Saturday, June 13th, 2020

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: June 13, 2020

কালো টাকা সাদার সুযোগ দুর্নীতির সহায়ক, প্রত্যাহার চায় টিআইবি

করোনাভাইরাস মহামারিতে বিপর্যস্ত অর্থনীতিকে সচল করা, রাজস্ব আয় ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির নামে ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অপ্রদর্শিত বা কালো টাকা সাদা করা এবং অর্থপাচারকে সুকৌশলে বৈধতা দেয়ার অভূতপূর্ব দুর্নীতির সহায়ক সব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ- টিআইবি।

সংস্থাটি অনৈতিক, বৈষম্যমূলক ও সংবিধান পরিপন্থী এসব পদক্ষেপ বাতিলে জোর দাবি জানিয়েছে। দীর্ঘদিনের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা ও স্বার্থান্বেষী মহলের দুর্নীতিতে পর্যুদস্ত স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও সুশাসন নিশ্চিতে জোরালো কোনো পদক্ষেপ বাজেটে না থাকা এবং করোনাকালীন সময়েও এ খাতে বরাদ্দ অপর্যাপ্ত হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছে টিআইবি।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবে অস্থির এ পরিস্থিতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার টিকে থাকা ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশায় ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ পথপরিক্রমা’ শিরোনামে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী। এর আকার পাঁচ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।

বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের প্রভাবে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে যে জরুরি এবং অপ্রত্যাশিত খরচ দেখা দিয়েছে তা মেটাতে এবং অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশায় আগামী বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা

তিনি বলেন, ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। পাশাপাশি অন্যান্য উৎস থেকে ৪৮ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৬ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে এ ঘাটতি মেটানো হবে। এ হার গত বাজেটে ছিল জিডিপির ৫ শতাংশ।

করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের নামে সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকার এবং দেশের সব প্রচলিত আইন উপেক্ষা করে বাজেটে আয়কর অধ্যাদেশে নতুন দুটি ধারা সংযোজনের মাধ্যমে জমি, ভবন, ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট কেনা, নগদ অর্থ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার ও বন্ডে অপ্রদর্শিত অর্থ বা কালো টাকা সাদা করার অবারিত সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। একইসাথে অর্থের বা সম্পদের উৎস নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন তোলার বিধানটিও রহিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বাজেটের এহেন প্রস্তাবে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

তিনি বলেন, “এটি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত দুর্নীতির প্রতি শূন্য সহনশীলতার সম্পূর্ণ বিপরীত ও অমর্যাদাকর পদক্ষেপ, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বছরের পর বছর এ ধরনের সুবিধা দিয়ে দেশের অর্থনীতির কোনো উপকার হয়নি, উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আদায় হয়নি, কোনো বিনিয়োগ তো নয়-ই। বরং অনৈতিকতা প্রশ্রয় পেয়েছে আর সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

সংবিধানের ২০ (২) অনুচ্ছেদের পরিপন্থী এই ব্যবস্থা সৎপথে উপার্জনকারী নাগরিকের প্রতি বৈষম্যমূলক। এর মাধ্যমে সরকার প্রকারান্তরে দুর্নীতি ও অবৈধতাকে লাইসেন্স দিয়ে দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হতে জনগণকে উৎসাহ দিচ্ছে।”

ঘোষিত বাজেটে বিদ্যুৎ খাতের উদ্বৃত্ত ক্ষমতা বিবেচনায় ফার্নেস তেলভিত্তিক ব্যয়বহুল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিরুৎসাহিত করার অংশ হিসেবে তেল আমদানিতে থাকা শুল্ক সুবিধা প্রত্যাহারের বিষয়টি সাধুবাদ যোগ্য হলেও ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে অব্যাহত ভর্তুকি বন্ধের কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি। একইসাথে ক্রমাগত প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড বিসিসিটিএফ-এ বর্ধিত মাত্রায় বরাদ্দের প্রয়োজন হলেও মাত্র ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। একইভাবে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান, আম্ফান-পরবর্তী জলোচ্ছ্বাস ও বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে কোনো সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ প্রদান করা হয়নি বরং মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ কিছুটা কমে গেছে।

