শেখ হাসিনা আমাদের কাছে সূর্য, তার আলোতেই অন্যরা আলোকিত হচ্ছে: শ ম রেজাউল করিম

শেখ হাসিনা আমাদের কাছে সূর্য, তার আলোতেই অন্যরা আলোকিত হচ্ছে: শ ম রেজাউল করিম

২০০৭ সালের ১৬ জুলাই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে তৎকালীন সেনাসমর্থিত সরকার গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চেয়েছিল। শেখ হাসিনার আপোসহীন মনোভাব আর দৃঢ়চেতা নেতৃত্বের কারণে গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছিল। শেখ হাসিনা মুক্তি না পেলে আমরা আজকের উন্নয়নের রোল মডেল বাংলাদেশ পেতাম না বলে মনে করেন আলোচকরা।
দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান, মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ এবং আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন। দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও সম্পাদক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানের সঞ্চলনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন। 
শ ম রেজাউল করিম বলেন, যদি ১৬ অক্টোবর ২০০৮ সালে শেখ হাসিনার মুক্তি না হতো, তাহলে আমাদের স্বপ্নভঙ্গ হতো। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা ফিরে আসার পর দেশবাসী সাহস পেয়েছিল। শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করার প্রেক্ষাপট তৈরি করা হয়েছিল। তখন সুপ্রিম কোর্টের সাবেক তিন বিচারপতিকে বাদ দিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি কেয়ারটেকার সরকারের প্রধান হয়ে যান। এরপর আমরা সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট আবেদন করি। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার কপিগুলোও আমরা পাচ্ছিলাম না। এরপর আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ানকে সাথে নিয়ে ধানমন্ডির সুধাসদনে গিয়েছিলাম। তখন সেখানে পুলিশ পাহারায় নেত্রীর সাথে দেখা করার পর তিনি বলেছিলেন, কিভাবে ঢুকতে পারলে? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রেপ্তারের পর আমরা তার সাথে দেখা করার জন্য চারজনের তালিকা সরকারকে দিয়েছিলাম। আমাদের দেখা করার সুযোগ দেয়া হয়নি। এরপর আমরা শেরে-বাংলা নগরে মামলা চলার সময় নিয়মিত যাওয়া শুরু করি। কিন্তু যাদের বিচারক হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল, তারা ছিল আজ্ঞাবহ দাস। 
তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা আমাদের কাছে সূর্য। তার আলোতেই অন্যান্য নক্ষত্র আলোকিত হয়। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ এবং এন্টি আওয়ামী লীগ দুইটা ধারা রয়েছে। তিনি মানবতার মা। তিনি সেরা পরিশ্রমী ও সৎ প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যত মামলা রয়েছে, সবই আমার মাথায় আছে। আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, শেখ হাসিনার কোনো মামলাই সরকারিভাবে প্রত্যাহার করা হয়নি। আইনী লড়াইয়ের মাধ্যমেই সব কয়টা মামলায় খালাস পেয়েছেন। এছাড়া লন্ডনে হাউস অব কমন্সে শেখ হাসিনার মামলা নিয়ে ডিবেট করে সফল হয়েছিলাম ব্রিটিশদের বুঝাতে, যে শেখ হাসিানর বিরুদ্ধে কোন প্রেক্ষাপটে মামলা হয়েছিল। আমি মন্ত্রী হয়েছি, কিন্তু কোনো দিন শেখ হাসিনার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো তদবির করা হয়নি। কারণ তারা রাজনীতি করেন আত্মোৎসর্গ করার জন্য।