Main Menu

উপাচার্য প্রফেসর ড. কলিমউল্লাহর গভীর আগ্রহ, নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় বেরোবি’তে কোয়ালিটি এডুকেশন বাস্তবায়ন

উপাচার্য প্রফেসর ড. মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও

উপাচার্য প্রফেসর ড. কলিমউল্লাহর গভীর আগ্রহ, নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় বেরোবি’তে কোয়ালিটি এডুকেশন বাস্তবায়ন- প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হক

শিক্ষার সামাজিক ও রাষ্ট্রিক চাহিদা নিশ্চিত করে বৈশ্বিক মান অর্জনের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির উদ্যোগে সকল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি এ্যসুরেন্স সেল’ স্থাপিত করা হয়েছে। অবশ্য ‘কোয়ালিটি কালচার’ প্রতিষ্ঠার শুরুটা ছিল নানা বাধা-বিপত্তি ও অবিশ্বাসে ভরা। বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ পর্যায়েও এ ব্যাপারে ছিল স্পষ্ট অনীহা। তবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরে এ কাজটি সহজে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে উপাচার্য প্রফেসর ড. মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও-এর গভীর আগ্রহ, নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার কল্যাণে। IQAC এর প্রকল্পকালীন এবং প্রকল্প-উত্তর প্রতিটি স্তরে ও পদক্ষেপে সেনাপতিত্ব করেছেন তিনি।

উপাচার্য প্রফেসর ড. কলিমউল্লাহর গভীর আগ্রহ, নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় বেরোবি'তে কোয়ালিটি এডুকেশন বাস্তবায়ন
উপাচার্য প্রফেসর ড. কলিমউল্লাহর গভীর আগ্রহ, নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় বেরোবি’তে কোয়ালিটি এডুকেশন বাস্তবায়ন-প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হক
পরিচালক, ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি এ্যসুরেন্স সেল।


উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর নেতৃত্বে IQAC এর মাধ্যমে ১৫টি বিভাগে ৭৫টি সার্ভে এবং প্রকল্পকালে ৩৩টি ও প্রকল্প-উত্তর ১১টি ওয়ার্কশপ ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়। এ সব প্রশিক্ষণে শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারী সহ অংশগ্রহণ করেন ২১৪৯ জন। প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন দেশের খ্যাতিমান ৫৭ জন রিসোর্স পার্সন। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের একাধিক প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত ছিল যাতে মাননীয় উপাচার্যের আমন্ত্রণে ৫ জন বিশেষজ্ঞ অংশগ্রহণ করেন অস্ট্রেলিয়া থেকে। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করণের পদক্ষেপ হিসেবে প্রতিটি বিভাগে ‘সেলফ এসেসমেন্ট’ সার্ভে, রিপোর্ট ও উন্নয়ন প্রস্তাবনা প্রণীত হয়। উপাচার্যের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতনামা ৪৫ জন বিশেষজ্ঞ ক্যাম্পাসে এসে ‘রিভিউ’ সম্পন্ন করেন। প্রফেসর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ-এর বিশেষ মঞ্জুরি হিসেবে যুগোপযোগী Open Based Education (OBE) Curriculum প্রণয়নের জন্য ১৫টি বিভাগের প্রতিটিতে ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। IQAC এর তত্ত্বাবধানে বিভাগসমূহ পরিচালনা করে ৫১টি ওয়ার্কশপ।
বিভাগ সমূহের ‘এক্সেলেন্স’ সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে মনোভাব যাচাই এর লক্ষ্যে পরিচালিত হয় ২টি পৃথক জরিপ। প্রকল্পের আওতায় ১৫টি বিভাগ ‘উন্নয়ন পরিকল্পনা’ প্রণয়ন করে যার পরিমাণ প্রায় ৩ শত কোটি টাকা। মাননীয় উপাচার্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদনের প্রয়াস অব্যাহত রেখেছেন। তাঁর পরামর্শে প্রতিটি বিভাগেই গঠিত হয়েছে ‘এলামনাই এসোসিয়েশন’। ইউজিসি ও Accraditation Council এর পরিকল্পনা অনুযায়ী মনোনীত বিভাগসমূহ OBE Curriculum প্রণয়ন সম্পন্ন করা হয়েছে এবং বর্তমানে তা বাস্তবায়নাধীন। উপাচার্য প্রফেসর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বাদ পড়া ৬টি বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করেন IQAC এর আওতায়। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই সেশন জট ও শিক্ষক সংকট নিরসন, গবেষণা এবং ক্যাম্পাসে অবকাঠামো নির্মাণকে অগ্রাধিকার প্রদান করেন। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ‘কোয়ালিটি এডুকেশন’ নিশ্চিতে এ সবই অপরিহার্য ‘আসপেক্ট’। উৎকৃষ্টতার একটি অনন্য দৃষ্টান্ত উপাচার্য কর্তৃক IQAC এর একটি দৃষ্টিনন্দন অফিস ও কনফারেন্স রুম উদ্বোধন। তিনি একাডেমিক ও প্রশাসনিক ‘এক্সেলেন্স’ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আরো ‘এক গুচ্ছ’ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।
সারা বিশ্বে শিক্ষা পরিকল্পনায় গবেষণা, জ্ঞানসৃজন, প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান এবং যুগোপযোগী ও জব মার্কেট নির্ভর কারিকুলাম প্রবর্তিত। উপাচার্যের কার্যভার হাতে নিয়েই প্রফেসর ড.কলিমউল্লাহ এই ‘ইনডিকেটর’গুলো বাস্তবায়ন শুরু করেন। Information and Communication এর দুর্ভিক্ষকাল মুছে দিয়ে তিনি দ্রুততার সাথে দেশের প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব ও রিসোর্স পার্সনদের এই ক্যাম্পাসে আগমন ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে Interaction এর দরজা-জানালা অবারিত করে দেন। অল্প কিছু দিনের মধ্যে তিনি অজস্র সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও প্রশিক্ষণের আয়োজন, প্রতি বিভাগে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় নিয়মিত জার্নাল প্রকাশ, নতুন শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাধ্যতামূলক ও নিয়মতান্ত্রিক প্রশিক্ষণ প্রবর্তন করেন। শিক্ষকদের গবেষণার জন্য অর্থ-সহায়তার সংখ্যা বৃদ্ধি করে দ্বিগুণ করেন। শিক্ষকদের দেশে-বিদেশে ডিগ্রি অর্জনের পরিধিও সম্প্রসারিত করেন। চলতি অর্থ-বছর থেকে শিক্ষার্থী এবং এম.ফিল/পি-এইচ.ডি গবেষকগণও বৃত্তি ও ফেলোশিপ পাওয়া শুরু করবেন। অনলাইন ভিত্তিক সেমিনার, মিটিং সহ প্রত্যেক বিভাগেই ‘ভার্চুয়াল ক্লাশরুম’ চালু করেছেন উপাচার্য। ‘করোনাকালে’ এবং ‘করোনা-পরবর্তী’ পরিবর্তিত পৃথিবীর বর্তমান প্রেক্ষাপটে ৩ বছর আগে থেকে তাঁর সূচনা করা ডিজিটাল মেথড এখন সারা বিশ্বের বাস্তবতা। তাঁর দূরদর্শিতার এই ফল পেতে শুরু করেছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, প্রশাসন সকলেই।
‘কোয়ালিটি’ শুধু ক্লাশরুম টিচিং বা ওয়ানওয়ে লেকচার মেথডকে নির্দেশ করে না, এর সাথে যুক্ত থাকে এক গুচ্ছ ‘আসপেক্ট’-যা মূল উদ্দেশ্যকে দান করে পূর্ণতা। তার সাথে যুক্ত থাকে ‘দক্ষতা’, ‘ব্যবস্থাপনা’ ও ‘সুশাসন’। ‘কোয়ালিটি এডুকেশন’ নিশ্চিত করতে ওপরের পুরো প্রক্রিয়াটি দক্ষতার সাথে পরিচালনা ও মনিটরিং করছেন উপাচার্য নিজে।
বস্তুত, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গায়ে লেগে থাকা অনাকাঙ্ক্ষিত দাগগুলো মুছে দিয়ে একে একটি প্রযুক্তি নির্ভর আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় রূপে প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়নের সেনানায়ক প্রফেসর ড. মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও অবশ্যই সকলের কৃতজ্ঞতা লাভের অধিকারী।
প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হক
পরিচালক, ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি এ্যসুরেন্স সেল
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর

ডেইলি প্রেসওয়াচ পড়ুন।
ডেইলি প্রেসওয়াচ পড়ুন।





Related News