Wednesday, April 17th, 2019

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: April 17, 2019

মোসাদ্দেকের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে মোহামেডানকে হারালো আবাহনী

(বাসস) : অধিনায়ক মোসাদ্দেকের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের সুপার সিক্সে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডান স্পোটিং ক্লাবকে আজ ৪৫ রানে হারিয়েছে আবাহনী লিমিটেড। লিগ পর্বেও মোহামেডানকে ৬ উইকেটে হারিয়েছিলো আবাহনী। সুপার সিক্সে নিজেদের টানা দ্বিতীয় জয়ে ১৩ খেলায় ১০ জয় ও ৩ হারে ২০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে আবাহনী। সমানসংখ্যক ম্যাচে ৬ জয় ও ৭ হারে ১২ পয়েন্ট নিয়ে সুপার সিক্স টেবিলের ষষ্ঠ ও তলানিতে মোহামেডান। ২০ পয়েন্ট সংগ্রহে থাকায় শীর্ষে থাকা লিজেন্ডস অব রূগপঞ্জের সাথে আবাহনীর ব্যবধান এখন মাত্র ২।
সাভারের বিকেএসপি’র তিন নম্বর মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেয় আবাহনী। ইনফর্ম জহিুরুল এ ম্যাচেও ব্যর্থ হন। মাত্র ৪ রান করে ফিরেন তিনি। ভালো শুরু করেছিলেন আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার। কিন্তু ১৭ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। এমন অবস্থায় ৩২ রানে দুই ওপেনারকে হারায় আবাহনী।
শুরুতে ডাবল ধাক্কায় ভড়কে যায়নি আবাহনীর তিন নম্বরে নামা সাব্বির রহমান। পাল্টা আক্রমণ করেন মোহামেডান বোলারদের। মারমুখী মেজাজে রানের চাকা সচল রেখেছিলেন সাব্বির। সাথে ছিলেন ভারতীয় ওয়াসিম জাফর। সাব্বিরের বিধ্বংসী রুপে, দেখেশুনেই খেলেছেন জাফর। তাই এই জুটির কল্যাণে শতরানে পৌঁছে যায় আবাহনী। কিন্তু তিন অংকে পৌঁছেই বিচ্ছিন্ন হন সাব্বির-জাফর। ৭১ রানের জুটি গড়েন তারা। দলীয় ১০৩ রানে ফিরেন জাফর। করেন ১৯ রান। কিছুক্ষণ পর থামতে হয় সাব্বিরকেও। হাফ-সেঞ্চুরি তুলে ৫৩ বলে ৫টি চার এবং ৪টি ছক্কায় ৬৪ রান করেন সাব্বির।
দলীয় ১০৯ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাব্বির আউট হলে দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোহাম্মদ মিথুন। পঞ্চম উইকেটে দু’জনে ৯১ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোর ২শ’ স্পর্শ করান। কিন্তু মাত্র ২ রানের ব্যবধানে দু’জনই। শান্ত ৩৬ ও মিথুন ৫২ বলে ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ৫৬ রান করেন।
৩৬তম ওভারে ২০২ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়েও চিন্তা ভাজ কপালে ছিলো না আবাহনীর। কারন তখনও উইকেটে ছিলেন দুই ইনফর্ম ব্যাটসম্যান অধিনায়ক মোসাদ্দেক ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ইনিংসের শেষ ৮৬ বলে ১০২ রান যোগ করেন মোসাদ্দেক-সাইফউদ্দিন। ফলে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩০৪ রানের সংগ্রহ পায় আবাহনী।
৪টি চারে ৩৫ বলে ৪১ রান করে ইনিংসের শেষ বলে আউট হন সাইফউদ্দিন। তবে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫৭ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করেন মোসাদ্দেক। মোহামেডানের শফিউল ইসলাম ৩ উইকেট নেন।
আবাহনীর ছুঁড়ে দেয়া ৩০৫ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে মোহামেডান। আবাহনী বোলারদের তোপের মুখে পড়ে মোহামেডানের টপ-অর্ডার। ২০ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। ওপেনার হিসেবে বোলিং শুরু করে দু’উইকেট নেন মোসাদ্দেক। অনপ্রান্তে একটি উইকেট শিকার করেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।
শুরুর ধাক্কাটা সামাল দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন রকিবুল হাসান ও তুষার ইমরান। কিন্তু বেশি দূর যেতে পারেননি তারা। ৪১ রান যোগ করেই বিচ্ছিন্ন হন রকিবুল-তুষার। ১৬ রান করে আউট হন তুষার। এরপর মোহাম্মদ আশরাফুলকে নিয়ে লড়াই শুরু করেন রকিবুল। দারুণ জমে উঠে রকিবুল-আশরাফুলের জুটিটি। দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে গিয়ে দু’জনই হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান।
মারমুখী মেজাজে ব্যাট করা রকিবুল আসরে দ্বিতীয় সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছেও যান। কিন্তু রকিবুলের স্বপ্ন চুরমার করে দেন আবাহনীর মাশরাফি। দশটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৭৯ বলে ৯৬ রান করা রকিবুলকে শিকার করেন ম্যাশ।
রকিবুল থামলেও দমে যাননি আশরাফুল। দলের রানের চাকা ঘুড়াচ্ছিলেন তিনি। তার সাথে ছিলেন সোহাগ গাজী। কিন্তু দলীয় ২৩০ ও ২৪২ রানে অ্যাশ-সোহাগকে শিকার করেন আবাহনীর মিডিয়াম পেসার সৌম্য সরকার। আর সেখানেই শেষ হয়ে যায় মোহামেডানের ম্যাচ জয়ের আশা। ২১ বল বাকী থাকতে ২৫৯ রানে অলআউট হয় মোহামেডান। আশরাফুল ৬টি চারে ৮৫ বলে ৬৮ ও সোহাগ ২৮ বলে ২৮ রান করেন। আবাহনীর মোসাদ্দেক-মাশরাফি ৩টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হয়েছেন আবাহনীর অধিনায়ক মোসাদ্দেক।