টিআইবি আশা করে চূড়ান্তভাবে বাজেট পাশের পূর্বে এসব বিষয়ে যথাযথ মনোযোগী হবে সরকার।

Posted by: | Posted on: June 13, 2020

জনপ্রত্যাশা পূরণে আ. লীগ সরকার সব ঝুঁকি নেবে: কাদের


২০২০-২১‌ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে অনেকে উচ্চবিলাসী বললেও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আওয়ামী লীগ সরকার সব ধরনের ঝুঁকি নেবে বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর শুক্রবার (১২ জুন) নিজ বাসভবন থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন তিনি। কাদের বলেন, করোনা মহামারির সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মতে ২০২০ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতি ৩ শতাংশ সংকুচিত হবে। এমন অবস্থায় অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে আগের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ভিত রচনায় এবারের বাজেটের লক্ষ্য। 

তিনি আরও বলেন, বাজেট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কোনো ধরনের বিচার-বিশ্লেষণ না করে বিএনপি আগেভাগে প্রস্তুত করা ও মনগড়া পুরনো এবং গতানুগতিক গল্পের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। বিএনপির পক্ষে এ বাজেটের ব্যাপকতা ও সম্ভাবনা অনুধাবন করা সম্ভব নয়।



ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির নেতারা গত ১১টি বাজেট ঘোষণার পর বাজেট নিয়ে নানা ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেছেন এবং বরাবরই বলেছেন, বাজেট বাস্তবায়ন হবে না।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় মাত্র ৫০ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রণয়ন করেছিল। আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকের বাংলাদেশ শুধু স্বাস্থ্যখাতে ৪১ হাজার ২৭ কোটি টাকা এবং সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ৯৫ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, যার অর্থায়ন এক-তৃতীয়াংশই ঋণ ও অনুদান নির্ভর।
Posted by: | Posted on: June 13, 2020

‘রিং অব ফায়ার’ দেখা যাবে ২১ জুন


আসছে ২১ জুন দেখা যাবে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ। পূর্ণগ্রাস বা খণ্ডগ্রাস নয়, বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।
আকাশেই তৈরি হবে ‘রিং অব ফায়ার’। সর্বোচ্চ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ভারতের যোশীমঠ শহর থেকে। বাংলাদেশ থেকেও আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।


এই সূর্যগ্রহণ মানুষকে খালি চোখে দেখতে নিষেধ করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। এমনকী সানগ্লাস বা এক্স-রে প্লেটও ব্যবহার না করা ভাল বলে জানিয়েছেন তারা।
টেলিস্কোপের সাহায্যে দেখার ক্ষেত্রেও সাবধনতা অবলম্বন করতে বলেছে। পরিবর্তে পিনহোল প্রজেক্টর দিয়ে সাদা কাপড়ে ছায়া ফেলে গ্রহণ দেখতে বলেছেন বিজ্ঞানীরা। এছাড়া গ্রহণ দেখার জন্য আই প্রোটেকশন গিয়ারও ব্যবহার করা যেতে পারে।
এবারের সূর্যগ্রহণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা নিতে বলার পেছনে কারণও রয়েছে। এই সূর্যগ্রহণ আংশিক নয়। এমনকী পূর্ণগ্রাসও নয়। ২১ জুন যে সূর্যগ্রহণ হবে, তা বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ।
এক্ষেত্রে চাঁদ সূর্যকে ঢেকে ফেলবে। কিন্তু চাঁদের আয়তন ছোট হওয়ার সূর্য চাঁদের পাশ দিয়ে আলো বিকিরণ করবে। ফলে আকাশে আংটির মতো আকৃতি তৈরি হবে। ইংরেজিতে যাকে বলে ‘রিং অব ফায়ার’। এটি খালি চোখে দেখলে চোখ খারাপ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তো থাকেই, এমনকী অন্ধত্ব আসার বিচিত্র নয়।

