Saturday, April 20th, 2019

now browsing by day

 
Posted by: | Posted on: April 20, 2019

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সেমিফাইনাল খেলবে : লারা

মুম্বাই, (বাসস) : ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ব্যাটসম্যান ব্রায়ান লারার মতে ক্যারিবিয় দলটি আনপ্রেডিক্টেবল এবং আসন্ন বিশ্বকাপে ভাল করতে তাদের মূল বিষয় হবে ধারাবাহিকতা।
চলমান ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগে (আইপএল) বিশেষজ্ঞ ধারাভাষ্যকার প্যানেলের অংশ লারা নিজ দলকে আসন্ন বিশ্বকাপে ‘সারপ্রাইজ এলিমেন্ট’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ক্যারিবিয়রা সেমিফাইনাল খেলতে পারে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া পত্রিকাকে লারা বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলতে হবে। ইংল্যান্ড, ভারতকে হারাতে পারি- সেটা আমরা দেখিয়েছি। নিজেদের দিনে যে কোন দলকে হারাতে পারি। তবে আমরা যখন বাংলাদেশ কিংবা আফগানিস্তানের কাছে হারি তখন আমাদের সব কিছু শেষ হয়ে যায়। যে কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এটা এড়াতে হবে। আমরা ক্যারিবিয় দলটিকে সেমিফানালে দেখতে চাই।’
তিনি আরো বলেন,‘গত দু’টি টি-২০ বিশ্বকাপে আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বিস্ময়কর দল হিসেবে দেখেছি। সব সময়ই প্রতিপক্ষ দলগুলোকে তাদের নিয়ে ভাবতে হয়েছে। ক্রমান্বয়ে সম্মিলিতভাবে জ্বলে ওঠার অনেক উপাাদান দলটিতে রয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সেটা হচ্ছে। সুতরাং শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেছে-এমনটা চিন্তা করে কেউই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলতে নামবে না।
‘পক্ষান্তরে একদম কাছে গিয়েও বারবার ব্যর্থ আমরা হচ্ছি । সুতরাং বিস্ময়কর উপাদানগুলো দুই ভাবেই কাজ করতে পারে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এ বিষয়ে কাজ করতে হবে। সমগ্র বিশ্ব জুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগগুলোতে আমাদের ছেলেরা ভাল করছে এটা খুবই ভাল একটা বিষয়। যে কারণে আমরা দুটি টি-২০ বিশ্বকাপ ট্রফি জিততে পেরেছি। তবে ধারাবাহিকতা গুরুত্বপুর্ন।’
অন্য কোন কোন দল সেমিফাইনালে পৌঁছাবে- জানতে চাইলে লারা বলেন বলে ইংল্যান্ড এবং ভারত সহজেই সেমিফাইনাল খেলবে।
ইংল্যান্ড সম্পর্কে লারা বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এ একটি ম্যাচে তারা (ইংল্যান্ড) কখনোই হারেনি স্বভাবতই আমি তাদের সমর্থন দিতে ঝুঁকি বো করিনা। তবে এবারের দলটি বেশ ভাল মনে হয়। সুতরাং তাদের পরে ভারত এ দু’টি দল অবশ্যই সেমিফাইনাল খেরবে আমি বিশ্বাস করি। ’
এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দশ হাজারের বেশি রান করা এ ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তী ইংল্যান্ড কন্ডিশনে ব্যাটসম্যানদের প্রতি সতর্ক উচ্চারণ করেন।
তিনি আরো বলেন,‘ ইংল্যান্ড কন্ডিশন কিছুটা জটিল হতে পারে, যা খুবই ভাল। ইংল্যান্ডে খেলাটা আমি বেশ উপভোগ করতাম। আমি মনে করি ইংল্যান্ডে পারফরমেন্স করতে গুরুত্বপুর্ন হচ্ছে-তোমার খেলা সম্পর্কে জানা, তোমার বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে জানা এবং খুব তাড়াতাড়ি বন্ডিশন সম্পর্কে জেনে সে অনুযায়ী খেলা। ’

