Wednesday, May 29th, 2019

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: May 29, 2019

খালেদা জিয়ার রিটের শুনানি ১০ জুন পর্যন্ত মুলতবি

আদালত প্রতিবেদকঃ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিচারে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে আদালত স্থানান্তর করে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতার রিটের শুনানি ১০ জুন পর্যন্ত মুলতবি করেছে হাইকোর্ট। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার (২৮ মে) এ আদেশ দেয়।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও এ জে মোহাম্মদ আলী। তাদের সহায়তা করেন ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। এ সময় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনও উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এ সময় দুদকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

শুনানিতে এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, কেরানীগঞ্জ ঢাকা মহানগরের মধ্যে নয়। এছাড়া আইন অনুসারে পাবলিক ট্রায়ালের বিষয়ও আছে। এটর্নি জেনারেল বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় ফারুক রহমানের মামলার বিচার জেলখানায় হয়েছে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মামলা চলেছিলো। বিডিআর মামলার অনেক আসামি। সেটার বিচার আলিয়া মাদ্রাসার পাশে কারা অধিদপ্তরের মাঠে হয়েছিলো। এ মামলাটাও ওখানে হতো। কিন্তু সেখানে কিছু সমস্যা হয়েছিলো। গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। একটা মামলাও হয়েছে। পরে মামলাটি পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। এর মধ্যে জেলখানা ট্রান্সপার হয়েছে। এখন ওই কোর্টটা জেলখানার ভেতরে নয় সম্মুখে। আমাদের কাছে ল্যাপটপে রেকর্ড  আছে। চাইলে দেখতে পারেন। এ সময় আদালত রেকর্ডের সিডি জমা দিতে বলেন।

শুনানির চলাকালে এ জে মোহাম্মদ আলীর সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত শুনানি ১০ জুন পর্যন্ত মুলতবি করেন। নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচারে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে আদালত স্থানান্তরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়ার করা রিটে গতকাল পক্ষভূক্ত করা হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক)।  এ রিট দায়েরে দুদককে পক্ষভূক্ত করা হয়নি জানিয়ে দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বাসস’কে বলেন, বিষয়টি আমরা আদালতের নজরে এনেছি।

নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার বিচারের জন্য বিশেষ আদালত পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কারাগার থেকে সরিয়ে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়ার সরকারি আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হয়। আদালত স্থানান্তরে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবীরা রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন।

পৃথক মামলায় দন্ডিত খালেদা জিয়া বর্তমানে কারা হেফাজতে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন।দুর্নীতির মামলায় এক বছর আগে দণ্ডের পর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন সড়কের পরিত্যক্ত কারাগারে খালেদাকে রেখে তার বিরুদ্ধে আনা অন্য কয়েকটি মামলার বিচারও সেখানেই চলছিল।

Posted by: | Posted on: May 29, 2019

অভিনেত্রী নওশাবার হাজিরা বাতিল

অনলাইন ডেস্কঃ ফেসবুকে গুজব ছড়ানোয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে করা মামলায় এতদিন অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দিতেন। বিচারক আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা বাতিল করে ১৪ জুলাই তাকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৮ মে) ঢাকা মহানগর হাকিম দিদার হোসেনের আদালতে নওশবার হাজিরার দিন ধার্য ছিল। এদিন নওশাবা আদালতে উপস্থিত হয়নি। আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দেন তিনি। অন্যদিকে মামলার অভিযোগপত্র শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল আজ। নওশাবার অভিযোগপত্র আসা পর্যন্ত আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা মঞ্জুর ছিল। তাই বিচারক আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা বাতিল করে ১৪ জুলাই তাকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।

গত ৩০ এপ্রিল ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে অভিনেত্রী নওশাবার বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে করা মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের পুলিশ পরিদর্শক শওকত আলী সরকার এ চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে এমনটাই উল্লেখ করেছেন তিনি। মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে ২০ জনকে।

চার্জশিটে শওকত আলী সরকার উল্লেখ করেন, ‘আসামি কাজী নওশাবা ইচ্ছাকৃত ও পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে জনসাধারণের অনুভূতিতে আঘাত করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটনোর জন্য মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং প্রচার করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬ (সংশোধনী) এর ৫৭ (২) ধারায় অপরাধ করেছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত বছরের ৪ আগস্ট কাজী নওশাবা নিজের ফেসবুক থেকে অত্যন্ত আবেগী কণ্ঠে লাইভ ভিডিও সম্প্রচার করে বলেন, ‘জিগাতলায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে একজনের চোখ উঠিয়ে ফেলেছে এবং চারজনকে মেরে ফেলেছে। আপনারা যে যেখানে আছেন, কিছু একটা করেন।’