Posted by: | Posted on: April 17, 2019

মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন সজীব ওয়াজেদ

(বাসস) : ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস ২০১৯ উপলক্ষে বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তর আজ দশ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে।
এছাড়া দশ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম, ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটা প্রকাশ ও একটি বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এই স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস এবং ডাক বিভাগের মহাপরিচালক এস এস ভদ্র এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Posted by: | Posted on: April 17, 2019

মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

(বাসস): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সম্মুখে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ মহান নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবেও শেখ হাসিনা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তাঁর দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেকবার পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরে যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ ও কৃষক লীগসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
১৯৭১ সালে ১৭ এপ্রিল দেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পালন উপলক্ষে আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হচ্ছে।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে নিরস্ত্র বাঙালীদের ওপর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বর্বর গণহত্যা চালানোর পর স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠনের লক্ষ্যে ১৭ এপ্রিল আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় সমবেত হন।
বৈদ্যনাথতলা ছিল মূলত একটি আমবাগান। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠনের পর এটির নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর রাখা হয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে সৈয়দ নজরুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি করা হয়।
তাজউদ্দিন আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। খন্দকার মোশতাক আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলি ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে মন্ত্রিপরিষদ সদস্য বানানো হয়।
এই অস্থায়ী সরকারের সফল নেতৃত্বে ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জিত হয়।