Posted by: | Posted on: April 20, 2019

প্রধানমন্ত্রী কাল ব্রুনাই যাচ্ছেন

(বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রুনাই দারুসসালামের সুলতান হাজী হাসানাল বলকিয়ার আমন্ত্রণে ৩ দিনের সরকারি সফরে আগামীকাল ব্রুনাইয়ের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।
প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফর সঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট আগামীকাল সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ব্রুনাইর উদ্দেশে যাত্রা করবে।
বিমানটি স্থানীয় সময় দুপুর পৌনে ৩টায় ব্রুনাইয়ের রাজধানী বন্দরসেরী বেগাওয়ানে ব্রুনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছবে। ব্রুনাইয়ের যুবরাজ হাজী আল-মাহতাদী বিল্লাহ বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রীকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে ইম্পায়ার হোটেল এন্ড কান্ট্রি ক্লাবে নেয়া হবে। সফরকালে তিনি এই হোটেলে অবস্থান করবেন।
সফরের প্রথম দিন প্রধানমন্ত্রী হোটেলটির ইন্দেরা সামুদেরা বলরুমে ব্রুনাই প্রবাসী বাংলাদেশীদের আয়োজিত সংবর্ধনায় যোগ দেবেন। একইদিন তিনি ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেবেন।
পরদিন সোমবার প্রধানমন্ত্রী ব্রুনাইয়ের সুলতান বলকিয়ার সরকারি বাসভবন ইস্তানা নূরুল ইমানে চেরাদি লায়লা কেনচানায় সুলতান ও রাজকীয় পরিবারের সদস্যবর্গের সঙ্গে মিলিত হবেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইস্তানা নূরুল ইমামে বায়তুল মেশ্যুরায় সুলতানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠক শেষে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।
বিকেলে প্রধানমন্ত্রী ইস্পায়ার হোটেল এন্ড কান্ট্রি ক্লাবে ব্রুনাই ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত দু’দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে যোগ দেবেন।
প্রধানমন্ত্রী জামে আসর মসজিদ পরিদর্শন এবং এ মসজিদে আসর নামাজ আদায় করবেন।
শেখ হাসিনা সুলতান আয়োজিত তাঁর সরকারি বাসভবনে ভোজসভায় যোগ দেবেন।
প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে ব্রুনাইয়ের রাজধানীর জালান কেবাংসানের কূটনৈতিক জোনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের নতুন চ্যান্সেরী ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
পরে তিনি রয়েল রেজালিয়া যাদুঘর পরিদর্শন করবেন।
শেখ হাসিনা স্থানীয় সময় বিকাল ৫টায় ব্রুনাই থেকে যাত্রা করে সন্ধ্যায় ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছবেন।
সফরকালে বাংলাদেশ বিভিন্ন খাতে ব্রুনাইয়ের সঙ্গে সাতটি সমজোতা স্মারকে সাক্ষর করবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই বিভিন্ন সেক্টরে ছয়টি এমওইউ চূড়ান্ত করেছি। বাকি একটি এমওইউ বিবেচনাধীন রয়েছে। আমরা বাংলাদেশে ব্রুনাইয়ের বিনিয়োগ আশ্বাস পাবার বিষয়ে আশাবাদী।
চূড়ান্ত তালিকান এমওইউগুলো হচ্ছে : কৃষি, মৎস্য, পশু সম্পদ, যুব ও ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও জ্বালানি সেক্টর সহায়তা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারের অংশ হিসেবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই সফর খুবই সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দু’দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং জ্বালানী, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, খাদ্য, আকাশ পথে যোগাযোগ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, পর্যটন এবং প্রযুক্তি সেক্টরে সহযোগিতা আরো বৃদ্ধি করবে। ব্রুনাই ইতোমধ্যে বাংলাদেশে বিভিন্ন সেক্টর বিশেষ করে কৃষি ও জ্বালানী সেক্টরে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ব্রুনাই। দেশটি ওআইসি এবং আসিয়ানের সদস্য। সফরকালে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের বিষয়টি নিয়ে ব্রুনাইয়ের সঙ্গে আলোচনা হবে।
তিনি বলেন, আমরা যেখানেই যাচ্ছি, আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যুটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। ব্রুনাই আসিয়ানের সদস্য হওয়ায় এই সফরেও বিষয়টি অধিক গুরুত্ব পাবে।
তেল ও গ্যাস সমৃদ্ধ ব্রুনাই বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ। পৃথক দুই অঞ্চল নিয়ে গঠিত ব্রুনাইয়ের মোট আয়তন হচ্ছে ৫৭৬৫ বর্গ কিলোমিটার। এর দক্ষিণ চীন সাগরের পাশে রয়েছে ১৬১ কিলোমিটার উপকূল এবং মালয়েশিয়ার সঙ্গে রয়েছে ৩৮১ কিলোমিটার সীমন্ত।

Posted by: | Posted on: April 20, 2019

বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুণগুলো শিশুদের কোমল মনে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান স্পিকারের

