Main Menu

এইচএসসি’র পরীক্ষা কমানোর কথা ভাবছে সরকার

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা কমিয়ে এনে কম সময়ে তা শেষ করার ভাবনা সরকারের রয়েছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারের এইচএসসির সিলেবাস কমানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই, কারণ তারা (শিক্ষার্থী) তাদের তো তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে। এখন হতে পারে, যে হ্যাঁ, পাবলিক পরীক্ষা (এইচএসসি) নেওয়া হবে, আবার এত লক্ষ লক্ষ পরিবার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, এত প্রশাসনের মানুষ, এত শিক্ষক- সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলব? আমরা সেটিকে, আমরা কম সময়ে করতে পারি কি না, কম সংখ্যক পরীক্ষা নিতে পারি কি না- আমরা সবকিছুই কিন্তু ভাবছি।

দেশের করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে আসার ১৫ দিনের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনা এবং পরীক্ষার সংখ্যা কমিয়ে আনার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা কমিয়ে এনে কম সময়ে তা শেষ  করার ভাবনা সরকারের
এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা কমিয়ে এনে কম সময়ে তা শেষ করার ভাবনা সরকারের

শনিবার (২৭ জুন) এডুকেশন রিপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত ‘করোনায় শিক্ষার চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক এক অনলাইন সেমিনারে তিনি এ কথা জানান।

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা কমিয়ে এনে কম সময়ে তা শেষ করার ভাবনা সরকারের রয়েছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারের এইচএসসির সিলেবাস কমানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই, কারণ তারা (শিক্ষার্থী) তাদের তো তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে। এখন হতে পারে, যে হ্যাঁ, পাবলিক পরীক্ষা (এইচএসসি) নেওয়া হবে, আবার এত লক্ষ লক্ষ পরিবার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, এত প্রশাসনের মানুষ, এত শিক্ষক- সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলব? আমরা সেটিকে, আমরা কম সময়ে করতে পারি কি না, কম সংখ্যক পরীক্ষা নিতে পারি কি না- আমরা সবকিছুই কিন্তু ভাবছি।

গত ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে তা স্থগিত করা হয়। এরপর থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে বন্ধ।

এদিন শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে আমরা কোটি কোটি শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া হবে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় যে ক্ষতি হবে তা পুষিয়ে নিতে আমরা কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।

চলতি শিক্ষাবর্ষ আগামী মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। শিক্ষাবর্ষের ছুটি কমিয়ে শ্রেণি ঘণ্টা বাড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ডা. দিপু মনি।






Related News