এজাহারে আরও বলা হয়, এ আহ্বানের ভিডিও মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়। এতে জনমনে আতঙ্ক ও বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী তার এই প্রোপাগান্ডার উৎস জানতে ফোন করলে এর স্বপক্ষে সঠিক কোনো উত্তর দিতে পারেননি তিনি। ওই সময় জিগাতলায় এ ধরনের কোনো ঘটনাও ঘটেনি।

এ ঘটনায় ৫ আগস্ট র‌্যাব-১ এর কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ সালের ৫৭(২) ধারায় রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি করেন।

Posted by: | Posted on: May 29, 2019

ফিরে দেখা-২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

মেহেদী মাসুদ : আগামীকাল ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলসে শুরু হতে যাচ্ছে আইসিসি পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসর। বরাবরের ন্যায় এবারও হয়তো হবে অনেক নতুন রেকর্ড। যা কিনা আবার পরের আসরে ভেঙ্গে যাবে। মূলত রেকর্ড হয়ই ভঙ্গের জন্য। আসন্ন বিশ্বকাপের আগে আমরা ফিরে তাকাতে চাই গত আসরের দিকে।
অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড যৌথভাবে ২০১৫ বিশ্বকাপ আয়োজন করে। এ আসরেই আফগানিস্তান দলের বিশ্বকাপ অভিষেক ঘটে। ২০১১ আসরের ন্যায় ২০১৫ বিশ্বকাপেও অংশগ্রহণকারী দল সংখ্যা ছিল ১৪টি। দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে টুর্নামেন্টে অংশ নেয় দলগুলো।
গ্রুপ ‘এ’: বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, শ্রীলংকা, আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ড।
‘এ’ গ্রুপ থেকে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং শ্রীলংকা টুর্নামেন্টের কোয়ার্টাফাইনালে খেলে।
গ্রুপ ‘বি’: ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
‘বি’ গ্রুপ থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে-ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ৯ উইকেটে শ্রীলংকাকে, ভারত ১০৯ রানে হারায় বাংলাদেশকে, অস্ট্রেলিয়া ৬ উইকেটে পাকিস্তানকে এবং নিউজিল্যান্ড ১৪৩ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে।
প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড ৪ উইকেটে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারতকে ৯৫ রানে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।
২০১৫ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড দলের অপরাজিত থাকার রেকর্ড শেষ হয়ে যায় ফাইনালে। অস্ট্রেলিয়া ফাইনালে ৭ উইকেটে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে রেকর্ড পঞ্চম বারের মতো বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন অস্ট্রেলিয়া পেসার মিচেল স্টার্ক।
ব্যাটিং পারফরমেন্স :
৪১৭/৬- আফগানিস্তানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ২০১৫ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।
৫৪৭- নিউজিল্যান্ডের মার্টিন গাপটিলের রান সংখ্যা, ২০১৫ বিশ্বকাপে কোন খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ।
২৩৭* টুর্নামেন্টে এক ইনিংসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান। ওয়েস্ট ইনডিজের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের মার্টিন গাপটিলের দখলে রয়েছে রেকর্ডটি।
৩৮ টুর্নামেন্টের মোট সেঞ্চুরি সংখ্যা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে কোন এক আসরে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির সংখ্যা এটি।
৪-টুর্নামেন্টে কোন খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির সংখ্যা। ২০১৫ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ এ চারটি সেঞ্চুরি করেছিলেন শ্রীলংকার কুমার সাঙ্গাকারা।
৪-হাফ সেঞ্চুরি। ২০১৫ বিশ্বকাপে কোন খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ হাফ সেঞ্চুরি। অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ, জিম্বাবুয়ের সিন উইরিয়ামস, পাকিস্তানের মিসবাহ উল হক এবং নিউজিল্যান্ডের ব্রেন্ডন ম্যাককালাম চারজনেই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ চারটি করে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন।
বোলিং পারফরমেন্স :
২২ উইকেট-২০১৫ বিশ্বকাপে কোন বোলারের সর্বোচ্চ শিকার। অস্ট্রেলিযার মিচেল স্টার্ক ও নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্ট উভয়েই ২২টি করে উইকেট শিকার করেছিলেন।
৭/২২- টুর্নামেন্টের সেরা বোলিং ফিগার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ২২ রানে ৭ উইকেট শিকারের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের সেরা বোলিং ফিগারের রেকর্ডটি নিজের করে নেন নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি।
৭-বার পাঁচ উইকেট শিকারের ঘটনা ঘটেছে ২০১৫ বিশ্বকাপে। সাত ক্রিকেটার হলেন- নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি(৭/২২), অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক(৬/২৮), নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্ট(৫/২৭), অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক(৫/৩৩), দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহির(৫/৪৫), পাকিস্তানের সোহেল খান(৫/৫৫) এবং ইংল্যান্ডের স্টিভেন ফিন(৫/৭১)।
উইকেটকিপিং পারফরমেন্স :
১৬- ডিসমিজাল-কোন উইকেটরক্ষক হিসেবে ২০১৫ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ এ ডিসমিজালের রেকর্ডটি গড়েন অস্ট্রেলিয়ার ব্র্যাড হাডিন।
৬- এক ইনিংসে কোন উইকেটরক্ষকের সর্বোচ্চ ডিসমিজালের রেকর্ড। ২০১৫ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে সর্বোচ্চ এ ডিসমিজালের নেকর্ডটি গড়েন পাকিস্তানের সরফরাজ আহমেদ।
ফিল্ডিং পারফরমেন্স :
৯-টুর্নামেন্টে কোন খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ ক্যাচ সংখ্যা। ২০১৫ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৯টি ক্যাচ নেয়ার রেকর্ডটি গড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার রিলি রুশো।
৪-এক ম্যাচে কোন খেলোয়াড়ের নেয়া সর্বোচ্চ ক্যাচ সংখ্যা। ২০১৫ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের সৌম্য সরকার এবং আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে উমর আকমল দু’জনেই চারটি করে ক্যাচ নেন।