২১ জুন সকাল ৯টা ৪৬ মিনিট ৬ সেকেন্ডে সূর্যগ্রহণ শুরু হবে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ইম্পফোন্ডো শহরে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ শুরু হবে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের বোমা শহরে বেলা ১০টা ৪৮ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে।
সর্বোচ্চ গ্রহণ হবে ওইদিন ভারতের যোশীমঠ শহরে বেলা ১২টা ৪০ মিনিট ৬ সেকেন্ডে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ শেষ হবে ফিলিপিন্সের সামার শহরে বেলা ২টা ৩১ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে এবং গ্রহণ শেষ হবে ফিলিপিন্সের মিন্দানাও শহরে বেলা ৩টা ৩৪ মিনিটে।
এই গ্রহণ ঢাকা বিভাগে বেলা ১১টা ২৩ মিনিট ৩ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৫২ মিনিট ৩ সেকেন্ডে শেষ হবে, ময়মনসিংহে ১১টা ২৩ মিনিট ২ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৫১ মিনিট ২ সেকেন্ডে শেষ হবে, চট্টগ্রামে ১১টা ২৮ মিনিট ১২ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৫৫ মিনিট ১৩ সেকেন্ডে শেষ হবে, সিলেটে ১১টা ২৭ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৫৪ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে শেষ হবে, খুলনায় ১১টা ২০ মিনিট ১৯ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৫০ মিনিট ৯ সেকেন্ডে শেষ হবে, বরিশালে ১১টা ২৩ মিনিট ৫ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৫২ মিনিট ১ সেকেন্ডে শেষ হবে, রাজশাহীতে ১১টা ১৭ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৪৭ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডে শেষ হবে এবং রংপুরে বেলা ১১টা ১৭ মিনিট ৫৯ সেকেন্ডে শুরু হয়ে ২টা ৪৮ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে শেষ হবে।
Posted by: | Posted on: June 13, 2020

নাসিমের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির শোক

মারা গেলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। গত ৫ জুন তিনি ব্রেইন স্ট্রোক করার পর থেকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে কোমায় ছিলেন।

এর আগে, গত ১ জুন রক্তচাপ জনিত সমস্যা নিয়ে এই হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, আওয়ামী রাজনীতির পুরোধা এই রাজনীতিক আমৃত্যু লালন করে গেছেন বঙ্গবন্ধু তথা জাতীয় ৪ নেতার আদর্শ। বারবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত এই নেতা স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্রসহ আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কারা অভ্যন্তরে জাতীয় ৪ নেতাকে যখন নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়, তখন তরুণ বাকশাল নেতা মোহাম্মদ নাসিম আত্মগোপনে। তাই পিতা ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর সঙ্গে শেষ দেখাটি হয়নি তার। জাতির পিতাকে হত্যার ১ দিন পর ৭৫ এর ১৬ আগস্ট মতিঝিল টিএন্ডটি কলোনিতে প্রধানমন্ত্রী পিতা শেষবারের মত বিদায় জানান তাকে। পিতার স্মৃতিচারণে প্রয়াত এ নেতা বলেছিলেন, আমৃত্যু জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে থাকার কথা। তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহচররা নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন, জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সে পথেই হেঁটেছেন মোহাম্মদ নাসিম।

Posted by: | Posted on: June 13, 2020

রোববার সকাল সাড়ে দশটায় নাসিমের জানাজা, বনানী কবরস্থানে দাফন


সীমিত পরিসরে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, সাবেক-মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম জানাজা রোববার (১৪ জুন) বনানী কবরস্থান মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বনানী করবস্থানে তাকে দাফন করা হবে। শনিবার (১৩ জুন) শ্যামলীতে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নাসিমের ছেলে তানভীর শাকিল জয়।

জয় বলেন, রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় বনানী কবরস্থান মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

তিনি বলেন, সিরাজগঞ্জের মানুষ তাকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলছেন। আমার বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের সবাই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি; যে মানুষটি সারাজীবন দেশের জন্য জীন উৎসর্গ করে গেছেন সেই মানুষের মৃত্যুর পরেও দেশের মানুষের ক্ষতি হোক সেটা হতে দিতে পারি না। আর তাই করোনা পরিস্থিতির কারণে সিরাজগঞ্জের মানুষের চোখের জল উপেক্ষা করে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এর আগে, টানা ৮ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর রেসরকারি বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭২ বছর।