাস হবে। বাকিরা সপ্তাহে একদিন করে ক্লাস করবে।

রবিবার (২৪ জানুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রী দীপু মণি সংসদে পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের বিধান করতে বিদ্যমান আইন সংশোধনের প্রস্তাব পাসের প্রক্রিয়ার সময় একথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়মিত ক্লাস হবে। অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে একদিন করে আসবে। পুরো সপ্তাহের পড়া নিয়ে যাবে। পরের সপ্তাহে আবার একদিন আসবে।’

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক।  শ্রেণিকক্ষে তাদের গাদাগাদি করে বসতে হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসানো সম্ভব হবে না। সেক্ষেত্রে সব শ্রেণির শিক্ষার্থীকে একসঙ্গে আনার সুযোগ থাকবে না।

করোনা মহামারির মধ্যে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার প্রস্তুতি নিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। ২৩ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) স্কুল-কলেজের অধ্যক্ষদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেয়।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর গত বছর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। কওমি মাদ্রাসা বাদে অন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা আছে।

চলতি বছরের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হতে পারে বলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মণি আগেই আভাস দিয়েছিলেন।

সংসদে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের প্রস্তুতি নিতে বলেছি। এরপর জাতীয় পরামর্শ কমিটির পরামর্শ নিয়ে ঘোষণা করবো কবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবো।’

Posted by: | Posted on: January 24, 2021

সকলের জন্য নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থা করাই মুজিববর্ষের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী

