Thursday, March 14th, 2019

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: March 14, 2019

নিউইয়র্কে প্রতিবছর ২৫ সেপ্টেম্বর ‘বাংলাদেশী ইমিগ্রান্ট ডে’ পালনের বিল পাস

(বাসস) : যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রাজ্যে প্রতিবছর ২৫ সেপ্টেম্বর ‘বাংলাদেশী ইমিগ্রান্ট ডে’ হিসেবে পালনের লক্ষে বিল পাস করেছে স্টেট সিনেট। প্রবাসী বাংলাদেশীদের উত্থাপিত এক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে স্টেট সিনেট সর্বসম্মতিক্রমে এই বিল পাস করে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রথমবারের মত সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাংলায় ভাষণ দেয়ার দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রবাসী বাংলাদেশীরা এই প্রস্তাব দিয়েছিল।
সম্প্রতি নিউইয়র্ক স্টেটের রাজধানী আলবেনিতে অনুষ্ঠিত সিেেনট অধিবেশনে ‘বাংলাদেশী ইমিগ্রান্ট ডে’ বিলটি উত্থাপিত হলে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয় এবং তারিখটিকে স্টেট ক্যালেন্ডারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যার রেজ্যুলেশন নং- ৩২২।
নিউইর্য়ক স্টেট সিনেটের ওয়েবসাইটে দেয়া রেজ্যুলেশনে এই সংবাদ দিয়ে উল্লেখ করা হয় যে, যেহেতু ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রথমবারের মত বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন সেজন্য এই দিনটি নিউইর্য়কের বাংলাদেশী অভিবাসীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এতে আরো বলা হয়, এছাড়াও মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ২৫ সেপ্টেম্বরকে বাংলাদেশ ইমিগ্র্যান্ট ডে ঘোষণার জন্য যে প্রস্তাব করেছেন তাতে জাতিসংঘের অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক বাংলায় ভাষণের কথা সবচেয়ে গুরুত্বে¡র সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ইমিগ্র্যান্ট ডে ঘোষণার প্রস্তাবক ও নিউইর্য়কের মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের বিশ্বজিত সাহা আজ ফোনে বাসসকে বলেন, দিনটিকে বাংলাদেশী ইমিগ্রান্ট ডে ঘোষণা করার লক্ষ্যে তিনি ২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রথম সিনেটর টবি অ্যান স্ট্যাভিস্কির কাছে আবেদন করেন। কিন্তু ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে সিনেট অধিবেশনে এ প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়।
হতোদ্যম না হয়ে তিনি আবার ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি সিনেটর হোজে প্যারাল্টার সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি তাঁকে জানান। সিনেটর আশ্বাস দিন এই বিষয় নিয়ে তিনি কাজ করবেন।
পরে ২০১৮ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর হোজে পেরাল্টার প্রকলেমেশনে ২৫ সেপ্টেম্বরকে ’বাংলাদেশী ইমিগ্র্যান্টস ডে’ হিসাবে ঘোষণা করেন এবং এটি মুক্তধারা ফাউন্ডেশন আয়োজিত এন আর বি গ্লোবাল কনভেনশনে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২০১৮ সালের শেষ সিনেট নির্বাচনে হোজে প্যারাল্টা পরাজিত এবং তাঁর অকাল মৃত্যু ঘটলে বিশ্বজিত সাহা হতাশ হয়ে পড়েন। কারণ, ইতোপূর্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের রেজ্যুলেশটিও সিনেটর হোজে প্যারাল্টার প্রস্তাবনায় নিউইয়র্কে স্টেটে পাশ হয়েছিল এবং তা স্টেট ক্যালেন্ডারের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
বিশ্বজিত বলেন পরে তিনি আরো কয়েকজন সিনেটরের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি সিনেটর টবি অ্যান স্ট্যাভিস্কির কাছে প্রস্তাবনাটি পাঠান। এই পরিপ্রেক্ষিতে সিনেটর টবি অ্যান স্ট্যাভিস্কির ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে আলবেনিতে অনুষ্ঠিত সিনেট অধিবেশনে এই বিলটি উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত ও স্টেট ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত হয়। এখন থকে প্রতিবছর নিউইয়র্ক স্টেটে দিনটি পালিত হবে।
সিনেটের এই রেজুুলেশনটি পাশের পর তা গতকাল ১২ মার্চ এর কপি নিউইয়র্ক স্টেট গভর্নর এন্ড্রু ক্যামো ও মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিত সাহার কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

