Wednesday, December 2nd, 2020

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: December 2, 2020

ভাস্কর্য বিরোধিতা বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করা: ঢাবি নীল দল

চৌধুরী শাহ সুলতান নবীনঃ  মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী,চিহ্নিত ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠী কর্তৃক ভাস্কর্যের বিরোধিতার নামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নীল দলের বিবৃতি দিয়েছে। বুধবার (২ ডিসিম্বের) গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তিটি পাঠানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়,ভাস্কর্য বিরোধীতা একটি চক্রান্ত। শিক্ষক সমাজ অতীতেও এ ধরনের চক্রান্তের বিরুদ্ধে যেভাবে সোচ্চার থেকেছে, তেমনি বর্তমানেও তাদের চক্রান্তকে নস্যাৎ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ভাস্কর্য বিরোধী চক্রান্তারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান শিক্ষকরা।

বিবৃতিতে বলা হয়,‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, সম্প্রতি রাজধানীর ধোলাইপাড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণকে কেন্দ্র করে একটি ধর্ম ব্যবসায়ী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী ধর্মীয় উস্কানীমূলক এবং বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে অতীতের মতো দেশকে অস্থিতিশীল করার হীন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং মহান স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীর প্রাক্কালে উগ্র মৌলবাদীদের এ ধরনের আস্ফালনের উদ্দেশ্য অত্যন্ত পরিস্কার। ভাস্কর্যের বিরোধীতার নামে অত্যন্ত সুকৌশলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশর মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবজ্ঞা প্রদর্শন এবং বাংলাদেশের বর্তমান শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশকে বিঘ্নিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

ভাস্কর্য অত্যন্ত প্রাচীন শিল্পরীতি উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ভাস্কর্য সভ্যতার প্রাথমিক যুগ থেকে চর্চিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে বহু ভাস্কর্য ও ম্যুরাল নির্মিত হয়েছে। চলমান ও প্রতিষ্ঠিত একটি শিল্পরীতিকে মূর্তির সঙ্গে তুলনা করে এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টার পেছনে যে ধর্মীয় রাজনৈতিক গোষ্ঠীর হীন স্বার্থ নিহিত রয়েছে তা অনুমেয়। এ থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, আগামী প্রজন্মকে জাতির পিতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে না দেওয়ার জন্য দেশ বিরোধী মহল একটি গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এটি করতে যেয়ে যেভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে তাতে করে মহান মুক্তিযুদ্ধে তাদের বর্বরতার কদর্য চেহারাই জাতির সামনে পুনর্বার উন্মোচিত হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ধারক ও বাহক বাংলাদেশের জনগণকে ধর্মীয় দোহাই দিয়ে পাকিস্তান শাসনামলে যেমন বোকা বানানো যায়নি, তেমনি ভবিষ্যতেও যাবে না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে নীতি ও আদর্শের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের কবল থেকে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন সে রাষ্ট্রে পাকিস্তানী আদর্শের ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর আস্ফালন সহ্য করা হবে না। আমরা এ ধরনের হীন প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি। শিক্ষক সমাজ অতীতেও এ ধরনের চক্রান্তের বিরুদ্ধে যেভাবে সোচ্চার থেকেছে, তেমনি বর্তমানেও তাদের চক্রান্তকে নস্যাৎ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। একইসঙ্গে আমরা এই উগ্র মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী কর্তৃক ভাস্কর্যের বিরোধিতার নামে জাতির পিতাকে অবমাননার দায়ে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

Posted by: | Posted on: December 2, 2020

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ২৩ বছর আজ

মাহবুব বাশার,ডেইলি প্রেসওয়াচ: আজ ২ ডিসেম্বর। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ২৩ বছর। ১৯৯৭ সালের এই দিনে সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকারের পক্ষে তৎকালীন চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা।

চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে অবসান ঘটে শান্তিবাহিনীর দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের সংগ্রামের। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন শান্তিবাহিনীর সশস্ত্র আন্দোলনকারী সদস্যরা। শান্তিচুক্তির ফলে প্রাথমিকভাবে শান্তি বাহিনীর সদস্যরা অস্ত্র জমা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসন। সরকার তাদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে।

করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিবসটি পালনে খাগড়াছড়ি রিজিয়ন ও পার্বত্য জেলা পরিষদ দিনব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। দীর্ঘ প্রায় ২ দশকের সংঘাত বন্ধে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর থেকে পাহাড়ে শান্তির সুবাতাস বইতে শুরু করেছে, উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে।

চুক্তির ফলে স্বাভাবিকতা ফিরে আসায় দূর পাহাড়ের বুক চিরে রাত-দিন ছুটছে যানবাহন। এক সময় জেলার বাইরের অন্য জেলার সঙ্গে তিনটার পর যোগাযোগ করার মতো কোনো ব্যবস্থা ছিল না।

পাহাড়ের পর্যটন স্পট সাজেক ছিল আতঙ্কিত ও বিচ্ছিন্ন। যোগাযোগ ছিল নিষিদ্ধ। চুক্তির ফলে সেই সাজেক পর্যটন স্পট এখন পাহাড় ছেড়ে বাংলাদেশের সর্বত্র সুনাম ছড়িয়েছে। গড়ে উঠেছে বড় বড় হোটেল-রেস্তোরাঁ। প্রতিনিয়ত আসছে শত শত পর্যটক।

এছাড়া সারাদেশে সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পার্বত্য এলাকায় বিগত সময়ে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। পাহাড়ে শান্তির পাশাপাশি সেখানে বসবাসকারীদের আর্থ-সামাজিক জীবনেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের ২৩ বছর উপলক্ষে পার্বত্য এলাকার সকল অধিবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিশ্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের সর্বত্র শান্তি বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে জাতির পিতার সুখী-সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন। পার্বত্য শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

Posted by: | Posted on: December 2, 2020

আন্দোলনের নামে আবারো জ্বালাও পোড়াও করছে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

ডেইলি প্রেসওয়াচ রিপোর্ট : বিএনপি দেশে আন্দোলনের নামে আবারো জ্বালাও পোড়াও শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ বুধবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সরকারি বাসভবন থেকে ঢাকার ধামরাইয়ের ইসলামপুরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের আশুলিয়ার নয়ারহাট দ্বিতীয় সেতু ও রাস্তার চার লেন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন শেষে তিনি এ অভিযোগ করেন

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির রাজনীতি এখন ফেসবুক এবং ভিডিও কলের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ। তারা সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। মহামারী করোনাভাইরাসের সময় বিএনপি নেতা-কর্মীরা দেশের মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সরকারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে উঠে পড়ে লেগেছে।

এসময় তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তার চার লেন ও সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের একশ ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে দ্বিতীয় এই সেতুটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে।

ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য বেনজীর আহমেদ, স্থানীয় পৌর মেয়র গোলাম কবির, আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের আহবায়ক ফারুক হাসান তুহিন ভিডিও কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন।

Posted by: | Posted on: December 2, 2020

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

IMG

ঢাকা: ঢাকার কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর অভিযোগে করা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পেশকার সামছুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন- গুলজার হোসেন, শম্পা, আশিক, শিহাব আহমেদ ওরফে শিবু, আহসানুল কবির ইমন, তাজুল ইসলাম তানু, জাহাঙ্গীর খাঁ ওরফে জাহাঙ্গীর এবং রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুন্ডা আমিন। তাদের মধ্যে শম্পা, জাহাঙ্গীর ও আহসানুল কবীর কারাগারে। অন্য আসামিরা পলাতক।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন কোন্ডা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরী। নিখোঁজের পরদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের মরদেহ থেকে তার আগুনে পোড়া বিকৃত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আসামিরা তাকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে পুড়িয়ে ফেলে। পরে তার সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।

সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি ৮জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয় পুলিশ।

২০১৫ সালের ২ জুলাই আটজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় ২১ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময় ১১ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

Posted by: | Posted on: December 2, 2020

ফাইজারের তৈরি করোনা টিকার অনুমোদন দিলো ব্রিটেন

IMG

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ফাইজার/বায়োএনটেক-এর করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে ব্রিটেন। ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমএইচআরএ জানিয়েছে, কোভিড-১৯ সংক্রান্ত অসুস্থতার ক্ষেত্রে ৯৫ শতাংশ সুরক্ষা প্রদানকারী এই টিকা চালু করার ক্ষেত্রে নিরাপদ।

অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত গোষ্ঠীগুলির লোকজনদের আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই টিকা প্রদানের কাজ শুরু হতে পারে। ব্রিটেন ইতোমধ্যে ৪ কোটি ডোজের চাহিদা দিয়েছে, যা দু’বার করে ২ কোটি মানুষকে টিকা দানের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত। এর মধ্যে এক কোটি খুব শিগগিরই হাতে আসবে। কাজেই কিছুদিনের মধ্যেই ব্রিটেনে প্রথম দফার টিকাদানের জন্য তা চলে আসবে।

ধারণা থেকে বাস্তব রূপায়নের ক্ষেত্রে এই ভ্যাকসিনই দ্রুততম। ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে যে সব প্রক্রিয়া রয়েছে, তা পূর্ণ করতে সাধারণ ক্ষেত্রে প্রায় এক দশকের মতো সময় লাগে। এক্ষেত্রে সেই সব প্রক্রিয়া মাত্র ১০ মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ করা হয়েছে।

ভ্যাকসিন প্রদানের কাজ শুরু হলেও মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে এবং সংক্রমণের প্রসার এড়াতে করোনাবিধি মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এর অর্থ সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক ব্যবহার ও সাবান পানি দিয়ে বারবার হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যবহারের মতো বিধি কঠোরভাবেই মেনে চলা দরকার।

সেই সঙ্গে আক্রান্ত বলে যাঁদের সন্দেহ করা হচ্ছে, তাঁদের টেস্ট করা ও পজিটিভ হলে আইসোলেশনে থাকার মতো বিধিতে কোনভাবেই রাশ আলগা করা যাবে না।

সারা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৬.৪ কোটির বেশি। ব্রিটেনে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ লাখের বেশি। দেশটিতে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য ফাইজার/বায়োএনটেক-এর করোনা ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেয়া হলো। এর ফলে খুব শিগগিরই সাধারণ মানুষকে করোনা ভ্যাকসিন দেয়ার কাজ শুরু হয়ে যাবে।

এই ভ্যাকসিনকে মাইনাস ৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখতে হবে এবং ড্রাই আইস প্যাক করা বিশেষ বক্সে নিয়ে যেতে হবে। ডেলিভারি হওয়ার পর তা পাঁচদিন ফ্রিজে রাখা যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যে প্রাথমিক অগ্রাধিকার সংক্রান্ত তালিকা তৈরি করেছেন। এক্ষেত্রে যাঁদের সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, সে কথা মাথায় রেখেই এই তালিকা তৈরি হয়েছে। তালিকার প্রথমে রয়েছেন কেয়ার হোমের বাসিন্দা ও কর্মীরা। এরপর ৮০ বছরের বেশি লোকজন এবং স্বাস্থ্য ও সামাজিক পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা। আগামী সপ্তাহেই তাঁরা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেয়ে যাবেন।

৫০ বছরের ঊর্ধ্বে বা অপেক্ষাকৃত অল্প বয়সীদের টিকাদানের কাজ ভ্যাকসিনের সরবরাহ অনুযায়ী আগামী বছরের শুরুতেই হতে পারে। এই ভ্যাকসিনের জন্য ২১ দিনের ব্যবধানে দু’টি ডোজ দিতে হবে।