Posted by: | Posted on: April 17, 2019

নড়াইলের ক্ষুদে চিত্রশিল্পীদের আঁকা দীর্ঘতম ছবি ২৪টি স্কুলে প্রদর্শনী

নড়াইল,  (বাসস): জেলার ক্ষুদে চিত্রশিল্পীরা একেছে দীর্ঘতম ছবি। যার আয়তন (১৬০০ ফুট লম্বা,চওড়া ৩ ফুট) ৪৮০০ বর্গফুট। ক্ষুদে চিত্রশিল্পীদের আঁকা সেই ছবির ডিজিটাল প্রিন্ট এখন নড়াইল ও যশোরের বিভিন্ন স্কুলে ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনী করে দেখানো হচ্ছে। এ পর্যন্ত ২৪টি স্কুলে চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। নড়াইলের শিল্পাঞ্জলি নামে একটি ভ্রাম্যমাণ অবৈতনিক আর্ট স্কুলের দুই শতাধিক শিশু শিল্পী, যার প্রায় ৩০জন স্থানীয় ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠী কার্তিজ পেপারে মোম রং-এর মাধ্যমে এ ছবি এঁকেছে। ছবি আঁকা এখনও শেষ হয়নি। এখনও চলছে ছবি আঁকার কাজ। শিল্পীর টার্গেট ৩ হাজার ফুট লম্বা ছবি আঁকা। সম্পূর্ণ নতুন ধারার এবং বৃহৎ এ ছবির উদ্যোক্তা হলেন বরেণ্য শিল্পী এস.এম সুলতানের শিষ্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের সাবেক সহকারি অধ্যাপক চিত্রশিল্পী বিমানেশ বিশ্বাস। তিনি ক্ষুদে শিল্পীদের ছবি আঁকার খাতা, রং,পেন্সিলসহ বিভিন্ন উপকরণ ফ্রি সরবরাহ করে থাকেন। শুধু তাই নয় তাদের খাবারের ব্যবস্থাও করে থাকেন শিল্পী। এসবের সমস্ত খরচই শিল্পী নিজে বহন করেন।
জানা গেছে, চিত্রশিল্পী বিমানেশ বিশ্বাস ২০১৫ সালের মাঝামাঝি শিশুদের জন্য ‘শিল্পাঞ্জলি’ নামে ছবি আঁকার একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে নিজ বাড়ি, শহরের আদিবাসি পাড়া, সদরের কলোড়া ইউনিয়নের গোবরা বাজার এলাকা, নলদীর চর, বড়েন্দার গ্রাম এবং ভদ্রবিলা ইউনিয়নের চন্ডিতলা পালপাড়া এলাকায় তিনি এ স্কুলের কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এখন নিজ বাড়িতেই স্কুল পরিচালনা করছেন। প্রতি শুক্র ও শনিবার তিনি শিশুদের ছবি আঁকা শেখান।
শহরের দিঘির পাড় এলাকার শিশু চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী রুম্পা মালি, শীলা মালি, ২য় শ্রেণির সিপন মালি, শহরের কুরিগ্রাম এলাকার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অর্পণ, তাবাচ্ছুম, দ্বিতীয় শ্রেণির দৃষ্টি, মোহনা,রাহুল,মাছিমদিয়া এলাকার তৃতীয় শ্রেণির আলিফ জানায়,এ স্কুলে রং-পেন্সিল ও খাতা দেওয়া হয়। প্রতি শুক্র ও শনিবার ক্লাস করি এবং ছবি আঁকি। শিশুদের যতœ করে খাওয়ানোর কাজটি করে থাকেন শিল্পীর স্ত্রী মমতা বিশ্বাস। শিশুদের ছবি আঁকা শেখানোয় সাহায্য করেন একমাত্র সন্তান ভারতের রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেইন্টিং বিভাগে মাস্টার্স করা হীরা বিশ্বাস, নড়াইলের এস.এম সুলতান বেঙ্গল চারুকলা মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অন্তরা বৈরাগী ও সৌমিত্র মোস্তবী।
চিত্রশিল্পী বিমানেশ বিশ্বাস জানান, শিশুরা অ্যামেরিকান কার্তিস পেপারে ২০১৬ সালের ২ ডিসেম্বর থেকে এ ছবি আঁকা শুরু করেছে। তার দাবি বর্তমানে এটা বিশ্বের প্রথম বড় ও লম্বা শিশু কিশোর অঙ্কিত চিত্র। শিশুরা নিজের ভাবনায় বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ছবি আঁকছে। যেমন- মুক্তিযুদ্ধ, গ্রামীণ জীবন, মসজিদ-মন্দির, নৌকাবাইচসহ বিভিন্ন লোকজ উৎসব, বর-কনে, পালকি, রাখাল, কৃষক-শ্রমিক, কম্পিউটার, মোবাইল টাওয়ার, মাছ শিকার, ঈদের নামাজ ইত্যাদি। তিনি আরও বলেন, শিশুরা যাতে সাধারন শিক্ষার পাশাপাশি চারুকলা ও ছবি আঁকার প্রতি আগ্রহী হয় এবং তাদের মেধার বিকাশ ঘটে সেজন্য বিশাল এ ছবির (৩শ ফুট লম্বা এবং ৩ ফুট প্রস্থ) একটি ডিজিটাল প্রিন্ট বিভিন্ন স্কুলে দেখানো হচ্ছে । স্কুলের বাইরের সাধারন মানুষও ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে এ ছবি দেখছেন। তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক শিক্ষায় কম বেশি চিত্র আকাঁর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এছাড়া ব্যাবহারিক শিল্পকলার ক্ষেত্রে রুচিবোধে সৌর্ন্দযের প্রয়োজন এবং শিল্প কলকারখানায়ও শিল্পীর প্রয়োজন। শিল্পীর জন্ম না হলে শিল্প কলকারখানা কেমন করে গড়ে উঠবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

Posted by: | Posted on: April 17, 2019

ধর্ষণের মামলায় নারী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভিকটিমদের জবানবন্দি গ্রহণের নির্দেশ

(বাসস) : ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য ভিকটিমদের একজন নারী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠাতে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।
সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের স্বার্থে এ সার্কুলার জারি করেছে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন। জানিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান। প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. মো.জাকির হোসেনের সাক্ষরিত সার্কুলারে বলা হয়,‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ বর্ণিত অপরাধ সংঘটনে ওয়াকিবহাল ব্যক্তির জবানবন্দি উক্ত আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করা হয়।’
‘অপরাধের তদন্ত ও বিচারের স্বার্থে লিপিবদ্ধকৃত উক্ত জবানবন্দি অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। স্পেশাল কমিটি ফর জুডিশিয়াল রিফর্মস এর গোচরীভূত হয়েছে যে, বর্তমানে বেশকিছু ক্ষেত্রে ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া নারী বা শিশুদের জবানবন্দি পুরুষ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে। একজন পুরুষ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নারী বা শিশু ভিক্টিম ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের বর্ণনা দিতে সংকোচবোধ করে। ফলে এরূপ নির্যাতনের শিকার শিশু বা নারী ঘটনার প্রকৃত বিবরণ দিতে অনেক সময় ইতস্তত বোধ করে।’
সার্কুলারে বলা হয়, ‘এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের শিকার নারী বা শিশুদের জবানবন্দি একজন নারী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধ করা আবশ্যক। এতে নারী ও শিশু ভিক্টিমরা সহজে ও নিঃসঙ্কোচে তাদের উপর নির্যাতনের বর্ণনা দিতে পারবে।’
তবে সংশ্লিষ্ট জেলায় বা মহানগরীতে নারী ম্যাজিস্ট্রেট কর্মরত না থাকলে অন্য কোনো যোগ্য ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত দায়িত্ব অর্পণ করা যেতে পারে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়।