দিপু সিদ্দিকী: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সকলের জন্য নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থা করাই হবে মুজিববর্ষের লক্ষ্য, যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ উন্নত জীবন-যাপন করতে পারে। দেশের ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষকে ঘর দিতে পারার চেয়ে বড় কোন উৎসব আর কিছুই হতে পারেনা।
শেখ হাসিনা আজ সকালে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে আরো বলেন,‘এভাবেই মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে সমগ্র বাংলাদেশের গৃহহীনদের নিরাপদ বাসস্থান তৈরি করে দেয়া হবে যাতে দেশের একটি লোক ও গৃহহীন না থাকে।’ যাতে তারা উন্নত জীবন যাপন করতে পারে, আমরা সে ব্যবস্থা করে দেব। যাদের থাকার ঘর নেই, ঠিকানা নেই আমরা তাদের যেভাবেই হোক একটা ঠিকানা করে দেব।’
প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারী বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মুল অনুষ্ঠানে সংযুক্ত হয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে ৬৬ হাজার ১৮৯টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান করা হয় এবং একই সাথে ৩ হাজার ৭শ’ ১৫টি পরিবারকে ব্যারাকে পুনর্বাসন করা হয়।
গণভবনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) এবং সারাদেশের ৪৯২টি উপজেলা প্রান্ত ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিল এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেল অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে।
শেখ হাসিনা বলেন, মুজিববর্ষের অনেক কর্মসূচি আমাদের ছিল। করোনার কারণে আমরা সেগুলো করতে পারিনি। তবে, করোনা এক দিকে আশির্বাদও হয়েছে। কারণ আমরা এই একটি কাজের দিকেই (গৃহহীনকে ঘর করে দেওয়া) নজর দিতে পেরেছি। আজকে এটাই আমাদের সব চেয়ে বড় উৎসব।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে তারপরেও সীমিত আকারে আমরা করে দিচ্ছি এবং একটা ঠিকানা আমি সমস্ত মানুষের জন্য করে দেব। কারণ আমি বিশ^াস করি যখন এই মানুষগুলো ঘরে থাকবে তখন আমার বাবা এবং মা-যারা সারাটা জীবন এদেশের জন্য তাগ স্বীকার করে গিয়েছেন তাদের আত্মা শান্তি পাবে।
শেখ হাসিনা বলেন, লাখো শহীদ রক্ত দিয়ে এ দেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, তাদের আত্মাটা অন্তত শান্তি পাবে। কারণ এ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করাটাই ছিল আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের একমাত্র লক্ষ্য।
তিনি বলেন, আজকে আমি সবচেয়ে খুশি যে এত অল্প সময়ে এতগুলো পরিকারকে আমরা একটা ঠিকানা দিতে পেরেছি। এই শীতের মধ্যে তারা থাকতে পারবে। কেননা আমাদের যারা শরনার্থী (রোহিঙ্গা) তাদের জন্যও আমরা ভাসানচরে ঘর করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার ক্ষমতায় থাকাকালীন ’৯১ সালের ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদেরকেও কক্সবাজার এবং পিরোজপুরে আমরা ফ্য¬াট করে দিয়েছি অর্থাৎ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্থদেরকেও ঘর করে দিয়েছি এবং সেখানে শীঘ্রই আরো ১শ’টি ভবন তৈরী করা হবে। আজ এক লাখ ৬৬ হাজার ১৮৯ টি ঘর করে
অনুষ্ঠানে সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি পরিবেশিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার কাঠালতলা গ্রাম, নীলফামারি জেলার সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুর গ্রাম, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট এবং চাপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার উপকারভোগীদেও সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সারাদেশের বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ উপকারভোগীদের মাঝে বাড়ির চাবি এবং দলিল হস্তান্তর করেন।
পিএমও সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া ভিডিও কনফারেন্সটি সঞ্চালনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী এই স্বল্প সময়ে সফলভাবে গৃহনির্মাণ এবং কাগজপত্র তৈরীর মত জটিল কাজ ঠিকাদার নিয়োগ না দিয়ে সম্পন্ন করতে পারায় জেলা প্রশাসন এবং তাঁর দপ্তর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এত দ্রত সময়ে পৃথিবীর কোন দেশে কোন সময় কোন সরকার একসঙ্গে ৬৬ হাজার ১৮৯টি ঘর করে দিয়েছে কি-না আমার জানা নেই। যেহেতু যারা প্রশাসনে রয়েছেন তারা সরাসরি ঘরগুলোর তৈরি করেছেন তাই সম্ভব হয়েছে এবং মান সম্মত হয়েছে, সেজন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের সরকারী কর্মচারিরা যেভাবে সবসময় আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন এটা অতুলনীয়। আর সেই সাথে আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, মেয়র থেকে শুরু করে সকলে সহযোগিতা করেছেন। এই একটি কাজে আমরা দেখেছি সকলের সম্মিলিত প্রয়াস। তাই আজ আমরা এত বড় একটা দায়িত্ব পালন করতে পেরেছি।’
তিনি বলেন, এই গৃহায়ন প্রকল্পে কোন শ্রেনী বাদ যাচ্ছে না, বেদে শ্রেনীকেও আমরা ঘর করে দিয়েছি। হিজড়াদের স্বীকৃতি দিয়েছি এবং তাদেরকেও পুণর্বাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দলিত বা হরিজন শ্রেনীর জন্য উচ্চমানের ফ্লাট তৈরী করে দিচ্ছি। চা শ্রমিকদের জন্য করে দিয়েছি এভাবে প্রত্যেকটা শ্রেনীর মানুষের পুণর্বাসনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
এদিন ভিক্ষুক, ছিন্নমূল এবং বিধাবাসহ ৬৬ হাজার ১৮৯টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান করা হয়। সরকার মুজিব বর্ষ উপলক্ষে গৃহহীনদের জন্য ১,১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৬,১৮৯টি বাড়ি নির্মাণ করেছে। একই সাথে ৩ হাজার ৭শ’ ১৫টি পরিবারকে ব্যারাকে পুনর্বাসন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অধীন আশ্রয়ন প্রকল্প মুজিববর্ষ উদযাপনকালে ২১টি জেলায় ৩৬টি উপজেলায় ৪৪টি প্রকল্পের অধীনে ৭৪৩টি ব্যারাক নির্মাণ করে ৩,৭১৫টি পরিবারকে পুনর্বাসিত করছে। ইতোমধ্যে সারাদেশের ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬শ’ ২২টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এ তালিকা অনুযায়ী গৃহ নির্মাণ ও পরিবার পুনর্বাসনের কার্যক্রম চলবে।
উপকারভোগী প্রতিটি পরিবারকে ২ শতক জমির রেজিষ্ট্রার্ড মালিকানা দলিল হস্তান্তরসহ নতুন খতিয়ান এবং সনদ হস্তান্তর করা হয়। প্রতিটি জমি এবং বাড়ির মালিকানা স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিটি দুই রুমের সেমি পাকা টিনশেড বাড়িতে রান্নাঘর, টয়লেট, বারান্দাসহ বিদ্যুৎ ও পানির নাগরিক সুবিধা রয়েছে। গ্রোথ সেন্টারের পাশে হওয়ায় প্রকল্প এলাকায় পাকা রাস্তা, স্কুল, মসজিদ-মাদ্রাসা এবং বাজার রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা তাঁর সাড়ে তিন বছরের দেশ পরিচালনায় যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ পুনর্গঠনকালে যে সংবিধান প্রণয়ন করেন তার ১৫(ক) অনুচ্ছেদে দেশের প্রতিটি নাগরিকের বাসস্থান পাওয়ার অধিকারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে যান। জাতির পিতা গৃহহীন-অসহায় মানুষের পুনর্বাসনে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
তিনি বলেন, জাতির পিতা ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালী জেলার (বর্তমান লক্ষ্মীপুর জেলা) চরপোড়াগাছা গ্রাম পরিদর্শনে যান এবং ভূমি ও গৃহহীন অসহায় মানুষের পুনর্বাসনের নির্দেশ দেন এবং তাঁর নির্দেশনাতেই ভূমি ও গৃহহীন, ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত সরকার ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালীন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের ’৯৭ পরবর্তী সময়ে চালু করা আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীনদের ঘর দেয়ার প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়।
তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত সময় বাংলাদেশের জন্য একটি অন্ধকার যুগ ছিল। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, নৈরাজ্যের কারণে দেশে জরুরী অবস্থা জারি করা হয়েছিল।
সে সময়ে বিরোধী দলে থাকলেও বিনাকারণে কারাবন্দী হওয়ার স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্দি হয়ে গেলাম আমি। তারপরেও আমি আশা ছাড়িনি, আল্লাহ একদিন সময় দেবেন এবং এদেশের মানুষের জন্য কাজ করতে পারবো।
তিনি ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয় যুক্ত করায় পুনরায় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করে বলেন,‘নৌকা মার্কায় ভোট পেয়েছিলাম বলেই জয়ী হয়ে ২০০৯ সালে সরকার গঠন করতে পারলাম এবং পুণরায় আমাদের প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন শুরু করলাম।’
করোনাভাইরাসের কারণে বিশে^র স্থবিরতায় ঘরগুলো হস্তান্তরকালে সশরীরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকতে না পারার আক্ষেপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ ইচ্ছে ছিল নিজ হাতে আপনাদের কাছে বাড়ির দলিলগুলো তুলে দেব। কিন্তু এই করোনাভাইরাসের কারণে সেটা করতে পারলাম না। তবে, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছিলাম বলেই আপনাদের সামনে এভাবে হাজির হতে পেরেছি।’
আমাদের দেশের মানুষ যেন অন্ন, বস্ত্র এবং উন্নত জীবন পায় সেটা নিশ্চিত করাই জাতির পিতার একমাত্র লক্ষ্য ছিল উল্লেখ করে তিনি ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলোর বিশেষ করে সেনা শাসক জিয়াউর রহমানের তথাকথিত গণতন্ত্রায়নের নামে দেশের বিরাজনীতি করনের ও কঠোর সমালোচনা করেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন মিলিটারি ডিক্টেটর রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে একদিন ঘোষণা দিল আজকে রাষ্ট্রপতি হলাম, আর সেটাই গণতন্ত্র হয়ে গেল? হ্যাঁ অনেকগুলো রাজনৈতিক দল করার সুযোগ করে দিল (যুদ্ধাপরাধী এবং কারাগারে আটক খুনী অপরাধীদের) কিন্তু মানুষকে দুর্নীতি করার, মানি লন্ডারিং করার, ঋণ খেলাপি হওয়ার, টাকা ছাপিয়ে নিয়ে সেগুলো ছড়িয়ে দিয়ে ‘মানি ইজ নো প্রবলেম’ বা ‘আই উইল মেইক পলিটিক্স ডিফিকাল্ট’- তাদের কাজই ছিল এদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলার। আর দরিদ্রকে দরিদ্র করে রাখা এবং মুষ্টিমেয় লোককে অর্থবিত্ত করে দিয়ে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করা।
জিয়ার নির্বাচনের নামে প্রহসনের উদাহারণ টেনে ‘হ্যাঁ-না’ ভোটে ‘না’ ভোটের বাক্স না রাখা বা ১১০ শতাংশ ভোট পড়ারও অভিযোগ উত্থাপন করে তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্র নিয়ে আজকে কথা বলেন তাদের কাছে আমার এটাই প্রশ্নœ এটা কি করে গণতন্ত্র হতে পারে? একটা দল হলো হাটতে চলতেও শিখলোনা (বিএনপি) ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে যে দলের সৃষ্টি তারাই ক্ষমতায় কি করে আসে?
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশে^র দরবারের সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে যেন চলতে পারি, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।
এ সময় বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের দোয়া এবং সহযোগিতার প্রত্যাশাও পুনর্ব্যক্ত করেন শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স উপলক্ষে সারা দেশের উপজেলা প্রান্তগুলোতে উৎসবের আমেজ পরিলক্ষিত হয়। চারটি স্থানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি মতবিনিময় করলেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ তাদের এবং স্থানীয় জনগণের ভিভিও বার্তা মূল অনুষ্ঠানে প্রেরণ করেন। নতুন গৃহপ্রবেশ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সারা দেশের উপকারভোগীদের নিয়ে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সেইসঙ্গে দেশব্যাপী মিষ্টি মুখ করানো হয় বলেও তথ্য মিলেছে।সুত্র-বাসস ।

