Main Menu

কলেজ পেয়েও আড়াই লক্ষাধিক শিক্ষার্থী ভর্তির বাইরে

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করেছেন দুই লাখ ১৭ হাজার ২৫৫ জন শিক্ষার্থী। আর প্রথম ধাপে কলেজ পেয়েও দুই লাখ ৬২ হাজার ৪৯২ জন ভর্তি হননি। বুধবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন অর রশিদ জাগো নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে, একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের আবেদন কার্যক্রমের শেষ সময় ছিল বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে সারাদেশ থেকে দুই লাখ ১৭ হাজার ২৫৫ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তার মধ্যে ঢাকা বোর্ডের আওতায় ৬৮ হাজার ৮৯৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় এ স্তরে মনোনীতদের ফল প্রকাশ করা হবে।

প্রথম ধাপে আবেদন করতে না পারা ও সিলেকশন না হওয়া শিক্ষার্থীরা এই ধাপে আবেদন করেন। তবে প্রথম ধাপে পৌনে ১৩ লাখ শিক্ষার্থী কলেজ ভর্তির জন্য মনোনীত হলেও সারাদেশের সরকারি-বেসরকারি কলেজে ১০ লাখ ১৫ হাজার ১৯৬ ভর্তি নিশ্চিত করতে নিশ্চায়ন করলেও দুই লাখ ৬২ হাজার ৪৯২ জন নিশ্চায়ন করেননি। তার মধ্যে ঢাকায় পড়েন এ সংখ্যা ৪৫ হাজারের বেশি। তবে এদের অনেকে রাজধানীর চারটি কলেজ ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছেন বলে জানান কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন অর রশিদ।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন করা হবে ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। শিক্ষার্থী সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে দ্বিতীয় পর্যায়ের সিলেকশন ও আবেদন বাতিল হবে।

এদিকে তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর। পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল ও তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ হবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। তৃতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে।

কলেজভিত্তিক চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায়। ভর্তি কার্যক্রম চলবে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

বোর্ডের তথ্যমতে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রথম ধাপে ১২ লাখ ৭৭ হাজার ৭২১ জন শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন। সব বোর্ড মিলে মোট আবেদন করেছিলেন ১৩ লাখ ৪২ হাজার ৬৯৩ জন। এর মধ্যে ৬৪ হাজার ৯৭২ জন ভর্তির জন্য কোনো সিট পাননি। এছাড়া সারাদেশে ১৪৮ কলেজে কেউ আবেদন করেননি।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের তথ্যমতে, শিক্ষার্থীদের এসএমএসে ফল জানানো হবে। একইসঙ্গে একটি সিকিউরিটি কোড পাঠানো হবে। এ কোডটি ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য সংগ্রহ করতে হবে।






Related News