Main Menu

রিজেন্সির চেয়ারম্যানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট

ডেইলি প্রেসওয়াচ রিপোর্টঃ ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মুসলেহ উদ্দিন আহমেদসহ সাতজনের বিরুদ্ধে শেয়ার নিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

পরোয়াভুক্ত অপর আসামিরা হলেন-প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কবির হোসেন, পরিচালক আরিফ মোতাহার, নাজমা আরিফ মোতাহার, জেবুন্নেসা, ফাহিম আরিফ মোতাহার ও রোকেয়া খাতুন।

গত ২ নভেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের আদালত এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

বুধবার (৯ ডিসেম্বর) আদালতের পেশকার আশিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গত ২ নভেম্বর সকল আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারির আশায় বাদী মিনাজ আহমেদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এই আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে গত ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বৈত নাগরিক মিনাজ আহমেদ বাদী হয়ে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিদের প্রতিষ্ঠিত ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড ২০০৫ সালে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও ব্রোসিয়ারের মাধ্যমে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিদেশিদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের প্রতিষ্ঠানে শেয়ারহোল্ডার হিসেবে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করেন। আসামিদের প্রস্তাব ছিল, শেয়ার বাবদ ২৫ হাজার পাউন্ড স্টারলিং (২৯ লাখ টাকা) বিনিয়োগ করলে, বিনিয়োগকারীকে কোম্পানির পরিচালকপদসহ আনুষাঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। মামলার বাদী মিনাজ আহমেদ এ প্রস্তাবে সম্মত হয়ে ২০০৬ সালের ৩ মার্চ পরিচালক পদ পাওয়ার আশায় এ টাকা বিনিয়োগ করে শেয়ারহোল্ডার হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হন।

২০০৭ সালের আগস্ট/সেপ্টেম্বর মাসে বাদী বরাবর পরিচালক হিসেবে কোম্পানির পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) প্রদান করা হয়। এরপর ২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে মামলার বাদী বিদেশ থেকে বাংলাদেশে এসে আসামিদের কাছে কোম্পানির কাগজপত্র ও বিনিয়োগকৃত শেয়ারের সনদ দেখতে চাইলে আসামি মুসলেহ উদ্দিন আহমেদ ও আরিফ মোতাহার তা দেখাতে গড়িমসি করেন। কেবল ২৯০টি শেয়ার (যার মূল্য ২৯ হাজার টাকা) প্রদর্শন করলে বাদী আশ্চর্য হন এবং আসামিদের প্রতারণা বুঝতে পারেন।

এরপর মামলার বাদী খোঁজ-খবর নিয়ে জানতে পারেন, আসামিরা সব বিনিয়োগকারীর সঙ্গে এমন প্রতারণা করেছে এবং বাদীর মতো কাউকে অঙ্গীকার মতো কোম্পানির পরিচালক পদ দেননি। অংশীদারদের সমন্বয় পরিচালনা বোর্ড গঠনের প্রস্তাব দিয়ে একান্ত পারিবারিক বোর্ড গঠন করেন তারা। এমন কি কোম্পানি পরিচালনার সুদীর্ঘ সময়ে কখনও কোনও লভ্যাংশ প্রদান করেননি। তারা কেবল নামমাত্র শেয়ার প্রদান করেই ক্ষান্ত হননি, লিমিটেড কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী এজিএম না করেই বাদীসহ অন্য শেয়ারহোল্ডারদের উপস্থিত দেখিয়ে সাক্ষর জাল করে এজিএম দেখিয়ে অবৈধভাবে কোম্পানি চালিয়ে যাচ্ছেন।






Related News