Posted by: | Posted on: January 24, 2021

বাইডেন-শি বৈঠক আয়োজনের চেষ্টার খবর অস্বীকার চীনের

প্রেসওয়াচ ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর একটি বৈঠক আয়োজনের চেষ্টার খবর অস্বীকার করেছে বেইজিং। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে চীনের এমন চেষ্টার কথা বলা হয়েছিল। তবে ওই প্রতিবেদনে প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত চীনা দূতাবাস।

দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংবাদমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের জন্য চীনের যে প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে সেটির কোনও সত্যতা নেই। চীন কখনও এ ধরনের কাজ করেনি।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছিল, চীনের ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতা ইয়াং জেই জি-কে ওয়াশিংটনে পাঠানোর প্রস্তাব তৈরি করেছে বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত কুই তিয়ানকাই প্রস্তাবটি মার্কিন কর্মকর্তাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন।

তিয়ানকাই প্রস্তাবটি সরাসরি মার্কিন কর্মকর্তাদের চিঠি লিখে এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে মার্কিন নীতি নির্ধারকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে। চীন আশা করছে, জেই চিকে ওয়াশিংটনে পাঠিয়ে শি জিনপিং-এর সঙ্গে বাইডেনের একটি সাক্ষাৎ ঘটানোর ব্যাপারে নতুন প্রশাসনকে রাজি করানো সম্ভব হবে।

২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে গত চার বছর ধরে বেইজিং-এর সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্কে উত্তেজনার পারদ ক্রমেই বেড়েছে। ফলে দৃশ্যত চীন এখন নতুন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে বিদ্যমান উত্তেজনা কমিয়ে আনতে চাইছে। সূত্র: পার্স টুডে।

Posted by: | Posted on: January 24, 2021

এবারের ‘ইত্যাদি’ পতেঙ্গায়।। বঙ্গোপসাগর ও কর্ণফুলীর মোহনায় হানিফ সংকেত!

শাহ সুলতান নবীনঃ
 

তার সেই গতি এবার স্থির হলো বন্দরনগরী চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়। ‘ইত্যাদি’র এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে সেখানকার সুনীল সাগরের কোলে গড়ে ওঠা নান্দনিক স্থাপত্য বাংলাদেশ নেভাল একাডেমীতে।

 নৌ সদস্যদের একটি দৃশ্য বৃঝিয়ে দিচ্ছিলেন হানিফ সংকেত

গত ১৬ জানুয়ারি বঙ্গোপসাগর আর কর্ণফুলীর মোহনায় অবস্থিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ নেভাল একাডেমীর বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্সের সামনে দাঁড়িয়ে হানিফ সংকেত ধারণ করেছেন এবারের পর্বটি। ‘ইত্যাদি’র এই শুটিং ধারণ চলে এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।