Posted by: | Posted on: March 14, 2019

মধ্য এপ্রিল রাজধানীতে চালু হচ্ছে চক্রাকার বাস সার্ভিস : মেয়র সাঈদ খোকন

(বাসস) : গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং যাত্রীদের সুবিধার্থে মধ্য এপ্রিল থেকে রাজধানীর ধানমন্ডি, উত্তরা, মতিঝিলে চক্রাকার বাস সার্ভিস চালু করা হবে।
সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ‘বাস রুট রেশনালাইজেশন’ বিষয়ে গঠিত কমিটির সভা শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন আজ বুধবার সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
নগরভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সাঈদ খোকন বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক সহযোগিতায় সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মধ্য এপ্রিল থেকে আমরা চক্রাকার বাস সার্ভিস চালু করতে পারবো বলে আশা করছি।’
এর আগে সিটি কর্পোরেশনের সভাকক্ষে মেয়র সাঈদ খোকনের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত সভায় ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান, ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতা খন্দকার এনায়েতুল্লাহ খান, ডিএমপি, বিআরটিসি, বিআরটিএ, ডিটিসিএ, রাজউক, ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানো ও যানজট নিরসনের লক্ষ্যে গত বছর এই কমিটি গঠন করা হয়। ডিএসসিসি মেয়রকে আহ্বায়ক করে ১০ সদস্যের এ কমিটিতে ডিএনসিসির মেয়রকে যুগ্ম-আহ্বায়ক করা হয়েছে। এ ছাড়া কমিটির অন্যরা হলেন- বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান, রাজউক চেয়ারম্যান, ডিএমপি কমিশনার, গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. এস এম সালেহ উদ্দিন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক।

Posted by: | Posted on: March 14, 2019

চার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে স্বর্ণপদক হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী

মির্জাপুর, টাঙ্গাইল,  (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মির্জাপুর কুমুদিনী কমপ্লেক্সে কিংবদন্তীতূল্য রাজনৈতিক নেতা তদানিন্তন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (মরণোত্তর), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামসহ (মরণোত্তর) চার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে দানবীর রনোদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণ পদক হস্তান্তর করেছেন।
স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত অপর দুই ব্যক্তিত্ব হলেন, নজরুল বিশেষজ্ঞ এবং গবেষক প্রফেসর রফিকুল ইসলাম এবং বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দীন।
প্রধানমন্ত্রী কুমুদিনী কমপ্লেক্সে পদকপ্রাপ্ত এবং তাদের প্রতিনিধিদের হাতে স্বর্ণ পদক হস্তান্তর করেন।
কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের ৮৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি বিশিষ্ট ৪ ব্যক্তিকে ‘দানবীর রনদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণ পদক’ হস্তান্তর করেন ।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সোহরাওয়ার্দীর পক্ষে শেখ রেহানা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে স্বর্ণ পদক গ্রহণ করেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পক্ষে তাঁর নাতনী খিলখিল কাজী স্বর্ণ পদক গ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে আজ সকালে কুমুদিনী কমপ্লেক্স হেলিপ্যাডে পৌঁছেন। এখানে পৌঁছার পরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ভারতেশ্বরী হোমসের শিক্ষার্থীরা বর্ণাঢ্য ডিসপ্লে প্রদর্শন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কুমুদিনী কমপ্লেক্স মনোরমভাবে সজ্জিত করা হয়।

Posted by: | Posted on: March 14, 2019

আমদানি নয়, দেশেই গাড়ি তৈরি হবে : শিল্পমন্ত্রী

(বাসস) : শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, বিদেশ থেকে আর আমদানি নয়, এখন থেকে দেশেই গাড়ি তৈরি করা হবে।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় ১৪তম
ঢাকা মোটর, ৫ম ঢাকা বাইক, ৪র্থ ঢাকা অটো পার্টস ও ৩য় ঢাকা কমার্শিয়াল অটোমোটিভ শো’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ শিল্প উন্নয়নের মাইলফলকে পৌঁছেছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।দেশের বাইরে থেকে গাড়ি আমদানি নয়, নিজেরাই গাড়ি তৈরি করবো। অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকবো না।
তিনি বলেন, শিল্পক্ষেত্রে আজ আমরা অনেক এগিয়ে গেছি। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) বঙ্গবন্ধুর অবদান। তিনি যদি এটি প্রতিষ্ঠা না করতেন, তাহলে আজ দেশ শিল্পে এগিয়ে যেতো না।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুকে খুব কাছে থেকে দেখেছেন।বঙ্গবন্ধুর সোনার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।
সেমস গ্লোবাল আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সংস্থার প্রেসিডেন্ট মেহেরুন এন ইসলামর সভাপতিত্ব করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, আরইএল মোটরস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াদ হাসনাইন, র‌্যাংকন মোটর বাইকস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাওন হাকিম,এনার্জি প্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের পরিচালক এনামুল হক চৌধুরী ও কর্ণফুলী গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক আনিসুদ্দৌলাসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।

Posted by: | Posted on: March 14, 2019

নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা ও সহিংসতা বন্ধে পিইউআইসিকে সোচ্চার ও সক্রিয় হতে স্পিকারের আহবান

(বাসস) : স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা ও সহিংসতা বন্ধে পিইউআইসিকে সোচ্চার ও সক্রিয় হতে আহবান জানিয়েছেন।
তিনি আজ মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিত পিইউআইসির ১৪তম সম্মেলনে জেনারেল কমিটির সভায় বক্তৃতাকালে এ আহবান জানান।
সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এসময় স্পিকার বলেন, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন অব দ্যা ওআইসি মেম্বার স্টেটস (পিইউআইসি) মুখপাত্র হিসেবে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পিইউআইসি অগ্রবর্তী ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।
তিনি বলেন, পিইউআইসি সার্বজনীন নৈতিকতার কন্ঠস্বর হয়ে কাজ করতে পারে। ওআইসি’র বিবেচ্য আন্তর্জাতিক সকল বিষয়ে এ সংগঠন আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত হয়ে মুসলিম উম্মাহর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ড. শিরীন শারমিন বলেন, মাদার অব হিউম্যানিটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। জাতিসংঘের ৭২তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে প্রধানমন্ত্রী পাঁচ দফা প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন। পাঁচ দফার প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে উল্লেখ করেন স্পিকার। জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তায় কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসন চায় বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে মিয়ানমারের সদিচ্ছাই দিতে পারে রোহিঙ্গা সমস্যার দ্রুত ও টেকসই সমাধান। এ সময় তিনি পিইউআইসির প্রতিনিধি দলকে গত ১০ থেকে ১৩ সেপ্টেবর বাংলাদেশের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
তেহরানে গত বছরের ১৩ থেকে ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত পিইউআইসির ১৩তম সম্মেলনে নিরীহ ও নিরস্ত্র রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংস সহিংসতা বন্ধে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংগঠনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এ সময় স্পিকার বলেন, ওআইসির কর্মপরিকল্পনা ২০২৫ এর আওতায় ব্লু ইকোনমি, গ্রিন ইকোনমি, আন্তঃদেশীয় যোগাযোগ স্থাপন, আঞ্চলিক সম্বনিত অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন, ওআইসিভূক্ত দেশসূহের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে যা বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য হুইপ ইকবালুর রহিম, এস এম শাহজাদা এমপি, সৈয়দা জাকিয়া নূর এমপি, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এমপি এবং সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমদ খান অংশগ্রহণ করেন।