(বাসস) : স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মানবিক গুণগুলো শিশুদের কোমল মনে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি আজ জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী গ্যালারীতে দেশরত্ন শেখ হাসিনা রচিত ‘আমার পিতা শেখ মুজিব’ অবলম্বনে ‘খোকা যখন ছোট্ট ছিলেন’ গ্রাফিক্স বইয়ের প্রকাশনা ও এনিমেটেড ফিল্মের প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা জাতির জীবনে সব সময় আসে না। আমরা ধন্য যে বঙ্গবন্ধুর ন্যায় নেতা পেয়েছিলাম।’
স্পিকার বলেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনা রচিত ‘আমার পিতা শেখ মুজিব’ অবলম্বনে ‘খোকা যখন ছোট্ট ছিলেন’ গ্রাফিক্স বই ও এনিমেটেড ফিল্ম প্রদর্শনী বঙ্গবন্ধুকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সাহায্য করবে।
স্পিকার নিজ নির্বাচনী এলাকা পীরগঞ্জের প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘খোকা যখন ছোট্ট ছিলেন’ গ্রাফিক্স বই ও এনিমেটেড ফিল্ম প্রদর্শন এবং সংসদ গ্রন্থাগারে সংরক্ষণের উদ্যোগ নিবেন বলে তার আগ্রহের কথা জানান। তিনি বলেন, সব সংসদ সদস্য যাতে এ উদ্যোগ নেয় সে ব্যাপারেও তিনি ব্যবস্থা নিবেন।
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুক কর্নারে এ বই ও ফিল্ম সংরক্ষণের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, শুধু সংরক্ষণ নয় বইগুলো পড়তে শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তুলতে কুইজ, বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে শিক্ষকদেরকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আপোষহীন নেতা। আজীবন অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে জনগণের মুক্তির লক্ষ্যে লড়াই সংগ্রাম করেছেন। বঙ্গবন্ধুর জীবন আদর্শ আমাদেরকে তার গভীর জীবনবোধ, রাজনৈতিক দর্শন এবং দেশ ও জনগণের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসার কথাই মনে করিয়ে দেয় প্রতিনিয়ত।
স্পিকার বলেন, নদী, মাঁটি আর কাদাজল মেখে বেড়ে ওঠা খোকা ছিলেন অদম্য সাহসী আর প্রতিবাদী। বঙ্গবন্ধু ছিলেন সেই মহান নেতা যিনি ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে ভয় পাননি। দেশের মানুষের প্রতি নিবিড় ভালোবাসা বঙ্গবন্ধুর আসন স্থায়ী করে রেখেছে প্রতিটি বাঙালীর হৃদয়ে।
এসময় তিনি জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন করে বাংলাদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এম খালিদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, পৃথিবীর কোন দেশেই জাতির পিতাকে নিয়ে বিতর্ক নেই। সেরকম বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে না এ ব্যাপারে কোন আপোষ চলবে না।
হাসুমণির পাঠশালার সভাপতি মারুফা আক্তার পপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক জোনায়েদ হালিম।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে হাসুমণির পাঠশালার উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘আমার পিতা শেখ মুজিব উৎসব’ পর্যায়ক্রমে সারা দেশে পরিচালিত হবে।

Posted by: | Posted on: April 20, 2019

আগামীকাল পবিত্র শবেবরাত

(বাসস) : যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় আগামীকাল রোববার দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে।
হিজরি সালের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে। মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এ রাতটি ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবে পরিচিত।
পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ উপলক্ষে সোমবার সরকারি ছুটি থাকবে।
বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ এবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে রাত অতিবাহিত করবেন।
মহিমান্বিত এ রজনীতে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশ্বের মুসলমানরা বিশেষ মোনাজাত করবেন।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এক বাণীতে পবিত্র শবেবরাতে দেশের অব্যাহত অগ্রগতি, কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর ঐক্য কামনা করেছেন।
এ উপলক্ষে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘শবেবরাত মুসলমানদের জন্য এক মহিমান্বিত ও বরকতময় রজনী। মাহে রমজান ও সৌভাগ্যের আগমনী বারতা নিয়ে লায়লাতুল বরাত প্রতিবারের ন্যায় এবারও আমাদের মাঝে সমাগত।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা এবং পবিত্র শবেবরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানব কল্যাণ ও দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আসুন, সকল প্রকার কুসংস্কার ও কূপমন্ডূকতা পরিহার করে আমরা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা করি।’
এ রজনীতে বাসাবাড়ি ছাড়াও মসজিদে মসজিদে সারা রাত নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আগামীকাল বাদ মাগরিব থেকে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে রাতব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
এ কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, কুরআন তিলাওয়াত, হামদ-না’ত, ওয়াজ মাহফিল, মিলাদ ও বিশেষ মোনাজাত। ফজরের নামাজের পর আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। মোনাজাত পরিচালনা করবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।
বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিও এ উপলক্ষে ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে।
এছাড়া দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় দৈনিকগুলো বিশেষ নিবন্ধ প্রকাশ করবে।