Posted by: | Posted on: May 29, 2019

বিএনপির মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি নাকচ করলেন তথ্যমন্ত্রী

(বাসস) : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিএনপি’র মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, আগামী নির্বাচন সংবিধান মোতাবেক যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।
আজ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ এ আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনা বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের আগে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোন সুযোগ নেই। সংবিধান অনুযায়ী আরো সাড়ে চার বছর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে হাসুমণির পাঠশালা এই গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মারুফা আক্তার পপি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান এবং দৈনিক সমকালের সহযোগী সম্পাদক অজয় দাসগুপ্ত। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক জুনায়েদ হালিম।
হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত হয়ে এখন জেলে রয়েছেন। যদি তিনি দুর্নীতি না করতেন অথবা এতিমের টাকা মেরে না দিতেন, তবে বেগম জিয়াকে জেলে যেতে হতো না।
মন্ত্রী বিএনপি নেতাদের প্রতি তাদের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতৃবৃন্দ ও রুগ্ন রাজনীতি ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা গঠনমূলক সমালোচনা চাই। অনুগ্রহ করে কার্যকর সমালোচনা করুন।’
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ এক সময় খাদ্য ঘাটতির দেশ ছিল। বিশ্বের অন্যতম অধিক জনসংখ্যার ঘনত্বের দেশ হওয়া সত্ত্বেও এখন খাদ্য রফতানি করছে।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্বে জিডিপি প্রবৃদ্ধির দিক থেকে শীর্ষ ৫ দেশের একটিতে উন্নীত হয়েছে বাংলাদেশ। তিনি আরো বলেন, বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশ উন্নয়নের এক যথাযথ দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিভূত হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিগত ১০ বছরে বহু উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করায় দেশ অভুতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছে। তিনি আরো বলেন, অনেকগুলো প্রধান সূচকে বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে।
হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেবল সরকার প্রধান অথবা পার্টি সভাপতি নন, তিনি এখন একটা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছেন। তিনি আরো বলেন, ‘শেখ হাসিনা বিদেশ থেকে ফেরার পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি এখন দেশকে একটা নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশ এখন সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।
প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে দেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করতে কাজ করে যাব। কেউ আমাদের এই গতিকে ব্যাহত করতে পারবে না।’
তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করেছে কয়েকটি স্বার্থান্বেষী মহল। তিনি আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা গণতন্ত্র পুনর্গঠনের জন্য দেশে ফিরে এসেছিলেন।

Posted by: | Posted on: May 29, 2019

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে ইহসানুল করিমের মেয়াদ আরো ৩ বছর বৃদ্ধি

(বাসস) : সরকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস সচিব বিশিষ্ট সাংবাদিক ইহসানুল করিমের চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ আরো ৩ বছর বৃদ্ধি করেছে।
আজ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে সরকারের সচিব পদমর্যাদা ও বেতনক্রমে চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত কর্মকর্তা ইহসানুল করিমের চুক্তির মেয়াদ তাঁর পূর্বের চুক্তির ধারাবাহিকতায় ১৮ জুন ২০১৯ অথবা যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য বৃদ্ধি করা হলো।’
১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইহসানুল করিমকে ২০১৫ সালের ১৫ জুন চুক্তিভিত্তিতে ১ বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নিয়োগ দেয়া হয়। ২০১৬ সালের ১৬ জুন এ নিয়োগ ৩ বছর বৃদ্ধি করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিয়োগের আগে ইহসানুল করিম রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি জাতীয় বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে বাসসে তিনি একজন স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে তার পেশাগত জীবন শুরু করেন।
দীর্ঘ সাংবাদিক জীবনে তিনি ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (বিবিসি) এবং প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) মতো বিদেশী গণমাধ্যমের বাংলাদেশ সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেন।
ইহসানুল করিম ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্সের (বিএলএফ) সদস্য হিসেবে পশ্চিম রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেন।