Tuesday, August 18th, 2020

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: August 18, 2020

শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান সবার জন্যই: ছাত্রলীগকে কাদের

অন্যায়-অনিয়মে জড়িয়ে না পড়তে ছাত্রলীগকে নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সরকারের অগ্রযাত্রায় নিজেদের সুনাম ধরে রাখতে ছাত্রলীগকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যারা দলীয় শৃঙ্খলা নষ্ট করবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনও অন্যায় অনিয়মে জড়িয়ে পড়া নয়। অন্যায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা শুদ্ধি অভিযান সবার জন্য অভিন্ন বার্তা বহন করছে।’

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগ কার্যালয় অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় ওবায়দুল কাদের সংসদ ভবনের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস। এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. আখতারুজ্জামান, ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্য প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন।

১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার প্রসঙ্গ টেনে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ওই সময় বিদেশে ছিলেন বলেই বেঁচে যান আমাদের নির্ভরতার ঠিকানা, আস্থার বাতিঘর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধুর আরেক সুযোগ্য কন্যা শেখ রেহানা।  ১৯৮১ সালে আমরা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা, উচ্ছ্বাস, আবেগ দিয়ে বরণ করেছিলাম। প্রকৃতিও সেদিন অঝোর ধারায় ঝরছিল বঙ্গবন্ধুর প্রিয় কন্যাকে পেয়ে। প্রতিকূলতার স্রোত মাড়িয়ে, ইতিহাসের নানান বাঁক পেরিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও রক্তের উত্তরাধিকার ফিরে আসেন মুজিবহীন মুজিবের বাংলাদেশে। শুরু করেন দল গোছানোর কাজ। গড়ে করে তোলেন দলীয় ঐক্য। গড়ে তোলেন জাতীয় ঐক্য। স্বজন হারানোর বেদনাকে তিনি শক্তিতে রূপান্তর করেন। মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার মাধ্যমে খুঁজে নেন প্রিয়জন হারানোর বেদনা।’

বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা আছেন বলেই ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে। জাতির কলঙ্ক মোচন হয়েছে। তিনি আছেন বলেই যুদ্ধাপরাধের বিচার হয়েছে। পাপের বোঝা থেকে জাতি মুক্ত হয়েছে। তিনি শুধু স্বপ্ন দেখাননি, দেখিয়ে দিয়েছেন কীভাবে স্বপ্ন আকাশের সীমানা পেরিয়ে আকাশে পৌঁছাতে হয়। তারই নেতৃত্বে বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ির অপপ্রচার থেকে বেরিয়ে আজ উদীয়মান অর্থনৈতিক পরাশক্তি। বাংলাদেশে আজ পারমাণবিক যুগে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বারবার মৃত্যুর হাত থেকে, ষড়যন্ত্রের নীলনকশা থেকে বেঁচে ফেরা শেখ হাসিনা এক মৃত্যুঞ্জয়ী বীর। তিনি ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে উড়ান সৃষ্টির পতাকা। তিনি মরণের মিছিলে দাঁড়িয়ে জয়গান গান জীবনের। তার সাহসী, পরিশ্রমী, মানবিক নেতৃত্ব জেগে আছে বলেই বাংলাদেশ ঘুমাতে পারে। তার নেতৃত্বে অদম্য গতিতে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।’

জিয়াউর রহমান ১৫ আগস্টের হত্যাকারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছিল মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘অথচ তারা আজ অপপ্রচার চালায় দেশে ন্যায়বিচার নেই। ন্যায়বিচার তো দূরের কথা, ২১ বছর আমরা বিচার চাইতেই পারিনি। এই অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আজ মানবাধিকারের বুলি আওড়ায়। কারা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল? যার প্রাইম টার্গেট ছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।’

১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা সত্য উচ্চারণ করলে মির্জা ফখরুল সাহেবরা বলেন, জেনারেল জিয়াকে ছোট করা হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের নিরাপদে দেশ থেকে সরে পড়ার সুযোগ করে দিয়েছিল কে? কে খুনিদের পুরস্কৃত করেছিল বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে? মুজিব হত্যার বেনিফিশিয়ারি জিয়াকে খন্দকার মোশতাক প্রধান সেনাপতি বানিয়েছিল। আমরা কথা বললে নাকি জিয়াউর রহমানকে ছোট করা হয়? খুনি এবং খুনের মদতদাতাকেও ইতিহাসের কাঠগড়ায় জবাবদিহি করতে হবে।’

বিএনপি এবং দুর্নীতি শব্দ দুটি সমার্থক মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তারা দুর্নীতি-অনিয়ম নিয়েও কথা বলে। তাদের সময় দেশ পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। দুর্নীতিকে তারা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল। দলীয় গঠনতন্ত্র থেকে ৭ নম্বর ধারা বাতিল করে আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দল হিসেবে তারা নিজেদের স্বীকৃতি দিয়েছে। তাদের মুখে অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে কথা বলা আর ভূতের মুখে রাম রাম একই কথা।’

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে সংগঠনটি সাবেক সভাপতি কাদের বলেন, ‘হত্যা ও ষড়যন্ত্রের কুশীলবরা এখনও আছে। এখনও দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। উন্নয়নবিরোধী অপশক্তি এখনও চারপাশে মাথা লুকিয়ে আছে। উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এখনও সুযোগ খুঁজছে। তারা উন্নয়ন, শান্তি ও স্বস্তির বাংলাদেশ চায় না। এ দেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় নিয়ে যেতে চায়। চায় সংঘাতে জর্জরিত রক্তময় প্রান্তর। সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়িয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথ বন্ধ করতে চায়। চায় ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের পুরনো সুযোগ। কিন্তু যতক্ষণ শেখ হাসিনা আছেন, ছাত্রলীগের তরুণরা আছে, ততক্ষণ কোনও ষড়যন্ত্রই হালে পানি পাবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমৃদ্ধ আগামী বিনির্মাণের অগ্রযাত্রা এগিয়ে যাবেই।’

Posted by: | Posted on: August 18, 2020

বঙ্গবন্ধু ছিলেন ঋষিতুল্য শান্তিদূত: রীভা গাঙ্গুলি

ঢাকা ,১৭ আগস্ট, ডেইলি প্রেসওয়াচঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন ঋষিতুল্য শান্তিদূত ও ন্যায়, সাম্য ও মর্যাদার রক্ষাকর্তা ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত রীভা গাঙ্গুলি দাশ। সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইয়ের একটি সংক্ষিপ্ত ও প্রাণবন্ত ভার্চুয়াল বইপাঠ সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় এ মন্তব্য করেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। ভারতীয় দূতাবাস থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সভা উদ্বোধন করে রীভা গাঙ্গুলি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মানে একজন সাহসী নেতা, একজন দৃঢ়চেতা মানুষ, একজন ঋষিতুল্য শান্তিদূত; একজন ন্যায়, সাম্য ও মর্যাদার রক্ষাকর্তা, একজন পাশবিকতাবিরোধী এবং যেকোনও জুলুমের বিরুদ্ধে একটি ঢাল।’
তার বক্তব্যের পরে অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকে পাঁচটি অনুচ্ছেদ পাঠ করা হয়। বঙ্গবন্ধুর সাহসিকতা ও বাংলাদেশের উন্নয়নে তার অবর্ণনীয় অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় অংশ নেন অধ্যাপক ফকরুল আলম, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রাজগোপাল ধর চক্রবর্তী, দ্য এশিয়ান এইজ পত্রিকার সম্পাদক সৈয়দ বদরুল আহসান, বিশ্বভারতীর ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ড. শুভায়ু চট্টোপাধ্যায়, কবি, উদ্যোক্তা এবং ঢাকা লিট ফেস্টের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সাদাফ সাজ। অধিবেশনটি পরিচালনা করেন আইজিসিসি ঢাকার পরিচালক নীপা চৌধুরী।

Posted by: | Posted on: August 18, 2020

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদকের জন্য আবেদন পাঠাবেন যেভাবে

 আগামী বছর থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক দেবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই পদক প্রদান করবেন। রবিবার (১৬ আগস্ট) পদকের জন্য আবেদনপত্র আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রচার এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।
এর আগে গত ৩ আগস্ট আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। একইসঙ্গে বিজ্ঞপ্তিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরের ওয়েবসাইটে প্রকাশের অনুরোধ জানায়। ওই চিঠির পর সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা নিতে রবিবার নির্দেশনা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর গত বছর ডিসেম্বরে নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই নীতিমালার আলোকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট পদকের জন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মনোনিত করতে আবেদন আহ্বান করে। আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে এই আবেদন পাঠাতে হবে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সদস্য সচিব ও পরিচালক (ভাষা, গবেষণা ও পরিকল্পনা) বরাবর ১/ক, সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০, ঠিকানায় আবেদনের তিনটি হার্ডকপি ডাকযোগে বা সরাসরি পাঠানো যাবে। সফট কপি (মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা পিডিএফ) পাঠাতে হবে imli.moebd@gmail.com ঠিকানায়। একইসঙ্গে imli.msmoebd@gmail.com ঠিকানায় অনুলিপি পাঠাতে হবে।

পদক পাওয়ার যোগ্যতা হিসেবে বাংলাদেশের বিভিন্ন মাতৃভাষা সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন ও বিকাশে অবদান থাকতে হবে। মাতৃভাষা চার্চায় প্রমাণিত বিশেষ অবদান (প্রমাণ: প্রকাশিত মানসম্মত গ্রন্থ) থাকতে হবে। মাতৃভাষা গবেষণায় বিশেষ অবদান থাকতে হবে। পদকের জন্য মনোনিত প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি পাবেন ১৮ ক্যারেট মানের ১৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণপদক, একটি সম্মাননাপত্র এবং ৪ লাখ টাকা।

Posted by: | Posted on: August 18, 2020

৬৪ জেলার নতুন শ্রেণিবিন্যাস

নতুন নতুন উপজেলা সৃষ্টি হওয়ায় দেশের অনেক জেলার ক্যাটাগরিতে পরিবর্তন ঘটেছে। এ কারণে সরকার পুনরায় দেশের ৬৪ জেলার শ্রেণিবিন্যাস করেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ হালনাগাদ করা ৬৪ জেলার শ্রেণিবিন্যাস করে সম্প্রতি পরিপত্র জারি করেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্র সূত্রে জানা গেছে, ৮ বা এর বেশি উপজেলা নিয়ে গঠিত জেলাকে ‘এ’, ৫ থেকে ৭টি উপজেলা নিয়ে গঠিত জেলাকে ‘বি’ এবং পাঁচটির কম উপজেলা নিয়ে গঠিত জেলাকে ‘সি’ শ্রেণির জেলার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। অবস্থানগত কারণে বেশি গুরুত্বপূর্ণ জেলাকে ‘বিশেষ ক্যাটাগরি’র অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গুরুত্ব বিবেচনায় ‘বিশেষ ক্যাটাগরি’তে ছয়টি জেলা রয়েছে। এগুলো হচ্ছে, ময়মনসিংহ, খুলনা, ঢাকা, গাজীপুর, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী। এছাড়াও ‘এ’ শ্রেণিতে ২৬টি, ‘বি’ শ্রেণিতে ২৭টি ও ‘সি’ শ্রেণিতে ৫টি জেলা রয়েছে।
ঢাকা বিভাগের ঢাকা ও গাজীপুর জেলায় ৫টি করে উপজেলা থাকলেও এই দুই জেলাকে বিশেষ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে গুরুত্ব বিবেচনায়।
এরমধ্যে ঢাকা বিভাগে ‘এ’ শ্রেণির ৩টি, ‘বি’ শ্রেণির ৭টি ও ‘সি’ শ্রেণির ১টি জেলা রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে ৭টি ‘এ’ শ্রেণি, ৩টি ‘বি’ শ্রেণির জেলা রয়েছে। রাজশাহী বিভাগে ৪টি ‘এ’ শ্রেণি ও ৩টি ‘বি’ শ্রেণির জেলা রয়েছে। রংপুর বিভাগে ‘এ’ শ্রেণির জেলা ৩টি, ‘বি’ শ্রেণির জেলা রয়েছে ৫টি। খুলনা বিভাগে এ শ্রেণির জেলা রয়েছে ২টি, ‘বি’ শ্রেণির জেলা রয়েছে ৪টি জেলা এবং ‘সি শ্রেণির রয়েছে ৩টি জেলা। বরিশাল বিভাগে ‘এ’ শ্রেণির জেলা ২টি, ‘বি’ শ্রেণির জেলা ৩টি এবং ‘সি’ শ্রেণির জেলা ১টি। ময়মনসিংহ বিভাগে ‘এ’ শ্রেণির জেলা ১টি, বি শ্রেণির জেলা ২টি। সিলেট বিভাগের চারটি জেলায়ই ‘এ’ শ্রেণির।
ঢাকা বিভাগের ‘এ‘ শ্রেণির জেলা হচ্ছে কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও ফরিদপুর। মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও রাজবাড়ী ‘বি’ শ্রেণির জেলা, এবং ‘সি’ শ্রেণিতে রয়েছে মাদারীপুর জেলা।
চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম বিশেষ ক্যাটাগরির জেলা। চট্টগ্রামের কুমিল্লা, রাঙ্গামাটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, চাঁদপুর, কক্সবাজার ‘এ’ শ্রেণির এবং বান্দরবান, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর ‘বি’ শ্রেণির জেলা। এই বিভাগে ‘সি’ শ্রেণির জেলা নেই।
রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী বিশেষ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত জেলা। এছাড়া বগুড়া, নওগাঁ, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ ‘এ’ শ্রেণি, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও জয়পুরহাট হচ্ছে ‘বি’ শ্রেণির জেলা। এই বিভাগেও সি শ্রেণির জেলা নেই।
রংপুর বিভাগে ‘এ’ শ্রেণির জেলা হচ্ছে দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম ও রংপুর। ‘বি’ শ্রেণিতে রয়েছে গাইবান্ধা, নীলফামারী, লালমনিরহাট, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও। এ বিভাগেও ‘সি’ শ্রেণির জেলা নাই।
খুলনা বিভাগের খুলনা বিশেষ ক্যাটাগরির জেলা। এ বিভাগে ‘এ’ শ্রেণির জেলা হচ্ছে বাগেরহাট ও যশোর। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলা। এই বিভাগে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে মাগুরা, মেহেরপুর ও নড়াইল জেলা।
বরিশাল বিভাগের ‘এ’ শ্রেণির জেলা হচ্ছে বরিশাল ও পটুয়াখালী। এই বিভাগের ভোলা, পিরোজপুর ও বরগুনা ‘বি’ ক্যাটাগরি এবং ঝালকাঠি ‘সি’ ক্যাটাগরির জেলা।
সিলেট বিভাগের অধীন সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এই চারটি জেলাই ‘এ’ শ্রেণির।
ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ জেলার অধীন ১৩টি উপজেলা নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ জেলা বিশেষ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। এ বিভাগের নেত্রকোনা ‘এ’ শ্রেণি ও বি শ্রেণির জেলা হচ্ছে জামালপুর ও শেরপুর।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানায়, শ্রেণি অনুযায়ী সরকার জেলার সরকারি দফতরগুলোতে জনবল নিয়োগ, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ত্রাণ বরাদ্দও করে। নতুন কিছু উপজেলা সৃষ্টি হওয়ায় অনেক জেলারই শ্রেণি পরিবর্তন হওয়ায় সেগুলোকে একত্রিত করে নতুন শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।

Posted by: | Posted on: August 18, 2020

‘পুলিশ-সেনাবাহিনীকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপপ্রয়াস চলছে’

সম্প্রতি পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে দুই বাহিনীকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপপ্রয়াসে লিপ্ত হয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। এ অপপ্রচার চলমান বিচারিক ও প্রশাসনিক অনুসন্ধান প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মন্তব্য করেছে পুলিশ ইন্সপেক্টরদের সংগঠন বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা এ কথা জানায়। বিজ্ঞপ্তিটি পাঠিয়েছেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বিমানবন্দর থানার ওসি বি এম ফরমান আলী এবং সাধারণ সম্পাদক ও যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম।

৩১ জুলাই পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের মৃত্যুর পর এটাই তাদের প্রথম সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সুদীর্ঘকাল পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক বিদ্যমান। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশ বাহিনীকে বিতর্কিত ও অগ্রহণযোগ্য করার জন্য বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় উল্লেখিত ঘটনার বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে। এর মাধ্যমে দুটি ঐতিহ্যবাহী ও ভ্রাতৃপ্রতিম বাহিনীকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপপ্রয়াসে লিপ্ত হয়েছেন। এ অপপ্রচার চলমান বিচারিক ও প্রশাসনিক অনুসন্ধান প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

‘এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, জনবান্ধব ও গণমুখী পুলিশ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা ও উৎসাহ অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান রাখছে’ বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে, ‘৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারে মেজর (অব.) সিনহা নিহতের ঘটনাকে অপ্রত্যাশিত, অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিও চিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় নিহতের বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে গত ৫ আগস্ট টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করে মামলা করেন। ওসি প্রদীপ এই সংগঠনের সদস্য।