Posted by: | Posted on: April 20, 2019

খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে বিএনপির দরকষাকষি রাজনীতির জন্য বাজে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে : হানিফ

 (বাসস) : আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, এমপি বলেছেন, দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে বিএনপির দরকষাকষি দেশের রাজনীতির জন্য বাজে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, ‘বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংসদে যাওয়া না যাওয়ার সঙ্গে কারো (বেগম জিয়া) মুক্তির সম্পর্ক নেই। কারণ, যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা ভোটারদের কাছে দায়বদ্ধ। কোন দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির মুক্তির জন্য ভোটাররা তাদের ভোট দেয় নি।’
আওয়ামী লীগের অন্যতম মুখপাত্র মাহবুব-উল আলম হানিফ আজ দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমন্ডলীর সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদের বক্তব্যের জবাবে একথা বলেন।
ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ শুক্রবার এক আলোচনা সভায় বেগম জিয়া মুক্তি পেলেই বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংসদে যাবেন বলে মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপুমনি, এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন সিরাজ, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ও কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন নাহার লাইলী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তিনি রাজনৈতিক কোন মামলায় সাজা ভোগ করছেন না।
তিনি বলেন, আইন অনুযায়ীই বেগম জিয়াকে মুক্তি পেতে হবে। এর বাইরে মুক্তি পেয়ে বিদেশে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। তবে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইলে তিনি সাজা মাফ করে দিতে পারেন।
এ বিষয়ে হানিফ বলেন, কারাগারে থাকা কারো নিকট আত্মীয়দের মধ্যে কেউ মারা গেলে বা অসুস্থ হয়ে পড়লে যথাযথ কতৃপক্ষের কাছে আবেদন করে প্যারোলে মুক্তি পাওয়া যায়। এজন্য যিনি প্যারোলে মুক্তি নিতে চান তাকে, অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে আবেদন করতে হবে।
বেগম জিয়ার মুক্তির জন্য বা প্যারোলের জন্য কেউ আবেদন করেছে বলে তার জানা নেই উল্লেখ করে হানিফ আরো বলেন, কারাগারে থাকা কোন ব্যক্তি যদি গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে তাহলে মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ নিয়েও চিকিৎসার জন্য তিনি বিদেশে যেতে পারেন।
তিনি আরো বলেন, বেগম জিয়ার প্যারোলে মুক্তি চেয়ে বিএনপির নেতারা বা তার পরিবারের কোন সদস্য আবেদন করেন নি। তার চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ডও বিদেশে চিকিৎসার জন্য কোন পরামর্শ দেয় নি। এ ধরনের কোন পরিস্থিতি হলে আদালত বিবেচনা করবেন।
দলের সম্পাদকমন্ডলীর সভার বিষয়ে হানিফ বলেন, শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের যৌথসভায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন এবং দলকে তৃণমূল থেকে ঢেলে সাজানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতির পিতার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে নানা ধরনের স্মৃতি জড়িত রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কারো কোন স্মৃতি থাকলে, সে সকল স্মৃতির সঙ্গে জড়িত কেউ বেঁচে থাকলে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেসকল স্মৃতি সংগ্রহ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনে কারো কাছে কোন ছবি থাকলে সেগুলো সংগ্রহ করা এবং বঙ্গবন্ধুর হাতের লেখা চিঠি কারো কাছে থাকলে তা সংগ্রহ করার জন্যও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সারাদেশে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে জোরদার করতে গঠিত আটটি টিমের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকরা এ কার্যক্রম দেখভাল করবেন উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন উপ-কমিটি বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করে জমা দেবে। দলের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদ তা অনুমোদন দেয়ার পর তা বাস্তবায়িত হবে।
হানিফ এ বিষয়ে আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গঠিত জাতীয় কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে দলীয় কর্মসূচি প্রণয়নও বাস্তবায়ন করা হবে।
সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পর্কে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বলেন, তৃণমূল থেকে আওয়ামী লীগকে ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকরা কর্মপদ্ধতি ঠিক করবেন।
এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, দলের ডাটাবেজ তৈরি করতে সকল পর্যায়ের নেতাদের যাবতীয় তথ্য কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এর আগে মাহবুব-উল আলম হানিফের সভাপতিত্বে দলের সম্পাদক মন্ডলীর এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।