হানিফ সংকেত জানান, এবারের পর্বে গান রয়েছে দুটি। বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে নিয়ে রচিত একটি গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন নৌ সদস্য সৌরভ, মেহেদী, পিয়াল ও আনুভা। নৃত্য পরিচালনা করেছেন মনিরুল ইসলাম মুকুল ও মামুন। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গৌরব নিয়ে আরেকটি দেশের গান গেয়েছেন চট্টগ্রামেরই সন্তান কণ্ঠশিল্পী রবি চৌধুরী ও নৌ সদস্য লেফটেন্যান্ট সাদিয়া। গানের সঙ্গে যন্ত্রসংগীতে অংশগ্রহণ করেছে নৌবাহিনীর অর্কেস্ট্রা দল। দুটি গানেরই কথা লিখেছেন মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান, সুর করেছেন হানিফ সংকেত, সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদী।

পর্বের অন্য আয়োজন নিয়ে হানিফ সংকেত বলেন, ‘শেকড়ের সন্ধানে আমরা সবসময়ই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রচারবিমুখ, জনকল্যাণে নিয়োজিত মানুষদের খুঁজে বের করি। পাশাপাশি গত প্রায় ৩ দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে অচেনা-অজানা বিষয় ও তথ্যভিত্তিক শিক্ষামূলক প্রতিবেদন প্রচার করার চেষ্টা করছি। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের পর্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরী বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ নেভাল একাডেমীর ইতিহাস-ঐতিহ্যর ওপর দু’টি তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন প্রচার করবো।’

 মঞ্চে সহশিল্পীকে নিয়ে রবি চৌধুরী ঝরেপড়া শিশুদের নেশা থেকে বাঁচিয়ে জীবনের দিশা দেয়ার জন্য একটি নৈতিক স্কুল খুলেছেন মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক গাজী সালেহ উদ্দিন। তার ওপর রয়েছে একটি শিক্ষামূলক প্রতিবেদন। গুড় একটি অত্যন্ত প্রাচীন মিষ্টিজাতীয় খাদ্য এবং বাঙালি সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এবারে সেই গুড় তৈরি, গুড়ের মান ও বিক্রির ওপর রয়েছে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। চুয়াডাঙ্গা জেলার ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাসের অনন্য পাখি প্রেমের ওপর রয়েছে একটি উদ্বুদ্ধকরণ প্রতিবেদন। পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার হাসান পারভেজ ও তার হাতে লেখা পত্রিকার ওপর রয়েছে একটি হৃদয়স্পর্শী প্রতিবেদন। রয়েছে ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার মহেশ্বরচাঁদা গ্রামের হেলালউদ্দিনের বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের ওপর একটি অনুকরণীয় প্রতিবেদন।

নিয়মিত দর্শকপর্বসহ এবারও রয়েছে বিভিন্ন সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে বেশ কিছু সরস অথচ তীক্ষ্ণ নাট্যাংশ। বরাবরের মতো এবারও ‘ইত্যাদি’র শিল্প নির্দেশনা ও মঞ্চ পরিকল্পনায় ছিলেন মুকিমুল আনোয়ার মুকিম। আবহ সংগীত করেছেন নাভেদ পারভেজ।

 জনপ্রিয় জুটি নানি ও নাতি ‘ইত্যাদি’র নতুন এই পর্বটি একযোগে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচার হবে ২৯ জানুয়ারি রাত ৮টা ৪০ মিনিটে। পুনঃপ্রচার করা হবে ৪ ফেব্রুয়ারি একই সময়ে। অনুষ্ঠানটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ হয়েছে ফাগুন অডিও ভিশনের ব্যানারে।

Posted by: | Posted on: January 24, 2021

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে সাড়ে ১১ ঘণ্টা পর ফেরি চলাচল শুরু

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ঘন কুয়াশার কারণে টানা সাড়ে ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম জিল্লুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুর্ঘটনা এড়াতে শনিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টা থেকে রবিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টা পর্যন্ত এ নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখে ঘাট কর্তৃপক্ষ।

ফেরি সেক্টরের ডিজিএম জিল্লুর রহমান জানান, ঘন কুয়াশায় ফেরির মার্কিং বাতির আলোর অস্পষ্টতার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে সাড়ে ১১ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। রবিবার সকাল ১০টার দিকে কুয়াশার ঘনত্ব কমে গেলে এ নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ১৬টি ফেরি দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় সাড়ে ৩০০ যানবাহন নৌরুট পারের অপেক্ষায় রয়েছে।