কোরবানি শেষে চলছে চামড়া বেচাকেনা

কোরবানি শেষে রাজধানীসহ সারা দেশে শুরু হয়েছে পশুর চামড়া বেচাকেনা। বরাবরের মতো এবারও ট্যানারি মালিকদের বিরুদ্ধে পানির দরে চামড়া কেনার অভিযোগ করেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। তবে ট্যানারি মালিক ও পোস্তার ব্যবসায়ীরা বলছেন, লবণ ও কেমিক্যালের দাম বাড়ায় চামড়া প্রক্রিয়াকরণে খরচ বাড়বে। সেই হিসাব করেই চামড়া কিনছেন তারা।

ঈদের নামাজ শেষ কোরবানির পরই সকাল থেকে শুরু হয়েছে চামড়া সংগ্রহ। পরে তা বিক্রি হবে চামড়া ব্যবসায়ীদের কাছে।

ঢাকা শহরের অলিগলি ও প্রধান সড়ক এবং গ্রামে গ্রামে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সকাল থেকেই চামড়া সংগ্রহ চলছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে চামড়ার স্তূপ।
 
পিকআপ, ভ্যান কিংবা রিকশায় সদ্য কোরবানি দেয়া পশুর চামড়া নিয়ে রাজধানীর স্যায়েন্সল্যাবে আসতে থাকেন মৌসুমি ব্যবসায়ী ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। প্রতিটি ভ্যান আসা মাত্রই চামড়া নিয়ে ট্যানারির কর্মী ও পোস্তার ব্যবসায়ীদের মধ্যে শুরু হয় টানাটানি। চলতে থাকে দর কষাকষি।

 
সরকার রাজধানীতে প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়ার দর বেঁধে দিয়েছে ৪৭-৫২ টাকা। ৫২ টাকা হিসাবে ২৫ বর্গফুটের লবণযুক্ত চামড়ার দাম পড়ে ১৩শ’ টাকা। লবণ বাবদ তিনশ টাকা বাদ দিলেও ২৫ বর্গফুটের কাঁচা চামড়ার দাম এক হাজার টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে বেশিরভাগ চামড়া বিক্রি হচ্ছে ৬৫০-৭০০ টাকার মধ্যে। যা নিয়ে ক্ষোভ মৌসুমি ব্যবসায়ীদের।

তবে, সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করছেন ট্যানারি মালিক ও পোস্তার ব্যবসায়ীরা।
Share: